প্রবাস

‘বাংলাদেশে ফোন করে আত্মীয় স্বজনের কাছে নৌকায় ভোট চান’

প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮

‘বাংলাদেশে ফোন করে আত্মীয় স্বজনের কাছে নৌকায় ভোট চান’

  অনলাইন ডেস্ক

'বিদেশে যে যেখানে আছেন সেখান থেকে বাংলাদেশে ফোন করুন। পরিবারের সদস্য, আত্মীয় স্বজনের কাছে নৌকার পক্ষে ভোট চান। ৩০ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা ও নৌকা মার্কার জয় নিশ্চিত করুন। কারণ ৩০ তারিখের ভোটের এই রায় যদি আওয়ামী লীগের বিপক্ষে যায় তাহলে বাংলাদেশ ৫০ বছর পিছিয়ে যাবে।'

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রোববার নিউইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড যুক্তরাষ্ট্র শাখা আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

ব্রঙ্কসের বাংলাবাজার এভিনিউর মামুনস টিউটোরিয়ালের এই সভায় বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, সংস্কৃতি কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সমবেত কণ্ঠে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি এম এ মুহিতের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শামছুদ্দীন আজাদ।

এতে বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মজিবুর রহমান, খলিলুর রহমান, মুজিবুর রহমান, চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক তৈয়বুর রহমান টনি, মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি মাঈন উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক হুমায়ুন কবীর, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার বার্তা সম্পাদক হাবিবুর রহমান, ইউএসএনিউজ অনলাইন ও সাপ্তাহিক জনতার কণ্ঠের সম্পাদক সাখাওয়াত সেলিম, মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন, মো. নূর উদ্দিন, মার্কস হোম কেয়ারের আলমাস আলী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সব কিছু ত্যাগ করে আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। জীবনের যে সময়টা প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর কথা, সেই সময়ে তিনি পাকিস্তানি শাসকদের রোষাণলে পড়ে কারাগারে কাটিয়েছেন। তিনি কোনো কিছুতেই আপোস করেননি। বাঙালি জাতির, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য তিনি ছিলেন অটল, অনড়। কখনো হায়েনাদের হুমকি ধামকির কাছে মাথা নত করেননি। তার এই অসামান্য, অতুলনীয় আত্মত্যাগ, ৩০ লাখ শহিদের রক্ত এবং লাখ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা। আজ আমরা এমন একটা দেশে দাড়িয়ে কথা বলছি যে দেশ আমাদের মারার জন্য, বাংলাদেশেকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়ার জন্য জাহাজ ভর্তি করে পাকিস্তানের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছিল। এই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেদিন বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলেছিল। আজও সেই ষড়যন্ত্র থেমে নেই। বাংলাদেশ যখন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হতে চলেছে তখনই বাংলাদেশকে সত্যি সত্যি তলাবিহীন ঝুড়িতে রূপান্তরিত করার পায়তারা চলছে। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জামাত শিবিরকে আবার বাংলার মাটিতে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চলছে।

বক্তারা খালেদা জিয়াকে বিশ্বের এক নম্বর দুর্নীতিবাজ আখ্যা দিয়ে বলেন, তিনি ও তার ছেলে তারেক রহমান হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছেন। তাতেও তাদের পেট ভরেনি। নিজের স্বামীর নামে এতিম ফান্ড খুলে সৌদি আরব থেকে অনুদান এনে তাও আত্মসাৎ করেছেন। সেই মামলায় এখন তিনি জেল খাটছেন। তার ছেলে লন্ডনে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। এই নির্বাচনে এদের সাঙ্গপাঙ্গদের প্রতিহত না করা গেলে বাংলাদেশ এক ভয়ঙ্কর অন্ধকারে হারিয়ে যাবে। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে। বন্ধ হয়ে যাবে সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। তাই ৩০ ডিসেম্বর যাতে আওয়ামী লীগ আর নৌকার পক্ষে সবাই ভোট দেন এজন্য ফোন করে দেশে আত্মীয় বন্ধুদের বলে দিন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ওয়াশিংটনে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত


আরও খবর

প্রবাস
ওয়াশিংটনে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০১৯

  ওয়াশিংটন ডিসি প্রতিনিধি

বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন ও বিভিন্ন সংস্কৃতির লোকজনের মাঝে ছড়িয়ে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার লর্টোনে অবস্থিত লরেলহিল এলিমেন্টারি স্কুলে ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় ফেয়ার ফ্যাক্স কাউন্টির চিফ প্রসিকিউটর রেই মরো ফিতা কেটে অনুষ্ঠানিকভাবে এই উৎসবের উদ্বোধন করেন। এরপর এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মেলা শুরু হয়। মেলার প্রধান আকর্ষণ ছিল বিশিষ্ট গায়ক হৃদয় খানের গান।

মেট্রো ওয়াশিংটন ডিসি এলাকার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামিলি’ এই মেলার আয়োজন করে। 

