রংপুর

ঢাকা-পঞ্চগড়ে ট্রেন চলবে শনিবার থেকে

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

ঢাকা-পঞ্চগড়ে ট্রেন চলবে শনিবার থেকে

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

অবশেষে দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হচ্ছে। ঢাকা থেকে সরাসরি ট্রেন যাবে সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। রেলপথে ঢাকা থেকে ৬০৫ কিলোমিটার দূরে এ জেলা। দেশের দীর্ঘতম এ রেলপথে শনিবার থেকে ট্রেন চলবে। ঢাকা থেকে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও হয়ে পঞ্চগড় যাবে ট্রেন।

এতদিন ঢাকা থেকে দিনাজপুর পর্যন্ত চলত দ্রুতযান ও একতা এক্সপ্রেস। এই দুটি ট্রেনই এখন দিনাজপুর হয়ে পঞ্চগড় যাবে। সাপ্তাহিক বিরতি থাকবে না। এতদিন পঞ্চগড়ের যাত্রীরা ঢাকা থেকে দিনাজপুর পর্যন্ত গিয়ে, বাকি পথ শাটল ট্রেনে যেতেন। সরাসরি ট্রেন চালুর পর বন্ধ হয়ে যাবে শাটল ট্রেন।

বৃহস্পতিবার রেলওয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দ্রুতযান এক্সপ্রেস পঞ্চগড় স্টেশন থেকে প্রতিদিন সকাল ৭টা ২০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে। ১০ ঘণ্টা ৫০ মিনিটে ৬০৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে। 

দুই ঘণ্টা বিরতিতে ট্রেনটি পঞ্চগড়ের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। দ্রুতযান এক্সপ্রেস রাত ৮টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে পরেরদিন সকাল সাড়ে ৬টায় পঞ্চগড় পৌঁছাবে। একতা এক্সপ্রেস সকাল ১০টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে পঞ্চগড় পৌঁছবে। রাত ৯টায় পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে সকাল ৮টা ১০ মিনিটে ঢাকা ফিরবে।

দুটি ট্রেনেই ১৩টি করে বগির সংস্থান রয়েছে। একতায় ৮৯৪ এবং দ্রুতযানে ৯৪৪টি আসন রয়েছে। তবে এক হাজার ২০০ জন যাত্রী এতে যাতায়াত করতে পারবেন। ঢাকা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত দ্রুতযান ও একতায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বার্থের ভাড়া ১ হাজার ৯৪২ টাকা, এসি চেয়ারের ভাড়া ১ হাজার ৫৩ টাকা, নন এসি বার্থের ভাড়া ১ হাজার ১৪৫ টাকা ও শোভন চেয়ারের ভাড়া ৫৫০ টাকা।

এদিকে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু (পূর্ব) স্টেশনের মধ্যে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে টাঙ্গাইল কমিউটার-১ ও ২ নামের একজোড়া ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে প্রতিদিন বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে। 

বঙ্গবন্ধু সেতু (পূর্ব) স্টেশনে পৌঁছাবে সাড়ে ৮টায়। সেখান থেকে প্রতিদিন সকাল ৬টায় ছেড়ে ঢাকা পৌঁছাবে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

রাজারহাটে ছাত্রকে পিটিয়ে জখম, প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার


আরও খবর

রংপুর

  রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

বিদায় অনুষ্ঠানে ১০০ টাকা চাঁদা কম দেওয়ায় এক ছাত্রকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করলেন প্রধান শিক্ষক।  মঙ্গলবার কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সোনালুরকুটি উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ খবরে উত্তেজিত হয়ে এলাকাবাসী ওই শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্কুল সূত্রে জানা যায়, সোনালুরকুটি উচ্চ বিদ্যালয়ে এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৩০০ টাকা করে চাঁদা ধরা হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সৌরভ রায় ও তার বোন আদুরী রানী এবার স্কুলটি থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেবে। 

হতদরিদ্র পরিবারের দুই ভাই-বোনের জন্য তাদের বাবা ৫০০ টাকা চাঁদা দিয়ে সৌরভকে স্কুলে পাঠান। কিন্তু স্কুলে প্রধান শিক্ষক গোলজার হোসেনকে বিষয়টি জানাতেই তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি সৌরভকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ছাড়াও বেত দিয়ে পেটাতে শুরু করেন। এতে সৌরভের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তাক্ত জখম হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় সৌরভকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান তার বাবা।

