প্রবাস

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব নির্বাচন: উৎসবের আমেজে মনোনয়নপত্র দাখিল

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব নির্বাচন: উৎসবের আমেজে মনোনয়নপত্র দাখিল

  লন্ডন প্রতিনিধি

আগামী ২৭ জানুয়ারি ব্রিটেনের বাংলা মিডিয়া সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্বশীল সংগঠন লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের নির্বাচন। এ উপলক্ষে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন ৯ জানুয়ারি বুধবার পূর্ব লন্ডনের প্রিন্সলেট স্ট্রিটের প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে ছিল উপচে পড়া ভীড়। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্যানেল সদস্য ও তাদের সমর্থক ক্লাব সদস্যদের পদচারণায় বুধবার সন্ধ্যা প্রেস ক্লাব কার্যালয় ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকা ছিল উৎসবমুখর।

মনোনয়নপত্র জমা দানের স্থানীয় শেষ সময় ছিল রাত ৮টা। নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রতিদ্বন্ধী দুটো প্যানেল তাদের সমর্থকদের নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আজিজ চৌধুরী ও তার সহযোগী অন্য দুই কমিশনারের কাছে তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। ক্লাবের বর্তমান সভাপতি, সাপ্তাহিক জনমত’র প্রধান সম্পাদক ও কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি সৈয়দ নাহাস পাশার নেতৃত্বাধীন একটি ও সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক গত নির্বাচনে সভাপতি পদে পরাজিত ইমদাদুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন অপর একটি প্যানেল এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জন্য মনোনয়ন দাখিল করেন। দুই প্যানেলে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সৈয়দ নাহাস পাশা ও ইমদাদুল হক চৌধুরী।

সেক্রেটারি পদে ইমদাদুল হক চৌধুরীর প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ক্লাবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জোবায়ের। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সেক্রেটারি পদে রয়েছেন আনিসুর রহমান আনিস। সৈয়দ নাহাস পাশার প্যানেলে সহসভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রবীন সাংবাদিক মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার। তার বিপরীতে ইমদাদুল হক চৌধুরীর প্যানেলে রয়েছেন ব্যারিস্টার তারেক চৌধুরী। নাহাস পাশার প্যানেলে ট্রেজারার পদে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ক্লাবের বর্তমান ট্রেজারার আবু সালেহ মোহাম্মদ মাসুম। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ইমদাদুল হক চৌধুরীর প্যানেলে রয়েছেন আব্দুল কাদির মুরাদ। ১৫ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির প্রতিটি পদের জন্য দুজন করে ক্লাব সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দুই প্যানেলের সভাপতি প্রার্থীই উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মনোনয়নপত্র দাখিল পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তারা বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের এই সম্মিলিত উৎসবের আমেজই আমাদের ক্লাবের বিউটি।

নির্বাচনকালীনই শুধু আমরা প্রতিদ্বন্দ্বী, এরপর পুরো দুবছর ক্লাবের স্বার্থে আমরা একে অপরের সহযোদ্ধা— এমন মন্তব্য করেন দুই সভাপতি পদপ্রার্থী সৈয়দ নাহাস পাশা ও ইমদাদুল হক চৌধুরী।

উল্লেখ্য, এবারই প্রথম ক্লাবের নিজস্ব কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিলসহ নির্বাচন প্রক্রিয়ার কাজ চলছে। এটি সৈয়দ নাহাস পাশার নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিটির একটি বিশাল সফলতা বলেই মনে করছেন ক্লাব সদস্যরা। মনোনয়নপত্র দাখিলের মাধ্যমে যে উৎসব আমেজের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে ক্লাব সদস্যদের মধ্যে এটি নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তী সময়েও অব্যাহত থাকবে এমনটিই আশা করছেন তারা।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল


আরও খবর

প্রবাস

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বেগম-সংগৃহীত ছবি

  লন্ডন প্রতিনিধি

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমা বেগমের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল করেছে যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার পূর্ব লন্ডনে বসবাসরত শামীমার মায়ের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভেদ। 

শামীমার আইনজীবী তাসনিম আখঞ্জি গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। শামীমা হোম অফিসের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন বলেও চিঠিতে জানানো হয়।

অন্যতম শীর্ষ ব্রিটিশ নিউজ চ্যানেল আইটিভি তাদের অনলাইন সংস্করণে শামীমার মায়ের কাছে লেখা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিটি প্রকাশ করেছে। 

