সম্পর্ক

ভালোবাসা নেশা জাতীয় দ্রব্যের মতো প্রভাব ফেলে মস্তিষ্কে

প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০১৯

ভালোবাসা নেশা জাতীয় দ্রব্যের মতো প্রভাব ফেলে মস্তিষ্কে

  অনলাইন ডেস্ক

সব রোমান্টিক সম্পর্কের শুরুটা মধুর থাকে। প্রেমে পড়লে সঙ্গীর কথা ভাবলেই হৃদয় আন্দোলিত হয়, মনটা আনন্দে ভরে ওঠে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, কারও জন্য ভালোবাসার অনুভূতি মস্তিষ্কে কোকেন এবং আফিমের মতো শক্তিশালী নেশা জাতীয় দ্রব্যের মতো প্রভাব ফেলে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় কয়েকজন ছেলে ও মেয়ের ওপর এই নিয়ে সমীক্ষা চালানো হয়।গবেষকরা ওই ছেলে ও মেয়েদের তাদের সঙ্গীর ছবি দেখান। এরপর তাদের মস্তিষ্ক স্ক্যান করেন। এতে দেখা যায়, একটা ব্যথানাশক ওষুধ খেলে মস্তিষ্কে যে ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, নিজ নিজ সঙ্গীর ছবি দেখে অংশগ্র্রহণকারী ছেলেমেয়েদের মস্তিষ্কে একই প্রভাব ফেলছে। শুধু তাই নয়, কোকেন এবং আফিমের মতো নেশা জাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করলে মস্তিষ্কের যে অংশে প্রতিক্রিয়া দেখা যায় ভালোবাসার মানুষের ছবি একই প্রতিক্রিয়া ফেলে সঙ্গীর মস্তিষ্কের সেই অংশে। 

ভালোবাসার অনুভূতির সঙ্গে অন্য বিষয় নিয়ে মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করার জন্য গবেষকরা আরও কিছু পরীক্ষা করেন। কিন্তু কোনোটাই মস্তিষ্কে নেশা জাতীয় দ্রব্যের মতো ততটা প্রভাব ফেলেনি।  সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া 


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক ঠিক করতে যা করণীয়


আরও খবর

সম্পর্ক

  অনলাইন ডেস্ক

সঙ্গী যদি বিশ্বাস ভঙ্গ করে তাতে কি পরিমাণ কষ্ট হয় তা একমাত্র ভুক্তভোগীরাই জানে। কারণ যেকোন সম্পর্কের  ক্ষেত্রে বিশ্বাসই প্রধান ভিত্তি। কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে সঙ্গী যদি একবার বিশ্বাস ভঙ্গ করে তাহলে কি সম্পর্ক আবার জোড়া লাগানো যায়? উত্তরটা হচ্ছে, কোন কিছুই অসম্ভব নয়।যদি আপনি চান তাহলে  যেকোন সম্পর্কই আবার জোড়া লাগানো যেতে পারে।যেমন-

১. যদি আপনার সঙ্গী নিজের ভুল স্বীকার করে তাহলে তার সঙ্গে খোলাখুলি আলাপ করুন।তাকে জানান তার ব্যবহারে আপনি কতটা কষ্ট পেয়েছেন বা কি পরিমাণ কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। সঙ্গী কেন আপনার সঙ্গে এমন করেছে তা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলুন। 

২. কেউ বিশ্বাস ভঙ্গ করলে তাকে ক্ষমা করা খুবই কঠিন কাজ। কিন্তু একমাত্র ক্ষমাই পারে সম্পর্ক আবারও সহজ করতে। সঙ্গীকে ক্ষমা করুন এবং তার নিজেকে ক্ষমা করার সুযোগ দিন। ক্ষমা করা মানেই হচ্ছে তাকে গ্রহণ করার মানসিকতা।ক্ষমা করতে না পারলে আপনাদের মাঝে একটা দেওয়াল তৈরি হবে যা ভেঙে আপনারা কখনোই সামনে এগুতে পারবেন না।

৩. সঙ্গীকে জানান আপনাদের সম্পর্ক থেকে আপনি কি চান। সঙ্গীকে বলুন কিভাবে আপনার বিশ্বাস নষ্ট হয়েছে তার প্রতি ।নতুন করে সম্পর্ক গড়তে আর কি চান সেটাও তাকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিন।

৪. কখনও কখনও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে তৃতীয় কোনও ব্যক্তির সাহায্য লাগে।তবে এই তৃতীয় ব্যক্তি যাতে নিরপেক্ষ হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। সবচেয়ে ভাল হয় যদি কোনও পেশাদার কাউন্সিলারের সঙ্গে কথা বলেন। সঙ্গী আপনাকে কতটা কষ্ট দিয়েছে তা কাউন্সিলারের সঙ্গে খোলাখুলি আলাপ করুন। এতে আপনরা মন অনেকটাই হালকা হয়ে যাবে। 

৫. মনে রাখবেন সম্পর্ক একবার ভেঙে গেলে তা জোড়া লাগানো বেশ কঠিন যদি আপনার আবেগগুলো বের করে না দেন। নিজের সঙ্গে নিজে বোঝাপড়া করুন। নিজেকে বা সঙ্গীকে দোষারোপ না করে নিজের মনে আসা প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করুন। 

৬. নতুন করে সম্পর্ক গড়ার জন্য দুপক্ষের আচরণই গুরুত্বপূর্ণ। দুজনের মধ্যে যদি ভালোবাসা থাকে থাকলে ভুল বোঝাবুঝিটা যে কারণেই হোক তা একসময ঠিক হয়ে যাবে। এজন্য দুজনকেই এগিয়ে আসতে হবে। অতীত ভুলে একই ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় সে ব্যাপারে নিজেদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া   

