রাজনীতি

আইনের স্বার্থে তারেককে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০১৯

আইনের স্বার্থে তারেককে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ -ফাইল ছবি

   সমকাল প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আইন ও আদলতকে সমুন্নত রাখার স্বার্থেই তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে সরকার। এখানে প্রতিহিংসার কোনো কারণ নেই। তারেক রহমান নিজেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার মনে করলে তার নিজেরই দেশে এসে আদালতে আত্মসমর্পণ করার কথা। তবে তার দুর্নীতি ও হত্যা মামলার অপরাধ এত সুষ্পষ্ট যে, তার সেই সৎসাহস নেই।

মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের প্রচার উপ-কমিটির সভা আগে প্রেস ব্রিফিংয়ে হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দুর্নীতি বা ফৌজদারি মামলায় কারো দন্ড হলে যেসব দেশের সঙ্গে বন্দিবিনিময় চুক্তি রয়েছে, সেসব দেশ থেকে পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনা হয়। কিন্তু যুক্তরাজ্যের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি নেই বলে তারেক রহমানকে ফেরাতে সরকার সেদেশে চিঠি দিয়েছে। এখানে প্রতিহিংসার কোনো কারণ নেই।

'তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা'- বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন মন্তব্যের জবাবে হাছান মাহমুদ আরও বলেন, তারেক রহমানের দুর্নীতি সরকার উদঘাটন করেনি, করেছে যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই। আর একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় তার অপরাধ সাক্ষ্য-প্রমাণে সুষ্পষ্টভাবে প্রমাণ হয়েছে। তিনি একজন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি। বিএনপিরই উচিত ছিল তাকে বাদ দেওয়া। কিন্তু তা না করে তারা একজন দুর্নীতি ও ফৌজদারী হত্যা মামলার দন্ডপ্রাপ্ত আসামিকে রাজনৈতিক সুরক্ষা দেওয়ার অপচেষ্টা করছেন। এটা বিএনপির রাজনৈতিক দৈন্যতারই বহি:প্রকাশ।

'দেশে ভয়ের রাজত্ব চলছে, গণতন্ত্র নেই'- মির্জা ফখরুলের এমন মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপিই ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে পেট্রল বোমা মেরে ও মানুষ পুড়িয়ে মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে হার মানিয়ে রাজনীতি ও দেশে ভয়ের রাজত্ব কায়েম করেছিল। দেশে গণতন্ত্র ও পূর্ণ বাকস্বাধীনতা আছে বলেই তারা এখন সকাল-বিকাল দু'বেলা গণমাধ্যমে কথা বলে সরকারের বিরূদ্ধে বিষোদগার ও মিথ্যা দোষারোপ করে।

'অঙ্গসংগঠনগুলোর সঙ্গে বসে ঈদের পর আন্দেলনের কৌশল নির্ধারণ করবে বিএনপি'- এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কৌশল নির্ধারণ করতেই ১০ বছর গেছে বিএনপি'র! আর কত!'

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দলের যারা কাজ করেছেন, তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে প্রচার উপ-কমিটির সভায় আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ-কমিটির সদস্য আশরাফ সিদ্দিক বিটু, শাহ মোস্তফা আলমগীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য


অন্যান্য