সম্পর্ক

সুখী দাম্পত্যের চাবিকাঠি

প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

সুখী দাম্পত্যের চাবিকাঠি

  অনলাইন ডেস্ক

আপনারা কি এমন দম্পতি যারা নিজেদের মজার কোন ডাক নামে ডাকেন? অথবা একে অন্যের সঙ্গে খুনসুটি করতে ব্যস্ত থাকেন কিংবা যেকোন বিষয় নিয়ে নিজেরা প্রাণ খুলে হাসেন?একে অন্যের সঙ্গে মজা করেন? যদি প্রশ্নগুলোর উত্তর হ্যাঁ হয় তাহলে বুঝবেন আপনাদের সম্পর্ক অনেক শক্তিশালী।অন্তত গবেষণা তাই বলছে।  

যুক্তরাষ্ট্রের একলেশেইন স্টেট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব দম্পতিরা নিজেদের মধ্যে রসিকতা করতে পছন্দ করেন, কোন বিষয় নিয়ে নিজেরা হাসাহাসি করেন,খুনসুটিতে ব্যস্ত থাকেন তারা অপেক্ষাকৃত সুখী দম্পতি। 

গবেষণা বলছে, নিজেদের নিয়ে মজার অর্থ হলো এই দম্পতিরা একে অন্যের সঙ্গে অনেক সহজ। তারা কখনো সঙ্গীর মন্তব্য নিয়ে চিন্তিত থাকেন না।

একে অন্যের সঙ্গে খুনসুটি কিংবা শিশুসুলভ আচরনের মধ্য দিয়ে তারা সম্পর্কে এক ধরনের সন্তুষ্টি নিয়ে জীবন অতিবাহিত করেন। 

গবেষকদের মতে,কোন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রী যদি একসঙ্গে বসে হাসাহাসি করেন তাহলে সম্পর্কের মধ্যে যে চাপ থাকে সেটা কেটে যায়। একে অন্যের সঙ্গে সময় কাটাতেও তখন ভাল লাগে। আর এমনিতেও হাসি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

গবেষকরা বলছেন, কাউকে ছোট না করে সুন্দরভাবে যদি দুজন দুজনকে নিয়ে মজা করেন তাহলে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আরও ভাল হয।

তবে গবেষকরা এটাও বলছেন, এরকম শক্তিশালী সম্পর্ক থাকতে হলে দুজনের একই মানসিকতার হতে হয়। এর মানে এটা নয় যে এমন সঙ্গী প্রয়োজন যে রসিকতা করতে পারে। বরং এমন সঙ্গী প্রয়োজন যিনি আপনার রসিকতা বুঝতে পারবেন এবং বিষয়টি আপনার মতোই তার কাছে মজার মনে হবে। 

তবে বিশেষজ্ঞরা এটা বলেও সাবধান করেছেন, একজনকে নিয়ে অতিরিক্ত মজা করা কিংবা সারাক্ষন খুনসুটি করাও সম্পর্কের ক্ষেত্রে কখনও কখনও খারাপ হতে পারে।  সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া  


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

শিশুর মিথ্যা বলার অভ্যাস কমাবেন যেভাবে


আরও খবর

সম্পর্ক

  অনলাইন ডেস্ক

শিশুরা অনেক সময় বানিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে। এটা যে তারা খুব খুব সচেতনভাবে করে তা নয়। প্রথম প্রথম হয়তো খুব হালকাভাবে শিশু মিথ্যা বলে। কিন্তু বাঁধা না পেলে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে মিথ্যা বলার পরিমাণ। তখন সেটা একটা সমস্যা তৈরি করতে পারে। এ কারণে শুরু থেকে শিশুদের মিথ্যা বলার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করা উচিত। শিশুর মিথ্যা বলার অভ্যাস কমাতে যা করবেন-

১. মিথ্যা বলা যে খারাপ এটা শিশুদের বোঝাতে হবে। আর সত্যিটাই যে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এটাও বোঝাতে হবে। মিথ্যা বললে তাকে কেউ পছন্দ করে না, তার সঙ্গে খেলে না, তাকে কেউ ভালোবাসে না- এমন একটা ধারণা শিশুদের মনে গেঁথে দিতে পারলে মিথ্যা বলা সেও অপছন্দ করবে।

