রাজনীতি

মাথা গরম না করে শপথ নিয়ে সংসদে আসুন, ঐক্যফ্রন্টকে নাসিম

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০১৯

মাথা গরম না করে শপথ নিয়ে সংসদে আসুন, ঐক্যফ্রন্টকে নাসিম

মোহাম্মদ নাসিম- ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শপথ গ্রহণ করে সংসদে এসে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম। 

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বঙ্গমাতা পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের অনুরোধ করব- সংখ্যায় যে ক'জনই থাকুন, মাথা গরম না করে শপথ নিয়ে সংসদে এসে ভূমিকা পালন করুন। জনগণ আপনাদের বক্তব্য গ্রহণও করতে পারে।

ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আশা করি কোনো ধরনের ধ্বংসাত্মক ও নৈরাজ্যমূলক কাজে লিপ্ত না হয়ে তারা সংসদে আসবেন।

সংসদে জাতীয় পার্টির ভূমিকার বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যাশা বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ও এগিয়ে নিতে তারা কাজ করবে।

মোহাম্মদ নাসিম আরও বলেন, রাজাকার এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে চিরতরে নির্মূল করতে জনগণের কাছ থেকে যে ম্যান্ডেট পেয়েছি, এটা অব্যাহত থাকবে। সেই লক্ষ্য অর্জনে আমরা কাজ করে যাব।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নাসিম বলেন, একাত্তরের ডিসেম্বর মাসে আমরা বিজয় অর্জন করেছিলাম। আর ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে সেই বিজয়ের পূর্ণতা পেয়েছিল। ইতিহাসে এ দিনটি স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ূয়া, বঙ্গমাতা পরিষদের সভাপতি আনিছুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

চিকিৎসার জন্য রোববার সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন এরশাদ


আরও খবর

রাজনীতি

হসেইন মুহম্মদ এরশাদ- ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

উন্নত চিকিৎসা নিতে রোববার দুপুরে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় নেতা হসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তার একান্ত সচিব মেজর (অব.) খালেদ আক্তার সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন। 

তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা এরশাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক না হলেও তিনি শারিরিকভাবে খুব দুর্বল হয়েছেন। তার রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা সাতের কাছাকাছি। যা স্বাভাবিকের তুলনায় অর্ধেক।

এরশাদের একান্ত সচিব সমকালকে জানান,  রোববার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে নিয়মিত ফ্লাইটে তিনি সিঙ্গাপুর যাবেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। দেশটির ন্যাশনাল মেডিকেল ইউনিভারসিটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেবেন। তিনি কবে দেশে ফিরবেন তা নির্ভর করছে চিকিৎসকদের ওপর। এরশাদের সঙ্গে খালেদ আকতারও সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন।

জাতীয় পার্টির নেতারা জানিয়েছেন, এরশাদ সাধারণ ফ্লাইটে যেতে রাজি ছিলেন না। তিনি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে যেতে চেয়েছিলেন। জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এয়ার অ্যাম্বুলেন্সেই যেতে চেয়েছিলেন কিন্তু পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। কেন সিদ্ধান্ত বদল হয়েছে তা জানাতে পারেননি তিনি।

এরশাদের অবস্থা গুরুতর কিনা এ প্রশ্নে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, এ প্রশ্নের তিনি দিতে পারবেন না, চিকিৎসা বলতে পারবেন। চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, তিনি আশা করছেন সুস্থ হয়ে এরশাদ দেশে ফিরে আসবেন বিরোধীদলীয় নেতা এরশাদ।

জাতীয় পার্টির সূত্র জানিয়েছে, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচে) চিকিৎসাধীন ৮৯ বছর বয়সী সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের শারিরিক অবস্থা ভাল নয়। স্বাভাবিক হাঁটাচলা করতে পারছেন না। স্বাভাবিক খাওয়া দাওয়াও করতে পারছেন না। তার লিভারে বিলোরবিনের পরিমাণও বেড়েছে।

গত কয়েক দিনে এরশাদকে সিএমএইচ হাসাপতালে দেখে আসা জাতীয় পার্টির নেতারা জানিয়েছেন, বিরোধীদলীয় নেতার অবস্থা ভাল নয়। কথা বললে সাড়া দেন না। শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকেন। খাওয়া দাওয়া একেবারেই করতে পারছেন না।

সামজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অসুস্থ এরশাদের ছবি ছড়িয়েছে। এতে দেখা যায়, তিনি বয়স ও রোগের ভারে নুজ্য। শারিরিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তবে জাতীয় পার্টির মহাসচিব দাবি করেছেন, এরশাদের শারিরিক অবস্থা গুরতর নয়। বয়েসের কারণে নানান বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছেন। তার যেসব শারীরিক সমস্যা তাএ বয়েসে স্বাভাবিক ব্যাপার।

