প্রবাস

ঈদ ঘিরে হুন্ডির মাধ্যমে বাড়ছে লেনদেন

প্রকাশ : ০১ জুন ২০১৯ | আপডেট : ০১ জুন ২০১৯

ঈদ ঘিরে হুন্ডির মাধ্যমে বাড়ছে লেনদেন

ফাইল ছবি

  ইউএই প্রতিনিধি

ঈদকে সামনে রেখে বেড়েছে অবৈধ পথে প্রবাসীদের অর্থ লেনদেন। হুন্ডির মাধ্যমে এ অর্থ আসছে। দ্রুত অর্থপ্রাপ্তি, বৈধ পথে অর্থ প্রেরণে হেনস্তা হওয়ার ভয়সহ নানা কারণে স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠাতে হুন্ডিকেই বেছে নিচ্ছেন অনেক প্রবাসী।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, আজমান, শারজা, আল আইন ও আবুধাবির বেশ কয়েকটি অঞ্চলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের শ্রমিকরা দ্রুত পরিবারের কাছে টাকা পাঠাতে অবৈধ এজেন্টদের দ্বারস্থ হচ্ছেন। 

আল আইন শহরের আলী আজম নামের একজন প্রবাসীবেতনের টাকা স্থানীয় একটি মোবাইলের দোকান থেকে দেশে পাঠান। যে পথে আর্থিক লেনদেন হচ্ছে সেটি আদৌ বৈধ কি না জানতে চাইলে আলী আজম বলেন, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের শ্রমিকদের ভরসার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এটি। বৈধ বা অবৈধ নিয়ে কারো মাথা ব্যথা নেই। এখানে মোবাইলের দোকানদারকে টাকা দিলে সে টাকা মুহূর্তে দেশে পৌঁছে যাচ্ছে। এতে করে আমাদের ব্যাংকে যাতায়াতের বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হয় না। 

দুবাইয়ের সোনাপুরস্থ লেবার ক্যাম্পের মোহাম্মদ ইউসুফ প্রায় ১৫ বছর ধরে আরব আমিরাতে রয়েছেন। মোহাম্মদ ইউছুপ বলেন, ব্যাংকে ১৫ দিরহাম চার্জ দিতে হয়, তাই হুন্ডিতে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছি। সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করে দিলে আমরা বৈধ পথেই টাকা পাঠাবো।

দেরা দুবাইয়ের কথিত এক এজেন্ট ইব্রাহিম বলেন, নিজেদের অন্য ব্যবসা থাকলেও দেশে এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে প্রবাস থেকে এই ব্যবসা করছি। এটি মূলত প্রবাসীদের সেবা দেয়ার জন্যে সচল রেখেছি।

আবুধাবি জনতা ব্যাংকের সিইও মো. আমিরুল হাসান সমকালকে বলেন, অর্থ পাঠাতে যে মাধ্যমটি প্রবাসীরা গ্রহণ করছেন বা ব্যবহার করছেন সেটি বৈধ নয়। সরকারি হিসাবে রেমিটেন্স হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। 

তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের নানা প্রণোদনা দিয়ে বৈধ পথে টাকা পাঠানোর জন্য উৎসাহিত করা যেতে পারে। টাকা পাঠানোর চার্জও কমানো যেতে পারে।

আসন্ন বাজেটে বৈধ পথে টাকা পাঠানোর জন্য প্রবাসীদের জন্যে বড় রকমের একটি বিশেষ প্রণোদনা আসছে বলে জানান মো. আমিরুল হাসান। তিনি বলেন, আশা করছি, সেটি বাস্তবায়ন হলে প্রবাসীরা নিজ উদ্যোগে বৈধ পথে লেনদেন করবেন।

মন্তব্য


অন্যান্য