রাজশাহী

ঝাড়ু হাতে শহর পরিচ্ছন্নতায় মেয়র লিটন

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

ঝাড়ু হাতে শহর পরিচ্ছন্নতায় মেয়র লিটন

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার নগরীর পরিস্কার-পরিছন্নতার উদ্বোধন করেন রসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন- সমকাল

  রাজশাহী ব্যুরো

ঝাড়ু হাতে শহর পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও ডাস্টবিন বিতরণের উদ্বোধরের পর ঝাড়ু দিয়ে সড়ক ও আশপাশের এলাকা পরিস্কার করেন মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন। 

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগের উদ্যোগে নগরীর সাহেব বাজার বড় মসজিদের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র লিটন। এ সময় লিটনের সঙ্গে তিন প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলররা নগরীর সাহেব বাজার বড় মসজিদের সামনে থেকে আরডিএ মার্কেট পর্যন্ত সড়ক ঝাড়ু দেন। 

এরপর সেখানে ডাস্টবিন বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন তারা। অনুষ্ঠানে ১০ জন ব্যবসায়ীকে ডাস্টবিন প্রদান করা হয়। আগামীতে প্রথম ধাপে নগরীর প্রায় ১২ হাজার ব্যবসায়ীকে ডাস্টবিন দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, এই নগরী আপনার, আমার, আমাদের সবার। একে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখার দায়িত্বও আমাদের। পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতাকে ঈমানের অঙ্গ বলা হয়। আসুন, আমরা সবাই মিলে শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখি। সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীরা নিরসল পরিশ্রম করে নগরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করবেন। আপনারা সবাই এ কাজে সহযোগিতা করুন। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া এ কাজ করা সম্ভব হবে না। 

তিনি বলেন, প্রথম ধাপে শহরের ১২ হাজার ব্যবসায়ীকে ডাস্টবিন দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার প্রতীকীভাবে ১০ জনকে দেওয়া হলো।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ সরিফুল ইসলাম বাবু, প্যানেল মেয়র-২ রজব আলী, প্যানেল মেয়র-৩ তাহেরা বেগম মিলি এবং অন্যান্য কাউন্সিলররা, স্থানীয় দৈনিক সোনালী সংবাদের সম্পাদক লিয়াকত আলী, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন ডলার, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি, পরিচালক আতিকুর রহমান কালু প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড


আরও খবর

রাজশাহী

  সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আসামিকে দশ হাজার টাকার অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির এ রায় দেন। 

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জেলার শাহজাদপুর উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের আক্কাছ আলীর পুত্র মো. মহির উদ্দিন (৪৬)। 

মামলার নথি থেকে জানা যায়, শাহজাদপুরের প্রাণনাথ গ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে আম্বিয়া খাতুন দুলির সাথে ১৯৯৭ সালে মহিরের বিয়ে হয়। যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে প্রায়ই নির্যাতন করতো মহির। যৌতুকের টাকা না পেয়ে শ্বাসরোধ করে স্ত্রীকে হত্যা করে মহির। নিহতের ভাই সিরাজুল ইসলাম মহিরকে একমাত্র আসামি করে শাহজাদপুর থানায় মামলা করলে পুলিশ পলাতক মহিরকে গ্রেফতার করে। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আত্রাইয়ে ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশুর


আরও খবর

রাজশাহী

  নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর আত্রাইয়ে রিকশা ভ্যানের ধাক্কায় মো. হাবিব (৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

সোমবার সকালে উপজেলার আমতলী নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু হাবিব উপজেলার ভোঁপাড়া ইউনিয়নের জামগ্রামের মিজান রহমানের ছেলে। 

আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবারক হোসেন জানান, সকাল  ৯টার দিকে বাবা-মার সঙ্গে হাবিব নিজ গ্রাম থেকে রিকশা ভ্যানে চড়ে উপজেলা সদরে আসছিল। পথে আমতলী এলাকায় অপর একটি ভ্যানের সঙ্গে ধাক্কা লেগে হাবিব রাস্তার ওপর ছিটকে পড়ে। পরে তাকে গুরুতর আহতাবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সিরাজগঞ্জে অটোরিকশা চালক খুন


আরও খবর

রাজশাহী

  সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জে এক অটোরিকশা চালককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। 

রোববার রাতে জোলার সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর গ্রামের রেললাইনের পাশে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম নিহত মনির হোসেন তালুকদার (২০)। তিনি কালিয়া কান্দাপাড়ার নজরুল তালুকদারের ছেলে। 

পুলিশ জানায়, রোববার রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুরতর অাহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করার পর পরই তিনি মারা যান। পরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, এক মাস আগে  বেলকুচিতে বিয়ে করেন মনির। ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক ও পূর্ব শত্রুতার কারণে তাকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। তার মাথা ও বুকে কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের পকেটে টাকা ও মোবাইল থাকলেও দুর্বৃত্তরা সেগুলো নেয়নি।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ নিহতের মোবাইল উদ্ধার করে তা দিয়েই আপাতত খুনের রহস্য বের করার চেষ্টা করছে। এ ঘটনায় এখনও কেউই আটক হয়নি। 

সংশ্লিষ্ট খবর