প্রবাস

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে বিজয় দিবস উদযাপন

প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০১৮

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে বিজয় দিবস উদযাপন

  নিউইয়র্ক প্রতিনিধি

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে যু্ক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মহান বিজয়ের ৪৮তম বার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। পৃথকভাবে ১৬ ডিসেম্বর ও ১৮ ডিসেম্বর দূতাবাসে দুদিন বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। 

১৮ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কনস্যুলার সামিয়া ইশরাতের শুভেচ্ছা ও স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা ঘটে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। নীরবতা পালন শেষে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন স্বাগত ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাত্তরের পরাজিত শক্তির শত বাধার মুখে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করায় সরকারের অবিচল অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। রাষ্ট্রদূত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে এবং ১৯৭১ সালের গণহত্যা ও পাশবিকতা বিরূদ্ধে জনমত গড়ে তোলার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান করেন।

রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য শেষে বিজয় দিবসের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ ও তাদের পরিবারের সদস্যসহ স্থানীয় প্রবাসী শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।

ওয়াশিংটন ডিসিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত বিজয় দিবসের এই অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারবর্গ, যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দসহ স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশীরা স্বপরিবারে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের রাতের খাবারে আপ্যায়ন করা হয়।

এর আগে ১৬ ডিসেম্বর রোববার যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্যে দিয়ে শুরু হয় দুই দিনব্যাপী এই বিজয় উৎসব। পতাকা উত্তোলন করেন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন।

পরে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে সমবেতদের উদ্দেশে বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রেরিত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। এরপর মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। সমবেতরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার করেন।

মন্তব্য


অন্যান্য