বন্দর নগরী

চট্টগ্রামে মহানগর শিবির সভাপতিসহ ৮৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০১৮

চট্টগ্রামে মহানগর শিবির সভাপতিসহ ৮৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

ইসলামী ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ে বিস্ফোরণ ও ককটেল উদ্ধারের ঘটনায় মামলা করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে নগরের চকবাজার থানার উপপরিদর্শক আনিসুর রহমান শিবলী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলায় শিবিরের মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি আবদুল জব্বার, সাধারণ সম্পাদক আ স ম রায়হান, বায়তুল মাল সম্পাদক হামেদ হাসান এলাহী, আমান উল্লাহসহ ৫২ জনের নামোল্লেখ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

চকবাজার থানার ওসি নিজাম উদ্দিন বলেন, বিশেষ ক্ষমতা ও বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় মহানগর উত্তরের শিবিরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ মোট আসামি ৮৭ জন।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নগরীর চকবাজার থানার ডিসি রোডের আল ইসরা ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে ছয়টি ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট


আরও খবর

বন্দর নগরী
চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯

ফাইল ছবি

   চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম নগরীতে গ্যাস সংকটে দুর্ভোগ বেড়েছে। বিশেষ করে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত গ্যাসের চাপ কম থাকায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে নগরবাসী।

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (কেজিডিসিএল) কর্মকর্তারা জানান, শীতকালে বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় গ্যাসের ব্যবহার বেশি থাকে। এ সময় বাসাবাড়িতে ২০ শতাংশ বাড়তি গ্যাস ব্যবহার হয়। গরম পানির ব্যবহার বেশি হওয়ার ফলে গ্যাসের চুলার ব্যবহারও বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া শীতে তাপমাত্রা কম থাকায় গ্যাসের স্বাভাবিক প্রবাহ ঠিক থাকে না। গ্যাসের লাইনে এ সময় তেল জাতীয় পদার্থ জমে এবং গ্যাস ঘন হয়ে যায়। আর গ্যাসের প্রবাহ কমে যাওয়ায় তৈরি হয় সংকট। বর্তমানে চট্টগ্রামে দৈনিক গড়ে গ্যাসের চাহিদা ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

জানা যায়, নগরের হালিশহর, কোতোয়ালি, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, চকবাজারসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় সংকট দেখা দিয়েছে। নগরের জামালখান, রহমতগঞ্জ, আসকারদীঘির পাড়সহ বিভিন্ন এলাকায় সকাল ১০টার পর গ্যাসের চাপ একেবারে কমে আসে। দুপুর ২টার পর আবার ধীরে ধীরে তা স্বাভাবিক হয়।

হালিশহর এলাকার বাসিন্দা রিমা আকতার সমকালকে বলেন, শীত আসার পর থেকেই গ্যাসের চাপ কমে গেছে। রান্না করতে হয় দুপুরের পর। কেজিডিসিএলের কর্মকর্তা মোহময় দত্ত সমকালকে বলেন, শীত মৌসুমে গ্যাসের চাহিদা বাড়ে। ঠাণ্ডায় গ্যাসের লাইনে তেল জাতীয় পদার্থ জমে যাওয়ায় এ সময় গ্যাসের চাপ কমে যায়। তাই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তলসহ ২ জন গ্রেফতার


আরও খবর

বন্দর নগরী

   চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গুলিসহ দুই অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার নগরের পাঁচলাইশ থানার খতিবের হাট এলাকার মাওলানা টাওয়ারের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার দুইজন হলেন- হাটহাজারী থানার গড়দুয়ারা গ্রামের ফরিদ আহমদের ছেলে মহিউদ্দিন শিবলু ও নাটোর জেলার লালপুর থানার চকশুভ গ্রামের আয়েজ উদ্দিনের ছেলে মো. এনামুল হক। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও ২২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার আবু বকর সিদ্দিক সমকালকে জানান, মহিউদ্দিন শিবলু ও এনাম দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ থানায় মামলা দায়ের করা হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

চট্টগ্রামে বিএনপি নেতা নোমানের র‌্যালিতে হামলার অভিযোগ


আরও খবর

বন্দর নগরী

   চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় র‌্যালিতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর থানার নয়া বাজার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আবদুল্লাহ আল নোমান চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী। একই আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ডা. আফসারুল আমীনের সমর্থকদের বিজয় র‌্যালী থেকে এ হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ নোমানের। এ সময় নোমানের প্রচারণার দুইটি সিএনজি অটোরিকশা ও মাইক ভাংচুর করা হয়। ওই এলাকার একটি ভবনের কাচও ভাংচুর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার বিকাল ৩টার দিকে নয়াবাজার মোড় থেকে আবদুল্লাহ আল নোমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের একটি বিজয় র‌্যালি বের করার কথা ছিল। এ উপলক্ষে সেখানে বিএনপি নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। এ সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. আফসারুল আমীনের সমর্থনে একটি বিজয় র‌্যালি পাহাড়তলীর দিক থেকে বড় পোলের দিকে যাচ্ছিল। ওই র‌্যালি থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় নোমানের প্রচারণার দুইটি সিএনজি অটোরিকশা ও মাইক ভাংচুর করা হয়। ল্যাব এশিয়া নামের একটি ভবনের কাচও ভাংচুর করা হয়।

সন্ধ্যায় নগরের কাজীর দেউড়ির বাসায় সংবাদ সম্মেলনে আবদুল্লাহ আল নোমান অভিযোগ করেন, ‘পরিকল্পিতভাবে আমাকে হত্যার উদ্দেশে হামলা চালানো হয়েছে। ব্যানার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। প্রচারণার গাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। মাইক ভাংচুর করা হয়েছে।’  

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেন হালিশহর থানার ওসি এসএম ওবায়দুল হক। তিনি সমকালকে বলেন, ‘কোন হামলার ঘটনা ঘটেনি। আমি দুইটি মিছিলের মাঝখানে ছিলাম। আওয়ামী লীগের মিছিলটি শান্তিপূর্ণভাবে নয়াবাজার মোড় হয়ে বড়পোলের দিকে চলে যায়। একইভাবে বিএনপির মিছিলটি নয়া বাজার থেকে পাহাড়তলীর দিকে চলে যায়।’

সংশ্লিষ্ট খবর