সম্পর্ক

মৃত্যুর কাছাকাছি এসে আফসোস হয় যা নিয়ে

প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০১৮

মৃত্যুর কাছাকাছি এসে আফসোস হয় যা নিয়ে

  অনলাইন ডেস্ক

মৃত্যু চিরন্তন। যেকোন বয়সে যে কারও মৃত্যু হতে পারে। তারপরও যারা পরিণত বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকেন তাদের জীবন নিয়ে নানা ধরনের আফসোস থেকে যায়। তবে আপনি জীবনের যেই পর্যায়েই থাকুন না কেন তা নিয়ে আফসোসের কিছু নেই। কারণ অতীতের ঘটনা নিয়ে আফসোস করলে তা দুঃখ ছাড়া কিছুই দেবে না আপনাকে। সময়, পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার নামই জীবন। ভাবতে হবে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপই নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আসবে।গবেষণায় দেখা গেছে, বৃদ্ধ বয়সে মৃত্যুর কাছাকাছি হলে কিছু বিষয় নিয়ে মানুষ আফসোস করে । সেগুলি হচ্ছে-

১. বেশিরভাগ মানুষই জীবন সায়াহ্নে এসে আফসোস করে এই ভেবে ইস, যদি নিজের ইচ্ছা মতো জীবনটা কাটাতে পারতাম। বেশিরভাগ মানুষই জীবনের স্বপ্নগুলো পূরণ করতে পারে না। মৃত্যুর কাছাকাছি এসে তখন বারবারই সেইসব স্বপ্নের কথা মনে হয়।

২. ব্যস্ত জীবনে মানুষ সারাদিন কাজ আর অর্থের পেছনে ছোটে।এতে সে পারিবারিক সান্নিধ্য থেকেও দূরে থাকে।সন্তানদের বেড়ে ওঠাও সে ঠিকমতো অনুভব করতে পারে না।বাবা-মায়ের সঙ্গেও তৈরি হয় দুরত্ব। জীবনের একটা পর্যায়ে এসে তখন তার মনে হয়, এত কাজ না করে পরিবারকে সময় দেওয়া উচিত ছিল। 

৩. অনেকে নিজের আবেগ দমিয়ে রাখেন শান্তি বজায় রাখার জন্য। এ কারণে তারা যাকে যা বলতে চান বা প্রকাশ করতে চান তা কখনও করতে পারেন না। এতে তাদের অনেক শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতাও তৈরি হয়। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তাই অনেকের মনে হয়, যদি নিজের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করার সাহস থাকত। 

৪. মৃত্যুর কাছাকাছি এসে পুরনো বন্ধুদের জন্যও আফসোস হয় অনেকের।কারও কারও মনে হয়, দিনের পর দিন বন্ধুদের সময় দেওয়া হয়নি ব্যস্ততার কারণে। অথচ তারা কতবার কতভাবে ডেকেছে।

৫. সবসময়ে কী নেই তার পেছনে ছুটতে থাকে মানুষ। কিন্তু কী আছে, সেটা হয়তো বুঝে ওঠার আগেই বেঁচে থাকার সময় ফুরিয়ে যায়। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তাই ফেলে আসা অপ্রাপ্তিগুলো নিয়ে আফসোস করে তারা।     সূত্র : হাফপোষ্ট


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সম্পর্ক খারাপ করে যে বিষয়গুলো


আরও খবর

সম্পর্ক
সম্পর্ক খারাপ করে যে বিষয়গুলো

প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেকসময় ছোট ছোট সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে বেড়ে বড় আকার ধারন করে। তখন দীর্ঘ দিনের প্রেম কিংবা দাম্পত্য জীবনে ফাটল ধরে।

সম্পর্ক খারাপ করতে কয়েকটি বিষয় ভূমিকা রাখে। যেমন-

সঙ্গীকে দোষারোপ করা : ভুল করলে ক্ষমা চাইতে শিখুন। যদি আপনি কোনো ভুল করেন তাহলে সঙ্গীর কাছে ক্ষমা চান। আপনার সঙ্গীও তাহলে বুঝবেন আপনি নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন। সঙ্গী আর আপনার মধ্যে কোন খেলা চলছে না যে আপনাকে তাতে জিততে হবে। 

পুরনো রাগ ধরে বসে থাকা: নিজেদের মধ্যে সবকিছু ব্যক্তিগত আক্রমন মনে করবেন না। মাঝেমধ্যে ভুল বুঝাবুঝি হতে পারে।সঙ্গীকে তার বক্তব্য বলার সুযোগ দিন,তারপর তার বিচার করুন। অনুমানের উপর ভিত্তি করে কোনো রাগ পুষে রাখবেন না।

একসঙ্গে সময় কাটান : সময় সব কিছুর বড় নিয়াময়কারী।নিজেদের জন্য আলাদা সময় দিন। পরস্পরের প্রতি মনোযোগ দিন। তাহলে নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক আরও সহজ হবে। 

বিশ্বাস ভঙ্গ করা : যেকোন সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশ্বাস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিজেদের মধ্যে বিশ্বাস না থাকলে সম্পর্ক কখনোই ভাল হবে না। তাই সঙ্গীর বিশ্বাসের মর্যাদা রাখুন।

