প্রবাস

‘আমিরাতের আজমান শহরেও উড়বে লাল-সবুজ পতাকা’

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

‘আমিরাতের আজমান শহরেও উড়বে লাল-সবুজ পতাকা’

  কামরুল হাসান জনি, ইউএই

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাতটি প্রাদেশিক শহরের মধ্যে রাজধানী আবুধাবি, বাণিজ্যিক শহর দুবাই, শারজা, ফুজাইরাহ, রাস আল খাইমা ও উম্ম আল কোয়াইন শহরের প্রাণকেন্দ্রে লাল-সবুজ পতাকা বহন করে আছে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন দূতাবাস ও কনস্যুলেট, দুটি বাংলাদেশ স্কুল, আমিরাত সরকারের নিবন্ধনপ্রাপ্ত সংগঠন বাংলাদেশ সমিতি ও তার বিভিন্ন প্রাদেশিক শাখা এবং দুটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। 

তবে আজমান প্রদেশে প্রবাসীদের তেমন উদ্যোগ বা সাংগঠনিক ভবনে এখনো লাল-সবুজে পতাকা উড়তে দেখা যায়নি। সেই অপেক্ষার অবসানের কথা উল্লেখ করে এবার আরব আমিরাতের আজমান শহরেও লাল-সবুজের পতাকা দেখার কথা জানালেন দুবাই ও উত্তর আমিরাতের বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল ইকবাল হোসাইন খান। 

শুক্রবার রাতে শারজার একটি হোটেলে বাংলাদেশ কালচারাল ভিশন ও প্রবাসে বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা জানান।

ইকবাল হোসাইন খান বলেন, ‌আমরা সবগুলো আমিরাতে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা দেখতে চাই। অন্যান্য শহরগুলোতে ইতিমধ্যে পতাকা উত্তোলন করা হলেও আজমান শহরটি বাকি রয়েছে। আজমানে একটি বাংলাদেশ স্কুল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সেই অপূর্ণ জায়গায়টি পূর্ণ করতে চাই। যার জন্যে সকল প্রবাসীদের আন্তরিক সহযোগিতা ও আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।' 

শারজা বাংলাদেশ সমিতির সদস্য হতে প্রবাসীদের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা সমাজে সম্মানিত হিসেবে পরিচিত, যদি সমিতি থেকে দূরে থাকেন আপনি একজন দেশপ্রেমহীন হিসেবে পরিচিত হবেন। সেজন্য আমি আহ্বান রাখছি, যে কেউ সংযুক্ত আরব আমিরাতের যে কোনো প্রদেশে সদস্য হতে পারেন।

মামুন রেজা, দিবা ও পাবেলের সঞ্চালনায় আয়োজন জুড়ে ছিল আড্ডা, কবিতা, গান ও নৃত্য পরিবেশন। এতে সংগীত পরিবেশন করেন জাবেদ আহমদ মাসুম, শিহাব সুমন, পপি, শম্পা প্রমুখ। কবিতা আবৃত্তি করেন কাজী গুলশান আরা ও শেখ ফরিদ। মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ।

মন্তব্য


অন্যান্য