প্রবাস

কানাডায় প্রবাসীদের ঈদ উদযাপন

প্রকাশ : ০৮ জুন ২০১৯

  কানাডা প্রতিনিধি

কানাডার আলবার্তার ক্যালগেরির বিভিন্ন স্থানে উদযাপিত হয়েছে ঈদুল ফিতর। ঈদ উপলক্ষে প্রবাসী বাঙালিরা মিলিত হয় একে অপরের সঙ্গে, ভাগাভাগি করে নেয় ঈদের আনন্দ।

ঈদের দিন এখানে কারো কারো থাকে কর্ম দিবস। তবু খুব ভোরে নতুন পোশাক পরে আগেভাগে বের হয়ে পড়েন ঈদের নামাজ পড়তে। মসজিদে নামাজ শেষে পরিবার পরিজন নিয়ে বের হন বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয় স্বজনের বাসায় ঘুরতে। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সবাই একত্রিত হয়ে মেতে ওঠেন নানা গল্প-আড্ডায়। তাদের আড্ডায় উঠে আসে ঈদ আনন্দের সঙ্গে দেশের উন্নত যোগাযোগ পরিবেশ ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ঘটে যাওয়া নানামাত্রিক ঘটনাবলীসহ কত কী!

ক্যালগেরির মতই অটোয়া, টরেন্টো, মনট্রিলসহ কানাডাজুড়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঈদ উদযাপন করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ঈদের দিনের এই আড্ডার পাশাপাশি চলে খাওয়া-দাওয়া। বিরিয়ানি, পোলাও, কোর্মা, মাংসের চপ, রোস্ট, জর্দা আর গৃহবধূদের নিজ হাতের তৈরি দইসহ নানামাত্রিক রান্না করা খাবার, সঙ্গে ছিল মধু মাসের মধু ফল আমও।

এই মহামিলনের পাশাপাশি প্রবাস থেকে দেশের আত্মীয় স্বজনের সঙ্গেও চলে টেলিফোনে আলাপচারিতা। এই আলাপে কারো কারো নয়ন ভেসে আসে জলে, দেশে একসঙ্গে ঈদ না করতে পারার আক্ষেপ।

ঈদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ডা. তুরিন  চৌধুরী বললেন, 'খুব মিস করি শৈশবের সেই আনন্দের ঈদকে। সেই সময় আর কখোনই ফিরে পাবার নয়। ব্যস্ততাময় এই প্রবাস জীবনে পরিবার আর বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে যদিও ঈদ করি, কিন্তু সেই সময়ের ঈদ এখন কেবলই স্মৃতি।'

বেঙ্গল ফার্মেসি ও কমিউনিটি জী বাংলাদেশি ফার্মেসি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও স্বত্তাধিকারী ড. ইব্রাহিম খান বলেন, 'সবাই আছে, শুধু সময়টাই নেই। ঈদের দিন সময় বের করে বাংলাদেশের আত্মীয় স্বজন বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে ফোনে কথা হয়। শুধু এতটুকুই। সময় বড়ই নিষ্ঠুর, ইচ্ছে করলেই সব কিছু হয় না। তবু প্রবাসের ঈদ পরিবার পরিজন নিয়ে উপভোগ করি আনন্দ করি।'

এবিএম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট ড. মো. বাতেন বললেন, 'বাংলাদেশের মত আনন্দ করে এখানে ঈদ হয় না। প্রবাসে আমরা প্রবাসী বাঙালিরা একে অপরের বাড়িতে যাই, শুভেচ্ছা বিনিময় করি। রোমান্থন করি দেশের সেই সময়ের স্মৃতি। আমাদের নতুন প্রজন্মের অনেকেই আমাদের সময়কার সেই ঈদের আনন্দ বুঝতেই পারবে না। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।'

মন্তব্য


অন্যান্য