চিঠিতে শামীমার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলা হয়, আপনার মেয়ের সর্বশেষ অবস্থা পর্যালাচনা করে তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হোম সেক্রেটারি। চিঠির সাথে সংযুক্ত ডকুমেন্টটি এ বিষয়ক। সিরিয়া রিফিউজি ক্যাম্পে অবস্থানরত শামিমাকে এ তথ্য জানানোর পরামর্শও দেওয়া হয়। 

চিঠির বিষয়টি উল্লেখ করে শামিমার আইনজীবী তাসনিম আখঞ্জি এক টুইট বার্তায় বলেন, শামীমার নাগরিকত্ব বাতিলের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে তার পরিবার মর্মাহত। তিনি জানান, বিষয়টি আইনগত চ্যালেঞ্জের জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এর আগে, গত রোববার শামীমার পরিবারের আইনজীবী মোহাম্মদ তাসনিম আখুঞ্জি জানান, তারা জানতে পেরেছেন সিরিয়ায় শামীমা একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এবং শিশুটি সুস্থ আছে।

আইনজীবী মোহাম্মদ তাসনিম আখুঞ্জি বলেন, এখনও শামীমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা যায়নি। তবে জেনেছি একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছে শামীমা। ১৯ বছরের শামীমার এটি তৃতীয় সন্তান। তার আগের দুটি সন্তানই অপুষ্টি এবং বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে। সিরিয়ায় গিয়ে এই তরুণী নেদারল্যান্ডস থেকে আসা একজন আইএস যোদ্ধাকে বিয়ে করেছিলেন। মাত্র ১৫ বছর বয়সে বাংলাদেশি অধ্যুষিত পূর্ব লন্ডনের বেথনাল গ্রিন এলাকা থেকে আরও দু’জন বান্ধবীসহ আইএসে যোগ দিতে সিরিয়ায় পালিয়ে গিয়েছিলেন শামীমা বেগম।

গত সপ্তাহে লন্ডনের দৈনিক দ্য টাইমসের একজন সাংবাদিক সিরিয়ার একটি শরণার্থী শিবিরে শামীমা বেগমের খোঁজ পান। তার বয়স এখন ১৯ এবং তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ওই সাংবাদিকের মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশ সরকারের কাছে আবেদন করেন যে তার আগত শিশু সন্তানের কথা বিবেচনা করে তাকে যেন ব্রিটেনে ফেরত আসতে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ব্রিটেনে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয় যে, নিষিদ্ধ একটি জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিতে যাওয়া এই তরুণীকে ফেরত আসতে দেয়া উচিত কি না।

সরকারের একজন মন্ত্রী জেরেমি রাইট সে সময় বিবিসিকে বলেছিলেন, শামীমা বেগমের সন্তানের নাগরিকত্ব সহজ বিষয় নয়। তিনি বলেন, তাকে (শামীমা) তার কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। শামিমাকে এ জন্য জবাবদিহি করতে হবে। ব্রিটেন থেকে যে কয়েকশ মুসলিম ছেলে-মেয়ে আইএসে যোগ দিতে সিরিয়া ও ইরাকে গিয়েছিল, তাদেরকে ফিরে আসতে দেয়া না দেয়া নিয়ে তখন থেকেই বিতর্ক চলছিল।

অবশ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভেদ বিতর্ক শুরু হওয়ার পরই বলেছিলেন, আইএসে যোগ দিতে যাওয়া তরুণ-তরুণীরা যাতে না ফিরতে পারে সে চেষ্টা করে যাবেন তিনি। শামিমার নাগরিকত্ব বাতিলের মাধ্যমে তার সেই চেষ্টাই প্রতিফলিত হলো।

গত সপ্তাহে তুমুল লড়াইয়ের মধ্যে শামীমা বেগম আইএসের নিয়ন্ত্রণাধীন সর্বশেষ এলাকাটি থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার স্বামী আত্মসমর্পণ করেছে বলে তিনি জানান।

পরের
খবর

লস অ্যাঞ্জেলেসে অদিতি মুন্সীর একক সংগীত সন্ধ্যা


আরও খবর

প্রবাস

ছবি: সমকাল

  লস অ্যাঞ্জেলেস প্রতিনিধি

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে কলকাতার চ্যানেল জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো 'সা রে গা মা পা'র অন্যতম ফাইনালিস্ট কণ্ঠশিল্পী অদিতি মুন্সীর একক সংগীত সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার লস এঞ্জেলেসের ফাস্ট ইউনিটেরিয়ান চার্চ অডিটোরিয়ামে এ সংগীত সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।

