সম্পর্ক

হাত ধরার ধরন জানিয়ে দেবে অনুভূতি

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০১৮

হাত ধরার ধরন জানিয়ে দেবে অনুভূতি

  অনলাইন ডেস্ক

প্রেমের মানেই হাতে হাত, চোখে চোখ রাখা।এছাড়া প্রেমের বহিঃপ্রকাশই যেন পূর্ণ হয় না।গবেষণা বলছে, হাতে হাত রাখার ধরনই জানিয়ে দেবে সঙ্গীর প্রতি আপনি কতটা অনুরাগী। যেমন-

১. সম্পর্কের শুরুতে প্রথম দিকে খানিকটা আড়ষ্ঠতার কারণে একে অন্যের হাত ধরতে পারে না।তাই আঙুল ধরেই শুরু হয় প্রেমপর্ব। একজন তার কনিষ্ঠ আঙুলে জড়িয়ে নেয় অন্যজনের কনিষ্ঠা। তারপরই শুরু হয় প্রেমালাপ। যদি কখনও আপনার কনিষ্ঠ আঙুল কেউ নিজের আঙুলে জড়িয়ে নেয়, বুঝবেন, আপনার প্রতি তার অনুভূতি জন্মেছে।

২. যদি কখনও হঠাৎ করে আপনার হাত সঙ্গীর হাতের সঙ্গে লেগে যায়, আর সে খুব আলতো করে আপনার হাতটি ধরে তাহলে বুঝবেন আপনার সঙ্গী খুব অনুভূতিপ্রবণ। আপনাদের সম্পর্কের মধ্যে আসক্তির চেয়ে বেশি রয়েছে বন্ধুত্ব।  

৩. কেউ কেউ শক্ত করে সঙ্গীর হাত ধরতে পছন্দ করে। সাধারণত কোনও প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে সম্পর্ক যখন খুব ভাল থাকে, তারা এভাবে হাত ধরে থাকে। এ থেকে বোঝা যায় তাদের মধ্যে দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে। একই সঙ্গে শারীরিক আকর্ষণ, ভালবাসা ও শ্রদ্ধাও প্রকাশ পায় এ ধরনের হাত ধরা থেকে।

৪. যখন কেউ তার সঙ্গীর বাহু জড়িয়ে ধরে তাহলে বুঝতে হবে সে আপনাকে বেশি বিশ্বাস করতে , ভরসা করতে চায়। 

৫. সঙ্গীর কোমরে হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরা মানে হলো দু'জনের মধ্যে সম্পর্ক ভাল -এটা প্রকাশ করা। যদি দু'জনের মধ্যে একজন এভাবে অন্যজনকে ধরে রাখে, তাহলে বুঝতে হবে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে তার মধ্যে খুব ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সম্পর্ক খারাপ করে যে বিষয়গুলো


আরও খবর

সম্পর্ক
সম্পর্ক খারাপ করে যে বিষয়গুলো

প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেকসময় ছোট ছোট সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে বেড়ে বড় আকার ধারন করে। তখন দীর্ঘ দিনের প্রেম কিংবা দাম্পত্য জীবনে ফাটল ধরে।

সম্পর্ক খারাপ করতে কয়েকটি বিষয় ভূমিকা রাখে। যেমন-

সঙ্গীকে দোষারোপ করা : ভুল করলে ক্ষমা চাইতে শিখুন। যদি আপনি কোনো ভুল করেন তাহলে সঙ্গীর কাছে ক্ষমা চান। আপনার সঙ্গীও তাহলে বুঝবেন আপনি নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন। সঙ্গী আর আপনার মধ্যে কোন খেলা চলছে না যে আপনাকে তাতে জিততে হবে। 

পুরনো রাগ ধরে বসে থাকা: নিজেদের মধ্যে সবকিছু ব্যক্তিগত আক্রমন মনে করবেন না। মাঝেমধ্যে ভুল বুঝাবুঝি হতে পারে।সঙ্গীকে তার বক্তব্য বলার সুযোগ দিন,তারপর তার বিচার করুন। অনুমানের উপর ভিত্তি করে কোনো রাগ পুষে রাখবেন না।

একসঙ্গে সময় কাটান : সময় সব কিছুর বড় নিয়াময়কারী।নিজেদের জন্য আলাদা সময় দিন। পরস্পরের প্রতি মনোযোগ দিন। তাহলে নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক আরও সহজ হবে। 

বিশ্বাস ভঙ্গ করা : যেকোন সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশ্বাস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিজেদের মধ্যে বিশ্বাস না থাকলে সম্পর্ক কখনোই ভাল হবে না। তাই সঙ্গীর বিশ্বাসের মর্যাদা রাখুন।

একে অন্যের পরিপূরক হোন : নিজের যেকোন সমস্যায় সঙ্গী আপনার উপরই নির্ভর করে। তাকে হতাশ করবেন না। দুজনে এক্যবদ্ধ থাকলে ঘৃণা, বিদ্বেষ কখনই আপনাদের সম্পর্ক খারাপ করতে পারবে না। সূত্র : এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সম্পর্ক শেষ করার আগে নিজেকে যেসব প্রশ্ন করবেন


