খেলা

পাঞ্জাবের বিপক্ষে হারলেই বিদায় মুম্বাইয়ের

প্রকাশ : ১৬ মে ২০১৮

পাঞ্জাবের বিপক্ষে হারলেই বিদায় মুম্বাইয়ের

  অনলাইন ডেস্ক

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের নিজস্ব ফেসবুক পেজে পাঞ্জাবকে শুভ কামনা জানাচ্ছেন অনেকে। পাঞ্জাবের বিপক্ষে এই ম্যাচে মুম্বাই হারুক এটাই কাম্য তাদের। কারণ অনুমান করতে কষ্ট হওয়ার কথা না। এরা মুম্বাই কিংবা পাঞ্জাবের সমর্থক নন। সবাই বাংলাদেশের বামহাতি কাটার মাস্টার মুস্তাফিজের ভক্ত। 

মুস্তাফিকজে প্রথম ছয় ম্যাচে মাঠে নামিয়েছিল মুম্বাই। এরপর বেঞ্চ গরম করছেন ফিজ। আর তাই ভক্তদের এই আক্ষেপ। আজ বুধবার রাতে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মুখোমুখি হবে রোহিত শর্মার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। এ ম্যাচে হারলেই বিদায় নিতে হবে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের। 

কারণ মুম্বাই এখন পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচে জয় পেয়েছে। এই ম্যাচ হেরে যদি তারা শেষ ম্যাচে জেতে তবুও তাদের জয় হবে ছয়টি। অন্যদিকে শেষ চারে যাওয়ার জন্য অন্য চার দলের সাতটি করে জয় হয়ে যাবে। তবে মুম্বাই যদি এই ম্যাচে জয় পায় এবং শেষ ম্যাচেও জেতে তবে তাদের শেষ চারে যাওয়ার ভালো সুযোগ থাকবে। সেক্ষেত্রে চ্যাম্পিয়নদের নেট রান রেটের উপর নির্ভর করতে হবে। 

পাঞ্জাব যদি মুম্বাইয়ের বিপক্ষে জেতে তবুও তাদের শেষ চারের রাস্তা পরিষ্কার হবে না। কারণ নেট রান রেটে সবার চেয়ে পিছিয়ে আছে পাঞ্জাব। ওদিকে নিজেদের শেষ ম্যাচে রাজস্থান জিতলে তাদের সুযোগ বেড়ে যাবে প্লে অফ খেলার। রাহানের দলের নেট রান রেট পাঞ্জাবের চেয়ে ভালো হওয়ায় সুযোগ থাকবে তাদের পক্ষে। 

তাছাড়া ১২ ম্যাচে ৫ জয় পাওয়া ব্যাঙ্গালুরুও যদি শেষ দুই ম্যাচে জেতে তবে তারাও শেষ চারের দাবিদার হবে। তাদের নেট রান রেটও কিংসদের থেকে ভালো। এগিয়ে যাবে রাজস্থান-কলকাতার চেয়েও। শেষ দুই ম্যাচে জিতলে মুম্বাইয়েরও শেষ চারে যাওয়ার ভালো সুযোগ আছে। ম্যাচ হারলেও নেট রান রেটের হিসেবে এখনো অন্যদের চেয়ে অনেক এগিয়ে মুম্বাই। 

তাছাড়া কলকাতার নেট রান রেটও বেশ কম। শেষ চার নিশ্চিত করতে হলে তাদের তাই শেষ ম্যাচ জিততে হবে। নয়তো অন্যদের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। তবে নেট রান রেটের হিসেবে কলকাতা এখন পর্যন্ত পাঞ্জাব এবং রাজস্থানের চেয়ে এগিয়ে আছে। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

'চ্যালেঞ্জ' নিয়েই মাঠে নামছে টাইগাররা


আরও খবর

খেলা
'চ্যালেঞ্জ' নিয়েই মাঠে নামছে টাইগাররা

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

  ক্রীড়া প্রতিবেদক

থ্যাংকলেস জব! খেলার জগতে শব্দটা ব্যবহার করা হয় আম্পায়ার বা রেফারিদের জন্য। যে কাজ বা গুরুদায়িত্ব তারা পালন করেন, সেটি ঠিকঠাকভাবে হওয়ার পর 'সাধুবাদ' তাদের কপালে জোটে না; কিন্তু সিদ্ধান্তে সামান্য এদিক-ওদিক হলেই নিন্দার ঝড় বয়ে যায় চারদিকে। ধন্যবাদ নেই, নিন্দাবাদ আছে— এটিই যেন সারকথা।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগের দিন ঠিক এমনটা বলতে চাইলেন মাশরাফি বিন মুর্তজাও। বাংলাদেশ অধিনায়কের সরল ভাষ্য, 'জিতলে সবাই বলবে, এটাই হওয়ার কথা ছিল। হারলে কিন্তু ভিন্ন কথা হবে।' সেই 'ভিন্ন  কথা' মানে সমালোচনার পথ এড়ানোর চ্যালেঞ্জ নিয়েই আজ মিরপুরে জিম্বাবুয়ে মিশন শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আট মাস পর আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করতে যাওয়া শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর আড়াইটায়।

প্রতিটি সিরিজ বা টুর্নামেন্টের আগমুহূর্তে 'উত্তাপ' ছড়ানোর জন্য কিছু না কিছু উপাদান থাকে। সেই উপাদান কখনও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের, কখনও বদলা নেওয়ার, কখনোবা আবার বাইশ গজের বাইরে ঘটা অন্য কিছু। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকায় পর্যুদস্ত হয়ে ফেরা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রাপ্তিযোগ্য এমন কী লক্ষ্যই বা আছে, দেনা চুকানোরও বা কী? প্রশ্নটা বাতাসে ভাসছে গত ক'দিন ধরেই- খুব বেশি কিছু কি অর্জনের আছে এ সিরিজে? শিরোপা জয়ের টুর্নামেন্ট নয় এটি, প্রতিপক্ষও র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকা দল নয়। এমনকি বিগত চার বছরের মধ্যে বাংলাদেশের বিপক্ষে যাদের পঞ্চাশ ওভারিতে জয়ই নেই, তাদের বিপক্ষে আরেকটি দ্বিপক্ষীয় সিরিজে চ্যালেঞ্জটাই বা কোথায়? 'চ্যালেঞ্জ প্রতি ম্যাচে যেটা থাকে সেটাই। অন্য দলের সঙ্গে যে চ্যালেঞ্জটা নিয়ে খেলি, গত এশিয়া কাপে যেভাবে খেলেছি, সেটাই থাকবে'— বলছিলেন অধিনায়ক মাশরাফি।

অবশ্য বিশ্বকাপের সাত মাস আগের এ সিরিজে আরেকটা বড়সড় চ্যালেঞ্জ আছে। চোটের কারণে এ সিরিজে খেলতে পারছেন না সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল। গত বছর দুয়েক ধরে বাংলাদেশ দলের যা নিয়ে শঙ্কা বেশি, সেই 'সিনিয়ররা না থাকলে কী হবে' প্রশ্নের জবাব খোঁজার সিরিজ এটি। তামিমের কারণে একটি এবং সাকিবের কারণে দুটি (মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ও স্পেশালিস্ট স্পিনার) জায়গা খালি হয়েছে। ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে প্রয়োজনের সময় বাংলাদেশের ব্যাকআপ শক্তি কেমন থাকবে, তার একটি যাচাই হবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এ সিরিজে। আর কে না জানে নতুন ও অফফর্মের খেলোয়াড়দের নিরীক্ষা করতে তুলনামূলক লো-ভোল্টেজ সিরিজই মোক্ষম মঞ্চ! তিন ম্যাচের এ ওয়ানডে সিরিজের যে ১৫ সদস্যের স্কোয়াড, সেখানে অবশ্য নতুন মুখ একটিই- ফজলে মাহমুদ রাব্বি। ঘরোয়া ক্রিকেটে এক থেকে ছয় নম্বরের সব পজিশনে খেললেও জাতীয় দলে ডাকা হয়েছে তাকে মিডল অর্ডারে ব্যবহারের জন্য। তবে আজকের ম্যাচে সম্ভবত তার অভিষেক হচ্ছে না। সদ্য জ্বর থেকে সেরে ওঠা রুবেলের একাদশে থাকা অনিশ্চিত। এই দু'জনের সঙ্গে আবু হায়দার রনি এবং আরিফুল হককে বসিয়ে একাদশ সাজাতে পারে বাংলাদেশ। পেস আক্রমণে মুস্তাফিজুর রহমান ও মাশরাফির সঙ্গে সাইফুদ্দিন, আর স্পিনে মেহেদি হাসান মিরাজের সঙ্গে নাজমুল ইসলাম অপু। ওপেনিংয়ে লিটন দাসের সঙ্গে নাজমুল হোসেন শান্ত বা ইমরুল কায়েস। শেষের দু'জনের একজনকে ওয়ানডাউনে রেখে মিডল অর্ডারে মিঠুন, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহ। এদিকে বাংলাদেশ দল যখন সাকিব-তামিমকে ছাড়া তুলনামূলক 'খর্বশক্তি'র দল নিয়ে নামছে, জিম্বাবুয়ে তখন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারে ভরপুর। অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা এবং এলটন চিগুম্বুরা এ নিয়ে নবমবারের মতো খেলতে এসেছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। দলে ফিরেছেন ব্রেন্ডন টেলর, শেন উইলিয়ামস, সিকান্দার রাজা এবং কাইল জারভিসরাও। এদের মধ্যে উইকেটরক্ষক টেলর হচ্ছেন সেই ব্যাটসম্যান, সব দেশ মিলিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি রান (১২২২) যার। মাশরাফিদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে এক হাজারের বেশি রান আছে মাসাকাদজা আর চিগুম্বুরারও। বিপরীতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের এক হাজার করে রান আছে তিনজনের; তার মধ্যে আবার সাকিব, তামিম নেই। কেবল আছেন মুশফিক।

