খেলা

'খারাপ সময় কাটিয়ে উঠবে দল'

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০১৮

'খারাপ সময় কাটিয়ে উঠবে দল'

ছবি: টাইমস অব ইন্ডিয়া

  অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রাম-সিলেটে সফর শেষ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ শুরু হওয়া শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম দিনে শেষও হবে সিরিজ। আর কোচের বিশ্বাস। সিরিজের শেষটা ভালো হবে বাংলাদেশের। সিরিজ হারানোর ভয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোচ খুব একটা ভীত নন। কারণ তার বিশ্বাস দল 'খারাপ সময়' কাটিয়ে উঠবে।

জিম্ববুয়ের বিপক্ষে দারুণ ফর্মে থাকা ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হন। অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, নির্ভরতার প্রতীক মুশফিকুর রহিম, টেস্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে পরিচিতি মুমিনুল হক। এমনকি নবীন ব্যাটনম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত- সবাই ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন। ভুল শট খেলতে গিয়েই উইকেট ছুড়ে দিয়ে এসেছে তারা। এমন পরিস্থিতিতে ঢাকা টেস্টের স্কোয়াডে বদলের আওয়াজ উঠছে। তবে কোচ স্টিভ রোডস বর্তমান দল নিয়েই সন্তুষ্ট। টাইগারদের কোচ গতকাল স্পষ্ট করেই বলেন, সাকিব-তামিম ছাড়া বাংলাদেশের সেরা ক্রিকেটাররাই বর্তমান স্কোয়াডে আছে। মুমিনুল-শান্তরা রান করেই দলে এসেছে বলে মত তার।

তুষার ইমরানকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে রোডসের মন্তব্য, জাতীয় দলের যারা যারা আছে তাদের মধ্যে শান্ত জাতীয় লিগে ১৮০ করেছে। লিটন ২০০ করেছে। মুমিনুল সেঞ্চুরি পেয়েছে। আরিফুল ডাবল সেঞ্চুরি করেছে। তারা রান করেই দলে এসেছেন। কোচের মতে, তুষার ইমরানদের থেকে মুমিনুল-শান্ত-লিটন-আরিফুলরা ঘরোয়া লিগে বেশি ভালেঅ করেছে। তারাই এ মুহূর্তে সেরা খেলোয়াড়।

সিলেটে মাত্র সাড়ে তিন দিনে প্রথম টেস্ট শেষ হওয়ায় বুধবার অধিকাংশ ক্রিকেটার ঢাকায় চলে আসেন। প্রথম টেস্টের একাদশের বুধবার ছুটি ছিল। অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিমসহ আট ক্রিকেটার সকালের ফ্লাইটে ঢাকায় চলে যান। তবে বুধবার সিলেটে অনুশীলনে করেন মুমিনুল ও শান্তরা। এছাড়া নেটে মুস্তাফিজুর রহমান, শফিউল ইসলাম, খালেদ আহমদদের নিয়ে অনুশীলন করেন পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ।

সিরিজ খোয়ানোর আশঙ্কায় আছে বাংলাদেশ দল। তবে কোচের বিশ্বাস, তার দল দ্বিতীয় টেস্টেই ঘুরে দাঁড়াবে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্টকে 'খারাপ দিন' বলে আখ্যায়িত করছেন তিনি। শিষ্যদের ওপর আস্থা জানিয়ে কোচ বলেন, সবারই খারাপ দিন যায়। ছেলেরা ভুল শোধরাতে মুখিয়ে আছে। খুব খারাপ অবস্থা থেকেও ফিরে আসার শক্তি রাখে সবাই। পরের টেস্টেই তাই ফিরে আসবে সবাই।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ইতালিকে রুখে দিয়ে নেশন্স লিগের সেমিফাইনালে পর্তুগাল


আরও খবর

খেলা

  অনলাইন ডেস্ক

ইতালির সঙ্গে সান সিরোতে গোলশূন্য ড্র করে প্রথম দল হিসেবে নেশন্স লিগের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল।

তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অনুপস্থিতিতেও এক ম্যাচ হাতে রেখে গ্রুপ-এ’র শীর্ষ দল হিসেবে শেষ চার নিশ্চিত করেছে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা। আর এতে করে ইতালি টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। এই গ্রুপ থেকে তৃতীয় দল হিসেবে পোল্যান্ড লিগ-বি’তে রেলিগেটেড হয়ে গেছে।

শেষ চারে উঠতে হলে রবার্তো মানচিনির ইতালির সামনে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না। কিন্তু সান সিরোতে ৭৩ হাজার ঘরের সমর্থকদের সামনে পর্তুগালকে পরাস্ত করতে ব্যর্থ হয় আজ্জুরিরা। গোলশূন্য ড্র করে তারা যেন বছর খানেক আগে সুইডেনের বিপক্ষে প্লে-অফ ম্যাচেরই পুনরাবৃত্তি করলো। ওই ম্যাচে সুইডেনের কাছে হেরে ইতালির বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিল।

নেশন্স লিগের সেমিফাইনাল নিশ্চিতের পর পর্তুগিজ কোচ ফার্নান্দো সান্তোস বলেন, ‘এই টুর্ণামেন্টের শেষ চারে পৌঁছানোটা সত্যিই স্বস্তিদায়ক। কিন্তু এই ম্যাচটা আসলেই কঠিন ছিল। বিশেষ করে প্রথমার্ধে আমি বুঝতে পেরেছি বেশ কঠিন সময় আমাদের পার করতে হচ্ছে।’

মঙ্গলবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে পোল্যান্ডকে আতিথ্য দিবে পর্তুগাল। যদিও গ্রুপের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যাওয়ায় ম্যাচটি কেবলই আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হওয়া ম্যাচটিও সান্তোসের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এর কারণ ব্যাখ্যা করে পর্তুগিজ কোচ বলেন, 'আমাদের সমর্থকদের সামনে আমরা খেলতে নামবো, যারা সবসময়ই আমাদের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের অবশ্যই এই ম্যাচে জয়ী হতে হবে।'

অক্টোবরে লিসবনে সান্তোসের দল প্রথম ম্যাচে ইতালিকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল। ফিরতি লেগের ম্যাচে প্রথম থেকে অবশ্য স্বাগতিকদের আধিপত্য ছিল। লোরেনজে ইনসিগনে ও সিরো ইমোবিলের শট আটকাতে কষ্ট করতে হয়েছে পর্তুগিজ গোলরক্ষক রুই প্যাট্রিসিওকে। বিরতির পর পর্তুগাল কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। উইলিয়ান কারভালহোকে ইতালি গোলরক্ষক গিয়ানলুইগি ডোনারুমা আটকে দেবার পর বদলি খেলোয়াড় হোয়া মারিও বারের ওপর দিয়ে বল বাইরে পাঠিয়ে দেন।

আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামবে ইতালি।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

অজিরা স্লেজিং করছে না, অবাক ডু প্লেসি


আরও খবর

খেলা

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট মানেই কথার লড়াই। প্রতিপক্ষকে স্লেজিং করে মারবেন তারা। মেরে খেললে স্লেজিং করবেন। মারতে না পারলে স্লেজিং করবেন। ক্রিকেটের কুলীন সদস্য তারা। তাই অজিদের সঙ্গে স্লেজিং যেন সমর্থক। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট এখন বদলে গেছে। এখন তারা স্লেজিং করেন না। শুধু নিজেদের খেলার দিকে নজর তাদের। আর অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটারদের এই বদলে যাওয়ায় অবাক দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক ফ্যাপ ডু প্লেসি।

অজিদের অবশ্য স্লেজিং বন্ধ করার কারণ অনেক। স্মিথ-ওয়ার্নাররা বল টেম্পারিং কান্ডে নিষেধাজ্ঞায় আছে। ক্রিকেটে নিজেদের সুখ্যাতিতে দাগ পড়ে গেছে। নতুন দল নিয়ে আবার দাপট দেখিয়ে খেলতে পারছে না। সবমিলিয়ে আগের সেই স্লেজিং-আগ্রাসন নেই। সদ্য বদলে যাওয়া অস্ট্রেলিয় ক্রিকেট দলের এই নতুন রূপ দেখার অভিজ্ঞতা অর্জন করল দক্ষিণ আফ্রিকা।

ছবি: ফাইল

দলটির অধিনায়কের মতে, এই অচেনা অস্ট্রেলিয়াকে দেখে কিছুটা হলেও অস্বস্তি লেগেছে। অজিদের বিপক্ষে তিনটি একদিনের ম্যাচ খেলা দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক ডু প্লেসি বলেন, 'অনেক বদলে গেছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট। মাঠে প্রতিপক্ষকে উত্যক্ত করার প্রবণতা তাদের এখন অনেক কম।'

চলতি বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছে ডু প্লেসিরা। শেষের দিকে আবার খেললেন। মেজাজের ফারাকটা তাই ভালো বলতে পারবেন সম্ভবত তিনিই। ব্রিসবেনে একমাত্র টি-২০ ম্যাচের আগে তার সরব স্বীকারোক্তি 'আগে যে আগ্রাসন দেখেছিলাম, তার তুলনায় এখন ওরা বেশ নরম। মাঠে আগের মতো বেশি কথা বলে না ওরা। ক্রিকেটের মাধ্যমেই প্রকাশের চেষ্টা তাদের। এখন ক্রিকেটটা যেমন হওয়ার কথা, সম্ভবত তেমনই খেলছে ওরা।'

অজিদের স্লেজিং বন্ধ হওয়াটা মানতে পারছেন না তাদের সাবেক পেসার মিচেল জনসনও। স্লেজিংটা তিনিও কম জানতেন না। অস্ট্রেলিয়ানদের মধ্যে আগ্রাসন দেখতে না পারার শঙ্কা জানিয়ে তিনি বলেন, 'স্লেজিং বন্ধ হলে তো বিরাটের সেই আগ্রাসী বিদায় দেওয়ার দৃশ্যও দেখতে পাবো না।' অবশ্য এই অস্ট্রেলিয়া বিরাটকে না রাগালেই ভালো করবে বলে মত অনেকের। কেউ কেউ হাফ ছাড়ছেন, যাক ডু প্লেসির কথা সত্যি হলে অজিদের কথার লড়াইয়ে নাস্তানাবুদ হতে হবে না ভারতের। ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ আগামী ২১ নভেম্বর শুরু হবে। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

এসিসি'র সভাপতি হলেন পাপন


আরও খবর

খেলা
এসিসি'র সভাপতি হলেন পাপন

প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০১৮

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতির পদে বসছেন নাজমুল হাসান পাপন এটা আগেই নিশ্চিত ছিল। অপেক্ষা ছিল কেবল দায়িত্ব বুঝে পাওয়া। সেটাও শনিবার বুঝে পেলেন তিনি। লাহোরে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ দায়িত্ব বুঝে পান। আগামী দুই বছরের জন্য এশিয়া অঞ্চলের ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিসিবি কর্তা।

তার আগে এসিসির প্রধান ছিলেন এহসান মানি। তিনি লাহোরে অনুষ্ঠিক বার্ষিক সাধারণ সভায় দায়িত্ব ছাড়েন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান চতুর্থ বাংলাদেশী হিসেবে এ দায়িত্ব পেলেন। তার আগে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (১৯৮৯-৯১), আলী আসগর লবি (২০০২-০৪) এবং আহম মোস্তফা কামাল (২০১০-১২) এই পদ অলংকৃত করেন।

এবারের এসিসি বার্ষিক সাধারণ সভায় লাহোরে অংশ নেয় ৩৩টি সদস্য দেশ। তবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না। তবে উপস্থিত ছিলেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন। ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এসিসিতে নেতৃত্বের পরিবর্তন হয় প্রতি দুই বছর পরপর। দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেটে খেলুড়ে শীর্ষ চার দেশ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এবং শ্রীলংকা থেকেই মূলত সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। পাকিস্তানের এহসান মানির থেকে দায়িত্ব পাওয়া পাপনের মেয়াদকাল ২০১৮-২০ সাল।

এবারের সভায় আইসিসির পূর্ণাঙ্গ সদস্য পদ পাওয়া আফগানিস্তানকে এসিসির পূর্ণ সদস্য করার বিল পাস হয়। ২০২২ সালে চীনে এশিয়ান গেমসের আসরে ক্রিকেটকে অন্তুর্ভূক্ত করারও আলোচনা হয়। এসিসির এই সভায় পাপন ছাড়াও বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও আইসিসির গেম ডেভেলপমেন্টের কর্মকর্তা বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট খবর