এরশাদের অবর্তমানে জাতীয় পার্টির হাল কে ধরবেন- এ প্রশ্নে গত কয়েক মাস ধরেই টানাপোড়েন ছিল দলটির অভ্যন্তরে। দলের নেতাদের একাংশ চেয়েছিলেন এরশাদপত্নী রওশন এরশাদকে উত্তারাধিকার মনোনীত করা হোক। কিন্তু এরশাদ বেছে নিয়েছেন তার ভাই জিএম কাদেরকে। জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদকে বিরোধীদলীয় নেতার পদ থেকে সরিয়ে নিজেই এ পদে বসেছেন এরশাদ।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে বিরোধীদলীয় উপনেতার পদে বসিয়েছেন এরশাদ। গত শুক্রবার নির্দেশনা জারি করেছেন, তার অবর্তমানে কিংবা বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জিএম কাদের দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি এরশাদ আহ্বান জানান, আগামী কাউন্সিলে যেনো জিএম কাদেরকে চেয়ারম্যান করা হয়।

এরশাদের ঘনিষ্ট এক নেতা বলেছেন, জিএম কাদের বিরোধীরা রওশন এরশাদকে নেতা হিসেবে চাইলেও তার শারিরিক অবস্থা ভাল নয়। তিনি বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে থাকতে চাইলেও দলের নেতৃত্ব দিতে আগ্রহী নন। তাই ৭৬ বছর বয়েসী রওশন এরশাদের পরিবর্তে জিএম কাদেরকে বেছে নিয়েছেন এরশাদ।

গত কয়েক মাস ধরে নানা রোগে ভুগছেন এরশাদ। গত সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে তিন দফা সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নেন। নভেম্বর ও ডিসেম্বর পাঁচবার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি হন। ভোটের আগে দুই সপ্তাহ সিঙ্গাপুর চিকিৎসা নেন। নির্বাচনে পাঁচ দিন আগে দেশে ফিরলেও বাসায় না থেকে সিএমএইচে থাকছেন। একদিনের জন্যও ভোটের প্রচারে নামেননি। নিজের ভোটও দেননি। গত ৬ জানুয়ারি হুইল চেয়ারে করে সংসদে গিয়ে শপথ নেন এরশাদ। এরপর আর জনসম্মুখে আসেননি তিনি।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বিজয় সমাবেশের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী


আরও খবর

রাজনীতি

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের নিরঙ্কুশ বিজয় উদযাপনে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

শনিবার বিকেল ৩টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন তিনি।

শনিবার দুপুর আড়াইটায় রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ বিজয় সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকেই নেতাকর্মীরা উদ্যানে জড়ো হতে থাকেন।

সকাল ১০টা থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান লোকারণ্য হয়ে ওঠে। ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে উদ্যান মুখরিত। 

নেতাকর্মীদের মধ্যে নারীদের পরনে লাল ও সবুজ রঙের শাড়ি এবং ছেলেদের বেশিরভাগ লাল ও সবুজ রঙের গেঞ্জি ও টুপি পরে সমাবেশে উপস্থিত হয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখরিত সোহরাওয়ার্দী উদ্যান


আরও খবর

রাজনীতি

আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশে দলে দলে যোগ দিচ্ছেন নেতা-কর্মীরা-ফোকাস বাংলা

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের নিরঙ্কুশ বিজয় উদযাপনে বিজয় সমাবেশের আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ। 

শনিবার দুপুর আড়াইটায় রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ বিজয় সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকেই  নেতাকর্মীরা উদ্যানে জড়ো হতে থাকেন।

সকাল ১০টা থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান লোকারণ্য হয়ে উঠেছে। ‘জয় বাংলা’  স্লোগানে উদ্যান মুখরিত। 

নেতাকর্মীদের মধ্যে নারীদের পরনে লাল ও সবুজ রঙের শাড়ি এবং ছেলেদের বেশিরভাগ লাল ও সবুজ রঙের গেঞ্জি ও টুপি পরে সমাবেশে যাচ্ছেন। 

বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘বিজয়ের এ দিনে মুজিব তোমায় মনে পড়ে’, ‘বারবার দরকার শেখ হাসিনার সরকার’, ‘যোগ্য পিতার যোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা, শেখ হাসিনা’ ইত্যাদি শ্লোগান দিচ্ছেন তারা।

এ দিকে এই বিজয় সমাবেশকে ঘিরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। 

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই বিজয় সমাবেশের মূল পর্ব শুরু হবে দুপুর আড়াইটায়। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় বিজয় উদযাপন করতেই এই আয়োজন। নির্বাচনের পর প্রথম আনুষ্ঠানিক এই কর্মসূচিকে জনসমুদ্রে রূপ দিতে চায় ক্ষমতাসীনরা। সেই লক্ষ্যে যথেষ্ট প্রস্তুতিও গ্রহণ করেছেন তারা। 

সংশ্লিষ্ট খবর