খেলা

বিপিএলের সময় পরিবর্তন

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০১৯

বিপিএলের সময় পরিবর্তন

ছবি: বিসিবি

  অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসরের পরবর্তী ম্যাচের সময়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিপিএল শুরু হয়েছে চলতি মাসের ৫ জানুয়ারি থেকে। প্রতিদিন দুটি করে ম্যাচ মাঠে গড়াচ্ছে। বিপিএলে দিনের প্রথম ম্যাচের সময় নির্ধারণ করা হয় দুপুর ১২.৩০ মিনিটে। পরের ম্যাচের সময় ছিল বিকেল ৫.২০ মিনিটে। শিশিরের কারণে ম্যাচের এই সময় সূচি নির্ধারণ করা হয়।

কিন্তু আগামী শনিবার থেকে অনুষ্ঠিত হওয়া ম্যাচের সূচিতে আনা হয়েছে কিছুটা পরিবর্তন। সূচি অনুযায়ী, শনিবার (১২ জানুয়ারি) প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে চিটাগং ভাইকিংস ও খুলনা টাইটান্স। ওই ম্যাচের সূচি নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে দুপুর ১২.৩০ মিনিটের বদলে ১.৩০ মিনিটে। এরপর দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে খেলবে ঢাকা ডায়নামাইটস এবং সিলেট সিক্সার্স। ওই ম্যাচের সময় ছিল বিকেল ৫.২০ মিনিটে। কিন্তু ম্যাচটা মাঠে গড়াবে সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে।

বিপিএলের পরবর্তী ম্যাচগুলো ওই সময় অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। সে হিসেবে রোববার (১৩ জানুয়ারি) প্রথম ম্যাচে সূচি অনুযায়ী, মুখোমুখি হবে রংপুর রাইডার্স ও রাজশাহী কিংস। এই ম্যাচটাও অনুষ্ঠিত হবে দুপুর ১.৩০ মিনিটে। এরপর দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চিটাগং ভাইকিংস খেলবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে। ওই ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনেটে। বিসিবি'র পক্ষ থেকে নতুন এই সূচি নির্ধারণের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। দর্শক খরা কাটাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। 

তবে শুক্রবারের ম্যাচের সূচিতে কোন পরিবর্তন আনা হয়নি। আগামীকাল শুক্রবার সূচি অনুযায়ী ম্যাচ মাঠে গড়াবে দুপুর দুইটায়। এছাড়া দ্বিতীয় ম্যাচ রাখা হয়েছে সন্ধ্যা সাতটায়। সূচি অনুযায়ী, শুক্রবারের প্রথম ম্যাচে ঢাকা ডায়নামাইটস ও রংপুর রাইডার্স মাঠে নামবে। এছাড়া দ্বিতীয় ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও রাজশাহী কিংস মুখোমুখি হবে আগের সূচির সময়ে। বিপিএলের পরবর্তী শুক্রবারের ম্যাচগুলোও নির্ধারিত সময়ে মাঠে গড়াবে। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

এবার চ্যাম্পিয়নদের হারাল সিলেট


আরও খবর

খেলা

ছবি: বিসিবি

  অনলাইন ডেস্ক

তলানিতে পড়ে থাকা দল রাজশাহীর কাছে এরআগে ম্যাচ হেরেছে গেলবারের চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্স। এবার হারল আরেক তলানিতে থাকা দল সিলেট সিক্সার্সের কাছে। দারুণ এক দল নিয়েও বিপিএলের ষষ্ঠ আসরে ঠিক পেরে উঠছিল না সিলেট। এবার ঘরের মাঠ আর দর্শকদের কানফাঁটা চিৎকারে ঘুম ভাঙলো তাদের। স্থানীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে ব্যাটিংয়ে-বোলিংয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খেলল বিদেশিরা। তাতে সিলেট ২৭ রানে জয় পেল রংপুরের বিপক্ষে।

বুধবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ১৮৭ রানের বড় সংগ্রহ পায় সিলেট। দলের হয়ে ব্যর্থতার বৃত্তে থাকা লিটন দাস এ ম্যাচে করেন ৪৩ বলে ৭০ রান। এছাড়া আরেক ব্যর্থ তারকা সাব্বির রহমান খেলেন ২০ বলে ২০ রানের ইনিংস। এরপর ডেভিড ওয়ার্নারের ৩৬ বলে হার না মানা ৬১ রান এবং নিকোলাস পুরানের ১৬ বলে ২৬ রানের সুবাদে ওই সংগ্রহ পায় সিলেট। 

জবাবে দলের ১১ রানের মাথায় গেইল, মেহেদি মারুফ এবং অ্যালেক্স হেলসকে হারায় রংপুর রাইডার্স। বিপিএলে এখন পর্যন্ত হাসেনি গেইলের ব্যাট। এছাড়া হেলসও ব্যর্থ এখন পর্যন্ত। তবে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা রাইলো রুশো এ ম্যাচেও খেলেন দারুণ এক ইনিংস। রুশো ৩২ বলে ৫৮ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে দলের একশ’ রানের মাথায় আউট হন। পরে মোহাম্মদ মিঠুন ২৯ বলে ৩৫ এবং মাশরাফি মর্তুজা ২৭ বলে ৩৩ রান করেন। তাতে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬০ রান তোলে রংপুর। 

সিলেটের হয়ে এ ম্যাচে ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয় ২ উইকেট নেন তাসকিন। এরমধ্যে রুশো এবং মোহাম্মদ মিঠুনের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট দখল করেন এই পেসার। মেহেদি রানা পান ২ উইকেট। দারুণ বল করা সোহেল তানভির ৪ ওভারে ২২ রানে এক উইকেট নেন। এছাড়া নেপালের লেগ স্পিনার সন্দিপ লামিচানে ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান খরচায় এক উইকেট পান। রংপুরের হয়ে শাফিউল ইসলাম ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে ৩ উইকেট পান। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ডানহাতি ওয়ার্নার দর্শন


আরও খবর

খেলা
ডানহাতি ওয়ার্নার দর্শন

প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০১৯

রংপুরের বিপক্ষে দারুণ ইনিংস খেলা সিলেট অধিনায়ক ওয়ার্নার।

  অনলাইন ডেস্ক

ছোটবেলা থেকেই বেজায় পিটিয়ে খেলেন ডেভিড ওয়ার্নার। তাকে থামানো যায় না। ওয়র্নারের শৈশবের কোচ বিষয়টি নিয়ে মোটেও খুশি ছিলেন না। তাই ডানহাতি ওয়ার্নারকে তিনি বানিয়ে ফেললেন বামহাতি। অন্তত ওয়ার্নার নতুন ব্যাটিং স্টাইলে একটু রয়ে সয়ে খেলবে এই ছিল কোচের যুক্তি। কিন্তু ওয়ার্নার থামার নয়। তিনি সমানে পিটিয়েই খেলতেন। এছাড়া শুরুর দিকে মাঠেও ডান-বাম দুই হাতে ব্যাট করেছেন তিনি। কিন্তু ক্রিকেটের গতির সঙ্গে না যাওয়ায় তাকে যে কোন এক পজিশনে ব্যাট করার কথা বলেন মাঠের আম্পায়ার।  

মারকুটে এই ওয়ার্নার কতটা ভয়ঙ্কর তা জাতীয় দল এবং বিভিন্ন লিগে আগেই দেখিয়েছেন। এবার দেখালেন বিপিএলে। সঙ্গে আরও একটি জিনিস দেখালেন। আর তা হলো ওয়ার্নারের ডানহাতে ব্যাটিং। ডানহাতে ব্যাট করা ওয়ার্নার যে ভুলে যাননি তা আবার বিপিএল ভক্তদের সামনে তুলে ধরলেন।

