খেলা

ঢাকা পর্বে অপরাজিত সাকিবরা

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০১৯

ঢাকা পর্বে অপরাজিত সাকিবরা

ছবি: বিসিবি

  অনলাইন ডেস্ক

বিপিএল ইতিহাসের সফলতম দল ঢাকা ডায়নামাইটস। প্রত্যেক আসরের তুলনামূলক সেরা দল গঠন করেছে তারা। এবারও আসরের অন্যতম সেরা দল ঢাকার। ষষ্ঠ আসরে দারুণ সেই দল নিয়ে এখন পর্যন্ত অপ্রতিরোধ্য তারা। কোন দলকে পাত্তাই দিচ্ছেন না সাকিববাহিনী। ঢাকা পর্বে শেষ হয়েছে সাকিবদের ম্যাচ। চার ম্যাচ খেলে ঢাকা হারেনি কোন ম্যাচে। পেয়েছে বড় বড় জয়।

শনিবার ঢাকার প্রতিপক্ষ ছিল আসরের অন্যতম সেরা দল সিলেট সিক্সার্স। দেশি-বিদেশি তারকা নিয়ে দারুণ দল তাদের। ঢাকার দলে যেমন আছেন সাকিব, পোলার্ড, নারিন, রাসেলরা। তেমিন সিলেটে আছেন ওয়ার্নার, লিটন, সাব্বির, পুরানরা। জমাট এক ম্যাচের বার্তা পাওয়া যায় দল দেখে। কিন্তু সাকিবের দলের কাছে পাত্তা পেল না তারা। ঢাকা জিতলো ৩২ রানের বড় ব্যবধানে।

ঢাকা তাদের খেলা চার ম্যাচেই প্রথমে ব্যাট করেছে। শুরুতে তুলেছে ভালো রান। এরপর প্রতিপক্ষকে নিজেদের বোলিং তোপে ফেলে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছে। ব্যতিক্রম ছিল কেবল রংপুরের বিপক্ষে ম্যাচটি। ওই ম্যাচে মাত্র ২ রানে জয় পায় সাকিবরা। এছাড়া খুলনার বিপক্ষে ১০৫ এবং রাজশাহীর বিপক্ষে ৮২ রানের বড় জয় পায় ঢাকা।

সিলেটের বিপক্ষে মিরপুরে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে সাকিবরা শুরুতে ব্যাট করে ১৭৩ রান তোলে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেন রনি তালুকদার। এছাড়া নারিন ২৫, সাকিব ২৩ এবং নাঈম শেখ ২৫ রান করেন। জবাবে সিলেট করতে পারে ১৪১ রান। দলের হয়ে নিকোলাস পুরান ৭২ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন। তার ৪৭ বলের ওই ইনিংসে ছক্কা নয়টি। চার মাত্র একটি।

তবে অন্য ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় হারতে হয় তাদের। দলের হয়ে শেষ দিকে তাসকিন ১৯ বলে ১৮ রান করেন। আর কেউ দাঁড়াতে পারেননি। ওয়ার্নার শুরুতে ৭ রান করে আউট হন। স্থানী খেলোয়াড়দের কেউ এ ম্যাচেও রান পাননি। অথচ সিলেটের দলে লিটন, সাব্বির, নাসির, আফিফের মতো টি-২০ খেলতে পছন্দ করা স্থানীয় তারকা আছেন। 

ঢাকার হয়ে এ ম্যাচে রুবেল হোসেন ৩ ওভারে ২২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। এছাড়া সাকিব, শুভাগত নেন দুটি করে উইকেট। আলিস এবং নারিন একটি করে উইকেট পান। সিলেটের হয়ে এ ম্যাচে ৪ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তাসকিন। সোহেল তানভির, আল আমিন, আফিফ এবং অলক কাপালি একটি করে উইকেট পান।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

তিন-চারটি প্রস্তাব নাকচ মরিনহোর!


