রাজশাহী

বগুড়ায় ২ জনকে শ্বাসরোধে হত্যা

প্রকাশ : ১১ জুন ২০১৯

বগুড়ায় ২ জনকে শ্বাসরোধে হত্যা

  বগুড়া ব্যুরো

বগুড়ায় খলিলুর রহমান (৫৫) নামে এক কৃষককে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া লালটু মিয়া (৪০) নামে এক দিনমজুরকেও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার পৃথক এলাকা থেকে লাশ দু’টি উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, দুপুরে বগুড়া সদর উপজেলার কদিমপাড়া এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকে খলিলুর রহমানের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি কদিমপাড়ার পার্শ্ববর্তী গোপালবাড়ী গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে। বিকেলে সদর উপজেলার টেংড়াগানি এলাকার ফসলের মাঠের একটি শ্যালোমেশিন ঘর থেকে লালটু মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি সদর উপজেলার হাজরাদীঘি এলাকার মৃত রহমত আলীর ছেলে।

খলিলুর রহমান সর্ম্পকে স্থানীয়রা জানায়, সোমবার দুপুরে খলিলুর রহমান বাইসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাসায় ফেরেননি। তার দুই স্ত্রী ও দুই ছেলে রাতভর বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাননি। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে কদিমপাড়া মাঠে গ্রামের কয়েকজন নারী পাটের শাক তুলতে গেলে খলিলুর রহমানের মরদেহ দেখতে পান। পরে নিহতের স্বজনরা মরদেহ সনাক্ত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। খলিলুর রহমান কৃষি কাজের পাশাপাশি গরু-ছাগলের ব্যবসাও করতেন। তার ব্যবহৃত বাইসাইকেলটি মরদেহের পাশেই পাওয়া যায়। রাতের কোন এক সময় তাকে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আনজুমান আরা বাদি হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে পুলিশ জানায়।

অন্যদিকে লালটু মিয়া একজন দিনমজুর এবং অবিবাহিত। তিনি জমিতে সেচ দেয়া ছাড়াও শ্যালোমেশিন পাহাড়া দেওয়ার জন্য মেশিনঘরেই রাতে থাকতেন। দুপুরে এলাকার কয়েকজন কৃষক ওইদিক দিয়ে যাওয়ার সময় মেশিনঘর থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে এগিয়ে যান। ঘরের দরজা বন্ধ দেখে বেড়ার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিয়ে লালটু মিয়ার মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়া হয়। পরে বিকেলে পুলিশ গিয়ে ঘড়ের দরজা কেটে তার লাশ উদ্ধার করে।

বগুড়ায় সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রেজাউল করিম বলেন, খলিলুর রহমানকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব বিরোধের জের ধরে রাতের যেকোনো সময় হত্যার পর মরদেহ পাটক্ষেতে ফেলে রাখা হয়েছে। আর লালটু মিয়ার মৃত্যু ৩/৪ দিন আগে হয়েছে। লালটু মিয়া কিভাবে মারা গেলেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তারও গলায় আঘাতের চিহৃ আছে।

মন্তব্য


অন্যান্য