খেলা

মেসিহীন বার্সার উড়ন্ত জয়

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮

মেসিহীন বার্সার উড়ন্ত জয়

ছবি: এএফপি

  অনলাইন ডেস্ক

কালচারাল লিওনেসাকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করে কোপা দেল রে'র শেষ ষোলোতে পৌছে গেছে মেসি-সুয়োরেজহীন বার্সেলোনা। জোড়া গোল পেয়েছেন বার্সার রাইট ব্যাক ড্যানিস সুয়ারেজ। অপর দুটি গোল মুনির হাদ্দাদি ও ম্যালকমের।

এর আগে লিওনেসার বিপক্ষে প্রথম লেগে ল্যাঙ্গলেটের একমাত্র গোলে জয় পায় কাতালানরা। বুধবার রাতে ক্যাম্প ন্যুতে দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হয় দু'দল। মেসিরা না খেললেও তাদের পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পাওয়া ফুটবলাররা কোচের আস্থার বেশ প্রতিদান দিয়েছেন। ঘরের মাঠে জিততে বার্সাকে কোন বেগ পেতে হয়নি।

ম্যাচের শুরু থেকে আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। গোলের জন্যও অপেক্ষা করতে হয়নি বেশী সময়। শুরুর ১৮ মিনিটে মুনির হাদ্দাদির গোলে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। ইভান রাকিটিচের বাড়ানো বল থেকে দারুণ এক গোল করে দলে সুযোগ পাওয়া এই তারকা। ম্যাচের ২৬ মিনিটে আবার রাকিটিচের পাস ধরে গোল করেন ড্যানিশ সুয়ারেজ। এরপর প্রথমার্ধের শেষ সময়ে ম্যালকমের গোলে ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় ভালভার্দের শিষ্যরা।

বিরতির পর লিওনেসা বার্সার অর্ধে বেশ কিছু আক্রমণ তোলে। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে ইউসেপ সেনের গোলে ব্যবধান কমায় তারা। এরপর ম্যাচের ৭০ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। দলের চতুর্থ ও নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ড্যানিশ সুয়ারেজ। দলের হয়ে তিনটি পাস দিয়ে দারুণ এক রেকর্ড গড়েছেন রাকিটিচ। এর আগে কোপা দেল রে'র ম্যাচে তিনটি পাস দেওয়ার কীর্তি আছে হামেশ রদ্রিগেজের। এই জয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-১ ব্যবধানে জিতে কোপা দেল রে'র রাউন্ড অফ সিক্সটিনে উঠে গেলো কাতালানরা।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

কুমিল্লার বিপক্ষে জুনায়েদ ভেলকি


আরও খবর

খেলা

কুমিল্লার বিপক্ষে দারুণ এক ইনিংস খেলার পথে খুলনার ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দিকী।

  অনলাইন ডেস্ক

'ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা, ...আধমরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।' শক্তিতে বলিয়ান তারুণ্যের উদ্দেশ্যে কবিতাটি লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের। কিন্তু এবারের বিপিএলে তরুণরা সিনিয়দের জাগাবে কি তারাই সব ঘুমিয়ে পড়েছেন। খুলনার নাজমুল শান্ত, আরিফুলের ব্যাটে রান নেই। রাজশাহীর সৌম্য, মুমিনুলরা ব্যর্থ। সিলেটের সাব্বির-নাসির এখনও বিবর্ণ। ব্যাট হেসেছে কেবল সাকিব-মুশফিক কিংবা জুনায়েদ সিদ্দিকীর মতো কিছু সিনিয়র ক্রিকেটারদের।

কুমিল্লার বিপক্ষে যেমন 'বুড়ো' জুনায়েদের ভেলকিতে ৭ উইকেটে ১৮১ রানের ভালো সংগ্রহ পেয়েছে খুলনা। তবে রানটা হতে পারতো আরও বড়। বয়স এমনিতে জুনায়েদের বেশি হয়নি। পা দিয়েছেন কেবল ৩২ এ। মুখে শশ্রু শোভা পেয়েছে। অনেক দিন জাতীয় দলের আশেপাশে আনাগোনা নেই। ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সূর্য সম্ভবনাময় এই দীর্ঘদেহি ওপেনারের গড়িয়ে গেছে। বিপিএলের গেল আসরেও তেমন ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। সেই অর্থে তিনি বুড়োই। অথচ এবার স্থানীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় উজ্জ্বল তার নাম।