মেলায় বাংলার ঐহিহ্যবাহী তিলের পিঠা, পাটি শাপটা, খেজুর পিঠা, মেড়া পিঠা, মুগপাকন, চিতই, ঝাল পাটি শাপটা, ভাপ পিঠা, সবজির চন্দ্র পুলি, তেলের পিঠা, মুগপাকন, এলেবেলে দুধ চিতই পিঠাসহ হরেক রকম পিঠার স্টল বসে। পিঠা ছাড়াও শাড়ী, জুয়েলারি ও সেলোয়ার কামিজেরও বেশকিছু স্টল বসে।

উৎসবে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি ছাড়া ও বিভিন্ন দেশের প্রবাসী আমেরিকানদের বাংলাদেশের ঐহিত্যবাহী হরেক পদের পিঠা খেতে দেখা যায়।

এদিকে কয়েকজন সংগঠক একই ব্যানারে আগামী ২৬ জানুয়ারি পার্শ্ববর্তী উডব্রিজে অপর এক পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছে। অন্যান্য বছর একটি পিঠা মেলার আয়োজন করা হলেও এবার সংগঠকদের মধ্যে বিভক্তি দেখা দেয়ায় দু'টি পিঠা উৎসব হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আমিরাতে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের অভিষেক


আরও খবর

প্রবাস

  ইউএই প্রতিনিধি

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের বর্ণিল অভিষেক আযোজন বিদেশের মাটিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করলো। দেশের সমৃদ্ধি ও দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এই পেশাজীবী সংগঠন।

দুবাই পার্ল সিটি হোটেল হল রুমে স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে আমিরাত প্রবাসী সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত সহ সভাপতি ও দৈনিক বাংলাদেশের খবরের সম্পাদক এম আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল সাংবাদিকদের সহযোগিতায় সবসময় উদার উল্লেখ করে তিনি প্রবাসী সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে নিজস্বতা প্রকাশেরও আহ্বান জানান। পরে প্রধান অতিথি নবনির্বাচিত কমিটিকে শপথ বাক্য পাঠ করান। 

দুই পর্বের অনুষ্ঠানের অভিষেক পর্বে সংগঠনের সভাপতি শিবলী আল সাদিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক পূর্বকোণের বার্তা সম্পাদক কলিম সরওয়ার।

প্রধান আলোচক বলেন, দেশের সাংবাদিকরা সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে সরাসরি সমালোচনা করতে পারে। অসঙ্গতি চোখে পড়লেই কোনরকম ভয় ভীতি ছাড়াই প্রকাশ করে। সাংবাদিকতার এমন একটি সোনালী সময়ে আরব আমিরাতে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়েছে। এই যাত্রায় দেশ ও প্রবাসের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কনস্যুলেট দুবাই ও উত্তর আমিরাতের দূতালয় প্রধান প্রবাস লামারাং বলেন, ‌'সকল প্রবাসী সাংবাদিক একত্রিত হয়ে কাজ করছেন দেখে আনন্দিত। দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার লক্ষ্যে প্রেস ক্লাবের বাহিরে যারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন তাদেরকেও প্রেস ক্লাবের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।'

দ্বিতীয় পর্বের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নাজমুল হক ও সানজিদা ইসলাম। এসময় সংগঠনের সিনিয়র সহ সভাপতি সিরাজুল হক ও যুগ্ম সম্পাদক কামরুল হাসান জনির সম্পাদনায় প্রকাশিত ৭২ পৃষ্ঠার স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিরা।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন ঢাকা থেকে আগত ক্লোজ আপ তারকা শেফালী ও রানা খান। অনুষ্ঠানে আমিরাতের বিভিন্ন স্তরের জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, রাজনীতিক, শিক্ষক, সাংস্কৃতিক ও সামজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ছেলের মা হলেন টিউলিপ সিদ্দিক


আরও খবর

প্রবাস
ছেলের মা হলেন টিউলিপ সিদ্দিক

প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

এবার ছেলের মা হলেন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনী টিউলিপ সিদ্দিক।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার কিছুক্ষণ আগে হ্যাম্পস্টিডের রয়্যাল ফ্রি হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দেন টিউলিপ। নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে রাফায়েল মুজিব সেন্ট জন পার্সি। খবর বাসসের

বৃহস্পতিবার সকালে রয়্যাল ফ্রি হাসপাতালে সিজারিয়ানের মাধ্যমে পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়ার পর হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড কিলবার্নের এমপি টিউলিপ সিদ্দিক ও তার স্বামী ক্রিশ্চিয়ান পার্সি হাসপাতালের কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আমরা রয়্যাল ফ্রি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, ধাত্রী ও অন্যান্য কর্মীদের চমৎকার কাজ এবং আমাদের সন্তানকে সুন্দরভাবে দেখাশোনা করার জন্য তাদের প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’

এর আগে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মের নেতৃত্বাধীন সরকারের বেক্সিট ইস্যুতে ভোটাভুটিতে অংশ নিতে সন্তানের জন্মদান পিছিয়ে দিয়ে আলোচনায় আসেন টিউলিপ। মঙ্গলবার ব্রেক্সিট চুক্তির বিপক্ষে ভোট দিতে হুইল চেয়ারে করে হাউস অব কমন্সে যান তিনি।

এর আগে ২০১৬ সালে টিউলিপ-পার্সি দম্পতির প্রথম সন্তান মেয়ে আজালিয়ার জন্ম হয়।