খেলা

বিশ্ব একাদশ থেকে সরে দাঁড়ালেন সাকিব

প্রকাশ : ১৬ মে ২০১৮

বিশ্ব একাদশ থেকে সরে দাঁড়ালেন সাকিব

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

বিশ্ব একাদশ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ আগামী ৩১ মে লর্ডসে একটি চ্যারিটি টি-২০ ম্যাচ খেলবে। ওই ম্যাচে খেলার জন্য বাংলাদেশর সেরা দুই তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এবং তামিম ইকবাল ডাক পেয়েছিলেন। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সাকিব বিশ্ব একাদশ থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তার জায়গায় আইসিসি দলে ডেকেছে নেপালের তরুণ লেগ স্পিনার সন্দ্বীপ লামিছাকে।

আইসিসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চত করা হয়েছে। সাকিব আল হাসান বর্তমানে আইপিএলের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলছেন। ব্যাটে বলে দারুণ অবদান রেখে চলেছেন তিনি। এছাড়া সন্দ্বীপও আছেন আইপিএলে। ১৭ বছর বয়সী এই তরুণ লেগ স্পিনারের দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে কোহলিদের বিপক্ষে আইপিএল অভিষেক হয়েছে।

নেপালের লেগ স্পিনার সন্দ্বীপ লামিছা

বিশ্ব একাদশের হয়ে খেলার বিষয়ে সন্দ্বীপ বলেন, 'বিশ্ব একাদশের দলে ডেকে আমাকে সম্মানিত করা হয়েছে। এটা আমার দেশের জন্য দারুণ গৌরবের। আমি বিশ্বের সেরা কিছু ক্রিকেটারের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করতে পারাকে গৌরবের ব্যাপার মনে করছি।'      

হ্যারিকেন ইরমা ও মারিয়ার তাণ্ডবে গত বছর ক্যারিবীয় অঞ্চলের বেশ কিছু স্টেডিয়াম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে পাঁচটি স্টেডিয়াম সংস্কারের জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এই চ্যারিটি ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ব একাদশের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন ইংল্যান্ডের ইয়ন মরগান। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলকে নেতৃত্ব দেবেন কার্লোস ব্রাফেট। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

হায়দরাবাদের ‘স্টাইলিশ’ ক্রিকেটার সাকিব


আরও খবর

খেলা

  অনলাইন ডেস্ক

কলকাতা অধিনায়ক দিনেশ কার্তিককে বোল্ড করে হাত মুষ্টিবদ্ধ করে উল্লাস করলেন সাকিব। যেন উগরে দিলেন নিজের মধ্যে জমে থাকা সব ক্ষোভ। ফুটবলে সাবেক দলের বিপক্ষে গোল করে অনেক খেলোয়াড় ক্ষমা চেয়ে নেন বা উল্লাস করেন না। এই যেমন মোহাম্মদ সালাহ রোমার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের মুখোমুখি লড়াইয়ে গোল করে ক্ষমা চেয়েছিলেন। রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ইসকো সাবেক ক্লাব মালাগার বিপক্ষে গোল করেও উল্লাস করেননি। কিন্তু সাকিব সাবেক ক্লাব কলকাতার বিপক্ষে দুই ম্যাচেই উইকেট তুলে নিয়ে উল্লাস করেছেন। মুখে কিছু না বললেও কারণটা নিশ্চয় বোঝা যায়। সাত বছরের পুরনো দল বলে কথা।

সাকিব পুরনো বাড়ি কলকাতার ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেনে ফিরে প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারেও দারুণ পারফর্ম করেছেন। দলের হয়ে ২৪ বলে ২৮ রানের সময়োপযোগী ইনিংস খেলার পাশাপাশি  বল হাতে ফিরিয়েছেন দারুণ ফর্মে থাকা কলকাতা অধিনায়ক দিনেশ কার্তিককে। দলের হয়ে ৩ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৬ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট। তবে রশিদ খান জাদুকরী ব্যাটিং এবং বোলিং করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন।

দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে হায়দরাবাদকে ফাইনালে তুলতে দারুণ অবদান রাখা সাকিব এ ম্যাচের ’স্টাইলিশ’ খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন। দলকে ফাইনালে তুলতে অবদান রাখা সাকিব বলেন, ‘তৃতীয়বারের মতো আমি আইপিএলের ফাইনাল খেলব। আমার দলকে ধন্যবাদ প্রতিটি ম্যচে আমার ওপর ভরসা রাখার জন্য। কিছু ম্যাচে আমরা আমাদের সেরাটা দিতে পারিনি। তবে হায়দরাবাদের জন্য এবারের মৌসুমটা এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে বেশ ভালো হয়েছে।’

আগের ম্যাচের পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়ে দল ভালো করেছে বলেও এ সময় জানান সাকিব।

তিনি বলেন, ‘ব্র্যাথওয়েট অবশ্যই খুশি হয়েছে। চেন্নাইয়ের বিপক্ষে আমরা যেভাবে হেরেছিলাম, সে ভেবেছিল তার কারণেই হেরেছি। আজ (শুক্রবার রাত) যেভাবে সে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তা ছিল অসাধারণ ব্যাপার। চেন্নাই দারুণ আইপিএল দল। রোমাঞ্চকর এক ফাইনাল হবে তাদের বিপক্ষে।’

এসময় সাকিব মিডল অর্ডারে তার এবং রশিদ খানের বোলিং জুঁটি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলেও উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

হায়দরাবাদকে ফাইনালে তুললেন সাকিব-রশিদ খান


আরও খবর

খেলা

  অনলাইন ডেস্ক

কলকাতা ঘরের মাঠে হায়দরাবাদের বিপক্ষে খেলা দুই ম্যাচেই হেরেছে। প্রথম ম্যাচে হারের বদলা নিয়েছিল কলকাতা হায়দরাবাদের মাঠে জিতে। কিন্তু এবার সাকিব-রশিদ খানের কাছে হেরে ফাইনালে যাওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল তাদের। আর কলকাতার মুখোমুখি প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারেও দারুণ খেলেছেন সাকিব। বুঝিয়ে দিয়েছেন সাতটা বছর কলকাতা দলে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন তিনি।

ব্যাট হাতে সাকিব পরপর সুনীল নারাইনকে দু্ই চার মেরে ঝড়ের আভাস দিলেও শেষ পর্যন্ত ২৪ বলে ২৮ রান করেন। অবশ্য এই রানই দলের জন্য দারুণ প্রয়োজনীয় হয়ে দেখা দেয়। এরপর বল হাতে ৩ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। তবে সাকিবের নেওয়া দিনেশ কার্তিকের উইকেটটি হায়দরাবাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কলকাতা অধিনায়ককে বোল্ড করার পর হাত মুষ্টিবদ্ধ করে উল্লাস করেন সাকিব। যেন নিদাহাস ট্রফির ফাইনাল হার, কলকাতা দলে না থাকা— সব রাগ কার্তিককে আউট করে ঝাড়লেন বামহাতি অলরাউন্ডার।

তবে এ ম্যাচে সাকিবকে ছাড়িয়ে নায়ক রশিদ খান। ব্যাট হাতে তিনি যেন আফগানদের সাহসী ক্রিকেটের প্রতীক হয়ে দাঁড়ালেন কলকাতার বিপক্ষে। মাত্র ১০ বল খেলে করেছেন ৩৪ রান। দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেন তিনি। তার উপরে কেবল সাহা ৩৫ রান করেন। এছাড়া অন্য ওপেনার শেখর ধাওয়ান করেন ৩৪ রান। কিন্তু রশিদের ওই ঝড়ো ৩৪ রানেই ১৭৫ রানের পুঁজি পায় হায়দরাবাদ।

এরপর বল হাতে ৪ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ১৯ রান। নিয়েছেন ৩ উইকেট। এছাড়া ২৪ বলের মধ্যে ১২ টি ডট বল দিয়েছেন এই আফগান বিস্ময়। তার ম্যাচ সেরা ব্যাটিং-বোলিংয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ১৩ রানে জিতেছে হায়দরাবাদ। ১৭৫ রানের জবাবে ৯ উইকেটে ১৬১ রান তুলতে পারে কলকাতা।  