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সম্পর্ক ভাল রাখার কৌশল


আরও খবর

সম্পর্ক
সম্পর্ক ভাল রাখার কৌশল

প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

যে কোনও সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভালো-মন্দের মিশ্রণ থাকে। আর প্রেমের সম্পর্ক হলে এটা আরও বেশি থাকে। মান-অভিমান, আবেগ, উত্তেজনাসহ আরও অনেক অনুভূতি জড়িয়ে থাকে এ ধরনের সম্পর্কে। এ কারণে সম্পর্কের খুঁটিনাটি বিষয়গুলিকে সামলাতে হয় খুবই সতর্কতার সঙ্গে। সামান্য একটু ভুল বোঝাবুঝি বা অবিশ্বাস সম্পর্ককে শেষ করে দিতে পারে চিরদিনের জন্য। এ জন্য সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী বা ভাল রাখতে কিছু কৌশল মেনে চলা জরুরি-

১. কাজের চাপ জীবনে থাকবেই। কিন্তু ব্যস্ততা থাকলেও একে অপরের জন্য সময় বের করুন। সঙ্গীকে যতটা সম্ভব সময় দিন। সঙ্গীর সঙ্গে যত বেশি সময় কাটাবেন ততই একে অপরকে বুঝতে পারবেন।

২. একে অপরের সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলুন। সঙ্গীর প্রতি আপনার ভালবাসা ব্যক্ত করুন। কখনও কখনও তার  প্রশংসা করুন। এতে সম্পর্ক আরও সুন্দর এবং গভীর হবে।

৩. উপহার পেতে কার না ভাল লাগে।কোনও বিশেষ কারণ বা উপলক্ষ ছাড়া মাঝে –মধ্যে ছোট ছোট উপহার দিন আপনার সঙ্গীকে। এতে সঙ্গীর প্রতি আপনি কতটা যত্নশীল তা প্রকাশ পাবে।

৪. স্পর্শ যে কোনও সম্পর্কের জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ মানুষের কাছ থেকে স্পর্শ বা ছোঁয়া মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে অক্সিটোসিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। তাই সঙ্গীর হাত ছোঁয়া, হাত ধরা, ভালবেসে জড়িয়ে ধরা, কাঁধে বা বুকে মাথা রাখা সম্পর্কের গভীরতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

৫. শুধু মুখের কথা নয়, সঙ্গীর জন্য আপনি কতটা অনুভব করেন তা কাজ করে দেখান। পরিস্থিতি বা সুযোগ বুঝে সঙ্গীকে এমন কিছু করে দেখান, যাতে তার জীবনে আপনি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা প্রকাশ পায়। সূত্র : জি নিউজ 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে যে জিনিসগুলো ভুলে যাওয়া ঠিক নয়


আরও খবর

সম্পর্ক

  অনলাইন ডেস্ক

যারা নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন তারা হয়তো সঙ্গীর সঙ্গে শুরুতে ভালই সময় পার করেন। শুরুতে সম্পর্ক নিঁখুত মনে হলেও ধীরে ধীরে তা খারাপ হতে পারে। সম্পর্ক সুন্দরভাবে টিকিয়ে রাখতে সঙ্গীর ছোট ছোট বিষয়ও লক্ষ্য রাখা দরকার। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে কিছু বিষয় ভুলে গেলে চলবে না। যেমন-

১. প্রশংসা শুনতে কে না পছন্দ করে। প্রশংসা শুধু একজনকে খুশীই করে না, তাকে আত্মবিশ্বাসী হতেও সাহায্য করে।

২. আপনি হয়তো আপনার সঙ্গীর প্রতি যত্নশীল কিংবা তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু আপনার সঙ্গীর প্রতি যাতে আপনার পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদেরও একইরকম অনুভূতি কাজ করে সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত। আপনার সঙ্গী যেন আপনার পরিবার কিংবা বন্ধুদের ব্যবহারে অপমানিত বোধ না করে সেদিকে দৃষ্টি রাখার দায়িত্ব কিন্তু আপনারই। 

৩. সঙ্গীর সঙ্গে আনন্দ-বেদনার কথা ভাগাভাগি করলে সম্পর্ক দৃঢ় হয়। সঙ্গীরে প্রতি সৎ থাকাটা জরুরি । তবে যদি আপনার আগের কোনও সম্পর্ক থাকে তাহলে নিজেরা গল্প করার সময় বারবার তাকে টেনে আনবেন না। সেক্ষেত্রে বর্তমান সম্পর্ক খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৪. সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি অনেক বড় ব্যাপার। সঙ্গীর কাছে এমন কোনও প্রতিশ্রুতি করবেন না যা আপনি পরে রাখতে পারবেন না । এরকম হলে মনে হবে আপনি যা বলেন তা আসলে কথার কথা, যার কোনও অর্থ নেই।

৫. যদি আপনার সঙ্গী আপনার সঙ্গে একান্তে কিছু সময় কাটাতে চান তাহলে বুঝবেন দুইজনের  সুন্দর কিছু স্মৃতি তিনি ধরে রাখতে চাইছেন। এ কারণে কিছুদিন পর পর হলেও সঙ্গীর সঙ্গে আপনার কোথাও বেড়াতে যাওয়া উচিত। সূত্র : ইণ্ডিয়া টিভি   


সংশ্লিষ্ট খবর