সম্পর্ক

রাতে ভাল ঘুমানোর জন্য কর্মীদের পুরস্কার দেয় যে প্রতিষ্ঠান

প্রকাশ : ২৫ অক্টোবর ২০১৮

রাতে ভাল ঘুমানোর জন্য কর্মীদের পুরস্কার দেয় যে প্রতিষ্ঠান

  অনলাইন ডেস্ক

কর্মীরা রাতে কয় ঘণ্টা ঘুমালো তা নিয়ে মাথা ঘামায় এমন প্রতিষ্ঠান খুঁজে পাওয়া মুশকিল। কয় ঘণ্টা ঘুম তার স্বাস্থ্যের জন্য ভাল তাই বা কে চিন্তা করে? তাদের পুষ্টি কিংবা শারীরিক সুস্থতার খবরই বা কোন অফিস রাখে? তবে আশ্চর্য হলেও সত্যি, এমনই একটি সংস্থা আছে জাপানে। সম্ভবত তারাই বিশ্বের প্রথম এবং একমাত্র প্রতিষ্ঠান যারা কর্মীদের ঘুম কিংবা শারীরিক সুস্থতা নিয়ে চিন্তা করে। 

ব্যতিক্রমী ওই অ্যাড এজেন্সীর প্রতিষ্ঠাতা কাজুহিকো মরিয়ামা বিশ্বাস করেন, যেসব কর্মীরা রাতে ভালভাবে ঘুমায় তারাই কর্মক্ষেত্রে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারে।এ কারণে তার প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা যারা সপ্তাহে অন্তত পাঁচ রাত কমপক্ষে ছয় ঘণ্টা করে ঘুমান তাদের জন্য বিশেষ পয়েন্টের ব্যবস্থা করেন।মজার ব্যাপার হলো, কর্মীদের এই ঘুমানোর সময়টা অনুসরন করে হিসাব করা হয় উন্নত ধরনের বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে। 

যেসব কর্মীরা ভাল ঘুমের জন্য বিশেষ পয়েন্ট অর্জন করেন তারা কোম্পানির ক্যাফেটেরিয়ায় ফ্রি খেতে পারেন। সেই সঙ্গে ঘুমানোর জন্য বছরে বাংলাদেশী টাকায় ৪৮ হাজারের বেশি টাকা পুরস্কার হিসাবে পান। 

শুধু তাই নয়, কোম্পানিটি কর্মীদের সুস্থতার দিকেও নজর রাখে। এ কারণে তাদেরকে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, শরীরচর্চায় উৎসাহিত করে। সেই সঙ্গে কাজের পরিবেশটাও যাতে ইতিবাচক হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। এছাড়া কর্মীদের মন ভাল রাখার জন্য বিশেষ ছুটিরও ব্যবস্থা আছে কোম্পানিটিতে। 

কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা মরিয়ামা বিশ্বাস করেন,যেসব কর্মী ঠিক মতো বিশ্রাম নিতে পারে তারা অনেক বেশী সুখী থাকে। সেই সঙ্গে তারা কাজও ভাল করতে পারে।মরিয়ামা তার কর্মীদের সুবিধা দেওয়ার মধ্য দিয়ে কর্মীদের অধিকার আদায়ের বিষয়টি নজরে আনেন। সেই সঙ্গে বিভিণ্ন কোম্পানিকে কর্মীদের অধিকারের ব্যাপারে মেসেজ দিতে চান। 

উল্লেখ্য, জাপানের স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে এমন একজন গবেষক ফুজি রাইওকি জানিয়েছেনে, এটা খুবই ভয়াবহ ব্যাপার যে, জাপানি নাগরিকদের ৯২ শতাংশের বেশি ২০ বছর পার হওয়ার পর ঠিক মতো ঘুমান না। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সম্পর্ক খারাপ করে যে বিষয়গুলো


আরও খবর

সম্পর্ক
সম্পর্ক খারাপ করে যে বিষয়গুলো

প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেকসময় ছোট ছোট সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে বেড়ে বড় আকার ধারন করে। তখন দীর্ঘ দিনের প্রেম কিংবা দাম্পত্য জীবনে ফাটল ধরে।

সম্পর্ক খারাপ করতে কয়েকটি বিষয় ভূমিকা রাখে। যেমন-

সঙ্গীকে দোষারোপ করা : ভুল করলে ক্ষমা চাইতে শিখুন। যদি আপনি কোনো ভুল করেন তাহলে সঙ্গীর কাছে ক্ষমা চান। আপনার সঙ্গীও তাহলে বুঝবেন আপনি নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন। সঙ্গী আর আপনার মধ্যে কোন খেলা চলছে না যে আপনাকে তাতে জিততে হবে। 

পুরনো রাগ ধরে বসে থাকা: নিজেদের মধ্যে সবকিছু ব্যক্তিগত আক্রমন মনে করবেন না। মাঝেমধ্যে ভুল বুঝাবুঝি হতে পারে।সঙ্গীকে তার বক্তব্য বলার সুযোগ দিন,তারপর তার বিচার করুন। অনুমানের উপর ভিত্তি করে কোনো রাগ পুষে রাখবেন না।

একসঙ্গে সময় কাটান : সময় সব কিছুর বড় নিয়াময়কারী।নিজেদের জন্য আলাদা সময় দিন। পরস্পরের প্রতি মনোযোগ দিন। তাহলে নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক আরও সহজ হবে। 

বিশ্বাস ভঙ্গ করা : যেকোন সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশ্বাস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিজেদের মধ্যে বিশ্বাস না থাকলে সম্পর্ক কখনোই ভাল হবে না। তাই সঙ্গীর বিশ্বাসের মর্যাদা রাখুন।