কলকাতার হয়ে ক্রিস লিন ৩১ বলে ৪৮ রান করেন। নারাইনের ১৩ বলে ২৬ রানের ঝড় শুরুতে ভয়ই দেখিয়েছিল হায়দরাবাদকে। ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পরও দারুণ প্রতিযোগিতা করেছে কলকাতা। ২০ বলে ৩০ রান করা গিল তো ভয়ই দেখাচ্ছিলেন। কিন্তু ব্র্যাথওয়েটের করা শেষ ওভারে ১৯ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেননি তিনি। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে কলকাতাকে হারিয়ে  ফাইনালে চেন্নাইয়ের সঙ্গী হলো হায়দরাবাদ। প্রথম কোয়ালিফায়ারে চেন্নাইয়ের কাছে হারা হায়দরাবাদ আগামী রোববার আবার তাদের মুখোমুখি হবে। তবে এবারের লড়াইটি হবে আসরের শিরোপা জেতার।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বিকল্প অনেক ফরমেশন হাতে আছে: তিতে


আরও খবর

খেলা

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

জার্মানির কাছে ৭-১ গোল বিধ্বস্ত হওয়া দলটাকে বেশ গুছিয়ে নিয়েছেন ব্রাজিল কোচ তিতে। রাশিয়া যাওয়ার আগে ব্রাজিলকে পরিস্কার ফেবারিটের তকমা এনে দিয়েছেন। আক্রমণ ভাগ শানিত করেছেন। রক্ষণ কিংবা গোলবার সবক্ষেত্রে বিকল্প খেলোয়াড় হাতে আছে তার। আর বিকল্প খেলোয়াড় থাকা মানে বিকল্প ফরমেশন। প্রথম দল হিসেবে রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়া তিতেও জানালেন তেমনটা। 

এছাড়া ব্রাজিলের খেলার ধরণ সাম্বা নৃত্য। তিতে তার দলকে সেখানে আবার নিয়ে এসেছেন। এ বিষয়ে ব্রাজিল কোচ বলেন, 'ফলাফলের চেয়ে পারফরম্যান্সের গুরুত্ব বেশি বলে আমি মনে করি। খেলার ফলের নিয়ন্ত্রক আপনি না। তবে দলের পারফর্ম নিয়ন্ত্রণ করাটা আপনার কাজ। আমি সেটার ওপরই বেশি জোর দিয়েছি। আর প্রত্যেক খেলোয়াড়ের সামর্থ্যের ব্যাপারে পরিস্কার ধারণা থাকাটাও জরুরি।'

ব্রাজিল কোচের বিশ্বকাপ পরিকল্পনার দানি আলভেজ ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ নাম। কিন্তু আলভেজ চোটের কারণে ছিটকে গেছেন। এ বিষয়ে কোচ মনে করেন, চোট খেলারই একটা অংশ। আলভেজ পরিকল্পনায় ছিলেন জানিয়ে তিতে বলেন, 'সে নিশ্চিতভাবেই মূল একাদশে থাকত। তবে আমাদের এখন অন্য কাউকে ভাবতে হচ্ছে। তার অভাব পূরণ করা বেশ কঠিন।'

দানি আলভেজ যেহেতু ব্রাজিল কোচের পরিকল্পনায় ছিলেনই। কিন্তু তাকে না পাওয়ায় ব্রাজিল খেলার ফরমেশনে কোন পরিবর্তন আনবে কি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিতে বলেন, 'ফরমেশনের প্রশ্নে আমাদের হাতে অনেক বিকল্প আছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এটা পরিবর্তন হতেই পারে। তবে এটা নিশ্চিত, আমরা আগে কখনো করিনি এমন কৌশল প্রয়োগ করবো না। বিশ্বকাপে গিয়ে দল নিয়ে যাচাই-বাছাই বেশ বিপজ্জনক।'

সংশ্লিষ্ট খবর