লস আ্যাঞ্জেলেসে বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য সার্বজনীন মন্দির নির্মাণে তহবিল সংগ্রহের জন্য অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে লস আ্যাঞ্জেলেস কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল প্রিয়তোষ সাহা, শিল্পী অদিতি মুন্সীর স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীসহ প্রবাসী বাঙালিরা উপস্থিত ছিলেন। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

অপপ্রচার মোকাবেলায় বিশ্বব্যাপি অর্জনের গল্প ছড়ান: প্রধানমন্ত্রী


আরও খবর

প্রবাস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ- সমকাল

  সৈয়দ আনাস পাশা, লন্ডন থেকে

গণতন্ত্র ও উন্নয়ন বিরোধী শক্তির অপপ্রচার মোকাবেলায় বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বহুমুখী উন্নয়নের গল্প বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে দিতে ইউরোপে সক্রিয় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যুক্তরাজ্য ও সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা শনিবার জার্মানির মিউনিখে হোটেলে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে এই পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে উপস্থিত যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারোজ্জামান চৌধুরী টেলিফোনে এই প্রতিবেদককে প্রধানমন্ত্রীর এই পরামর্শের কথা জানান।

সাক্ষাত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান শরীফ, সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের নব দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই উপদেষ্ঠা অনিল দাশগুপ্ত ও এম এ গণি, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জালাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, যুগ্ম সম্পাদক নঈমুদ্দিন রিয়াজ, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, আসম মিসবা ও কাওসার চৌধুরী প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানালে এর উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, এই বিজয়কে নিজেদের কৃতিত্ব হিসেবে না নিয়ে আরও ৫ বছরের জন্য জনগণের নিয়োগদান হিসেবেই আমাদের দেখা উচিত।

তিনি বলেন, ক্ষমতা কোন ভোগের বিষয় নয়, এটি একটি দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে, জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

গত ১০ বছরে বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে উন্নয়ন হয়েছে সেটিকে আওয়ামী লীগের অর্জন হিসেবে নিয়ে এই অর্জনের গল্প বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে দেয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রধান মন্ত্রী বলেন, অর্জনের গল্প দিয়েই আমাদের বিরুদ্ধে প্রচারিত সব অপপ্রচার মোকাবিলা করতে হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকেই শত ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের জোয়ারে উজানে নৌকা ঠেলে ঠেলে জনগনের দাবি আদায়ে সক্রিয় ছিল। আর এ কারণেই স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টির সংগ্রামে জনগণ নেতৃত্বের আসনে বসিয়েছিল এই দলটিকে, দলের কর্ণধার বঙ্গবন্ধুকে দিয়েছিল জাতির জনকের মর্যাদা। সুতরাং সাম্প্রতিক সময়ের ষড়যন্ত্রকারীরা যদি মনে করেন, ষড়যন্ত্র করে জনগণের কাছ থেকে আওয়ামী লীগকে বিচ্ছিন্ন করবেন, তাহলে সেটি হবে তাদের ভুল।

নেতাকর্মীদের নিজেদের মধ্যের দ্বন্দ্ব-ভুলবুঝাবুঝি পরিহার করে একযোগে কাজ করার আহবান জানিয়ে প্রধান মন্ত্রী বলেন, আমাদের ওপর এখন অনেক দায়িত্ব। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির মানবিক বিপর্যয়ে নিজেদের সীমাবদ্ধতা সত্বেও বাংলাদেশ পাশে দাঁড়িয়েছে। এই বিপর্যয় একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা হওয়া সত্বেও নিজেদের মানবিক দায়বোধ থেকে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে, এটি বিশ্বকে বুঝাতে হবে, বুঝতে হবে বিশ্বকেও।

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বিশ্ববাসীকে আরও সক্রিয় হতে যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপে বসবাসরত দলের নেতাকর্মীদের প্রতি ক্যাম্পেইন গড়ে তুলার আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী।

ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের কমিটি পুনর্গঠন

এদিকে, দলীয় কার্যক্রম জোড়দার করতে একই বৈঠকে ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের কমিটি পুনর্গঠন করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ইউরোপীয়ান কমিটির বর্তমান সভাপতি অনিল দাশগুপ্ত ও সাধারণ সম্পাদক এম এ গনিকে উপদেষ্টা করে ইউরোপীয়ান কমিটির নতুন সভাপতি হিসেবে বর্তমান সহসভাপতি অষ্ট্রিয়ায় বসবাসরত এম নজরুল ইসলামকে সভাপতি এবং বর্তমান কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ফ্রান্সে বসবাসরত মুজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের এই কমিটি পুনর্গঠন করে দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট খবর