আরও খবর

খেলা

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

মরিনহো চাকরি হারা প্রায় আড়াই মাস। তবে গ্রীষ্মকালীন দলবদলের মৌসুমে তিনি আবার কোচিংয়ে ফিরতে চান। আর সেজন্য প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। পর্তুগিজ কোচ মরিনহো এরই মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ ও পর্তুগাল জাতীয় দলের দায়িত্ব নিচ্ছেন বলে গুঞ্জন বের হয়। কিন্তু কোনটা সত্যি হয়নি। তবে মরিনহো জানিয়েছেন, তিনি ইতিমধ্যে তিন-চারটি ক্লাবের দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন।

বেন স্পোর্টসকে ৫৬ বছর বয়সী মরিনহো বলেন, 'আসল কথা হলো আামি আগামী মৌসুমের শুরুতে কোচিংয়ে ফিরতে চাই। নতুন ক্লাবের হয়ে। আমি ভালোমতোই জানি, আমি কি চাই না। আর সে কারণে আমি এরইমধ্যে তিন-চারটি ক্লাবের প্রস্তাবকে না করে দিয়েছি।'

মরিনহো কোন জাতীয় দলের কোচিংয়ে নামছেন না বলেও জানিয়েছেন। কারণ তিনি ক্লাবের ব্যস্ত সূচির মধ্যে ব্যস্ত থাকতে চান, 'আমি জানি, আমি কি চাই। নামধরে কোন ক্লাবের দায়িত্ব নিতে চাই বলবো না। তবে যেখানে কাজের বৈচিত্র থাকবে। কাজ করায় নতুন চ্যালেঞ্জ আছে সেখানে দায়িত্ব নিতে চাই। সেজন্যই অপেক্ষা করছি।'

তিনি বলেন, 'জাতীয় দলের কোচিং করানো খুবই আলাদা কাজ। আমি নিত্য দিনকার ফুটবল চাই, অনেক ম্যাচ চাই, অনেক প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে চাই। যখন আপনি সপ্তাহে ছয়টি সংবাদ সম্মেলন, তিনটি করে ম্যাচ, ম্যাচের আগে-পরে বিশ্লেষণে নামবেন তখন নিজেকে নিয়ে ভাববার সময় থাকবে না আপনার।'

মরিনহো চাকরিহীন আছেন বলে তিনি ছুটি কাটাচ্ছেন এমন নয় বলেও উল্লেখ করেছেন। তিনি ছুটি কাটালে তার মানে দাঁড়াবে ফুটবল মরিনহো বিরক্ত। বরং এই কাজহীন সময়টায় তিনি আগামী মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান মরিনহো। নতুন কোথাও আবার মরিনহো জয়ের মিশনে নামবেন সেটাই এখন দেখার বিষয়। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আইপিএল খেলতে বাধা নেই সাকিবের


আরও খবর

খেলা

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

আঙুলের ইনজুরি থেকে ফিরে পুরোদমে অনুশীলন করেছেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। চোট পাওয়া আঙুলে কোন ব্যথা নেই বলে তিনি জানিয়েছেন। এছাড়া বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরীর মনে করছেন সাকিবের কোন সমস্যা নেই। তারপরও বুধবার চিকিৎসকরা তার সঙ্গে বসেন। তাদের মতামত নিয়েই বিসিবি সাকিবের আইপিএল খেলার ছাড়পত্র দেওয়ার কথা ভাবে।

তবে ছাড়পত্র সাকিবকে আগেই দেওয়া হয়েছে বলে জানান ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, সাকিবকে এরই মধ্যে অনাপত্তিপত্র দেওয়া হয়েছে। তার ফিটনেস দিয়ে কোন সমস্যা নেই। সাতদিনের মতো অনুশীলন করেছে সাকিব। চিকিৎসকরা ২০ তারিখ পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছিল। সাকিব সেটা ভালোমতোই পার করেছে।

বাংলাদেশ অলরাউন্ডার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মাঠে নামার অপেক্ষায় আছেন। আগামী ২৩ মার্চ থেকে মাঠে গড়াবে আইপিএলের আসর। সাকিবের দলের খেলা ২৪ মার্চ। কলকাতার ইডেন গার্ডেনে সাকিবরা প্রথম ম্যাচ খেলবেন। তবে সাকিব কবে দেশ ছাড়বেন তা এখনও জানা যায়নি।