ডানহাতে ব্যাটিং করা ওয়ার্নার। 

সিলেটের ইনিংসের ১৯তম ওভারের কথা। বামহাতে ৩২ বল খেলে ফেলেছেন ওয়ার্নার। রানও তুলেছেন বেশ ভালো গতিতে। কিন্তু গেইলের করা ওই ওভারে হুট করে মারতে পারছেন না ওয়ার্নার। প্রথম বলে দুই রান নেওয়ার পরের দুই বল ডট। ওয়ার্নার তার ব্যাটিং স্টাইল বদল করলেন। তিনি বামহাতি হওয়ায় গেইল ডানহাতি স্পিনে কিছুটা সুবিধা নিচ্ছিলেন। ওয়ার্নার তাই ডানহাতি বনে গেলেন। পরের তিন বলে অজি তারকা নিয়েছেন ১৪ রান। চারের মার দুটি, একটি ছক্কা।

আর রংপুরের বিপক্ষে ওয়ার্নারের ব্যাট থেকে এসেছে ৩৬ বলে ৬১ রানের হার না মানা ইনিংস। ওয়ার্নার ওই ইনিংস খেলার পথে ছক্কা মেরেছেন দুটি। আর চারের মার মেরেছেন ছয়টি।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

লিটন-ওয়ার্নারের ব্যাটে বড় রান সিলেটের


আরও খবর

খেলা

ওপেনিংয়ে নেমে ভালো জুটি গড়েন লিটন দাস এবং সাব্বির রহমান।

  অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা পর্বে ওয়ার্নার সাবধানী এক ইনিংস খেলে জানান দিয়েছেন তিনি ফুরিয়ে যাওয়ার নন। বল টেম্পারিং কান্ডে আন্তর্জাতিক এবং ঘরোয়া নিষেধাজ্ঞায় আছেন তিনি। কিন্তু একই সঙ্গে তিনি বিশ্বকাপ জয়ী লিজেন্ড। আর লিজেন্ডদের প্রমাণের কিছু থাকে না। রংপুরের বিপক্ষে অপরাজিতা এক ইনিংস খেলে সেটারই জানান দিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। তার আগে লিটন দাস এবারের আসরে দেখিয়েছেন তার হাতেও খেলা আছে। তাদের দু'জনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে মাশরাফিদের সামনে ১৮৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছে সিক্সার্স।

সিলেটের হয়ে শুরুতে এ ম্যাচে ওয়ার্নারের বদলে ওপেন করতে নামেন সাব্বির রহমান। তার সঙ্গী লিটন দাস। দু'জনে শুরু করেন ভালো। সাব্বির ২০ বলে ২০ করে যখন ফিরেছেন সিলেটের রান ততক্ষণে ৭.৩ ওভারে ৭৩। এরপর সাব্বির ফিরে গেলেও ঝড় থামেনি লিটনের ব্যাটে। তিনি খেলেছেন ৪৩ বলে ৭০ রানের দারুণ এক ইনিংস।

ওই ইনিংস খেলার পথে দারুণ সব শট খেলেছেন লিটন দাস। চারের মার মেরেছেন নয়টি। আর ছক্কা একটি। তার সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ওয়ার্নারও দারুণ শুরু করেন। দু'জনে মিলে ১২ ওভারের মধ্যে দলের রান একশ' পূর্ণ করেন। এরপর লিটন দাস আউট হয়ে ফিরলেও রান বাড়িয়ে নেওয়ার কাজ এগিয়ে নেন ওয়ার্নার।

অজি তারকা করেন ৩৬ বলে ৬১ রান। ছয়ের মার মারেন দুটি। এছাড়া চার আছে ছয়নি। এরমধ্যে আবার গেইলের করা এক ওভারের প্রথম তিন বলে মাত্র ২ রান নিতে পারেন ওয়ার্নার। ওমনি হুট করে ডানহাতে ব্যাট করতে শুরু করেন ওয়ার্নার। তাতে গেইলের ওভারের শেষ তিন বলে দুটি চার এবং একটি ছক্কা হাঁকান এই তারকা। শেষ পর্যন্ত তার দল ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রানে থামে। 

সংশ্লিষ্ট খবর