খেলা

দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরলেন গেইল

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯

দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরলেন গেইল

  অনলাইন ডেস্ক

স্কোরবোর্ডে লেখা হয়েছে 'গেইল ক্যাচ বাই পোলার্ড'। কিন্তু লেখা যেত 'গেইল ক্যাচ বাই রাসেল এন্ড পোলার্ড'। কারণ দুর্দান্ত যে ক্যাচ দিয়ে তিনি ফিরেছেন তাতে পোলার্ডের চেয়ে রাসেলের অবদান বেশি। কিংবা সমানে সমান। কারণ সময় মতো পোলার্ডও এসেছিলেন ছুটে। তবে ক্যাচ যেই ধরুক না কেন এখন পর্যন্ত বিপিএলের অন্যতম সেরা ক্যাচ এটি। আর সেই ক্যাচে কাটা পড়লেন গেইল। 

রংপুরের বিপক্ষে প্রথমে পোলার্ড এবং রাসেল দারুণ ব্যাট করে। উইন্ডিজের জবাব উইন্ডিজ দিয়েই হয়তো দিতে চেয়েছিলেন গেইল। আর তাই দ্বিতীয় ওভারে বল হাতে নেওয়া শুভাগত হোমের ওপর চড়াও হন তিনি। তাকে ছক্কাও মারেন একটি। এরপর আম্পায়ারের দেওয়া এলবিডব্লিউ আউট রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান গেইল।

এরপরের বলেই আবার তুলে মারেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিস্ফোরণ। কিন্তু ঠিক মতো লাগেনি ব্যাটে। তবুও ছক্কা হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু সেখানে তালগাছের মতো দাঁড়িয়ে থাকা আন্দে রাসেল লাফিয়ে বলটি মুঠোয় পোরেন। এরপর বলসহ মাঠের বাইরে চলে যাচ্ছেন দেখে দ্রুত শূন্য থেকে বল ছুড়ে দেন রাসেল। ছুটে আসা আরেক ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা পোলার্ড ধরে নেন সেই বলটি।

হাতে এসে পড়া পোলার্ডের জন্য বলটি তালুবন্দি করতে অসুবিধা হয়নি। দলের হয়ে বড় রান তাড়া করতে নামা গেইল ৯ বলে ৮ রান করে ফিরে যান। রংপুরের রান তখন মাত্র ১৯।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

লিভারপুর ত্রিফলায় বিদ্ধ ক্রিস্টাল প্যালেস


আরও খবর

খেলা

  অনলাইন ডেস্ক

রোগটা গেল মৌসুমে ছিল লিভারপুলের। নিজেরা তিনটা কিংবা চারটা গোল দিয়ে খেয়ে গেছে তিনটি। তিন গোল দেওয়ার পর চারটি খেয়ে ম্যাচও হেরেছে লিভারপুল। ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সেই রোগে আবারও ধরল অল রেডসদের। তবে লিভারপুল ত্রিফলার সঙ্গে শেষ পর্যন্ত পারেনি প্যালেস। হারতে হয় ৪-৩ ব্যবধানে।

গোল খাওয়া এই রোগ সারাতে লিভারপুল কোপ জার্গেন ক্লপ টাকার কাড়ি খরচা করে ভ্যান ডাইক, ফ্যাবিনহো, অ্যালিসনদের দলে ভিড়িয়েছে। রোগ অবশ্য কেটেও গিয়েছিল লিভারপুলের। চলতি মৌসুমে লিগে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষ থাকা। চ্যাম্পিয়ন লিগের শেষ ষোলোয় কঠিন গ্রুপ থেকে জায়গা করে নেওয়া তার প্রমাণ। কিন্তু আবার সেই রোগ হতাশ না করে পারে না লিভারপুল কোচকে। তাও আবার অল রেডসরা খেলেছে ঘরের মাঠে।

ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ে লিভারপুল। ম্যাচের ৩৪ মিনিটে গোল দেয় ক্রিস্টাল প্যালেস। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ৪৬ মিনিটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরায় মোহামেদ সালাহ। এরপর ৫৩ মিনিটে গোল দিয়ে অলরেডসরা জানান দেয় ছন্দে ফিরেছ তারা। গোল করেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার ফিরমিনো। তবে ৬৫ মিনিটে গোল শোধ দিয়ে আবার ম্যাচ জমিয়ে দেয় প্যালেস।

ম্যাচের ৭৫ মিনিটে সালাহ তার দ্বিতীয় গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। এরপর অতিরিক্ত সময়ে গোল করেন লিভারপুলের আরেক ফলা সাদিও মানে। ত্রিফলার গোলে ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় লিভারপুল। ম্যাচ তখন শেষ বাঁশি বাজার অপেক্ষায়। বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে চলেছে লিভারপুল। টিভি কিংবা মাঠের দর্শকও কিছু কিুছু হয়তো মাঠ ছাড়তে শুরু করেছেন। এমন সময় ম্যাচের ৯৫ মিনিটে গোল করে ব্যবধান ৪-৩ করে ফেলে ক্রিস্টাল প্যালেস। লিভারপুলকে জয়ের সঙ্গে কপালে একটু ভাঁজ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সেভিয়াকে হারিয়ে জায়গা দখল রিয়ালের