সৌরভকে এভাবে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী প্রধান শিক্ষক গোলজার হোসেনকে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে বিকেলে ছাত্রদের পাশাপাশি স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসির কাছে অভিযোগ করেন।

রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃষ্ণ চন্দ্র সরকার জানান, প্রধান শিক্ষক গোলজার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরসহ আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

পরের
খবর

ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা চলবে না: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী


আরও খবর

রংপুর

নীলফামারী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় মঙ্গলবার বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান- সমকাল

  নীলফামারী প্রতিনিধি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেছেন, ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা কোনোভাবে গ্রহণ করা হবে না।বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সুদক্ষতার কারণে বাংলাদেশ আজ যেভাবে এগিয়েছে, তার সুফল ভোগ করছেন নীলফামারীর মানুষও।

পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন হলে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পর আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে একজন দক্ষ নেতা হিসেবে পেয়েছি। এ রকম নেতা ১০০ কিংবা ২০০ বছরে আর পাওয়া যাবে না।

মঙ্গলবার বিকেলে নীলফামারী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা  বলেন তিনি।

জেলা প্রশাসক বেগম নাজিয়া শিরিনের সভাপতিত্বে সভায় জেলার দুর্যোগ চিত্র উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজাহারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, মহাপরিচালক আবু সৈয়দ মোহাম্মদ হাশিম। 

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, সিভিল সার্জন ডা. রণজিৎ কুমার বর্মণ, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হামিদুর রহমান, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী বেলাল হোসেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবদুর রউফ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক কোবাদ আলী প্রমুখ।

পরে সদর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের পলাশবাড়ী পরশমণি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তিন হাজার দরিদ্রের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন মন্ত্রী।

পরের
খবর

সড়ক ছাড়াই ৩২ বছর ধরে একা দাঁড়িয়ে সেতুটি


আরও খবর

রংপুর

সংযোগ সড়ক না ৩২ বছর ধরে একা দাঁড়িয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ এলাকার এ সেতুটি-সমকাল

  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

সংযোগ সড়ক না থাকায় ৩২ বছর ধরে একা দাঁড়িয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার আমসারা খালের ওপর একটি সেতু। ১৯৮৭-৮৮ সালের বন্যায় সেতুটির দুই পাড়ের সংযোগ সড়কই ভেঙে যায়। এরপর থেকে একা দাঁড়িয়ে সেতুটি।

এলাকাবাসীরা জানান, ১৯৮৭-৮৮ সালের বন্যায় সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যায়। এতে খালের পূর্ব পাড়ের কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে পশ্চিম পাড়ের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। খালের মাঝখানে দীর্ঘ প্রায় ৩২ বছর ধরে একা দাঁড়িয়ে সেতুটি। এতে ১০-১২টি গ্রামের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়লেও নজর নেই কারো।

সংযোগ সড়ক না ৩২ বছর ধরে একা দাঁড়িয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ এলাকার এ সেতুটি-সমকাল

খাড়িপাড়া গ্রামের মোকসেদ আলী বলেন, সেতুটি মেরামতের জন্য বিভিন্ন দফতরে যোগাযোগ করেও কাজ হয়নি। জনপ্রতিনিধিরা ভোটের সময় সংস্কারের আশ্বাস দিলেও পরে খোঁজ নেন না।

ঠাকুরগাঁও এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী কান্তেশ্বর বর্মণ জানান, পরিত্যক্ত ব্রিজটি পরিদর্শন করা হয়েছে। ব্রিজটির পরে নদীতে আরো একটি বড় ব্রিজ নির্মাণ করতে হবে। তা না হলে এই ব্রিজটি মানুষের উপকারে আসবে না। ব্রিজটির অনেক অংশ নষ্ট হয়ে গেছে।

পীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম জিয়া বলেন, দীর্ঘদিন পরে হলেও ব্রিজটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমি ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের এমপিকে অবহিত করে দ্রুত কাজ শুরু করার আবেদন জানাবো।

সংশ্লিষ্ট খবর