রংপুর

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ করবে জাতীয় পার্টি: সোহেল রানা

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ করবে জাতীয় পার্টি: সোহেল রানা

বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা জাতীয় পার্টি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন সোহেল রানা -সমকাল

  ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা ও পীরগঞ্জ ( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

চিত্রনায়ক ও জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির সভাপতি সোহেল রানা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবে জাতীয় পার্টি। জাতীয় পার্টিকে বাদ দিয়ে কোন উন্নয়ন সম্ভব হবে না। 

বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা জাতীয় পার্টি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সোহেল রানা বলেন, মুখে যে যত বড় কথা বলুক না কেন, জাতীয় পার্টির পথেই সবাইকে চলতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে ৩শ আসনে নিজস্ব প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে জাতীয় পার্টি। নির্বাচনকে ভয় পাই না। জাতীয় পার্টি সব সময় নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত।

ঠাকুরগাঁও জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি হাফিজ উদ্দীন আহম্মেদের সভাপতিত্বে রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় আরও বক্তৃতা করেন জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক রাজিউর রাজি স্বপন চৌধুরী। জনসভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

বালিয়াডাঙ্গীতে ব্রয়লার বিস্ফোরণে শ্রমিকের মৃত্যু


আরও খবর

রংপুর

ফাইল ছবি

  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ব্রয়লার বিস্ফোরণে এক শ্রমিকের  মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।

সোমবার সন্ধ্যা ছয়টায় উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের কুশলডাঙ্গী হাট এলাকায় আব্দুল বাতেনের রাইস মিলে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শ্রমিক নুর ইসলাম (৩৮) উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মৃত লতা মোহাম্মদের ছেলে ও আহত শ্রমিক সহিদুর (৫২) একই ইউনিয়নের ধারিয়া বেলসাড়া গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে।

বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ জানায়, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের কুশলডাঙ্গী হাট এলাকায় আব্দুল বাতেনের রাইস মিলে৬ শ্রমিক ধান সিদ্ধ করার কাজ করছিলেন। হঠাৎ সেখানে ব্রয়লার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

 পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক নুর ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেলে পাঠান। রংপুরে নেওয়ার পথে শ্রমিক নুর ইসলামের মৃত্যু হয়।

রাইস মিলের মালিক আব্দুল বাতেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এটি একটি দুর্ঘটনা। নুর ইসলাম আমার ছোট ভাইয়ের মত। তার পরিবারের জন্য যা সহায়তা প্রয়োজন করা হবে।

বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসাব্বেরুল ইসলাম বলেন, নুর ইসলামের লাশ ময়না তদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরের
খবর

রংপুরে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৩


আরও খবর

রংপুর

ছবি: সমকাল

  রংপুর সংবাদদাতা

রংপুর সদর উপজেলার লাহিড়ীর হাট এলাকায় একটি ট্রাকের সঙ্গে যাত্রীবাহী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকের রংপুর-বদরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছে আরও তিনজন।

নিহতদের মধ্যে বাদশা মিয়া নামের একজনের পরিচয় জানা গেছে। তিনি রংপুর সদর উপজেলার বৈকুণ্ঠপুর এলাকার ইউসুফ উদ্দিনের ছেলে। 

রংপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক এটিএম শামসুজ্জোহা সমকালকে জানান, রংপুর থেকে বদরগঞ্জগামী বৈদ্যুতিক সরঞ্জামবাহী একটি ট্রাকের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়। ট্রাকটিও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার তিন যাত্রীর নিহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।

রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান জানান,  ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে লাশ উদ্ধার করেছেন। বর্তমানে ওই সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বেতন বৈষম্যের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে হামলার শিকার শিক্ষকরা


আরও খবর

রংপুর

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বেতন বৈষম্যের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে হামলার শিকার শিক্ষকরা

প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০১৮

  দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) বেতন বৈষম্যের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে লাঞ্ছিত ও হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন নতুন পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকরা।

বুধবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হাওলাদারের কক্ষে এই ঘটনা ঘটে।

শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, এই ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন। জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের ইঙ্গিতে এই ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি লাঞ্ছনার শিকার শিক্ষকদের।

এদিকে এর প্রতিবাদে ওই শিক্ষকরা বৃহস্পতিবার থেকে সকল ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ বলছেন, ওই শিক্ষকরাই উল্টো তাকে অবরুদ্ধ করে রেখে সরকারীরি কাজে বাধা ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের সাথে ধাক্কা-ধাক্কি ও অসদাচারণ করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ফাতিহা ফারহানা, কৃষ্ণ চন্দ্র রায়, হাফিজ আল হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, গত ১১ অক্টোবর রিজেন্ট বোর্ডের সভায় তাদের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। কিন্তু পদোন্নতি দেয়া হলেও পদ অনুযায়ী বর্ধিত বেতন দেয়া হচ্ছিল না বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতি পাওয়া ৬১ জন শিক্ষককে।

তারা জানান, এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে ও কারণ জানতে বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হাওলাদারের কক্ষে প্রবেশ করেন ৬১ জন শিক্ষক। কথা চলাকালীন সময় জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা তাদের ধাক্কা দিয়ে কক্ষ থেকে বের করে দেন। এরপর কিছু ছাত্র শিক্ষকদের ইঙ্গিতে তাদের লাঞ্ছিত করেন ও মারধর করেন।

এরপর এই ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা ও বর্ধিত বেতন না দেয়া পর্যন্ত শিক্ষকরা বৃহস্পতিবার থেকে সকল প্রকার ক্লাশ-পরীক্ষা বর্জন করার ঘোষণা দেন।

হাবিপ্রবি’র কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হাওলাদার জানান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বেতন দেয়া হচ্ছে। কিন্তু শিক্ষকরা বুধবার তার কাছে এসে অযৌক্তিকভাবে চাপ প্রয়োগ করেন। এসময় তারা সরকারি কাজে বাধা দেন এবং তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

তিনি জানান, খবর পেয়ে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা আসলে তারা তাদের সঙ্গে অসদাচারণ ও ধাক্কা-ধাক্কি করেন। এক পর্যায়ে সিনিয়র শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্ররা তাকে এসে উদ্ধার করে নিয়ে যান।

আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর হামলার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদেরওপর কে হামলা করেছে, তা তার জানা নেই। ছাত্ররা কিভাবে সেখানে এসেছে, তাও তার জানা নেই।

উল্লেখ্য, ছাত্রীদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগে দুই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার ও শাস্তির দাবিসহ ৬ দফা দাবিতে গত ৪ নভেম্বর থেকে প্রতিদিন ঘন্টাব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম।

সংশ্লিষ্ট খবর