চ্যালেঞ্জটা বাংলাদেশের আসলে এখানেই। সাকিব-তামিমকে ছাড়া আগে আট ম্যাচ খেলতে হলেও কোনো সিরিজের বেশ আগেভাবে দু'জনকে একসঙ্গে হারিয়ে ফেলার ঘটনা এই প্রথম। মাশরাফি বলেছেন 'ওরা নেই ধরে নিয়েই সবাই প্রস্তুতি নিয়েছে।' এখন সেই প্রস্তুতি মাঠে বাস্তবায়নের পালা। পালা পঞ্চপাণ্ডবের বিকল্প তৈরি হওয়ার আভাস পাওয়ারও।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

রোমাঞ্চকর সমতা ম্যানইউ-চেলসির


আরও খবর

খেলা

ছবি: গোল

  অনলাইন ডেস্ক

চেনা মাঠ, চেনা শিষ্য তবুও ম্যাচটা ছিল মরিনহোর জন্য চাপের। স্টাম ফোর্ড ব্রিজের ম্যাচের আগে তার চাকরি যাওয়া নিয়ে ছিল গুঞ্জন। আবার চেলসি তার কাছে অজেয় দল হয়ে উঠেছে গেল ক'বছর। চারবার নিজের সাবেক ক্লাবে ফিরে জয়হীন থাকতে হয়েছে তাকে। এবারও তাই মরিনহোর ভয় ছিল। তাতে ম্যাচের প্রথমার্ধে মরিনহোর চাকরি নিয়ে টানাটানিই পড়ে যায়। আর দ্বিতীয়ার্ধে মরিনহোর চেলসি জয় এবং টেবিলের শীর্ষ দলকে হারানোর তৃপ্তি চলে আসে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চেলসি ম্যাচটি সমতায় শেষ করেছে।

প্রথমার্ধে ২১ মিনিটের মাথায় গোল দিয়ে এগিয়ে যায় চেলসি। রুডিগারের করা গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে ব্লুসরা। এরপর দ্বিতীয়ার্ধ নিজেদের করে নেওয়ার ইঙ্গিত দেয় সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ এবং চেলসি কোচ। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে সমতা সূচক গোলটি করেন ফ্রান্স ফরোয়ার্ড অ্যান্তনিও মার্শিয়াল। এরপর আবার গোল করেন ফ্রান্সের তরুণ এই তারকা। তার ৭৩ মিনিটের গোলে ২-১ গোলে এগিয়ে যায় ম্যানইউ।

ওই গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার অপেক্ষায় ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। কিন্তু ম্যাচের রোমাঞ্চ তখন শেষ সময়ের জন্য জমানো। যোগ করা সময়ে ৯৬ মিনিটে গোল করেন চেলসির বার্কলি। তার গোলে সমতায় ফেরে চেলসি। ব্লুসরা ঘরের মাঠে রেডসদের বিপক্ষে হার এড়ায়। মাঠ ছাড়ে ২-২ গোলের সমতা নিয়ে।

