শিল্পমঞ্চ

ঢাকায় অতিথি

সমরেশ মজুমদারের মুখে জীবন ও সৃষ্টির গল্প

প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

সমরেশ মজুমদারের মুখে জীবন ও সৃষ্টির গল্প

শনিবার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে বাতিঘর আয়োজিত 'আমার জীবন আমার রচনা' শীর্ষক আলাপচারিতায় জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার। পাশে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ- সমকাল

  দীপন নন্দী

গল্পকথকের সঙ্গে আড্ডা। গল্পের ছলে শোনালেন চরম বাস্তবতার কথা। রসিকতাও করলেন বন্ধুর মতো। সব মিলিয়ে যাপিত জীবন ও সাহিত্য জীবনকে এক সুতোয় গেঁথে দেড় ঘণ্টার আলাপনে দুই বাংলার জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার মুগ্ধ করে রাখলেন পাঠক, ভক্ত, অনুরাগীদের। গতকাল শনিবার রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অষ্টম তলায় বাতিঘরের আয়োজনে তাকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো 'আমার জীবন, আমার রচনা' শীর্ষক আলাপচারিতা।

প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুটের বাতিঘর, পুরোটা পরিপূর্ণ হয়ে যায় সমরেশ মজুমদার মঞ্চে দাঁড়ানোর আধাঘণ্টা আগে। যত মানুষ ভেতরে ছিলেন, তার চেয়ে বেশি মানুষ ফিরে গেছেন জায়গা না পেয়ে। মানুষের এই ঢল দেখে আপ্লুত কথাসাহিত্যিক জানালেন তার মুগ্ধতার কথা। বললেন, 'আপ্লুত বললেও বোধ হয় কম বলা হবে। এখানে এসে, এত মানুষের মুখোমুখি বসে যেন নতুন এক জীবন খুঁজে পেলাম।'

নিজের জীবন ও সৃষ্টির গল্পে প্রবেশ করলেন পাড়ি দেওয়া কঠিন সময়ের স্মৃতিচারণে। বললেন, দুই বছর আগে একদিন লেখালেখি শেষ করে রাতে ঘুমাতে যাই। এর পর যখন ঘুম ভাঙে, তখন নিজেকে আবিস্কার করি হাসপাতালের বিছানায়। যখন আমার স্মৃতিভ্রষ্ট হয়ে যায়, কোনো কিছুই মনে করতে পারছিলাম না। চিকিৎসকরা জানালেন, আমি আমার সব কিছুই ভুলে গেছি। এমনকি আমার নিজের নামটাও।'

এতটুকু বলে একটু থামলেন। আবার শুরু করলেন বলা, 'বাসায় ফেরার পর আমার হাতে শিশুদের বর্ণপরিচয় বই ও একটি স্লেট তুলে দেওয়া হয়। যাতে আমি নতুন করে অ, আ এবং এ, বি, সি শিখতে শুরু করলাম। প্রথমেই নিজের নাম মনে পড়ল। আস্তে আস্তে সব কিছু মনে পড়তে শুরু করল।'

তিনি আর লিখতে পারবেন না বলে চিকিৎসকরা তাকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের সে শঙ্কাকে ভুল প্রমাণ করে সমরেশ মজুমদারের কলম চলতে শুরু করে আবার। কীভাবে লেখক হিসেবে তার দ্বিতীয় জীবন শুরু হয়, জানালেন নিজেই। 'দীর্ঘদিন ধরে আমি ফুলস্কেপ কাগজে প্রতিটি লাইনে ১২টি করে শব্দ লিখতাম। অসুস্থতার পরে যখন লেখা শুরু করি, তখন ৮ থেকে ১০ শব্দ করে ছয় লাইনের বেশি লিখতে পারিনি। ধীরে ধীরে লাইনের সংখ্যা বাড়তে থাকে। অসুস্থ হওয়ার আগে 'আনন্দবাজার পত্রিকা'র পূজা সংখ্যায় আমার একটি উপন্যাস লেখার কথা ছিল। অনিশ্চিত হয়ে যাওয়া সেই উপন্যাসটি দিয়েই আমি আবার পাঠকদের কাছে ফিরে এলাম। এখন আর কষ্ট হয় না লেখার সময়। দীর্ঘ ২৩ বছর পর আমি এখন 'দেশ' পত্রিকায় একটি ধারাবাহিক উপন্যাস লিখছি।'

এর পর তিনি শোনালেন লেখালেখির শুরুর সময়টার গল্প। জানালেন, মঞ্চনাটকের প্রতি তার টান ছিল। যে নাটকের দলে তিনি কাজ করতেন, সেখানে একটি চিত্রনাট্য রচনার জন্য প্রথম গল্প লেখেন। যার নাম ছিল 'অন্তর আত্মা'। তবে গল্প নিয়ে তারা নাটক না করায় সেটি 'দেশ' পত্রিকায় পাঠান তিনি। প্রথমে অবশ্য সেটি ছাপানো হয়নি। বললেন, এরপর আমার বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে 'দেশ' পত্রিকার তৎকালীন সম্পাদক বিমল করকে ফোন করে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করলাম। অবশেষে কাগজে  গল্পটা ছাপা হয়। সেখান থেকে তাকে ১৫ টাকা দেওয়া হলে বন্ধুদের নিয়ে খাওয়া-দাওয়ার আড্ডায় টাকাটা উড়িয়ে দেন। সেই আড্ডায় কফি ছিল। খাওয়ার লোভে বন্ধু তাকে আবার লিখতে বলেন। সেই কফি খাওয়া ও খাওয়ানোর লোভ থেকেই সাহিত্যিক হিসেবে আবির্ভাব ঘটে সমরেশ মজুমদারের।

বাতিঘরের এই আড্ডায় বারবার উঠে আসে তার উপন্যাসত্রয়ী 'উত্তরাধিকার', 'কালবেলা' ও 'কালপুরুষ'-এর প্রসঙ্গ। তিনি বললেন, এই তিনটির মধ্যে প্রথম দুটি অনেকটা জোর করে লেখা। মন থেকে লিখিনি। বলা যেতে পারে, বাধ্য হয়েই লিখেছি। 'উত্তরাধিকার' প্রকাশের পরে পাঠকদের আগ্রহের পরে প্রকাশক সাগরময় ঘোষের নির্দেশে বাকি দুটি লেখা হয়।

উঠে আসে 'সাতকাহনে'র দীপাবলি চরিত্রের কথাও। বললেন, আমার বাড়ির পাশে বারো বছরের একটি মেয়েকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের দিন সকালে সে আমার হাত ধরে বলেছিল, 'কাকু, আমাকে বাঁচাও'। অনেক চেষ্টা করেও সেদিন মেয়েটির বিয়ে ঠেকাতে পারিনি। তবে বিয়ের আট দিন পর বিধবা হয়ে মেয়েটি ফিরে এসে আমাকে বলেছিল, 'কাকু, আমি বেঁচে গেলাম'। এখান থেকে দীপাবলি চরিত্রটি তৈরি হয়। আমরা পুরুষরা মেয়েদের ওপর নির্ভরশীল জীবনযাপন করি; কিন্তু দীপাবলি এ ধরনের মেয়ে না। কোনো পুরুষই তাকে স্ত্রী হিসেবে চান না। অন্যদিকে মেয়েরা তাকে জীবনের আদর্শ মনে করে। এটাই এ চরিত্রের সার্থকতা।

এক পাঠক জানতে চাইলেন আত্মজীবনী প্রসঙ্গে। তিনি বললেন, আত্মজীবনী লিখলে ঘরে ও বাইরে শত্রু তৈরি হবে। আমাকে দিয়ে এ 'কুকার্য' হবে না। আলাপের এক পর্যায়ে তিনি জানালেন তার স্বপ্নের কথা। বললেন, ত্রিশ বছর ধরে একটি উপন্যাস লেখার কথা ভাবছেন। যেটি শুরু হবে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্টের বিকেল থেকে। যখন ভারত ভাগের মধ্য দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের জন্ম হয়। আর শেষ হবে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনের বিকেলে। এ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে তিনি বাঙালির অভ্যুত্থানের গল্প শোনাতে চান। একই সঙ্গে দেশভাগ ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে এক করে একটি আখ্যান রচনা করতে চান।

অনুষ্ঠানে সবাইকে স্বাগত জানান বাতিঘরের কর্ণধার দীপঙ্কর দাস। উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। সবশেষে তিনি বলেন, ঔপন্যাসিকরা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মিথ্যাবাদী। তারা কোটি কোটি পৃষ্ঠাজুড়ে যা লেখেন, তার একটিও সত্য নয়। কিন্তু তার ভেতরটা সত্য, স্বপ্নগুলো সত্য। যার প্রমাণ সমরেশ মজুমদার ও তার ভক্তরা।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

লেখক অতীন বন্দ্যোপাধ্যায় আর নেই


আরও খবর

শিল্পমঞ্চ

অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

  কলকাতা প্রতিনিধি

খ্যাতিমান ভারতীয় লেখক অতীন বন্দ্যোপাধ্যায় আর নেই। শনিবার গভীর রাতে কলকাতার সেন্টিনারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে নিজ বাসভবনের বাথরুমে পড়ে গিয়ে মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত পান অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পর থেকে সেন্টিনারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার ছেলে চিকিৎসক। ছেলের তত্ত্বাবধানেই চিকিৎসা চলছিল তার। রোববার তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

১৯৩৪ সালে অবিভক্ত বাংলার ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশভাগের পর পশ্চিমবঙ্গে আবাস গড়েন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা শেষে শিক্ষকতা ও সাংবাদিকতার পাশাপাশি নানা পেশায় জড়িত ছিলেন।

বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের পাশাপাশি ছোটগল্পও লিখেছেন তিনি। লেখালেখির জগতে তাকে আলাদা মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছিল 'নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে'। মানুষের ঘরবাড়ি, অলৌকিক জলযান, ঈশ্বরের বাগান তার অনন্য সৃষ্টি। অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলমে বারবার উঠে এসেছে দেশভাগের যন্ত্রণা, সর্বহারাদের কাতরতা। তিনি লিখেছেন একগুচ্ছ কিশোর উপন্যাস। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য— রাজার বাড়ি, নীল তিমি, উড়ন্ত তরবারি, হীরের চেয়েও দামি।

বাংলা ভাষায় অসামান্য সাহিত্যকীর্তির জন্য ২০০১ সালে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান তিনি। পেয়েছেন মানিক স্মৃতি পুরস্কার, সমুদ্র মানুষের জন্য বিভূতিভূষণ স্মৃতি পুরস্কার, ভুয়াল্কা পুরস্কার ও পাল বঙ্কিম পুরস্কার। এ ছাড়াও পেয়েছেন অনেক সম্মাননা।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

প্রকাশিত হলো আবু তাহের তারেকের প্রথম কবিতার বই


আরও খবর

শিল্পমঞ্চ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত হয়েছে আবু তাহের তারেকের প্রথম কবিতার বই 'আইয়ো রেগো ময়না'। প্রিন্ট পোয়াট্রি থেকে প্রকাশিত বইটির প্রচ্ছদ করেছেন মনজুরুল আহসান ওলী।

এ বইয়ের বিষয়ে আবু তাহের তারেক সমকালকে বলেন, বইয়ের প্রায় সবগুলা কবিতা সিলেটি বাংলায় গদ্য ফর্মে লেখা। এইগুলারে নন-পোয়াট্রি কইতে পারেন এই সেন্সে যে, কাব্যিকতা এদের মইদ্যে কম। ন্যাচারের লগে আমরার যাপনরে মিলমিশ দিবার চেষ্টা আছে কবিতাগুলাতে। ফলে প্রেম আছে, আকুলতা আছে, পলিটিক্সও আছে। প্রায় সাত বছর ধইরা বিদেশ আছি বিধায়, দূরত্বের ঘনঘটাও আছে তাদের গতরে। কবিতা নিয়া যেসব রিডার নয়া এক্সপেরিমেন্টের মুখোমুখি হইবার চান, তাদের জন্য 'আইয়ো রেগো ময়না' ইন্টারেস্টিং মনে হইতেই পারে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন কারণেই ব্যক্তি উদ্যোগে, নিজ খরচে বইটা বাইর করছি। এর একটা কারণ হইল- অনলাইনের পাওয়াররে যাচাই ও এক্সপ্লয়েড করা। প্রথাগত রিডার ছাড়াও, নন রিডারের কাছে ভিড়তে চাওয়ার খায়েশ।

১৬ পৃষ্ঠার বইটির দাম রাখা হয়েছে ১০০ টাকা। বিকাশের মাধ্যমে ঘরে বসেও কেনা যাবে এ বই। এক্ষেত্রে ০১৫৫৩৫১৯৭২৩ নাম্বারে ১৩০ টাকা বিকাশ করে একই নাম্বারে এসএমএস করে ক্রেতার তথ্য পাঠাতে হবে। এছাড়া ২০১৯ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায়ও পাওয়া যাবে 'আইয়ো রেগো ময়না'। 

আবু তাহের তারেকের প্রকাশিত অন্যান্য বই 'ফের্নান্দ পেসোয়ার নির্বাচিত কবিতা' (অনুবাদ), নাগরি প্রকাশ, ২০১৬। 'পোয়েট রাইজিং' (উপন্যাস), ই-প্রকাশ অনলাইন ম্যাগাজিন, ২০১৭।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

শওকত ওসমান সাহিত্য পুরস্কার পেলেন হারুন পাশা ও রাশেদ রহমান


আরও খবর

শিল্পমঞ্চ

ছবি: সমকাল

  সমকাল প্রতিবেদক

বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী আজ বুধবার। এ উপলক্ষে প্রথমবারের মতো দেওয়া হলো কথাশিল্পী শওকত ওসমান সাহিত্য পুরস্কার-২০১৯। যৌথভাবে এ পুরস্কার পেয়েছেন সাহিত্যিক হারুন পাশা ও রাশেদ রহমান।

বুধবার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট ও অর্থমূল্য তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় শওকত ওসমান ডাকটিকিট অবমুক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাষাসংগ্রামী কবি আহমদ রফিক। সম্মানিত অতিথি ছিলেন সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার মণ্ডল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ আকবর হুসাইন, সাহিত্যিক আন্দালিব রাশদী প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রকিবুল ইসলাম লিটু।

আহমদ রফিক বলেন, বাংলা কথাসাহিত্যে শওকত ওসমান মহান পুরুষ ছিলেন। সাহিত্যচর্চার বাইরেও তার ব্যক্তিগত আচরণ ও জীবনধারণের পদ্ধতি আকৃষ্ট করত। শওকত ওসমানের প্রিয় বিষয় ছিল দেশ। পাকিস্তানের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ নিয়ে তিনি কখনও আবেগ-বিহ্বল ছিলেন না। বরং পাকিস্তানের দুই অংশের বন্ধনের দৃঢ়তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন।

বক্তারা বলেন, সাহিত্যের বিভিন্ন ঘরানায় প্রায় ছয় দশক শওকত ওসমানের সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। শুরু থেকেই তার গল্প ও উপন্যাসে সব ধরনের অন্যায়, অবিচার, শোষণের বিরুদ্ধে গণমানুষের কথামালা এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা উঠে আসে। বক্তারা আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি জান্তার অত্যাচার-নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে তিনি লিখেন 'জননী' ও 'জাহান্নাম থেকে বিদায়' দুটি উপন্যাস। এই কথাসাহিত্যিক বহুমুখী লেখক ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট খবর