আরও খবর

খেলা

ছবি: গোল

  অনলাইন ডেস্ক

মৌসুমে কান কাটতে আর বাকি নেই রিয়ালের। হার-ড্রয়ের বৃত্তেই আছে তারা। কোচ বদলেও কাটেনি বাজে দশা। লিগ টেবিলে পাঁচে পর্যন্ত নামতে হয়েছে তাদের। তবে সেভিয়ার বিপক্ষে শেষের ঝলকে ২-০ গোলের জয় পেয়েছ লস ব্লাঙ্কোসরা। তাতে সেভিয়াকে হটিয়ে তৃতীয় স্থানে উঠে গেছে রিয়াল। সমান ম্যাচে সেভিয়ার থেকে ৩ পয়েন্ট এগিয়ে গেল তারা।

রিয়াল তিনে উঠলেও বার্সা-অ্যাথলেটিকোর চেয়ে ঢের পিছিয়ে তারা। টানা জয় কিংবা দারুণ ছন্দে থাকা বার্সা পা না হড়কালে ধরতে পারার সম্ভাবনা কম রিয়ালের। বার্সেলোনা লিগে রিয়ালের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলেও এগিয়ে আছে ৭ পয়েন্ট। আর দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ এক ম্যাচ কম খেলে এগিয়ে ২ পয়েন্টে।

সেভিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে জিততে অবশ্য ঘাম ছুটে গেছে রিয়ালের। লা লিগায় ক’মৌসুম ধরে ভালো করছে সেভিয়া। তাদের হারানো এখন আর সহজ কাজ নয়। ম্যাচের নিয়ন্ত্রন অবশ্য ছিল রিয়ালের পায়ে। গোলে বেশি কিছু আক্রমণও করেছে তারা। কিন্তু গোলবারের মুখ খুলতে পারছিল না রিয়াল মাদ্রিদ।

শেষে মনে হয়েছে আর নয়টা ম্যাচের মতোই সেভিয়ার বিপক্ষেও পয়েন্ট হারাচ্ছে রিয়াল। চলতি মৌসুমে তাদের মতো দুর্ভাগা দল যে আর নেই। গোলবারে শট মারারও রেকর্ড হয়ে গেছে তাদের। অথচ মৌসুমের সবে অর্ধেক। খেলোয়াড়দের ইনজুরি তো কাটছেই না। তবে সেভিয়ার বিপেক্ষে আর দূর্ভাগ্য নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়নি সোলারির।

ম্যাচের ৭৮ মিনিটে কাসেমিরোর গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল। ওই গোলেই সন্তুষ্ট ছিল রিয়াল। গোল দিতে না পারা রিয়াল আর গোল দিতে পারবে সেই ভরসা হয়তো করেনি কেউ। তবে ম্যাচের যোগ করা সময়ে গোল করে স্কোরটা দেখার মতো করেছেন মডরিচ।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

চিটাগংয়ের পাহাড় টপকাতে পারল না খুলনা


আরও খবর

খেলা

  অনলাইন ডেস্ক

এবারের বিপিএলের সর্বোচ্চ রান তুলেছে চিটাগং ভাইকিংস। সিলেট পর্বের শেষ দিনে যেন বিপিএল জমিয়ে দিল দিনের দুই ম্যাচই। তার মধ্যে বিপিএল ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তুলল মুশফিকের চিটাগং। জবাবে ভালো রান তুলেছে খুলনাও। কিন্তু চিটাগংয়ের তোলা পাহাড় তো টপকানো সহজ কথা নয়। পারেনি খুলনাও। দুইশ’ছাড়ানো লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হেরেছে ২৬ রানে। হারের ব্যবধান ভদ্রস্ত দেখালেও। হেসে খেলেই জিতেছে চিটাগং।  

বিপিএলের ঢাকা পর্ব ছিল ম্যাড়মেড়ে। সিলেটে ফিরে শেষটায় উজ্জ্বীবিত হয়েছে বিপিএল। এবার ঢাকায় এসে আবার কি হাল হয় দেখার বিষয় সেটিই। এ ম্যাচে শুরুতে খুলনার বিপক্ষে ব্যাট করে ২১৪ রান তোলে চিটাগং। দলের হয়ে ইয়াসির আলী ৫৪ রান করেন, মুশফিক খেলেন ৫২ রানের দারুণ ইনিংস। আর দাশুন শানাকার ১৭ বলে ৪২ রানের ঝড়ে বড় সংগ্রহ পায় চিটাগং। 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে খুলনা। দলের ১৮ রানে হারায় ৩ উইকেট। পাহাড় টপকাতে গিয়ে খাদে পড়ে তারা। সেখান থেকে দলকে উদ্ধারের পথ দেখান ব্রেন্ডন টেইলর এবং মাহমুদুল্লাহ। জিম্বাবুয়ের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান করেন ১৬ বলে ২৮ রান। এছাড়া মাহমুদুল্লাহ ২৬ বলে ৫০ রান করে ফেরেন। জয়ের সম্ভাবনা মাহমুদুল্লাহ ফিরে গেলেই শেষ হয়ে যায় খুলনার। পরে উইসি ২০ বলে ৪০ এবং তাইজুল ২১ বলে ২২ রান করলে ১৮৮ রান তুলতে পারে খুলনা। 

চট্টগ্রামের হয়ে ৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন আবু জায়েদ। দুটো করে উইকেট নেন দেলপোর্ট এবং খালেদ আহমেদ। দারুণ ইনিংস খেলায় ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেছেন মুশফিকুর রহিম। পাঁচ ম্যাচে চার জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মুশফিকের দল চিটাগং। আর সাত ম্যাচে এক জয়ে টেবিলে তলানিতে খুলনা। কার্যত খুলনার সুপার ফোরে যাওয়ার সুযোগ সুতোর ওপর ঝুলছে।

সংশ্লিষ্ট খবর