বন্দর নগরী

চট্টগ্রামে শিবির কার্যালয়ে বিস্ফোরণ, ৬টি ককটেল উদ্ধার

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০১৮

চট্টগ্রামে শিবির কার্যালয়ে বিস্ফোরণ, ৬টি ককটেল উদ্ধার

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

ইসলামী ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নগরের চকবাজার থানার ডিসি রোডে সংগঠনটির কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। অভিযানে ছয়টি তাজা ককটেলসহ জামায়াত শিবিরের বিভিন্ন নথিপত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। দেড় ঘণ্টার অভিযান রাত ৯টার দিকে শেষ হয়। অভিযানে কার্যালয়ের পেছনে বিকল্প একটি পথের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা এই পথ দিয়েই জামাত-শিবিরের কর্মীরা পালিয়ে গেছে।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মেহেদী হাসান সমকালকে বলেন, ‘সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আমরা ব্লক রেইড দিতে আসলে শিবিরের এই কার্যালয়টিতে হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। এরপর বোমা নিস্ক্রিয়করণ ইউনিট এনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে চারতলা ভবনের তিনতলা থেকে ছয়টি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়। কার্যালয়ের পেছনে বিকল্প একটি পথেরও সন্ধান পেয়েছি আমরা। ধারণা করছি শিবিরের নেতাকর্মীরা এই পথ দিয়ে পালিয়ে গেছে।’

রাত ৯টায় অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন সমকালকে জানান, ডিসি রোড এলাকায় নিয়মিত ব্লক রেইড দিচ্ছিল পুলিশ। এ সময় শিবির কার্যালয়ের ভেতরে চার থেকে পাঁচটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। কার্যালয়ের ভেতরে অভিযান চালিয়ে অবিস্ফোরিত ছয়টি তাজা ককটেল ও নথিপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে চকবাজার ডিসি রোড এলাকায় ব্লক রেইড দিচ্ছিল পুলিশ। এসময় বিস্ফোরণের শব্দ পেয়ে শিবির কার্যালয় ঘেরাও করে তারা। শুরুতে তিনতলা ভবনটির দুইতলা পর্যন্ত তল্লাশি চালানো হয়। ভেতরে জিনিসপত্র ছড়ানো ছিটানো ও সিলিং থেকে ফ্যান খুলে পড়ে আছে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

চট্টগ্রামের চকবাজারে ওয়াসার পানি নেই ৪ দিন


আরও খবর

বন্দর নগরী

ফাইল ছবি

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম ওয়াসার সরবরাহ লাইনে ছিদ্রের কারণে নগরের চকবাজার ও আশপাশের এলাকায় চার দিন ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে ওইসব এলাকায় পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

চকবাজার আতুরার দোকান এলাকার বাসিন্দা শাহেদ হোসেন জানান, চার দিন ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ। ফলে অসহনীয় কষ্টে দিন কাটাতে হচ্ছে। আরেক বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম জানান, লাইনে পানি আছে, তবে তা ঘোলা। ফলে তা ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

চকবাজার এলাকায় একটি ২৪ ইঞ্চি সরবরাহ পাইপলাইনে ছিদ্র হওয়ায় এ ধরনের সমস্যা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী ইয়াকুব সিরাজুর দৌলা। তিনি বলেন, আমরা ছিদ্র মেরামতের জন্য কাজ করছি। আশা করছি খুব শিগগিরই সরবরাহ লাইন ফের স্বাভাবিক হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

চট্টগ্রামে ভিওআইপি সরঞ্জামসহ ২ জন গ্রেফতার


আরও খবর

বন্দর নগরী

   চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার নগরের সদরঘাট থানার পশ্চিম মাদারবাড়ি লেংটা ফকির মাজার এলাকায় একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার দু'জন হলেন-পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকার মৃত আবুল হাসেমের ছেলে আবদুল মোতালেব ও মীরসরাই থানার সৈয়দ আলী গ্রামের মো. খুজ্জাতুল ইসলামের ছেলে মো. বেলায়েত হোসেন। তাদের কাছ থেকে ২৫৬ পোর্ট বিশিষ্ট একটি চ্যানেল বক্স, তিনটি রাউটার, দুইটি ল্যাপটপ, একটি আইপিএস ও ৭০৫টি টেলিটক সিম উদ্ধার করা হয়েছে।

সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নেজাম উদ্দীন সমকালকে বলেন, 'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভিওআইপি সরঞ্জামসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে বিটিআরসি ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভিওআইপি ব্যবসা করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে সদরঘাট থানায় টেলিযোগাযোগ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।'

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

চট্টগ্রামের দূষণ রোধে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি হচ্ছে: এলজিআরডি মন্ত্রী


আরও খবর

বন্দর নগরী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী তাজুল ইসলাম -ফাইল ছবি

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেছেন, বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামকে অবহেলিত রেখে বাংলাদেশের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখেন না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী সব সময় চট্টগ্রামের পাশে আছেন। চট্টগ্রামের প্রতিটি প্রকল্প তিনি পাস করিয়ে দেন। একনেকের সভায় চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিয়ে হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করা হবে। কর্ণফুলী নদী ও আশপাশের ৫৭টি খালের দূষণরোধ ও নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এ নিয়ে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। শিগগিরই ওই কমিটি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে কাজ শুরু করবে।

শনিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে 'নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন ও চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড' শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব এসএম গোলাম ফারুক, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (চউক) আবদুচ ছালাম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) নুরুল আলম নিজামী, জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেন প্রমুখ।

সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, আগামী বর্ষায় যাতে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা দেখা না দেয় সেজন্য সিটি করপোরেশন কয়েক দিনের মধ্যেই শহরে একটি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করবে। জলাবদ্ধতা নিরসনে বর্তমানে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে সেগুলোর কাজ শেষ হলে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর