খেলা

ভক্তকে দেশ ছাড়তে বলে বিপাকে কোহলি

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

ভক্তকে দেশ ছাড়তে বলে বিপাকে কোহলি

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

বর্তমান ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি। ভারতের বর্তমান ক্রিকেটারদের মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় তিনি। তাই ভক্তদের কাছাকাছি থাকতে নতুন এক উদ্যোগ নিয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। চলতি সপ্তাহে ত্রিশে পা দেওয়া এই তারকা জন্মদিনেই 'বিরাট কোহলি অ্যাপ' নামে অ্যাপ চালু করেছেন। মুঠোফোনে তার সর্বশেষ খবরাখবর জানতে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তরা খুদে বার্তায় যোগাযোগ করতে পারবেন তার সঙ্গে। আর কোহলিও পারবেন ভক্তদের নানা প্রশ্নের জবাব দিতে। কিন্তু কোহলি শুরুতে তার অ্যাপ ব্যবহার করে যা জবাব দিলেন তা বিতর্কিত হয়ে পড়েছে।

কোহলি তার অ্যাপ ব্যবহার করে একটি ভিডিও ছেড়েছেন। নিজের করা ওই ভিডিওতে ভক্তদের নানা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। উত্তর দিয়েছেন ভক্তদের পাঠানো খুদে বার্তার। কিন্তু বার্তায় নিজের সমালোচনা সহ্য করতে পারেননি কোহলি। ভক্তকে এক হাত নিয়ে ছেড়েছেন তিনি। আর এ কারণে সমালোচনার মুখোমুখি পড়েছেন কোহলি। কোহলিকে উদ্দেশ্যে করে এক ভক্ত লেখেন, 'কোহলিকে আসলে বেশি মূল্যায়ন করা হয়। তার ব্যাটিংয়ে আসলে বিশেষ কিছু নেই। ভারতীয়দের তুলনায় আমার ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের বেশি ভালো লাগে।'

এর জবাবে কোহলি সেই ভক্তকে বলেন, 'আমার মনে করি আপনার ভারতে থাকা উচিত নয়। দেশ ছেড়ে অন্য কোথাও গিয়ে থাকুন। ভারতে থেকে কেন অন্য দেশকে ভালোবাসেন? আমাকে পছন্দ করেন না ঠিক আছে। কিন্তু আমি মনে করি, এ দেশে থেকে আপনার অন্য দেশের কিছু পছন্দ করা উচিত না। আগে নিজের দেশকে অগ্রাধিকার দিন।'

নিজের অফিশিয়াল অ্যাপে এই ভিডিও ছাড়ায় মন্তব্য করেছেন অনেকে। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরালও হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোহলির সমালোচনায় শুনতে হয়েছে ক্রিকেটপ্রেমীদের থেকে। একজন টুইট করে লেখেন, 'বিরাট, আমি জার্মানি যেতে চাই। কিন্তু যেতে পারছি না। ভিসা পেতে আমাকে সাহায্য করবেন বিরাট?' 

আরেকজনের মন্তব্য, 'কোনো নাগরিককে দেশ ছাড়তে বলার অধিকার আপনার নেই বিরাট।' এবি ডি ভিলিয়ার্স ও কেন উইলিয়ামসনকে পছন্দ করেন উল্লেখ করে আরেক জন লেখেন, ' প্রিয় কোহলি, আমি দক্ষিণ আফ্রিকার ডি ভিলিয়ার্স ও নিউজিল্যান্ডের উইলিয়ামসকে পছন্দ করি। আমার কোন দেশে যাওয়া উচিত বুঝতে পারছি না।’

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ইতালিকে রুখে দিয়ে নেশন্স লিগের সেমিফাইনালে পর্তুগাল


আরও খবর

খেলা

  অনলাইন ডেস্ক

ইতালির সঙ্গে সান সিরোতে গোলশূন্য ড্র করে প্রথম দল হিসেবে নেশন্স লিগের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল।

তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অনুপস্থিতিতেও এক ম্যাচ হাতে রেখে গ্রুপ-এ’র শীর্ষ দল হিসেবে শেষ চার নিশ্চিত করেছে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা। আর এতে করে ইতালি টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। এই গ্রুপ থেকে তৃতীয় দল হিসেবে পোল্যান্ড লিগ-বি’তে রেলিগেটেড হয়ে গেছে।

শেষ চারে উঠতে হলে রবার্তো মানচিনির ইতালির সামনে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না। কিন্তু সান সিরোতে ৭৩ হাজার ঘরের সমর্থকদের সামনে পর্তুগালকে পরাস্ত করতে ব্যর্থ হয় আজ্জুরিরা। গোলশূন্য ড্র করে তারা যেন বছর খানেক আগে সুইডেনের বিপক্ষে প্লে-অফ ম্যাচেরই পুনরাবৃত্তি করলো। ওই ম্যাচে সুইডেনের কাছে হেরে ইতালির বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিল।

নেশন্স লিগের সেমিফাইনাল নিশ্চিতের পর পর্তুগিজ কোচ ফার্নান্দো সান্তোস বলেন, ‘এই টুর্ণামেন্টের শেষ চারে পৌঁছানোটা সত্যিই স্বস্তিদায়ক। কিন্তু এই ম্যাচটা আসলেই কঠিন ছিল। বিশেষ করে প্রথমার্ধে আমি বুঝতে পেরেছি বেশ কঠিন সময় আমাদের পার করতে হচ্ছে।’

মঙ্গলবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে পোল্যান্ডকে আতিথ্য দিবে পর্তুগাল। যদিও গ্রুপের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যাওয়ায় ম্যাচটি কেবলই আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হওয়া ম্যাচটিও সান্তোসের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এর কারণ ব্যাখ্যা করে পর্তুগিজ কোচ বলেন, 'আমাদের সমর্থকদের সামনে আমরা খেলতে নামবো, যারা সবসময়ই আমাদের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের অবশ্যই এই ম্যাচে জয়ী হতে হবে।'

অক্টোবরে লিসবনে সান্তোসের দল প্রথম ম্যাচে ইতালিকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল। ফিরতি লেগের ম্যাচে প্রথম থেকে অবশ্য স্বাগতিকদের আধিপত্য ছিল। লোরেনজে ইনসিগনে ও সিরো ইমোবিলের শট আটকাতে কষ্ট করতে হয়েছে পর্তুগিজ গোলরক্ষক রুই প্যাট্রিসিওকে। বিরতির পর পর্তুগাল কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। উইলিয়ান কারভালহোকে ইতালি গোলরক্ষক গিয়ানলুইগি ডোনারুমা আটকে দেবার পর বদলি খেলোয়াড় হোয়া মারিও বারের ওপর দিয়ে বল বাইরে পাঠিয়ে দেন।

আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামবে ইতালি।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

অজিরা স্লেজিং করছে না, অবাক ডু প্লেসি


আরও খবর

খেলা

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট মানেই কথার লড়াই। প্রতিপক্ষকে স্লেজিং করে মারবেন তারা। মেরে খেললে স্লেজিং করবেন। মারতে না পারলে স্লেজিং করবেন। ক্রিকেটের কুলীন সদস্য তারা। তাই অজিদের সঙ্গে স্লেজিং যেন সমর্থক। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট এখন বদলে গেছে। এখন তারা স্লেজিং করেন না। শুধু নিজেদের খেলার দিকে নজর তাদের। আর অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটারদের এই বদলে যাওয়ায় অবাক দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক ফ্যাপ ডু প্লেসি।

অজিদের অবশ্য স্লেজিং বন্ধ করার কারণ অনেক। স্মিথ-ওয়ার্নাররা বল টেম্পারিং কান্ডে নিষেধাজ্ঞায় আছে। ক্রিকেটে নিজেদের সুখ্যাতিতে দাগ পড়ে গেছে। নতুন দল নিয়ে আবার দাপট দেখিয়ে খেলতে পারছে না। সবমিলিয়ে আগের সেই স্লেজিং-আগ্রাসন নেই। সদ্য বদলে যাওয়া অস্ট্রেলিয় ক্রিকেট দলের এই নতুন রূপ দেখার অভিজ্ঞতা অর্জন করল দক্ষিণ আফ্রিকা।

ছবি: ফাইল

দলটির অধিনায়কের মতে, এই অচেনা অস্ট্রেলিয়াকে দেখে কিছুটা হলেও অস্বস্তি লেগেছে। অজিদের বিপক্ষে তিনটি একদিনের ম্যাচ খেলা দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক ডু প্লেসি বলেন, 'অনেক বদলে গেছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট। মাঠে প্রতিপক্ষকে উত্যক্ত করার প্রবণতা তাদের এখন অনেক কম।'

চলতি বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছে ডু প্লেসিরা। শেষের দিকে আবার খেললেন। মেজাজের ফারাকটা তাই ভালো বলতে পারবেন সম্ভবত তিনিই। ব্রিসবেনে একমাত্র টি-২০ ম্যাচের আগে তার সরব স্বীকারোক্তি 'আগে যে আগ্রাসন দেখেছিলাম, তার তুলনায় এখন ওরা বেশ নরম। মাঠে আগের মতো বেশি কথা বলে না ওরা। ক্রিকেটের মাধ্যমেই প্রকাশের চেষ্টা তাদের। এখন ক্রিকেটটা যেমন হওয়ার কথা, সম্ভবত তেমনই খেলছে ওরা।'

অজিদের স্লেজিং বন্ধ হওয়াটা মানতে পারছেন না তাদের সাবেক পেসার মিচেল জনসনও। স্লেজিংটা তিনিও কম জানতেন না। অস্ট্রেলিয়ানদের মধ্যে আগ্রাসন দেখতে না পারার শঙ্কা জানিয়ে তিনি বলেন, 'স্লেজিং বন্ধ হলে তো বিরাটের সেই আগ্রাসী বিদায় দেওয়ার দৃশ্যও দেখতে পাবো না।' অবশ্য এই অস্ট্রেলিয়া বিরাটকে না রাগালেই ভালো করবে বলে মত অনেকের। কেউ কেউ হাফ ছাড়ছেন, যাক ডু প্লেসির কথা সত্যি হলে অজিদের কথার লড়াইয়ে নাস্তানাবুদ হতে হবে না ভারতের। ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ আগামী ২১ নভেম্বর শুরু হবে। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

এসিসি'র সভাপতি হলেন পাপন


আরও খবর

খেলা
এসিসি'র সভাপতি হলেন পাপন

প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০১৮

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতির পদে বসছেন নাজমুল হাসান পাপন এটা আগেই নিশ্চিত ছিল। অপেক্ষা ছিল কেবল দায়িত্ব বুঝে পাওয়া। সেটাও শনিবার বুঝে পেলেন তিনি। লাহোরে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ দায়িত্ব বুঝে পান। আগামী দুই বছরের জন্য এশিয়া অঞ্চলের ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিসিবি কর্তা।

তার আগে এসিসির প্রধান ছিলেন এহসান মানি। তিনি লাহোরে অনুষ্ঠিক বার্ষিক সাধারণ সভায় দায়িত্ব ছাড়েন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান চতুর্থ বাংলাদেশী হিসেবে এ দায়িত্ব পেলেন। তার আগে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (১৯৮৯-৯১), আলী আসগর লবি (২০০২-০৪) এবং আহম মোস্তফা কামাল (২০১০-১২) এই পদ অলংকৃত করেন।

এবারের এসিসি বার্ষিক সাধারণ সভায় লাহোরে অংশ নেয় ৩৩টি সদস্য দেশ। তবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না। তবে উপস্থিত ছিলেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন। ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এসিসিতে নেতৃত্বের পরিবর্তন হয় প্রতি দুই বছর পরপর। দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেটে খেলুড়ে শীর্ষ চার দেশ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এবং শ্রীলংকা থেকেই মূলত সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। পাকিস্তানের এহসান মানির থেকে দায়িত্ব পাওয়া পাপনের মেয়াদকাল ২০১৮-২০ সাল।

এবারের সভায় আইসিসির পূর্ণাঙ্গ সদস্য পদ পাওয়া আফগানিস্তানকে এসিসির পূর্ণ সদস্য করার বিল পাস হয়। ২০২২ সালে চীনে এশিয়ান গেমসের আসরে ক্রিকেটকে অন্তুর্ভূক্ত করারও আলোচনা হয়। এসিসির এই সভায় পাপন ছাড়াও বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও আইসিসির গেম ডেভেলপমেন্টের কর্মকর্তা বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট খবর