কুমিল্লার বিপক্ষে তিনি খেলেছেন ৪১ বলে ৭০ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। ফিরেছেন রান আউট হয়ে। দারুণ ওই ইনিংস খেলার পথে জুনায়েদ ছক্কা হাঁকিয়েছেন চারটি। আর বল মাটির ছোঁয়া নিয়ে মাঠ পেরিয়েছে চারবার। তার সঙ্গে আল-আমিন, ডেভিড ম্যালানরা মিলে খুলনার রানটা করেছে বেশ বড়। টাইটান্সের হয়ে আল-আমিন এ ম্যাচে করেন ১৯ বলে ৩২ রান। ম্যালান খেলেন ২৫ বলে ২৯ রানের ইনিংস। মাহমুদুল্লাহ দুই ছয়ে ৯ বলে ১৬।

শেষটায় কিন্তু খুলনার রান এ ম্যাচেও প্রত্যাশা মতো হয়নি। খুলনার ইনিংসের ১৮তম ওভারে এসেছে ৯ রান। ১৯তম ওভারে ৮ রান। আর শেষ ওভার থেকে পেয়েছে মাত্র ৫ রান। হাতে চারটি উইকেট নিয়েও শেষ দিকে তেড়ে ফুড়ে মারতে গিয়েও তা পারেননি আরিফুল এবং নাজমুল শান্ত। ডানহাতি আরিফুল শেষে ৯ বলে করেন ১৩ রান। আর নাজমুল ৫ বলে ১ রান করেন। কুমিল্লার হয়ে ৪ ওভারে ৩৫ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেন আফ্রিদি। সাইফউদ্দিন ৪ ওভারে ২৯ রানে নেন ১ উইকেট। এছাড়া ওয়াহাব রিয়াজ নেন দুই উইকেট।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

'বিপিএলের প্রশংসা শুনেই খেলতে আসা'


আরও খবর

খেলা

বিপিএলের সিলেট পর্বে রংপুর রাইডার্স অধিনায়ক মাশরাফির সঙ্গে এবি ডি ভিলিয়ার্স।

  অনলাইন ডেস্ক

বিপিএলের ষষ্ঠ আসরে রং চড়াতে এসেছেন ওয়ার্নার-গেইল, ডি ভিলিয়ার্সরা। রং হয়ে ফোটার আগে অবশ্য ইনজুরি নিয়ে স্মিথ দেশে ফিরেছেন। ওয়ার্নারে বিবর্ণ বিপিএলে কিছুটা রং ধরেছে। কিন্তু তিনিও ইনজুরি নিয়ে ফিরবেন দু'দিন বাদে। সব প্রত্যাশা তাই গিয়ে ভিড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার ৩৬০ ডিগ্রি ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্সের ঘাটে।

ভিলিয়ার্স জাতীয় দল, বিপিএল কিংবা অন্য যে লিগেই খেলেছেন তাকে নিয়ে উন্মাদনা হয়েছে। বিপিএলে তাকে পাওয়া বড় ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনা। এর আগেও তো পাঁচটা আসর বসেছে। কই গেইলরা খেললেও তিনি তো আসেননি। এবার সম্ভবত এসেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলায় জাতীয় দলের হয়ে দায়বদ্ধতা নেই বলে।

তবে বিপিএলের কাছে তার দায়বদ্ধতা থাকছে। ভক্তদের প্রত্যাশা মেটানোর দায়বদ্ধতা। খেলবেন রংপুর রাইডার্সের হয়ে। গেলবারের চ্যাম্পিয়দের আবার জয়ের ধারায় ফেরানোর চাপ তার মাথায় ওপর। তবে ভিলিয়ার্সের ভক্ত শুধু রংপুরের সমর্থকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সম্ভবত প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকও তার ঝড় দেখতে মুখিয়ে থাকবেন। বিষয়টি অজানা নয় ভিলিয়ার্সের। ক্রিকেট নিয়ে খোঁজ খবর তো তাদেরও রাখতে হয়।