২ . শিশুরা অনেক সময় ভয় পেয়ে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। শিশু কেন মিথ্যে বলছে সেটা আপনাকে বুঝতে হবে। ঘটনাটা যত খারাপই হোক না কেন, সত্যি বললে আপনি তাকে কিছু বলবেন না এই আশ্বাস দিন। সে যদি প্রথমে মিথ্যা বলে, তারপর সত্যিটা স্বীকার করে, তাহলে তাকে পুরস্কার দিন। সেক্ষেত্রে শিশু সত্যি বলার উৎসাহ পাবে।

৩. মিথ্যা বললেই শিশুকে শাস্তি দেবেন না। বরং তাকে সাবধান করুন। সেই সঙ্গে এটাও পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দিন, আপনার কথা না শুনলে কী কী শাস্তি সে পেতে পারে। 

৪. সাবধান করার পরেও শিশু আবার মিথ্যে বললে, তাকে শাস্তি দিন। সেটা শারীরিক শাস্তি কিংবা অতিরিক্ত বকাবকি করে নয়। বরং সেক্ষেত্রে তার খুব পছন্দের কোনও জিনিস (খেলনা, বা রং পেন্সিলের সেট) নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তার থেকে দূরে সরিয়ে রাখুন।

৫. মিথ্যা বলার পর যদি সে সত্যিটা স্বীকার করে নেয়, তাহলে তাকে যতটা পুরস্কার দেবেন বলে জানিয়েছিলেন, তার চেয়ে বেশি কিছু দিন। তাতে তার বিশ্বাস বাড়বে। 

৬. যদি দেখেন কোনও ভাবেই বাচ্চার মিথ্যা বলার অভ্যাস বন্ধ করা যাচ্ছে না, তাহলে মনোবিদের পরামর্শ নিন। সূত্র : বোল্ড স্কাই

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ভালোবাসা নেশা জাতীয় দ্রব্যের মতো প্রভাব ফেলে মস্তিষ্কে


আরও খবর

সম্পর্ক

  অনলাইন ডেস্ক

সব রোমান্টিক সম্পর্কের শুরুটা মধুর থাকে। প্রেমে পড়লে সঙ্গীর কথা ভাবলেই হৃদয় আন্দোলিত হয়, মনটা আনন্দে ভরে ওঠে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, কারও জন্য ভালোবাসার অনুভূতি মস্তিষ্কে কোকেন এবং আফিমের মতো শক্তিশালী নেশা জাতীয় দ্রব্যের মতো প্রভাব ফেলে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় কয়েকজন ছেলে ও মেয়ের ওপর এই নিয়ে সমীক্ষা চালানো হয়।গবেষকরা ওই ছেলে ও মেয়েদের তাদের সঙ্গীর ছবি দেখান। এরপর তাদের মস্তিষ্ক স্ক্যান করেন। এতে দেখা যায়, একটা ব্যথানাশক ওষুধ খেলে মস্তিষ্কে যে ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, নিজ নিজ সঙ্গীর ছবি দেখে অংশগ্র্রহণকারী ছেলেমেয়েদের মস্তিষ্কে একই প্রভাব ফেলছে। শুধু তাই নয়, কোকেন এবং আফিমের মতো নেশা জাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করলে মস্তিষ্কের যে অংশে প্রতিক্রিয়া দেখা যায় ভালোবাসার মানুষের ছবি একই প্রতিক্রিয়া ফেলে সঙ্গীর মস্তিষ্কের সেই অংশে। 

ভালোবাসার অনুভূতির সঙ্গে অন্য বিষয় নিয়ে মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করার জন্য গবেষকরা আরও কিছু পরীক্ষা করেন। কিন্তু কোনোটাই মস্তিষ্কে নেশা জাতীয় দ্রব্যের মতো ততটা প্রভাব ফেলেনি।  সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া 


