সম্পর্ক

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো জরুরি

প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো জরুরি

  অনলাইন ডেস্ক

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে উভয়েরই ইতিবাচক মানসিকতা দরকার। সেই সঙ্গে ভালোবাসা ও মনোযোগও প্রয়োজন। যেকোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে কিছু বিষয় মনে রাখা জরুরি। যেমন-

১. যেকোনো সম্পর্কের মধ্যে সততা অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই গুণের জন্য যেকোনো সম্পর্কে মানুষ নিরাপদ বোধ করে। সঙ্গী যদি আপনার সম্পর্কে সত্যিটা জেনে কষ্টও পায় তারপরেও পরবর্তী সময়ে সে আপনার প্রশংসাই করবে। এ কারণে নিজের সম্পর্কে সঙ্গীকে সব সময়টা সত্যিটা বলুন। 

২. সঙ্গীর সঙ্গে সহজ হওয়ার চেষ্ট করুন। যেকোনো ব্যাপারে আপনার ভাবনাই সেরা হতে পারে, কিন্তু সঙ্গীর মতামত শোনাটাও জরুরি। এভাবে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ সহজ হলে সম্পর্কও সহজ হবে।

৩. যদি সম্পর্কের মধ্যে কোনো সমস্যা তৈরি হয় তাহলে তা সহজ করার চেষ্টা করুন হালকা কথা বলে। সেটা হেসে হতে পারে কিংবা সহজ কোনো রসিকতাও  হতে পারে।

৪. সঙ্গীকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবেন না। জোর করে তার ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপাবেন না। তাহলে সম্পর্ক এমনিতেই সহজ হবে।

৫. সবসময় সঙ্গীর সব সিদ্ধান্তে একমত হতে হবে বিষয়টা তা নয়। বরং তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। ভুল হলে যুক্তি দিয়ে আপনার মতামতটা তাকে জানান। 

৬. যেকোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঙ্গীর প্রতি সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব থাকা প্রয়োজন।

৭. আপনার মনের কথা সঙ্গীকে খুলে বলুন। সঙ্গীর কোনো কাজে বিরক্ত হলে রাগারাগি না করে আপনার অনুভূতিটা তাকে স্পষ্টভাবে এবং শ্রদ্ধার সঙ্গে জানিয়ে দিন। 

৮. প্রত্যেকেরই নিজের জন্য প্রতিদিন আলাদা সময় বরাদ্দ রাখা উচিত। নিজের ইতিবাচক মানসিকতা বাড়ানোতে জোর দিন। তাহলে সম্পর্কেও তার প্রভাব পড়বে। সূত্র: মাইডোমিয়ান

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

শিশুর মিথ্যা বলার অভ্যাস কমাবেন যেভাবে


আরও খবর

সম্পর্ক

  অনলাইন ডেস্ক

শিশুরা অনেক সময় বানিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে। এটা যে তারা খুব খুব সচেতনভাবে করে তা নয়। প্রথম প্রথম হয়তো খুব হালকাভাবে শিশু মিথ্যা বলে। কিন্তু বাঁধা না পেলে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে মিথ্যা বলার পরিমাণ। তখন সেটা একটা সমস্যা তৈরি করতে পারে। এ কারণে শুরু থেকে শিশুদের মিথ্যা বলার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করা উচিত। শিশুর মিথ্যা বলার অভ্যাস কমাতে যা করবেন-

১. মিথ্যা বলা যে খারাপ এটা শিশুদের বোঝাতে হবে। আর সত্যিটাই যে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এটাও বোঝাতে হবে। মিথ্যা বললে তাকে কেউ পছন্দ করে না, তার সঙ্গে খেলে না, তাকে কেউ ভালোবাসে না- এমন একটা ধারণা শিশুদের মনে গেঁথে দিতে পারলে মিথ্যা বলা সেও অপছন্দ করবে।

২ . শিশুরা অনেক সময় ভয় পেয়ে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। শিশু কেন মিথ্যে বলছে সেটা আপনাকে বুঝতে হবে। ঘটনাটা যত খারাপই হোক না কেন, সত্যি বললে আপনি তাকে কিছু বলবেন না এই আশ্বাস দিন। সে যদি প্রথমে মিথ্যা বলে, তারপর সত্যিটা স্বীকার করে, তাহলে তাকে পুরস্কার দিন। সেক্ষেত্রে শিশু সত্যি বলার উৎসাহ পাবে।

৩. মিথ্যা বললেই শিশুকে শাস্তি দেবেন না। বরং তাকে সাবধান করুন। সেই সঙ্গে এটাও পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দিন, আপনার কথা না শুনলে কী কী শাস্তি সে পেতে পারে। 

৪. সাবধান করার পরেও শিশু আবার মিথ্যে বললে, তাকে শাস্তি দিন। সেটা শারীরিক শাস্তি কিংবা অতিরিক্ত বকাবকি করে নয়। বরং সেক্ষেত্রে তার খুব পছন্দের কোনও জিনিস (খেলনা, বা রং পেন্সিলের সেট) নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তার থেকে দূরে সরিয়ে রাখুন।

৫. মিথ্যা বলার পর যদি সে সত্যিটা স্বীকার করে নেয়, তাহলে তাকে যতটা পুরস্কার দেবেন বলে জানিয়েছিলেন, তার চেয়ে বেশি কিছু দিন। তাতে তার বিশ্বাস বাড়বে। 

৬. যদি দেখেন কোনও ভাবেই বাচ্চার মিথ্যা বলার অভ্যাস বন্ধ করা যাচ্ছে না, তাহলে মনোবিদের পরামর্শ নিন। সূত্র : বোল্ড স্কাই

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ভালোবাসা নেশা জাতীয় দ্রব্যের মতো প্রভাব ফেলে মস্তিষ্কে


আরও খবর

সম্পর্ক

  অনলাইন ডেস্ক

সব রোমান্টিক সম্পর্কের শুরুটা মধুর থাকে। প্রেমে পড়লে সঙ্গীর কথা ভাবলেই হৃদয় আন্দোলিত হয়, মনটা আনন্দে ভরে ওঠে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, কারও জন্য ভালোবাসার অনুভূতি মস্তিষ্কে কোকেন এবং আফিমের মতো শক্তিশালী নেশা জাতীয় দ্রব্যের মতো প্রভাব ফেলে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় কয়েকজন ছেলে ও মেয়ের ওপর এই নিয়ে সমীক্ষা চালানো হয়।গবেষকরা ওই ছেলে ও মেয়েদের তাদের সঙ্গীর ছবি দেখান। এরপর তাদের মস্তিষ্ক স্ক্যান করেন। এতে দেখা যায়, একটা ব্যথানাশক ওষুধ খেলে মস্তিষ্কে যে ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, নিজ নিজ সঙ্গীর ছবি দেখে অংশগ্র্রহণকারী ছেলেমেয়েদের মস্তিষ্কে একই প্রভাব ফেলছে। শুধু তাই নয়, কোকেন এবং আফিমের মতো নেশা জাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করলে মস্তিষ্কের যে অংশে প্রতিক্রিয়া দেখা যায় ভালোবাসার মানুষের ছবি একই প্রতিক্রিয়া ফেলে সঙ্গীর মস্তিষ্কের সেই অংশে। 

ভালোবাসার অনুভূতির সঙ্গে অন্য বিষয় নিয়ে মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করার জন্য গবেষকরা আরও কিছু পরীক্ষা করেন। কিন্তু কোনোটাই মস্তিষ্কে নেশা জাতীয় দ্রব্যের মতো ততটা প্রভাব ফেলেনি।  সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া 


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নেতিবাচক চিন্তা দূর করবেন যেভাবে