তিনি তাই বললেন, প্রত্যাশার এ চাপই তার ভালো খেলার অনুপ্রেরণা। আরও বললেন, 'পুরো ক্যারিয়ারে ওই প্রত্যাশা মেটাবার চাপ নিয়ে খেলছি। এ আর নতুন কি। এটাই মাঠে আমাকে অনুপ্রেরণা দেয়। পারফর্ম ভালো-খারাপ হবে। সেটাও আমি বুঝি। খেলা নিয়ে নিজের খুব বেশি প্রত্যাশা নেই। তবে মাঝে মাঝে জ্বলে উঠতে মুখিয়ে থাকি আমি।'

ভিলিয়ার্স ২০১৫ সালের জুলাইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে বাংলাদেশে খেলেছেন। এখানকার ক্রিকেট উন্মাদনা তার অজানা নয়। বাংলাদেশের ক্রিকেট বা বিপিএলে নিয়ে তাই তার ধারণা আছে বলে উল্লেখ করলেন, 'বাংলাদেশে বরাবরই আমি আগ্রহ নিয়ে আসি। বিপিএলের আমি প্রশংসা শুনেছি। বিপিএলের অনেকের সঙ্গে আইপিএল খেলেছি। তারা বলেছেন, বিপিএলের মান দারুণ। বছর বছর আরও ভালো করছে এটা। খেলতে আসতে পেরে আমি তাই সত্যিই খুব খুশি।'

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ব্ল্যাকে ক্রিকেট বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি!


আরও খবর

খেলা

ছবি: বিবিসি

  অনলাইন ডেস্ক

টিকিটি ব্ল্যাকিং এর ঘটনা নতুন কিছু নয়। সিনেমা, ক্রিকেট-ফুটবল কিংবা অন্যান্য খেলার আগে টিকিট ব্ল্যাকে বিক্রির নানা অভিযোগ পাওয়া যায়। সাধারণত ম্যাচের আগে আগে ঘটে এমন ঘটনা। কিন্তু ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার সাড়ে চার মাস আগেই নাকি ব্ল্যাকে টিকিট বিক্রি শুরু হয়ে গেছে। 

এই টিকিং ব্ল্যাকিংকে অবশ্য কেউ সমর্থন করে না। আইসিসিও এর বিরুদ্ধে। নিয়ম না মেনে টিকিট বিক্রির এই কাজ কোন ব্যক্তি নয় করছে একটি প্রতিষ্ঠান। 'ভিয়াগোগো' নামের এই ইংলিশ প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করে ১৬ হাজার টাকার টিকিট এখন বিক্রি করছে ১৩ লাখে! 

ঐতিহাসিক লর্ডসে অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের টিকিটের এই মূল্য দেখা গেছে। এছাড়া ইংল্যান্ড এবং ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের টিকিটও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। লর্ডসে অনুষ্ঠিত ফাইনালের টিকিটেও দাম মূল দামের থেকে ১০৪ গুন বেশি। লর্ডসে ফাইনাল এবং ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের জন্য সাধারণত দর্শকদের টিকিটপ্রতি ১৫১ পাউন্ড মূল্য পরিশোধ করতে হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১৬ হাজার টাকা। 

ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপ আয়োজকদের একজন এ নিয়ে বলেন, 'আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। আমাদের আইনজ্ঞের সঙ্গে আলাপ করা হবে। আইন অমান্য করে এমন কাজ যারা করছে শিগগিরই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' ভিগো তাদের বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, এটা একটা মার্কেটপ্লেস। এখানে অবৈধ টিকিট বিক্রি হয় না। যে দামের কথা বলা হয়েছে সেই দাম গ্রাহকরা তুলেছে।' 

সংশ্লিষ্ট খবর