রাজনীতি

বিএনপি দুর্বল হোক, সেটা চাই না: কাদের

প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

বিএনপি দুর্বল হোক, সেটা চাই না: কাদের

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

বিএনপি দুর্বল হোক সেটা চান না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিরোধী দল শক্তিশালী হলে গণতন্ত্রের জন্য ভালো। বিএনপি দুর্বল হোক, সেটা আমরা চাই না। কিন্তু তারা নিজেদের নেতিবাচক রাজনীতির জন্য দুর্বল হলে আমাদের কিছু করার নেই।

এসময় বিএনপির অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেবেন বলেও জানান সেতুমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগেই হেরে যায়। তারা নালিশের রাজনীতি করছে। তারা নেতিবাচক রাজনীতি আঁকড়ে ধরে আছে।

উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিয়ে নানা অভিযোগের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সেটা দলের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। সব বিবেচনা করেই মনোনয়ন বোর্ড প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

দুইদিন এগিয়েছে ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানি


আরও খবর

রাজনীতি

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে 'অনিয়ম’ নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানির নির্ধারিত তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। 

আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ওই গণশুনানি ২২ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে অনুষ্ঠত হবে।

ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মতিঝিলে তার কার্যালয়ে জোটের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। 

তিনি বলেন, ওইদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে দুপুরের বিরতি বাদে গণশুনানি চারটা পর্যন্ত চলবে।

আগে নির্ধারিত তারিখে কোথাওয়া জায়গা না পাওয়ার কারণে তাদের কর্মসূচি দুইদিন এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান ড. কামাল হোসেন।

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ গণশুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ওইদিন ঐক্যফ্রন্টের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্বাচন ঘিরে সন্ত্রাস ও  ভোট জালিয়াতি জনসম্মুক্ষে সম্পূর্ণভাবে উন্মোচনের উদ্দেশে এই গণশুনানির আয়োজন।

গণশুনানিতে জামায়াতের প্রার্থীদের অংশ নেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নে  কামাল হোসেন 'বিষয়টি জানেন না' বলে  জানান।

তবে এসময় ঐক্যফ্রন্ট নেতা জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, জামায়াত তো ঐক্যফ্রন্টে নেই, তাই এ প্রশ্ন অবান্তর। ঐক্যফ্রন্টের সব প্রার্থী এবং বাম গণতান্ত্রিক জোটের দলগুলোকে দাওয়াত দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

শাজাহান খানের নেতৃত্বে সড়ক কমিটি হাস্যকর: রিজভী


আরও খবর

রাজনীতি

রুহুল কবির রিজভী- ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার নামে সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খানকে আহবায়ক করে গঠিত কমিটি রীতিমতো হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, এই শ্রমিক নেতার কারণে অনেক প্রাণহানি ও বিশৃঙ্খলা ঘটেছে। তাকে কমিটিতে রাখায় বিশৃঙ্খলা ও মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে। 

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন। বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া ঢাকা মহানগরীতে ১২ ঘন্টা গ্যাস বন্ধের ঘোষণাকে 'কর্তৃত্ববাদী শাসনের প্রতিফলন' মন্তব্য করে এর নিন্দা জানান রিজভী। 

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কোনোদিনই জনদুর্ভোগকে গুরুত্ব দেবে না। তিনটি ব্যাংক অনুমোদন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, এই অনুমোদন ব্যাংক লুটের পথকে আরও প্রসারিত করল।

দুই দিনের কর্মসূচি: ২১ ফেব্রুয়ারি 'শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' উপলক্ষে দুইদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। 

বুধবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে বেলা ২টায় বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা এবং বুধবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন, সকাল ৬টায় কালো ব্যাজ ধারন করে নেতা-কর্মীরা বলাকা সিনেমা হলের কাছে জমায়েত হয়ে আজিমপুর কবরাস্থানে ভাষা শহীদদের কবর জিয়ারত শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। 

সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করে রিজভী বলেন, সারা দেশের জেলা-উপজেলা-থানাসহ বিভিন্ন ইউনিট স্থানীয়ভাবেভাবে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভার কর্মসূচি গ্রহন করবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভুঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

মামলা করতে করতে ঐক্যফ্রন্টই পঙ্গু হয়ে যাবে: ওবায়দুল কাদের


আরও খবর

রাজনীতি

ওবায়দুল কাদের -ফাইল ছবি

   সমকাল প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে মামলা করতে করতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টই পঙ্গু হয়ে যাবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁও সড়ক ভবনে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। সভায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রকৌশলী, প্রকল্প পরিচালক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

'ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানিতে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে পঙ্গু হয়ে যাবে'- নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ নয়, মামলা করতে করতে তারা (ঐক্যফ্রন্ট) নিজেরাই পঙ্গু হয়ে যাবে।

'গণশুনানির জন্য সরকার কোনো জায়গা দিচ্ছে না'- ঐক্যফ্রন্টের এমন অভিযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান তো আছে। গণশুনানি কাকে বলে, গণশুনানি না গণতামাশা? তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণশুনানি না করে গণতামাশা করবে। তবে তারা যদি গণশুনানি করে তাহলে, ডিএমপি কমিশনারকে বলবো অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিতে।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল শরিকদের সমালোচনাকে কিভাবে দেখছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৪ দলের শরিকরদের সমালোচনার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। তারা আজ মুখ খুলেছেন, সমালোচনা করছেন। সরকারের ভালভাবে চলার জন্য এই সমালোচনাটা দরকার। এ সমালোচনা গণতন্ত্র ও সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্য ভালো, ইতিবাচক। সমালোচনা গণতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো হতে পারে। এতে গণতন্ত্রের চর্চা কনস্ট্রাকটিভ অপোজিশনের মাধ্যমে আরো গতিশীল হতে পারে। সেদি থেকে এই সমালোচনা আমরা এনজয় করি।

তিনি বলেন, ১৪ দল ভাঙা নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। মান-অভিমান আছে। এটা থাকবে, আবার থাকবেও না। এটা কেটেও যাবে। আর কী নিয়ে মান অভিমান, তা আপনারাও (গণমাধ্যমকর্মীরা) ভালো জানেন। তবে আশা করি খুব শিগগিরই এ অভিমান কেটে যাবে। জোটের রাজনীতিতে ১৪ দল শরিকদের আওয়ামী লীগ ব্যবহার করছে কী-না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যা যা হচ্ছে এসব আলাপ আলোচনা করেই হচ্ছে।

বিএনপির উপজেলা নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির নেতৃত্ব তৃণমূল মানে না। বিএনপি দল থেকে মনোনয়ন না দিলেও প্রথম দফায় উপজেলা নির্বাচনে তাদের ২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দ্বিতীয় দফায়ও আরও ৩৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন- এমন তথ্যও আমাদের কাছে আছে।

ডাকসু নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্যানেল ঠিক করে দেবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচন সামনে রেখে ছাত্রলীগকে একটি শর্ট লিস্ট তৈরি করার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া নেত্রীও (শেখ হাসিনা) আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে একটি টিম গঠন করে দিয়েছেন। তারা কাজ করছেন। তাই ছাত্রলীগের প্যানেল নিয়ে আশা করি কোনো সমস্যা হবে না।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রওশন আরা খানম প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর