শিল্পমঞ্চ

মাহবুবুল হক শাকিল পদকের জন্য বই আহ্বান

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০১৮ | আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০১৮

মাহবুবুল হক শাকিল পদকের জন্য বই আহ্বান

মাহবুবুল হক শাকিল

  অনলাইন ডেস্ক

কবি ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক বিশেষ সহকারী প্রয়াত মাহবুবুল হক শাকিলের স্মরণে দ্বিতীয়বারের মতো প্রদান করা হচ্ছে মাহবুবুল হক শাকিল পদক।

২০ ডিসেম্বর প্রয়াত এই কবির জন্মদিনে একজন তরুণ কবিকে এই পদক প্রদান করবে মাহবুবুল হক শাকিল সংসদ। এজন্য জন্য বই আহ্বান করা হয়েছে। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত ৪০ বছরের কম বয়সী কবিদের বই মাহবুবুল হক শাকিল সংসদের ঠিকানায় পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। বই পাঠানোর শেষ তারিখ ২০ নভেম্বর-২০১৮।

এর আগে ২০১৭ সালে একজন তরুণ কবিকে এ পদক দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে পদকের সংখ্যা ও বিষয় বাড়ানোর চিন্তা রয়েছে সংসদের। 

এই পদকের অর্থমূল্য ১ লাখ টাকা। বাংলাদেশের জীবিত নাগরিক এজন্য মনোনীত হবেন। তবে মনোনীত হওয়ার পরে কেউ মৃত্যুবরণ করলে এই শর্ত তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

প্রাথমিকভাবে একটি কমিটি পদকের জন্য কবিদের বাছাই করবেন। সেখান থেকে পাঁচ সদস্যের বিচারকমণ্ডলী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। বাছাইয়ের জন্য বইয়ের পাঁচটি কপি ও বয়সের প্রমাণস্বরূপ পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি প্রদান করতে হবে।

বই পাঠানোর ঠিকানা: নজীর আহমদ সিমাব, সহকারী পরিচালক, ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি), তৃতীয় তলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মোবাইল: ০১৭১২০৭২৪৭৪।

মাহবুবুল হক শাকিল ১৯৬৮ সালের ২০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন তিনি।  তার প্রকাশিত বইগুলো হলো- ‘খেরোখাতার পাতা থেকে’, ‘মন খারাপের গাড়ি’ ও ‘জলে খুঁজি ধাতব মুদ্রা’।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

শওকত ওসমান সাহিত্য পুরস্কার পেলেন হারুন পাশা ও রাশেদ রহমান


আরও খবর

শিল্পমঞ্চ

ছবি: সমকাল

  সমকাল প্রতিবেদক

বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী আজ বুধবার। এ উপলক্ষে প্রথমবারের মতো দেওয়া হলো কথাশিল্পী শওকত ওসমান সাহিত্য পুরস্কার-২০১৯। যৌথভাবে এ পুরস্কার পেয়েছেন সাহিত্যিক হারুন পাশা ও রাশেদ রহমান।

বুধবার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট ও অর্থমূল্য তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় শওকত ওসমান ডাকটিকিট অবমুক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাষাসংগ্রামী কবি আহমদ রফিক। সম্মানিত অতিথি ছিলেন সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার মণ্ডল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ আকবর হুসাইন, সাহিত্যিক আন্দালিব রাশদী প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রকিবুল ইসলাম লিটু।

আহমদ রফিক বলেন, বাংলা কথাসাহিত্যে শওকত ওসমান মহান পুরুষ ছিলেন। সাহিত্যচর্চার বাইরেও তার ব্যক্তিগত আচরণ ও জীবনধারণের পদ্ধতি আকৃষ্ট করত। শওকত ওসমানের প্রিয় বিষয় ছিল দেশ। পাকিস্তানের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ নিয়ে তিনি কখনও আবেগ-বিহ্বল ছিলেন না। বরং পাকিস্তানের দুই অংশের বন্ধনের দৃঢ়তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন।