আরও খবর

সম্পর্ক

  অনলাইন ডেস্ক

যেকোন ধরনের সম্পর্ক, ব্রেক আপ হঠাৎ করে হয় না। প্রেম কিংবা বিয়ে যাই হোক না কেন যদি সঙ্গীর সঙ্গে কোন কারণে আপনার জীবন কাটানো কঠিন হয়ে পড়ে তাহলে নিজেকে কিছুটা সময় দিন। কিছু প্রশ্ন করুন নিজেকে। উত্তরগুলো আপনার কাছেই আছে। আপনি আপনার সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখবেন কি রাখবেন না ওই প্রশ্নের উত্তরগুলো আপনাকে জানিয়ে দেবে। আপনি যদি কারও সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েই থাকেন তাহলে এই প্রশ্নগুলো নিজেকে জিজ্ঞেস করুন-

১. সম্পর্কটা কি আপনাকে সুখী করার চেয়ে বেশি কষ্ট দিচ্ছে?

২. একই প্রসঙ্গ নিয়ে কি বারবার সঙ্গীর সঙ্গে ঝগড়া হচ্ছে?

৩. সম্পর্কটা উন্নত করার কোন কি উপায় আছে?

৪. দুজনে একসঙ্গে আনন্দে সময় কাটানোর চেয়ে কি ঝগড়া বেশি করছেন?

৫. সম্পর্কটা কি মানসিকভাবে আপনাকে বিপর্যস্ত করে তুলছে?

৬. সারাক্ষন কি আপনি ঝগড়ার মুহূর্তগুলোর কথা ভাবছেন আর মনে মনে সব আগের মতো হয়ে যাবে আশা করছেন?

৭. আপনি কি আপনাদের একান্ত সময় নিয়ে সুখী?

৮. সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য কি আপনি যথেষ্ট ত্যাগ স্বীকার করেছেন?

৯. আপনি কি সত্যিই আপনার সঙ্গীকে ভালবাসেন নাকি শুধুমাত্র একা হওয়ার ভয়ে একসঙ্গে আছেন?

১০. সম্পর্ক শেষ হওয়ার পরে জীবন কেমন হবে সেটা নিয়ে চিন্তা করছেন?

যদি বেশিরভাগ উত্তর নেতিবাচক হয় তাহলে সম্পর্ক শেষ করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবুও এটা মনে রাখা উচিত সম্পর্ক শেষ করা যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব, গড়া ততটাই কঠিন। তাই যেকোন ধরনের সিদ্ধান্ত বুঝে শুনে নেওয়াই ভাল। সূত্র : ফ্যাসটানি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ছোট শিশুদের গরুর দুধ খাওয়ানো কি ঠিক?


আরও খবর

সম্পর্ক

  অনলাইন ডেস্ক

আজকাল অনেকেই শিশুর বয়স কয়েক মাস হলেই গরুর দুধ খাওয়াতে শুরু করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুর বয়স ৬ মাস না হওয়া পর্যন্ত তাকে মায়ের দুধ ছাড়া কিছুই খেতে দেওয়া ঠিক নয়। এরপর থেকে ১ বছর পর্যন্ত অল্প করে গরুর দুধ দেওয়া যেতে পারে। আর বয়স ১ বছর পার হলে শিশুকে বুকের দুধের পরিবর্তে পুরোপুরি গরুর দুধ খাওয়ানো যায়। 

এক বছর বয়সের পর থেকে শিশুকে গরুর দুধ খাওয়ানো যায়

তবে যেহেতু প্রতিটা শিশুর শারীরিক চাহিদা ভিন্ন এ কারণে খাদ্যতালিকায় যেকোন পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নেওয়া উচিত। শিশুর বয়স ১ বছর না হলে গরুর দুধ খাওয়ানো যাবে না কারণ ওই বয়সের আগে শিশুর হজমশক্তি সেভাবে তৈরি হয় না। এ জন্য নবজাতককে গরুর দুধ খাওয়াতে নিষেধ করেন চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, ১ বছরের আগে যদি শিশুদের গরুর দুধ খাওয়ানো হয়, তাহলে এতে থাকা প্রোটিন এবং খনিজ হজম করতে না পেরে শিশুর কিডনির সমস্যা, অ্যালার্জি, ডায়ারিয়া, পেটের রোগ, বমি এবং রক্তশূন্যতা দিতে পারে।

১ বছর পার হলে শিশুর হজম ক্ষমতা একটু একটু করে বাড়তে থাকে। তখন গরুর দুধ খেলে এতে উপস্থিত একাধিক পুষ্টিকর উপাদান শিশুর হাড় এবং দাঁত গঠনে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে রক্ত প্রবাহ ভাল করার পাশপাশি পেশীর গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।এছাড়া গরুর দুধে উপস্থিত ভিটামিন-ডি শিশুকে সুস্থ-সবল রাখতে সহায়তা করে। যেহেতু গরুর দুধে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম থাকে এ কারণে শিশুরা গরুর দুধ খেলে বড় হয়ে তাদের হাড়ের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ , কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। সূত্র: বোল্ড স্কাই


সংশ্লিষ্ট খবর