পয়েন্ট টেবিলে চেলসি শীর্ষে আছে। দুই এবং তিনে থাকা ম্যানসিটি এবং লিভারপুলেরও চেলসির সমান পয়েন্ট। কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে চেলসি। ম্যানইউয়ের বিপক্ষে সমতা তাই তাদের মূল্যবান পয়েন্ট এনে দিয়েছে। চলতি মৌসুমে ব্লুসরা তাদের অপরাজিত থাকার রেকর্ডও ধরে রেখেছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

লেভান্তেও হারিয়ে দিল রিয়ালকে


আরও খবর

খেলা

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

রিয়াল মাদ্রিদের নতুন কোচ হুলেন লোপেতেগুইয়ের চাকরির পাশে প্রশ্ন চিহ্নটা ভালো মতোই সেটে গেলো। তার অধীনে প্রায় এক মাস জয়হীন রিয়াল মাদ্রিদ। আন্তর্জাতিক বিরতিতে যাওয়ার আগে হেরেছে আলাভেস এবং মস্কোর বিপক্ষে। লেভান্তের বিপক্ষে ঘরের মাঠে তাই লস ব্লাঙ্কোসদের ঘুরে দাঁড়াতে হতো। কিন্তু লেভান্তে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে এসে রিয়ালকে ২-১ গোলের হারের স্বাদ দিল।

এ নিয়ে চলতি মৌসুমে ছয় ম্যাচ জয়হীন রিয়াল মাদ্রিদ। দুই হারের পাশাপাশি আগের চার ম্যাচে গোল শূন্য সমতায় মাঠ ছেড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এ নিয়ে রিয়ালের ১১৬ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় গোলহীন থাকার নতুন এক রেকর্ড হলো। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে আগের ওই রেকর্ড ভাঙে লস ব্লাঙ্কোসরা। সে হিসেবে ৬০০ মিনিটের বেশি গোলহীন থেকেছে লোপেতেগুইয়ের দল। রিয়াল এ ম্যাচে শুরুর একাদশে পাঁচ পরিবর্তন এনেও ভাগ্য বদলাতে পারলো না। 

ম্যাচের ১৩ মিনিটের মধ্যে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে রিয়াল মাদ্রিদ। ঘরের মাঠে দর্শকরা আসনে বসার আগেই ৬ মিনিটের মাথায় গোল করেন লেভান্তের মোরালেস। এর সাত মিনিট পরে আবার গোল লেভান্তের। রিয়াল মাদ্রিদ কোচ, খেলোয়াড় কিংবা মাঠে থাকা দর্শকরা কিছু বুঝে ওঠার আগে ১৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় লেভান্তে। 

ওই দুই গোলেই এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে লেভান্তে। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে লোপেতেগুইয়ের দল। কিন্তু মডরিচ-বেনজেমারা কিছুতেই কিছু করে উঠতে পারছিলেন না। রিয়ালের বাজে এক রেকর্ড হয়ে যাওয়ার পর ম্যাচের ৭২ মিনিটে অবশ্য গোল করেন ব্রাজিলের রিয়াল মাদ্রিদ লেফট ব্যাক মার্সেলো। বেনজেমার পাস ধরে গোলে করে মার্সেলো ব্যবধান কমায় রিয়াল মাদ্রিদের। কিন্তু পরে বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেও সমতাসূচক গোল আর করতে পারেনি তারা। শেষ পর্যন্ত ক্রুস-মারিয়ানো ডিয়াজদের মাঠ ছাড়তে হয় ২-১ গোলের হার নিয়ে।

রিয়াল মাদ্রিদ অবশ্য কোচ লোপেতেগুইয়ের চেনা কৌশল বল ধরে রাখা নীতিতে সফল ছিল। তার দল পায়ে ৭০ ভাগ বল রেখেছে। ম্যাচে ৬০১টি পাস দিয়েছে। গোলের লক্ষ্যে শট নিয়েছে ১২টি। লক্ষ্যভ্রষ্ট আক্রমণ করেছে ১৪টি। কিন্তু গোল করতে পারেনি তারা। অথচ গোলের লক্ষ্যে দুই শট নিয়ে দুটিতেই গোল পেয়েছে লেভান্তে। সামনের সপ্তাহে এল ক্লাসিকো। রিয়াল মাদ্রিদ ভঙ্গুর এই দল নিয়ে বার্সেলোনাকে কিভাবে সামলায় সেটা তাই দেখার থাকবে।  

সংশ্লিষ্ট খবর