বক্তারা বলেন, সাহিত্যের বিভিন্ন ঘরানায় প্রায় ছয় দশক শওকত ওসমানের সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। শুরু থেকেই তার গল্প ও উপন্যাসে সব ধরনের অন্যায়, অবিচার, শোষণের বিরুদ্ধে গণমানুষের কথামালা এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা উঠে আসে। বক্তারা আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি জান্তার অত্যাচার-নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে তিনি লিখেন 'জননী' ও 'জাহান্নাম থেকে বিদায়' দুটি উপন্যাস। এই কথাসাহিত্যিক বহুমুখী লেখক ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

চলে গেলেন কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী


আরও খবর

শিল্পমঞ্চ

  অনলাইন ডেস্ক

কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী আর নেই। মঙ্গলবার বেলা ১২টা ২৫ মিনিটে দক্ষিণ কলকাতার মুকুন্দপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরলোকগমন করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৯৪। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সোমবার সকালে হঠাৎ করে তার হার্ট অ্যাটাক হয়। এরপর মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে মারা যান তিনি। 

বেশ কিছু দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুখে ভুগছিলেন নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। সম্প্রতি শরীর আরও খারাপ হতে শুরু করে। কয়েক দিন আগে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিমতলা শ্মশানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এই কবির শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তার আগে নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর মরদেহ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রবীন্দ্র সদনে রাখা হবে।

১৯২৪ সালের ১৯ অক্টোবর তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।  সেখানে পাঠশালায় প্রাথমিক পড়াশোনা শেষে ১৯৩০ সালে পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় চলে আসেন। শহরের মিত্র ইনস্টিটিউশন, বঙ্গবাসী এবং সেন্ট পলস কলেজে পড়াশোনা শেষে ১৯৫১ সালে যোগ দেন আনন্দবাজার পত্রিকায়। 

দীর্ঘ সময় তিনি ‘আনন্দমেলা’ পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। কবিতার পাশাপাশি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ছিলেন ছড়াকার, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, গদ্যকার, গোয়েন্দা লেখক, শিশুসাহিত্যিক, ভ্রমণ কাহিনির লেখক, সম্পাদক এবং বানান বিশেষজ্ঞ।

১৯৫৪ সালে প্রকাশ পায় তার প্রথম কবিতার বই ‘নীল নির্জন’। এরপর একে একে প্রকাশ পায় ‘অন্ধকার বারান্দা’, ‘নিরক্ত করবী’, ‘নক্ষত্র জয়ের জন্য’, ‘আজ সকালে’সহ অন্যান্য বই। পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার, সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার। নীরন্দ্রেনাথ চক্রবর্তীর লেখা কবিতা ‘অমলকান্তি রোদ্দুর হতে চেয়েছিল...’ ও ‘রাজা তোর কাপড় কোথায়...’ রীতিমতো প্রবাদে পরিণত হয়ে গেছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হলেন কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী


আরও খবর

শিল্পমঞ্চ

  সমকাল প্রতিবেদক

বাংলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দিয়েছেন কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি দায়িত্ব বুঝে নেন বলে বাংলা একাডেমি সূত্র জানিয়েছি।

১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন হাবিবুল্লাহ সিরাজী। তিনি আশির দশকে জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। কবিতার জন্য ২০১৬ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯১ সালে পান বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পান তিনি।

হাবিবুল্লাহ সিরাজীর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ৩২টি। লিখেছেন উপন্যাস, প্রবন্ধ ও স্মৃতিকথাও। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো- ‘দাও বৃক্ষ দাও দিন’,‘মোমশিল্পের ক্ষয়ক্ষতি’, ‘মধ্যরাতে দুলে ওঠে গ্লাশ’, ‘স্বপ্নহীনতার পক্ষে’, ‘আমার একজনই বন্ধু’, ‘পোশাক বদলের পালা’, ‘প্রেমের কবিতা’,‘কৃষ্ণ কৃপাণ ও অন্যান্য কবিতা’, ‘সিংহদরজা’, ‘জয় বাংলা বলোরে ভাই’, ‘সারিবদ্ধ জ্যোৎস্না’, ‘কতো কাছে জলছত্র’, ‘কতোদূর চেরাপুঞ্জি’ ‘ভুলের কোনো শুদ্ধ বানান নেই’।

দশ বছর দায়িত্ব পালনের পর গত মে মাসে শামসুজ্জামান খানের মেয়াদ শেষ হয়। এরপর থেকে মহাপরিচালকের পদটি শূন্য ছিল।

সংশ্লিষ্ট খবর