এর আগে বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরী সংবাদ সংস্থা বিএসএস'কে বলেন, 'আমরা সাকিবের ফিটনেস পরীক্ষা নেওয়া নিয়ে ভাবছি না। তার এক্স রে'ও করানোরও দরকার নেই। আমরা কেবল তার থেকে শুনতে চাই তিনি কেমন অনুভব করছেন। কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা। তিনি ঠিকঠাক ব্যাটিং, ফিল্ডিং এবং ক্যাচ ধরতে পারছেন। তবুও আমরা তার থেকে শুনতে চাই।'

সাকিবকে আইপিএলে খেলার অনুমিত দেওয়ার বিষয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাহি নাজিমউদ্দিন চৌধুরী মঙ্গলবার বলেন, 'সাকিব একটা ইনজুরি থেকে উঠেছে। সে অনুশীলনে ফিরেছে। কিন্তু তার অবস্থা আরও একবার মূল্যায়ন করা হবে। তবেই আমরা তাকে অনাপত্তিপত্র দিতে পারবো।' বিসিবির চিকিৎসকদের সঙ্গে সেজন্য সাকিবের বুধবার বসার কথা ছিল।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ভারতের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ মেয়েদের


আরও খবর

খেলা

ছবি: বিএফএফ

  অনলাইন ডেস্ক

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশীপে বরাবরই শক্তিশালী দল ভারত। কিন্তু তাদের বিপক্ষে জিততে মরিয়া ছিল মনিকারা। সর্বোচ্চটা দিয়েই খেলার কথা জানায় বাংলাদেশ নারী ফুটবলের দলের সদ্যসরা। কিন্তু হিমালয়ের দেশে সাবিনারা পেরে উঠলো না সাবিত্রাদের সঙ্গে। ভারতের কাছে সেমিফাইনালে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধান হেরে সাফের আসর থেকে বিদায় নিয়েছে মেয়েরা।

বুধবার নেপালের বিরাটনগরের রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে ভারতের মেয়েদের কাছে পাত্তাই পায়নি আঁখি-মনিকারা। শুরু থেকেই আক্রমণ করে খেলতে থাকে ভারতের মেয়েরা। প্রথমার্ধেই ম্যাচ নিয়ে নেয় নিজেদের কব্জায়। বাংলাদেশের জালে দেয় তিনগোল। দ্বিতীয়ার্ধেও বাংলাদেশের মেয়েরা ম্যাচে ফিরতে পারেনি। উল্টো ম্যাচের শেষ সময়ে গোল খেয়ে বড় ব্যবধানে হারে মেয়েরা।

এর আগের ম্যাচে নেপাল হারিয়েছে শ্রীলংকাকে। ঘরের মাঠে তারা প্রথম সেমিফাইনালে জিতে উঠে গেছে শিরোপা মঞ্চে। ভারত দ্বিতীয় সেমিতে বাংলাদেশকে হারিয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হলো।

এরআগে ২০১৬ সালে ভারতের শিলিগুড়িতে সাফের ফাইনালে উঠে মেয়েরা। ওই ম্যাচেও ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে হারে বাংলাদেশের মেয়েরা। ওই আসরেই গ্রুপ পর্বে ভারতের সঙ্গে ড্র করে বাংলাদেশ। দু'দলের দশ দেখায় বাংলাদেশের মেয়েদের সেরা সাফল্য ওই একটি ড্র।এ নিয়ে অন্য নয় ম্যাচে (বুধবারের ম্যাচ) ৪৩ গোল হজম করল মেয়েরা।

ভারত অবশ্য সাফে অপ্রতিরোধ্য। তারা এ পর্যন্ত ২১ ম্যাচ খেলে ২০টিতে জয় পেয়েছে। পা হড়কানোর ম্যাচটা বাংলাদেশের বিপক্ষে। সাফ চ্যাম্পিয়নশীপের ফাইনালে আগামী ২২ মার্চ ভারত-নেপাল মুখোমুখি হবে।  

সংশ্লিষ্ট খবর