প্রবাস

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সংবাদ বর্জনের ঘোষণা লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের

প্রকাশ : ০৪ আগষ্ট ২০১৯

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সংবাদ বর্জনের ঘোষণা লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের

  লন্ডন প্রতিনিধি

লন্ডনে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে কয়েকজন সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ এনে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সংবাদ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব।

শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভায় ওই ঘটনার পর লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের জরুরি এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এমদাদুল হক চৌধুরী বলেন, ‘কয়েকজন সাংবাদিককে আমন্ত্রণ জানিয়ে তা প্রত্যাহার ও সিনিয়র দুই সাংবাদিককে হল থেকে ফিরিয়ে দেয়ার ঘটনা নজিরবিহীন ও অবিশ্বাস্য। বিষয়টির সম্মানজনক সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোর সব ধরনের সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছি আমরা।’

তিনি বলেন, ‘ আমাদের দুইজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে হলে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এর আগে আরও ৭-৮ জন সাংবাদিককে দাওয়াত দিয়ে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা কোন শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কাছে এ ঘটনায় নিঃশর্ত ক্ষমা আশা করে ক্লাব সভাপতি বলেন, ‘সাংবাদিকদের কালো তালিকাভুক্ত করা এবং ক্লাবের সাবেক দুই সভাপতিকে হল গেইট থেকে ফিরিয়ে দেয়ার কারণ জানতে চাই আমরা। আমন্ত্রণকর্তা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের কাছে নিশ্চয়ই এর কোনো কারণ আছে।’ 

সভায় উপস্থিত ছিলেন-আমন্ত্রণ করে নিয়ে গিয়ে হলে ঢুকতে না দেয়া দুই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বাংলা প্রেস ক্লাবের সাবেক দুই সভাপতি সাপ্তাহিক জনমত’র প্রধান সম্পাদক সৈয়দ নাহাস পাশা ও সম্পাদক নবাব উদ্দিন। 

সৈয়দ নাহাস পাশা বলেন, ‘পেশাগত দায়িত্ব পালন করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে গিয়ে ঢুকতে না দেয়া খুবই নিন্দনীয় বিষয়। যেহেতু যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আমাদের আমন্ত্রণ কর্তা, সেহেতু এই ঘটনা তাদের বিপক্ষেই যাবে। আমি আশা করবো ভবিষ্যতে আমন্ত্রণ করে নিয়ে গিয়ে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ যেন কাউকে এমন বিব্রতকর অবস্থায় না ফেলে’।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাপ্তাহিক পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মোহাম্মদ বেলাল আহমদ, প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম বাসন, এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার ও বেতার বাংলার পরিচালক মোস্তাক বাবুল, বাংলাদেশ প্রতিদিনের ডেপুটি ব্যুরো চিফ আফজাল হোসেন, চ্যানেল এস’র সিনিয়র রিপোর্টার ইব্রাহীম খলিলসহ আরও অনেকে।

মন্তব্য


অন্যান্য