রাজনীতি

সরকারে ভুলক্রটি ধরিয়ে দেবে জাতীয় পার্টি: জিএম কাদের

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০১৯

সরকারে ভুলক্রটি ধরিয়ে দেবে জাতীয় পার্টি: জিএম কাদের

জিএম কাদের -ফাইল ছবি

   সমকাল প্রতিবেদক

বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, মানুষ সহিংস রাজনীতি পছন্দ করে না। তাই জাতীয় পার্টি সংসদে গঠনমূলক সমালোচনা করবে, সরকারে ভূল-ক্রটি ধরিয়ে দেবে। জাতীয় পার্টি সংসদে বঞ্চিত এবং অবহেলিত মানুষের কথা বলবে।

শনিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে একটি কমিউনিটি সেন্টারে স্থানীয় পার্টির অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিরোধীদলীয় উপনেতা নির্বাচিত হওয়ায় অনুষ্ঠানে জিএম কাদেরকে সংবর্ধনা দেয় মোহম্মদপুর থানা জাতীয় পার্টি। জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ বিরোধীদলীয় চিফহুইপ মনোনীত হওয়ায় তাকেও সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

জাতীয় পার্টি কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, তারা সংসদে কতটা শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা রাখতে পারবেন তা কাজের মাধ্যমে প্রমাণ হবে। একটি জবাবদিহিতামূলক সরকার গঠনে কাজ করবে জাতীয় পার্টি।

মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ বলেন, নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে যারা আগুন সন্ত্রাস করে জনগণ তাদের পছন্দ করে না। যারা গণপরিবহনে সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। তাদের দেশের মানুষ প্রত্যাখান করেছে। সংসদে জাতীয় পার্টি গরীব মেহনতী মানুষের কথা বলবে।

মোহাম্মদপুর থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি রফিকুল আলম সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সল চিশতী, শফিকুল ইসলাম, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুল্লাহ বেলালী প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

জনগণের ঐক্যের মাধ্যমে বিজয় অর্জন করতে হবে: ফখরুল


আরও খবর

রাজনীতি

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জনগণের ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। জনগণের ঐক্যের মাধ্যমে বিজয় অর্জন করতে হবে। কেউ যদি মনে করেন, এককভাবে সংগ্রাম করে গণতান্ত্রিক বিজয় লাভ করবেন, তাহলে তিনি সত্যটা উপলব্ধি করতে পারছেন না।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) প্রয়াত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এটিএম ফজলে রাব্বি চৌধুরীর স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। গত ২৭ ডিসেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সাবেক এই মন্ত্রী।

মির্জা ফখরুল বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ফল তারা মানেন না। এই নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক বিশ্ব প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব হচ্ছে নেতাকর্মীদের মধ্যে যেন হতাশার জন্ম না হয় সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া। অন্যদিকে জাতীয় ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, এই সরকারকে পরাজিত করতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এবং ২০ দলীয় জোটের সেতুবন্ধ আরও দৃঢ় করা প্রয়োজন। ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। ঐক্যফ্রন্ট এবং ২০ দলীয় জোটের মধ্যে বিএনপি সেতুবন্ধ তৈরি করেছে। অবশ্যই এর ঐতিহাসিক প্রয়োজন ছিল। এখন আরও বৃহত্তর ঐক্য প্রয়োজন।

ঐক্য নিয়ে সমালোচনার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, অনেক প্রশ্ন আছে। রাজনীতি করলে প্রশ্ন থাকবে। কোন পরিস্থিতিতে কোন পর্যায়ে কোন উদ্যোগ সঠিক না বেঠিক সেই বিষয়ে আলোচনার প্রয়োজন আছে। সেই আলোচনার জন্য ফোরাম রয়েছে। আশা করি সেসব ফোরামে বিষয়গুলো আলোচনা হবে।

নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, হতাশ হবেন না। হতাশাই তো শেষ কথা হতে পারে না। নতুন প্রজন্মের সামনে বিরাট ভবিষ্যৎ। তারা আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হবে, আরও বেশি দেশকে ভালোবাসবে। দেশকে ভালোবেসে তারা সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। সূর্য উদয় হবেই। তাদের সামনে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ।

জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রেসিডিয়াম সদস্য এএসএমএস আলম, নওয়াব আলী আব্বাস খান, শফি উদ্দিন ভুঁইয়া, প্রয়াত নেতার মেজ ছেলে মইনুল রাব্বি চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

স্বাধীনতাবিরোধীদের চক্রান্ত রুখতে মাঠে থাকবে ১৪ দল: নাসিম


আরও খবর

রাজনীতি

মোহাম্মদ নাসিম- ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

স্বাধীনতাবিরোধীদের চক্রান্ত রুখতে ও অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে ১৪ দল সব সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম।

বুধবার রাজধানীর তোপখানা রোডের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কমরেড অমল সেন স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মোহাম্মদ নাসিম আরও বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল এখন থেকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবে। এগুলো হলো- মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে চোখের মণির মতো রক্ষা, সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি হলে তা ধরিয়ে দেওয়া এবং পরাজিত অশুভ শক্তি কোনো চক্রান্ত করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা রুখে দেওয়া।

এ সময় বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট বিশাল বিজয় অর্জন করলেও স্বাধীনতাবিরোধীদের চক্রান্ত এখনও অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ চক্রান্ত মোকাবেলা করেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। দেশের অগ্রযাত্রা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দিতে ১৪ দল সব সময় মাঠে থাকবে।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ূয়া, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দিলীপ কুমার রায় প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এর আগে মোহাম্মদ নাসিমের নেতৃত্বে ১৪ দলের নেতারা অমল সেনের অস্থায়ী সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

লজ্জা থাকলে ফখরুল আগেই পদত্যাগ করতেন: কাদের


আরও খবর

রাজনীতি

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের— ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

'লজ্জা-শরম' থাকলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও আগেই পদত্যাগ করতেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বুধবার মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বর্ধিত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, 'বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বেপরোয়া চালক হয়ে গেছেন। কখন যে তিনি কোন দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেন, সে বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।'

তিনি বলেন, 'গত দশ বছরে বিএনপির যে মহাসচিব ১০ মিনিটের জন্যও আন্দোলন করতে পারেননি, যার নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ১০টিরও কম আসন পায়, লজ্জা-শরম থাকলে তিনি আরও আগেই পদত্যাগ করতেন।'

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, 'আন্দোলনে চরম ব্যর্থতা, নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়, লজ্জা-শরম থাকলে আপনার আরও অনেক আগেই পদত্যাগ করা উচিত ছিল।'

তিনি বলেন, নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত গণজাগরণ তার (ফখরুল) ভালো লাগছে না। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মত অভূতপূর্ব ফলাফল ’৭৫ পরবর্তী সময়ে কেউ কখনো দেখেনি। এ বিজয়কে যারা প্রত্যাখান করে জনগণের কাছে তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত।

ওবায়দুল কাদের বলেন, 'বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল তার দলের শোচনীয় পরাজয়ের জন্য পদত্যাগ না করে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আনেন। নির্বাচনে কারচুপি হলে তিনি  কীভাবে জয়লাভ করলেন?'

নির্বাচন নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রতিবেদনকে 'অলীক ও অবিশ্বাস্য রূপকথার গল্প' আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, 'টিআইবি নির্বাচন নিরপেক্ষ হয়নি বলে অলীক, অবিশ্বাস্য রূপকথার কাহিনী সাজাচ্ছে। নির্বাচনে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হয়েছে। বিএনপির কোনো এজেন্ট বা টিআইবি’র একজন প্রতিনিধিও নির্বাচনের দিন স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের বিরুদ্ধে কোন কথা বলেননি।'

সেতুমন্ত্রী বলেন, 'নির্বাচনের দিন তারা নির্বাচনের কারচুপির কোনো কারণ খুঁজে পাননি। আর এখন তারা নির্বাচন নিয়ে কেন অলীক রূপকথার গল্প সাজাচ্ছেন তা আমরা জানি। দেশের জনগণই তার জবাব দেবে।'

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাঈল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ।

যুবলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে সভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, 'আওয়ামী যুবলীগ একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন। আগামী ১৯ জানুয়ারির আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশকেও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য তাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।'

১৯ জানুয়ারির সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জনগণ ও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা দেবেন বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট খবর