খেলা

পর্তুগালকে ইউরো জেতানো সানচেজ দলেই নেই

প্রকাশ : ১৫ মে ২০১৮

পর্তুগালকে ইউরো জেতানো সানচেজ দলেই নেই

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

পর্তুগাল বর্তমান ইউরোপের সেরা দল। কেউ মানুক বা না মানুক ইউরো জেতায় পর্তুগালকে স্বীকৃতিটা দিতেই হবে। আর ফাইনালে গোল করে সেই সেরার তকমাটা এনে দিয়েছিলেন রেনাতো সানচেজ। মাত্র ১৮ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় দারুণ এক শটে ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে দেয়। 

দলকে গোল করে জেতানোয় এবং দারুণ দক্ষতা দেখানোয় সানচেজ ইউরোর সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছিলেন। অথচ সেই সানচেজ পর্তুগালের সেরা ৩৫ জনের দলেও নেই। খারপ ফর্মের কারণে পর্তুগিজ কোচ ফার্নান্দো সান্তোস তাকে ৩৫ জনের মধ্যেও রাখেননি। 

ভালো পারফর্ম করায় ইউরোপের সেরা ক্লাবগুলোর নজর ছিল তার দিকে। বেনফিকা থেকে বায়ার্ন মিউনিখ তাকে দলেও ফেরায়। কিন্তু বায়ার্নে গিয়ে নিজের পারফর্মে নিজেও হতাশ হয়েছেন দলকেও হতাশ করেছেন। যার কারণে ২০১৭তে তাকে ধারে সোয়ানসিতে পাঠিয়ে দেয় বায়ার্ন। সোয়ানসিতে গিয়ে জানুয়ারির পর থেকে মাঠেই নামা হয়নি সানচেজের। 

রাশিয়া বিশ্বকাপে পর্তুগালকে নেতৃত্ব দেবেন তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পর্তুগাল কোচের ৩৫ জনের দল থেকে ২৩ জন রাশিয়া যাবেন দলের সঙ্গে। স্পেনের বিপক্ষে ১৬ জুন বড় পরীক্ষা দিয়ে রোনালদোদের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

প্রকাশ পেল রাশিয়া বিশ্বকাপের থিম সং


আরও খবর

খেলা

  অনলাইন ডেস্ক

রাশিয়ায় বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হতে এখনও বাকি ১৯ দিন। তবে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে না খেললেও এখানে নেই উন্মাদনার কমতি। সারা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমিদের বিশ্বকাপের আমেজ আরও বাড়িয়ে দিতে ফিফা প্রকাশ করেছে বিশ্বকাপের থিম সং ‘লিভ ইট আপ’।

শুক্রবার ফিফা তাদের অফিসিয়াল টুইটার পেইজে রাশিয়া বিশ্বকাপের থিম সং ‘লিভ ইট আপ’ প্রকাশ করে। থিম সং-এ কণ্ঠ দিয়েছেন হলিউড অভিনেতা ও গায়ক উইল স্মিথ, নিকি জ্যাম ও কসোভোর নাগরিক ইরা ইজট্রেফাই।

 

গত দুই আসরের মতো এবারও বিশ্বকাপের থিম সং প্রযোজনা করেছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ডিজে এবং গীতিকার ডিপলো। আগামী ১৫ জুলাই মস্কোর লুজনিক স্টেডিয়ামে ফাইনালের আগে মাঠ মাতাবেন স্মিথরা। বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করা হবে ৭ জুন।



সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

হায়দরাবাদের ‘স্টাইলিশ’ ক্রিকেটার সাকিব


আরও খবর

খেলা

  অনলাইন ডেস্ক

কলকাতা অধিনায়ক দিনেশ কার্তিককে বোল্ড করে হাত মুষ্টিবদ্ধ করে উল্লাস করলেন সাকিব। যেন উগরে দিলেন নিজের মধ্যে জমে থাকা সব ক্ষোভ। ফুটবলে সাবেক দলের বিপক্ষে গোল করে অনেক খেলোয়াড় ক্ষমা চেয়ে নেন বা উল্লাস করেন না। এই যেমন মোহাম্মদ সালাহ রোমার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের মুখোমুখি লড়াইয়ে গোল করে ক্ষমা চেয়েছিলেন। রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ইসকো সাবেক ক্লাব মালাগার বিপক্ষে গোল করেও উল্লাস করেননি। কিন্তু সাকিব সাবেক ক্লাব কলকাতার বিপক্ষে দুই ম্যাচেই উইকেট তুলে নিয়ে উল্লাস করেছেন। মুখে কিছু না বললেও কারণটা নিশ্চয় বোঝা যায়। সাত বছরের পুরনো দল বলে কথা।

সাকিব পুরনো বাড়ি কলকাতার ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেনে ফিরে প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারেও দারুণ পারফর্ম করেছেন। দলের হয়ে ২৪ বলে ২৮ রানের সময়োপযোগী ইনিংস খেলার পাশাপাশি  বল হাতে ফিরিয়েছেন দারুণ ফর্মে থাকা কলকাতা অধিনায়ক দিনেশ কার্তিককে। দলের হয়ে ৩ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৬ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট। তবে রশিদ খান জাদুকরী ব্যাটিং এবং বোলিং করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন।

দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে হায়দরাবাদকে ফাইনালে তুলতে দারুণ অবদান রাখা সাকিব এ ম্যাচের ’স্টাইলিশ’ খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন। দলকে ফাইনালে তুলতে অবদান রাখা সাকিব বলেন, ‘তৃতীয়বারের মতো আমি আইপিএলের ফাইনাল খেলব। আমার দলকে ধন্যবাদ প্রতিটি ম্যচে আমার ওপর ভরসা রাখার জন্য। কিছু ম্যাচে আমরা আমাদের সেরাটা দিতে পারিনি। তবে হায়দরাবাদের জন্য এবারের মৌসুমটা এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে বেশ ভালো হয়েছে।’

আগের ম্যাচের পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়ে দল ভালো করেছে বলেও এ সময় জানান সাকিব।

তিনি বলেন, ‘ব্র্যাথওয়েট অবশ্যই খুশি হয়েছে। চেন্নাইয়ের বিপক্ষে আমরা যেভাবে হেরেছিলাম, সে ভেবেছিল তার কারণেই হেরেছি। আজ (শুক্রবার রাত) যেভাবে সে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তা ছিল অসাধারণ ব্যাপার। চেন্নাই দারুণ আইপিএল দল। রোমাঞ্চকর এক ফাইনাল হবে তাদের বিপক্ষে।’

এসময় সাকিব মিডল অর্ডারে তার এবং রশিদ খানের বোলিং জুঁটি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলেও উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

হায়দরাবাদকে ফাইনালে তুললেন সাকিব-রশিদ খান


আরও খবর

খেলা

  অনলাইন ডেস্ক

কলকাতা ঘরের মাঠে হায়দরাবাদের বিপক্ষে খেলা দুই ম্যাচেই হেরেছে। প্রথম ম্যাচে হারের বদলা নিয়েছিল কলকাতা হায়দরাবাদের মাঠে জিতে। কিন্তু এবার সাকিব-রশিদ খানের কাছে হেরে ফাইনালে যাওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল তাদের। আর কলকাতার মুখোমুখি প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারেও দারুণ খেলেছেন সাকিব। বুঝিয়ে দিয়েছেন সাতটা বছর কলকাতা দলে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন তিনি।

ব্যাট হাতে সাকিব পরপর সুনীল নারাইনকে দু্ই চার মেরে ঝড়ের আভাস দিলেও শেষ পর্যন্ত ২৪ বলে ২৮ রান করেন। অবশ্য এই রানই দলের জন্য দারুণ প্রয়োজনীয় হয়ে দেখা দেয়। এরপর বল হাতে ৩ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। তবে সাকিবের নেওয়া দিনেশ কার্তিকের উইকেটটি হায়দরাবাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কলকাতা অধিনায়ককে বোল্ড করার পর হাত মুষ্টিবদ্ধ করে উল্লাস করেন সাকিব। যেন নিদাহাস ট্রফির ফাইনাল হার, কলকাতা দলে না থাকা— সব রাগ কার্তিককে আউট করে ঝাড়লেন বামহাতি অলরাউন্ডার।

তবে এ ম্যাচে সাকিবকে ছাড়িয়ে নায়ক রশিদ খান। ব্যাট হাতে তিনি যেন আফগানদের সাহসী ক্রিকেটের প্রতীক হয়ে দাঁড়ালেন কলকাতার বিপক্ষে। মাত্র ১০ বল খেলে করেছেন ৩৪ রান। দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেন তিনি। তার উপরে কেবল সাহা ৩৫ রান করেন। এছাড়া অন্য ওপেনার শেখর ধাওয়ান করেন ৩৪ রান। কিন্তু রশিদের ওই ঝড়ো ৩৪ রানেই ১৭৫ রানের পুঁজি পায় হায়দরাবাদ।

এরপর বল হাতে ৪ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ১৯ রান। নিয়েছেন ৩ উইকেট। এছাড়া ২৪ বলের মধ্যে ১২ টি ডট বল দিয়েছেন এই আফগান বিস্ময়। তার ম্যাচ সেরা ব্যাটিং-বোলিংয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ১৩ রানে জিতেছে হায়দরাবাদ। ১৭৫ রানের জবাবে ৯ উইকেটে ১৬১ রান তুলতে পারে কলকাতা।  

কলকাতার হয়ে ক্রিস লিন ৩১ বলে ৪৮ রান করেন। নারাইনের ১৩ বলে ২৬ রানের ঝড় শুরুতে ভয়ই দেখিয়েছিল হায়দরাবাদকে। ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পরও দারুণ প্রতিযোগিতা করেছে কলকাতা। ২০ বলে ৩০ রান করা গিল তো ভয়ই দেখাচ্ছিলেন। কিন্তু ব্র্যাথওয়েটের করা শেষ ওভারে ১৯ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেননি তিনি। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে কলকাতাকে হারিয়ে  ফাইনালে চেন্নাইয়ের সঙ্গী হলো হায়দরাবাদ। প্রথম কোয়ালিফায়ারে চেন্নাইয়ের কাছে হারা হায়দরাবাদ আগামী রোববার আবার তাদের মুখোমুখি হবে। তবে এবারের লড়াইটি হবে আসরের শিরোপা জেতার।

সংশ্লিষ্ট খবর