একে অন্যের পরিপূরক হোন : নিজের যেকোন সমস্যায় সঙ্গী আপনার উপরই নির্ভর করে। তাকে হতাশ করবেন না। দুজনে এক্যবদ্ধ থাকলে ঘৃণা, বিদ্বেষ কখনই আপনাদের সম্পর্ক খারাপ করতে পারবে না। সূত্র : এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সম্পর্ক শেষ করার আগে নিজেকে যেসব প্রশ্ন করবেন


আরও খবর

সম্পর্ক

  অনলাইন ডেস্ক

যেকোন ধরনের সম্পর্ক, ব্রেক আপ হঠাৎ করে হয় না। প্রেম কিংবা বিয়ে যাই হোক না কেন যদি সঙ্গীর সঙ্গে কোন কারণে আপনার জীবন কাটানো কঠিন হয়ে পড়ে তাহলে নিজেকে কিছুটা সময় দিন। কিছু প্রশ্ন করুন নিজেকে। উত্তরগুলো আপনার কাছেই আছে। আপনি আপনার সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখবেন কি রাখবেন না ওই প্রশ্নের উত্তরগুলো আপনাকে জানিয়ে দেবে। আপনি যদি কারও সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েই থাকেন তাহলে এই প্রশ্নগুলো নিজেকে জিজ্ঞেস করুন-

১. সম্পর্কটা কি আপনাকে সুখী করার চেয়ে বেশি কষ্ট দিচ্ছে?

২. একই প্রসঙ্গ নিয়ে কি বারবার সঙ্গীর সঙ্গে ঝগড়া হচ্ছে?

৩. সম্পর্কটা উন্নত করার কোন কি উপায় আছে?

৪. দুজনে একসঙ্গে আনন্দে সময় কাটানোর চেয়ে কি ঝগড়া বেশি করছেন?

৫. সম্পর্কটা কি মানসিকভাবে আপনাকে বিপর্যস্ত করে তুলছে?

৬. সারাক্ষন কি আপনি ঝগড়ার মুহূর্তগুলোর কথা ভাবছেন আর মনে মনে সব আগের মতো হয়ে যাবে আশা করছেন?

৭. আপনি কি আপনাদের একান্ত সময় নিয়ে সুখী?

৮. সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য কি আপনি যথেষ্ট ত্যাগ স্বীকার করেছেন?

৯. আপনি কি সত্যিই আপনার সঙ্গীকে ভালবাসেন নাকি শুধুমাত্র একা হওয়ার ভয়ে একসঙ্গে আছেন?

১০. সম্পর্ক শেষ হওয়ার পরে জীবন কেমন হবে সেটা নিয়ে চিন্তা করছেন?

যদি বেশিরভাগ উত্তর নেতিবাচক হয় তাহলে সম্পর্ক শেষ করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবুও এটা মনে রাখা উচিত সম্পর্ক শেষ করা যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব, গড়া ততটাই কঠিন। তাই যেকোন ধরনের সিদ্ধান্ত বুঝে শুনে নেওয়াই ভাল। সূত্র : ফ্যাসটানি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ছোট শিশুদের গরুর দুধ খাওয়ানো কি ঠিক?


আরও খবর

সম্পর্ক

  অনলাইন ডেস্ক

আজকাল অনেকেই শিশুর বয়স কয়েক মাস হলেই গরুর দুধ খাওয়াতে শুরু করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুর বয়স ৬ মাস না হওয়া পর্যন্ত তাকে মায়ের দুধ ছাড়া কিছুই খেতে দেওয়া ঠিক নয়। এরপর থেকে ১ বছর পর্যন্ত অল্প করে গরুর দুধ দেওয়া যেতে পারে। আর বয়স ১ বছর পার হলে শিশুকে বুকের দুধের পরিবর্তে পুরোপুরি গরুর দুধ খাওয়ানো যায়। 

এক বছর বয়সের পর থেকে শিশুকে গরুর দুধ খাওয়ানো যায়

তবে যেহেতু প্রতিটা শিশুর শারীরিক চাহিদা ভিন্ন এ কারণে খাদ্যতালিকায় যেকোন পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নেওয়া উচিত। শিশুর বয়স ১ বছর না হলে গরুর দুধ খাওয়ানো যাবে না কারণ ওই বয়সের আগে শিশুর হজমশক্তি সেভাবে তৈরি হয় না। এ জন্য নবজাতককে গরুর দুধ খাওয়াতে নিষেধ করেন চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, ১ বছরের আগে যদি শিশুদের গরুর দুধ খাওয়ানো হয়, তাহলে এতে থাকা প্রোটিন এবং খনিজ হজম করতে না পেরে শিশুর কিডনির সমস্যা, অ্যালার্জি, ডায়ারিয়া, পেটের রোগ, বমি এবং রক্তশূন্যতা দিতে পারে।

১ বছর পার হলে শিশুর হজম ক্ষমতা একটু একটু করে বাড়তে থাকে। তখন গরুর দুধ খেলে এতে উপস্থিত একাধিক পুষ্টিকর উপাদান শিশুর হাড় এবং দাঁত গঠনে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে রক্ত প্রবাহ ভাল করার পাশপাশি পেশীর গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।এছাড়া গরুর দুধে উপস্থিত ভিটামিন-ডি শিশুকে সুস্থ-সবল রাখতে সহায়তা করে। যেহেতু গরুর দুধে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম থাকে এ কারণে শিশুরা গরুর দুধ খেলে বড় হয়ে তাদের হাড়ের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ , কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। সূত্র: বোল্ড স্কাই


সংশ্লিষ্ট খবর