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নেতিবাচক চিন্তা দূর করবেন যেভাবে


আরও খবর

সম্পর্ক

  অনলাইন ডেস্ক

মনের অভ্যাসই হচ্ছে নেতিবাচক চিন্তা করা। যতক্ষন না আপনি মন থেকে সেটা দূর করতে পারবেন ততই নেতিবাচক চিন্তাগুলো ডালপালা মেলতে শুরু করবে। 

এ কারণে নেতিবাচক চিন্তা মাথায় আসতে শুরু করলে জোর করে হলেও সেটা তাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। আপনি যদি দৃঢ় ভাবে নেতিবাচক ভাবনা দূর করার চেষ্টা করেন তাহলে এটা দ্রুত তাড়ানো সম্ভব। 

কখনও কখনও নেতিবাচক চিন্তা দূর করা খুব সহজ কাজ নয়।একাধিক উপায়ে এটা দূর করার চেষ্টা করতে পারেন। যেমন-

১. নিজেকে লক্ষ্য করুন। আপনি কি ভ্রু কুচকে গভীর মনোযোগ দিয়ে ভাবছেন? এটা একটা নেতিবাচক ভঙ্গী। এ ধরনের শারীরিক অঙ্গভঙ্গী আপনার নেতিবাচক প্রতিচ্ছবি প্রকাশ করে। সেই সঙ্গে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতিও ফুটে ওঠে। সোজা হয়ে বসুন। আপনার বসার ভঙ্গীতেই আপনার ইতিবাচক মানসিকতা প্রকাশ করবে।

২. মাঝেমধ্যে নেতিবাচক চিন্তা আসে মনের ভেতরে জমা আবেগ থেকে। এ কারণে আবেগ কখনও বুকের ভেতরে পুষে রাখা ঠিক নয়। নেতিবাচক ভাবনা থাকলে তা অন্যের সঙ্গে শেয়ার করুন। তাহলে হয়তো সমাধানের পথ খুঁজেও পেতে পারেন। 

৩. মন সবসময়ই চিন্তা করে। এটাকে নিয়ন্ত্রন করা বেশ কঠিন। বিশেষ করে নেতিবাচক ভাবনা হলে সেটাকে দমিয়ে রাখা আরও কঠিন। মনকে সব ধরনের নেতিবাচক ভাবনা থেকে দূরে রাখার জন্য মেডিটেশন করতে পারেন। এর মাধ্যমে মনকে আপনি খালি করতে পারেন। তারপরেও আবার নতুনভাবে চিন্তা করতে পারেন।

৪. নেতিবাচক চিন্তা জীবনে খারাপ প্রভাব ফেলে। যেমন- কঠিন সময় ও সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি চিন্তা না করে কিছু চ্যালেঞ্জের সামনে পড়েছি এবং তা সমাধানের চেষ্টা করছি- বিয়গুলো এভাবে ভাবতে পারেন। 

৫. যখনই খারাপ চিন্তা আসবে তখনই সৃজনশীল কোন কাজে মনোযোগ দিন। নিজের মনের কথা ডায়রিতে কিংবা কাগজে লিখতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন কিংবা রঙ করতে পরেন। এ ধরনের কাজ আপনাকে নেতিবচক ভাবনা থেকে সরিয়ে রাখবে। 

৬. নেতিবাচক পরিবেশ থেকে বের হওয়ার জন্য একা একা কিছুক্ষন হাঁটতে পারেন। তাহলে মন থেকে এসব ভাবনা বের হতে পারে। 

৭. আপনার জীবনে যা কিছু ইতিবাচক আছে তা একবার ভাবতে চেষ্টা করুন। যত ছোটই হোক আপনার জীবনে নিশ্চয়ই ভাল কিছু প্রাপ্তি আছে। সেগুলোর জন্য স্রষ্টার কাছে কৃতজ্ঞ হন। দেখবেন, আপনার নেতিবাচক ভাবনাগুলো ধীরে ধীরে মন থেকে সরে যাবে। সূত্র : পিক দ্য ব্রেইন

সংশ্লিষ্ট খবর