খেলা

'প্রথম টেস্ট আরও আত্মবিশ্বাসী করেছে'

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০১৮

'প্রথম টেস্ট আরও আত্মবিশ্বাসী করেছে'

অনুশীলনে আরিফুল হক

  অনলাইন ডেস্ক

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান ছিলেন আরিফুল ইসলাম। দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনিই দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেছেন। অথচ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক টেস্ট খেলতে নামেন তিনি। শেষের দিকে ব্যাট করে অবশ্য খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। কিন্তু ওয়ানডে-টি২০ সিরিজের দলে বেশি সময় বসে থাকা আরিফুলের টেস্ট দলে অন্তভূক্তি ছিল কিছুটা অবাক করার মতো। আরিফুল ইসলাম মনে করেন, দলে ডাক পাওয়া ও সুযোগ পাওয়ার পেছনে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির ভূমিকা আছে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে খুব বাজেভাবে হেরেছে বাংলাদেশ দল। দলের হয়ে তাইজুল ইসলাম টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ১১ উইকেট নেন। আর ব্যাটে একটু ভরসা দেখান আরিফুল। নাম বলার মতো আশাও দেখাতে পারেনি আর কেউ। ডানহাতি এই অলরাউন্ডার ঢাকা টেস্টে আরও ভালো করতে আত্মবিশ্বাসী। এছাড়া সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে দল ভালো করবে বলেও মনে করেন আরিফুল হক।

ঢাকা টেস্টে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামার অপেক্ষায় থাকা আরিফুল বলেন, 'প্রথম টেস্ট আমাকে বেশ আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কোন বলার সহজে আপনাকে শট খেলতে দেবে না। আর তাই আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। আমার একটা স্বপ্ন ছিল টেস্ট ম্যাচ খেলার। এখন লক্ষ্য সব ফরম্যাটে খেলার সুযোগ করে নেওয়া। অভিষেক ম্যাচ খেলার কোন চাপ ছিল না আমার। কারণ আমি ড্রেসিং রুমের এই অভিজ্ঞতা অনেকদিন ধরেই নিচ্ছি। দলের সিনিয়র খেলোয়াড়রা তাদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলে খেলা সহজ হয়ে যায়।'

দল নিয়ে আরিফুলের যুক্তি পেছনের খারাপ সময়ের কথা মনে রাখার কোন মানে হয়না। সামনে তাকানোর কথা জানিয়ে এই অলরাউন্ডার বলেন, 'প্রথম টেস্টটি নিয়ে ভাবলে আমরা মানসিকভাবে পিছিয়ে যাবো। আমার দল হয়ে খেলতে পারলে তাদের বিপক্ষে জেতা কঠিন হবে না।'

অবশ্য প্রথম টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আরিফুলকে দলে নেওয়া অলরাউন্ডার হিসেবে। পেস বোলিংয়ে আবু জায়েদকে সাহায্য করা। কিন্তু বল হাতে তিনি তেমন কিছু করতে পারেননি। আরিফুল বল করার সুযোগ পেয়েছেন খুব কম। কিন্তু সুযোগ পেলে তিনিও বল হাতে অবদান রাখত চান, 'ওখানকার উইকেট আমার বল করার জন্য সহায়ক ছিল না। আমাকে ঘরোয়া ক্রিকেটে আরও ভালো বোলিং করতে হবে। বিপিএল বা অন্য টুর্নামেন্টে যদি বল হাতে ভালো করতে পারি তবে জাতীয় দলে বল করার সুযোগ পাবো।'

এছাড়া সিলেট টেস্টে বাংলাদেশ দলে ছিলেন না মুস্তাফিজুর রহমান। তবে আগামী ১১ তারিখ থেকে শুরু হওয়া ঢাকা টেস্টের দলে দেখা যেতে পারে তাকে। তিনি ফিরলে বাংলাদেশ দলের শক্তি আরও বেড়ে যাবে। তবে ইনজুরি শঙ্কায় থাকা ফিজ খেলবেন কিনা তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি দলের পক্ষ থেকে। আরিফুল বলেন, 'আমাদের দলের সেরা বোলার মুস্তাফিজ ছিলেন না আগের ম্যাচে। সে ফিরলে আমরা জয়ের ধারায় ফিরে আসবো।' মুস্তাফিজ খেললে বাংলাদেশ দুই পেসার ও দুই স্পিনার নিয়ে মাঠে নামতে পারে। বাদ পড়তে পারেন আগের ম্যাচ অভিষেক হওয়া বাঁ-হাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

হরভজনের স্ত্রী-কন্যার ছায়া মাড়ানো মানা রাহুল-পান্ডিয়ার


আরও খবর

খেলা

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

এক টিভি শো' জীবনের চেনা পথ অচেনা করে তুলেছে কেএল রাহুল এবং হার্ডিক পান্ডিয়ার। সতীর্থদের পাশে পাওয়ার উপায় নেই। বন্ধুদের পাশে পাচ্ছেন না। এশা গ্রপ্তা কখনো হার্ডিক পান্ডিয়ার বন্ধু ছিলেন না বলে মন্তব্য করেছেন। তাদের বিশ্বকাপ দলে না নেওয়ার কথা চাউর হয়েছে। এর মধ্যে ভারতের তারকা ক্রিকেটার হরভজন এক হাত নিলেন তাদের। সাবেক আইপিএল সতীর্থকে কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি। 

'কফি উইথ করণ' অনুষ্ঠানে নারী বিদ্বেষী মন্তব্য করেন হার্ডিক এবং রাহুল। ভারতীয় বোর্ড অনির্দিষ্টকালের জন্য নির্বাসিত করেছে এই দুই ক্রিকেটারকে। ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে মুখ খুলেছেন দলের অধিনায়ক বিরাট কোহালিও। এবার সরব হলেন দলের সাবেক স্পিনার হরভজন সিং।

তিনি বলেন, 'কেএল রাহুল এবং হার্ডিক পান্ডিয়া থাকলে সেই টিম বাসে আমি আমার স্ত্রী-কন্যাকে উঠতে দেব না। তারা কী মনে করবে? নারীদের দিকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি পুরোপুরি ভুল। তারা যে ধরনের কথাবার্তা বলেছে বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গেও আমরা তা নিয়ে আলোচনা করতে পারি না। আর ওরা অনায়াসে টেলিভিশনে বলে ফেলল। এখন সবাই ভাববে, হরভজন সিংহ, অনিল কুম্বলে বা সচিন টেন্ডুলকাররাও হয়তো এরকমই ছিল।'

ভারতীয় ক্রিকেট দলের সংস্কৃতি নিয়ে তাদের ভালো ধারণা আছে উল্লেখ করে ৩৮ বছর বয়সী হরভজন বলেন, 'এতদিন ধরে দলে খেলছে তারা। ভারতীয় দলের সংস্কৃতি নিয়ে বেশ ধারণা হয়েছে তাদের। আমার মতে, বিসিসিআই ঠিক কাজ করেছে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে। বোর্ডের এমন সিদ্ধান্তে আমি একটুও চমকায়নি।'

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

দ্বিতীয় রাউন্ডে নাদাল, হোঁচট ইনারের


আরও খবর

খেলা

অস্ট্রেলিয়া ওপেন

দ্বিতীয় রাউন্ডে নাদাল, হোঁচট ইনারের

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: নাদাল

  অনলাইন ডেস্ক

'দারুণ এক ম্যাচ ছিল। আমি খুব খুশি। শুরুর ম্যাচ সবসময়ই কঠিন। তবে আমি দিনকে দিন ভালো করছি। সেরা ফিটনেস ফিরে পাচ্ছি।' অস্ট্রেলিয়া ওপেনে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছানো রাফায়েল নাদাল বলেন কথাটি। উদ্বোধনী দিন জয় দিয়ে সূচনা শুরু করেছেন বর্তমান বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা এই টেনিস তারকা। জেমস ডাকওর্থকে সরাসরি সেটে হারিয়ে ১৭টি গ্র্র্যান্ড স্লাম জয়ী এই স্প্যানিশ তারকা দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠেন।

জেমস ডাকাওয়ার্থ অবশ্য দারুণ খেলেছেন। যতই চোট কাটিয়ে ফিরুর নাদাল তো নাদালই। তার সঙ্গে টেকা দিয়ে ২ ঘন্টার বেশি সময় খেলা তো সহজ কথা নয়। শেষ পর্যন্ত তিন সেটে ৩২ বছর বয়সী নাদাল জিতেছেন ৬-৪, ৬-৩, ৭-৫ গেমে।