একে অন্যের পরিপূরক হোন : নিজের যেকোন সমস্যায় সঙ্গী আপনার উপরই নির্ভর করে। তাকে হতাশ করবেন না। দুজনে এক্যবদ্ধ থাকলে ঘৃণা, বিদ্বেষ কখনই আপনাদের সম্পর্ক খারাপ করতে পারবে না। সূত্র : এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সম্পর্ক শেষ করার আগে নিজেকে যেসব প্রশ্ন করবেন


আরও খবর

সম্পর্ক

  অনলাইন ডেস্ক

যেকোন ধরনের সম্পর্ক, ব্রেক আপ হঠাৎ করে হয় না। প্রেম কিংবা বিয়ে যাই হোক না কেন যদি সঙ্গীর সঙ্গে কোন কারণে আপনার জীবন কাটানো কঠিন হয়ে পড়ে তাহলে নিজেকে কিছুটা সময় দিন। কিছু প্রশ্ন করুন নিজেকে। উত্তরগুলো আপনার কাছেই আছে। আপনি আপনার সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখবেন কি রাখবেন না ওই প্রশ্নের উত্তরগুলো আপনাকে জানিয়ে দেবে। আপনি যদি কারও সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েই থাকেন তাহলে এই প্রশ্নগুলো নিজেকে জিজ্ঞেস করুন-

১. সম্পর্কটা কি আপনাকে সুখী করার চেয়ে বেশি কষ্ট দিচ্ছে?

২. একই প্রসঙ্গ নিয়ে কি বারবার সঙ্গীর সঙ্গে ঝগড়া হচ্ছে?

৩. সম্পর্কটা উন্নত করার কোন কি উপায় আছে?

৪. দুজনে একসঙ্গে আনন্দে সময় কাটানোর চেয়ে কি ঝগড়া বেশি করছেন?

৫. সম্পর্কটা কি মানসিকভাবে আপনাকে বিপর্যস্ত করে তুলছে?

৬. সারাক্ষন কি আপনি ঝগড়ার মুহূর্তগুলোর কথা ভাবছেন আর মনে মনে সব আগের মতো হয়ে যাবে আশা করছেন?

৭. আপনি কি আপনাদের একান্ত সময় নিয়ে সুখী?

৮. সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য কি আপনি যথেষ্ট ত্যাগ স্বীকার করেছেন?

৯. আপনি কি সত্যিই আপনার সঙ্গীকে ভালবাসেন নাকি শুধুমাত্র একা হওয়ার ভয়ে একসঙ্গে আছেন?

১০. সম্পর্ক শেষ হওয়ার পরে জীবন কেমন হবে সেটা নিয়ে চিন্তা করছেন?

যদি বেশিরভাগ উত্তর নেতিবাচক হয় তাহলে সম্পর্ক শেষ করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবুও এটা মনে রাখা উচিত সম্পর্ক শেষ করা যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব, গড়া ততটাই কঠিন। তাই যেকোন ধরনের সিদ্ধান্ত বুঝে শুনে নেওয়াই ভাল। সূত্র : ফ্যাসটানি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ছোট শিশুদের গরুর দুধ খাওয়ানো কি ঠিক?


আরও খবর

সম্পর্ক

  অনলাইন ডেস্ক

আজকাল অনেকেই শিশুর বয়স কয়েক মাস হলেই গরুর দুধ খাওয়াতে শুরু করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুর বয়স ৬ মাস না হওয়া পর্যন্ত তাকে মায়ের দুধ ছাড়া কিছুই খেতে দেওয়া ঠিক নয়। এরপর থেকে ১ বছর পর্যন্ত অল্প করে গরুর দুধ দেওয়া যেতে পারে। আর বয়স ১ বছর পার হলে শিশুকে বুকের দুধের পরিবর্তে পুরোপুরি গরুর দুধ খাওয়ানো যায়। 

এক বছর বয়সের পর থেকে শিশুকে গরুর দুধ খাওয়ানো যায়

তবে যেহেতু প্রতিটা শিশুর শারীরিক চাহিদা ভিন্ন এ কারণে খাদ্যতালিকায় যেকোন পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নেওয়া উচিত। শিশুর বয়স ১ বছর না হলে গরুর দুধ খাওয়ানো যাবে না কারণ ওই বয়সের আগে শিশুর হজমশক্তি সেভাবে তৈরি হয় না। এ জন্য নবজাতককে গরুর দুধ খাওয়াতে নিষেধ করেন চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, ১ বছরের আগে যদি শিশুদের গরুর দুধ খাওয়ানো হয়, তাহলে এতে থাকা প্রোটিন এবং খনিজ হজম করতে না পেরে শিশুর কিডনির সমস্যা, অ্যালার্জি, ডায়ারিয়া, পেটের রোগ, বমি এবং রক্তশূন্যতা দিতে পারে।

১ বছর পার হলে শিশুর হজম ক্ষমতা একটু একটু করে বাড়তে থাকে। তখন গরুর দুধ খেলে এতে উপস্থিত একাধিক পুষ্টিকর উপাদান শিশুর হাড় এবং দাঁত গঠনে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে রক্ত প্রবাহ ভাল করার পাশপাশি পেশীর গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।এছাড়া গরুর দুধে উপস্থিত ভিটামিন-ডি শিশুকে সুস্থ-সবল রাখতে সহায়তা করে। যেহেতু গরুর দুধে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম থাকে এ কারণে শিশুরা গরুর দুধ খেলে বড় হয়ে তাদের হাড়ের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ , কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। সূত্র: বোল্ড স্কাই


সংশ্লিষ্ট খবর