খেলা

সমালোচকদের অনেক প্রশ্নের জবাব দিলেন মাশরাফি

প্রকাশ : ১৮ জুন ২০১৯

সমালোচকদের অনেক প্রশ্নের জবাব দিলেন মাশরাফি

ছবি-গেটি

  অনলাইন ডেস্ক

শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের বলটাকে পুল করে চার মেরে সাকিব আল হাসান ও লিটন দাস যখন জয়ের আনন্দে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেছেন ড্রেসিংরুমে মাশরাফি বিন মর্তুজা তখন বেশ শান্ত। খুব একটা উচ্ছ্বাসের বাড়াবাড়ি নেই অধিনায়কের চোখেমুখে। অনেক আগে থেকেই জয়ের বার্তা পেয়ে যায় বাংলাদেশ। সেই কারণেই হয়তো জয় উদযাপনে ততোটা উৎসাহী ছিলেন না তিনি। তবে খুব বেশি প্রতিক্রিয়া দেখিয়েও সমালোচকদের অনেক প্রশ্নের উত্তর দিলেন ‘দ্য ক্যাপ্টেন’।

টস জিতে মাশরাফি যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাটিংয়ে পাঠান তখনই প্রথম জুয়ার চালটা চালেন মাশরাফি। অনেকে বলছিলেন প্রথমে ব্যাট করলেই ভালো করতো বাংলাদেশ। মাশরাফি জানতেন, টনটনের ছোট মাঠে প্রতিপক্ষকে অল্প রানে আটকাতে পারলে জয়েনর সম্ভাবনাটা বেড়ে যাবে অনেকগুণে। প্রথমে তাই সেই কঠিন কাজটিকেই বেছে নেন ম্যাশ।

এবারের বিশ্বকাপে কেবল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচেই বল হাতে ইনিংসের সূচনা করেছিলেন মাশরাফি। বাকি দুই ম্যাচের একটিতে সাকিব ও অপরটিতে মুস্তাফিজকে দিয়ে বোলিং সূচনা করে তিনি। এবারের আসরে বল হাতে আগের তিনটি ম্যাচে বেশ খরুচে ছিলেন ম্যাশ। সমালোচকরাও তাই পেয়ে বসে তাকে।

প্রথম ওভারে বল হাতে নিয়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া শুরু করেন তিনি। প্রথম ওভারে গেইলকে হাতের বেধে রাখেন তিনি। পরের ওভারে আরেক জুয়া খেলেন মাশরাফি। মুস্তাফিজের বদলে বল তুলে দেন সাইফুদ্দিনকে। চতুর্থ ওভারে এই সাইফুদ্দিনই ফেরান বাংলাদেশের প্রথম বিপদ গেইলকে। পুরো ম্যাচের ওভার প্রভাব ফেলেছে মাশরাফির সেই সিদ্ধান্ত। ৩ উইকেট নিয়ে ক্যারিবীয় রান চাকাটাকে আটকে রাখার কাজটি বেশ ভালোভাবেই করেছেন এই পেসার।

প্রথম ৫ ওভারে মাত্র ৯ রান দেন মাশরাফি। পরের চার ওভারে ২৭ রান দেন তিনি। ততক্ষণে অবশ্য উইকেটে আসমন গেড়ে বসেন লুইস-হেটমেয়াররা। টনটনে ৮ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে পুরো ম্যাচের সবচেয়ে কৃপণ বোলার ছিলেন মাশরাফি। প্রথম ১০ ওভারে ক্যারিবীয়ে ব্যাটসম্যানদের হাত খোলাই সুযোগ দেননি তিনি। বল হাতে মাশরাফির এমন কৃপণ পারফরম্যান্স নিশ্চয় সমালোচকদের মুখ বন্ধ করেছে।

মন্তব্য


অন্যান্য