আরও খবর

সম্পর্ক

  অনলাইন ডেস্ক

মনের অভ্যাসই হচ্ছে নেতিবাচক চিন্তা করা। যতক্ষন না আপনি মন থেকে সেটা দূর করতে পারবেন ততই নেতিবাচক চিন্তাগুলো ডালপালা মেলতে শুরু করবে। 

এ কারণে নেতিবাচক চিন্তা মাথায় আসতে শুরু করলে জোর করে হলেও সেটা তাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। আপনি যদি দৃঢ় ভাবে নেতিবাচক ভাবনা দূর করার চেষ্টা করেন তাহলে এটা দ্রুত তাড়ানো সম্ভব। 

কখনও কখনও নেতিবাচক চিন্তা দূর করা খুব সহজ কাজ নয়।একাধিক উপায়ে এটা দূর করার চেষ্টা করতে পারেন। যেমন-

১. নিজেকে লক্ষ্য করুন। আপনি কি ভ্রু কুচকে গভীর মনোযোগ দিয়ে ভাবছেন? এটা একটা নেতিবাচক ভঙ্গী। এ ধরনের শারীরিক অঙ্গভঙ্গী আপনার নেতিবাচক প্রতিচ্ছবি প্রকাশ করে। সেই সঙ্গে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতিও ফুটে ওঠে। সোজা হয়ে বসুন। আপনার বসার ভঙ্গীতেই আপনার ইতিবাচক মানসিকতা প্রকাশ করবে।

২. মাঝেমধ্যে নেতিবাচক চিন্তা আসে মনের ভেতরে জমা আবেগ থেকে। এ কারণে আবেগ কখনও বুকের ভেতরে পুষে রাখা ঠিক নয়। নেতিবাচক ভাবনা থাকলে তা অন্যের সঙ্গে শেয়ার করুন। তাহলে হয়তো সমাধানের পথ খুঁজেও পেতে পারেন। 

৩. মন সবসময়ই চিন্তা করে। এটাকে নিয়ন্ত্রন করা বেশ কঠিন। বিশেষ করে নেতিবাচক ভাবনা হলে সেটাকে দমিয়ে রাখা আরও কঠিন। মনকে সব ধরনের নেতিবাচক ভাবনা থেকে দূরে রাখার জন্য মেডিটেশন করতে পারেন। এর মাধ্যমে মনকে আপনি খালি করতে পারেন। তারপরেও আবার নতুনভাবে চিন্তা করতে পারেন।

৪. নেতিবাচক চিন্তা জীবনে খারাপ প্রভাব ফেলে। যেমন- কঠিন সময় ও সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি চিন্তা না করে কিছু চ্যালেঞ্জের সামনে পড়েছি এবং তা সমাধানের চেষ্টা করছি- বিয়গুলো এভাবে ভাবতে পারেন। 

৫. যখনই খারাপ চিন্তা আসবে তখনই সৃজনশীল কোন কাজে মনোযোগ দিন। নিজের মনের কথা ডায়রিতে কিংবা কাগজে লিখতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন কিংবা রঙ করতে পরেন। এ ধরনের কাজ আপনাকে নেতিবচক ভাবনা থেকে সরিয়ে রাখবে। 

৬. নেতিবাচক পরিবেশ থেকে বের হওয়ার জন্য একা একা কিছুক্ষন হাঁটতে পারেন। তাহলে মন থেকে এসব ভাবনা বের হতে পারে। 

৭. আপনার জীবনে যা কিছু ইতিবাচক আছে তা একবার ভাবতে চেষ্টা করুন। যত ছোটই হোক আপনার জীবনে নিশ্চয়ই ভাল কিছু প্রাপ্তি আছে। সেগুলোর জন্য স্রষ্টার কাছে কৃতজ্ঞ হন। দেখবেন, আপনার নেতিবাচক ভাবনাগুলো ধীরে ধীরে মন থেকে সরে যাবে। সূত্র : পিক দ্য ব্রেইন

সংশ্লিষ্ট খবর