এর আগে উরুর চোটে ব্রিসবেন ওপেন থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করেন নাদাল। বিশ্রাম নিয়ে আবার ছন্দে ফিরেছেন তিনি। ইনজুরি কাটিয়ে এই জয়টা তার কাছে খুব বড় বলে তা উল্লেখ করেন নাদাল। ওদিকে দক্ষিণ আফ্রিকান পঞ্চম বাছাই কেভিন অ্যান্ডারসনও পরের রাউন্ডে পৌঁছেছেন। তিনি হারিয়েছেন ফ্রান্সের মানারিনোকে। কেভিন জয় পেয়েছেন ৬-৩, ৫-৭, ৬-২, ৬-১ গেমে।

তবে প্রথম রাউন্ডেই হোঁচট খেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের টেনিস তারকা জন ইনার। র‌্যাংকিংয়ে দশের মধ্যে থাকা প্রথম তারকা হিসেবে বিদায় নিলেন তিনি। তাও আবার রিলে ওপেলকার কাছে। যার র‌্যাংকিং ৯৭। তিনি ইনারকে ৭-৬, ৭-৬, ৬-৭ এবং ৭-৬ গেমে হারিয়েছেন। ইনার অবশ্য ওপেলকার চেয়ে বেশি পয়েন্ট পেয়েছেন। তার পয়েন্ট ১৪৭। আর ওপেলকার ১৪২। কিন্তু হারতে হয়েছে ইনারের।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ক্রিকেট খেলতে গিয়ে মৃত্যু রাজেশ ঘোটলের


আরও খবর

খেলা

ছবি: ইন্ডিয়া ডটকম

  অনলাইন ডেস্ক

বয়স হয়েছিল ৪৭ বছর। তারপরও প্রায় প্রতিদিন ক্রিকেট খেলতেন ভারতের ক্রিকেটার রাজেশ ঘোটলে। ক্রিকেটাররা যেখানে ৩০ থেকে ৩৫, সর্বোচ্চ ৪০ বছর পর্যন্ত মোটামুটি খেলে যান। সেখান ঘোটলের বয়স পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই। ক্রিকেটের প্রতি নিবেদিত এই ঘোটলে গত রোববারও বরাবরের মতো গিয়েছিলেন মাঠে। সেখান থেকে না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি।

তার মৃত্যুর কারণ হৃদরোগ বলে জানা গেছে। মাঠে খেলতে খেলতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরপর নেওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই মারা যান তিনি। তার এই মৃত্যু ফিল হিউজের স্মৃতিটা আবার সামনে নিয়ে এলো। ক্রিকেটের করুণ মৃত্যু তালিকায় নাম উঠেছে এই অজি ওপেনারের।

ছবি: টুইটার

তরুণ অস্ট্রেলীয় পেসার শন অ্যাবটের বলে আঘাত পেয়ে না ফেরার দেশে চলে যান তিনি। তার আগে ঢাকার মাঠে খেলতে এসে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ভারতের ক্রিকেটার রমন লাম্বা। এবার সেই পথ ধরলেন গোঁয়ার রাজেশ। এছাড়া ইংলিশ ক্রিকেটার জর্জ সামারস, অ্যান্ডি ডুকাট ও উইলফ স্ল্যাকদের হয়েছে এমন করুণ মৃত্যু। পাকিস্তানের আব্দুল আজিজ, জুলফিকার ভাট্টি ও ওয়াসিম রাজারাও আছেন ওই তালিকায়।

এই ক্রিকেটার নব্বইয়ের দশকে ঘরোয়া ক্রিকেট শুরু করেন। গোঁয়ার হয়ে দুটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন। আটটি লিস্ট 'এ' ম্যাচ আছে অভিজ্ঞতার ঝুলিতে। গত রোববার দক্ষিণ গোঁয়ার মারগাও শহরে একটা ঘরোয়া টুর্নামেন্টে ৩০ রানে ব্যাট করছিলেন তিনি। এরপর বোলিং প্রান্তে থাকা অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়েও তাকে বাঁচানো যায়নি।

সংশ্লিষ্ট খবর