রাজনীতি

আ'লীগকেও ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮

আ'লীগকেও ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে: ওবায়দুল কাদের

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের- ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে এলে আওয়ামী লীগকেও কেন্দ্র রক্ষা করতে হবে। 

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের যৌথ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ড. কামাল হোসেন বিএনপির রাজনীতির কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। তারেক রহমানের নির্দেশে কামাল হোসেন, কাদের সিদ্দিকী, মাহমুদুর রহমান মান্না, মোস্তফা মহসিন মন্টু পরিচালিত হচ্ছেন। কী লজ্জা! তারা নাকি ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে আসবেন। আসুক, আমরাও কেন্দ্র রক্ষা করব।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগের পরাজয় মানে ২০০১ সালের অন্ধকার ও দেশে রক্তের নদী বয়ে যাওয়া। 

২০০১ ও ২০১৪ সালের যে বিভীষিকা, রক্তপাত, সন্ত্রাস ও দুর্নীতি- জনগণ কি সেই অমানিশার অন্ধকারে ফিরে যেতে চায়? চায় না। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশের নারীরা ঘরের বাইরে বের হতে পারবেন না। এটা কি নারীরা মেনে নেবেন? কখনই মেনে নেবেন না।

'আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হবে'- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি আওয়ামী লীগকে ৩০টি আসনের বেশি দিতে চান না। তারাই ২০০৮ সালে পেয়েছিলেন ২৯ আসন। আমরা কিন্তু ক্ষমতায় থেকে এমন অহংকারী উচ্চারণ একবারও করিনি। কারণ, ক্ষমতার মালিক আল্লাহ, তারপর দেশের জনগণ। জনগণই ঠিক করবে, কাকে কত আসন দেবে।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ফখরুল ইসলাম আলমগীর কি জ্যোতিষবিদ্যা শিখলেন? বারবার শুধু সংখ্যাতত্ত্ব- ১০টি আসন, ২০টি আসন। তার নেত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ ১০০ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না। এবারও তো আওয়ামী লীগের ক্ষমতার ১০ বছর ছুঁইছুঁই। যতই আস্ম্ফালন করবেন, ততই পতন ঘটবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগের ১০ বছরের উন্নয়নকাজ পরিত্যক্ত হবে। কারণ, তারা নাকি পদ্মা সেতুতে উঠবেন না। তিনি বলেন, মির্জা ফখরুলকে চ্যালেঞ্জ করে বলছি, তাদের এমন কোনো কাজ কি আছে, যেটার কথা স্মরণ করে এ দেশের মানুষ তাদের ভোট দেবে? আছে হাওয়া ভবন, আছে গ্রেনেড হামলা, উত্তরবঙ্গে বাংলাভাই আর বিদ্যুতের নামে খাম্বা। 

বাংলাদেশের ইতিহাস বলে, যারা আন্দোলনে ব্যর্থ, তারা নির্বাচনেও বিজয়ী হতে পারে না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানান, তাদের দলের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল দল ও জোটের মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষ করা। এবার প্রার্থী অনেক। যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা ছিল কঠিন চ্যালেঞ্জ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এরই মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। আজ-কালের মধ্যেই চূড়ান্ত চিঠি দেওয়া হবে। আগামীকাল (আজ) দলের মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীরা চিঠি পাবেন বলে আশা করা যায়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের একটা সুবিধা ছিল, তাদের সভাপতি সাত বছর ধরে প্রতি ছয় মাস পরপর জরিপ প্রতিবেদন সংগ্রহ করেছেন। পাঁচ-ছয়টি বিদেশি কোম্পানি এই জরিপের কাজ করেছে। এই জরিপ রিপোর্টগুলো দলের প্রার্থী বাছাইয়ে মূল ভূমিকা পালন করেছে। ছয় মাস পর পর আপডেট করার পর প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা নিরূপণ করা হয়েছে। 

এই জরিপ কেবল আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের ওপর নয়, বিএনপিসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীদের বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, যাদের মহাজোট মনোনয়ন দিয়েছে, তারা বিপুল ভোটে বেশির ভাগ আসনে বিজয়ী হবে।

কাদের বলেন, কোনো কোনো প্রার্থী বিতর্কের কারণ হতে পারে ভেবে পরিবর্তনও আনা হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় ক্ষোভ-বিক্ষোভ হতে পারে। কারণ, জোটের কারণে আওয়ামী লীগকে অনেক আসনে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জোটের মনোনয়ন নেতাকর্মীরা মেনে নেবেন।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মো. আবু কাউছারের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ এমপি, যুগ্ম সম্পাদক গাজী মেসবাউল হোসেন সাচ্চু প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সরকারের দায়িত্বহীনতায় বহু মানুষ জীবন হারাচ্ছে: মির্জা ফখরুল


আরও খবর

রাজনীতি

  সমকাল প্রতিবেদক

রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের দায়িত্বহীনতা ও অব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন জায়গায় বহু মানুষ অকারণে জীবন হারাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার সবক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় মানুষ অকারণে প্রাণ হারাচ্ছে। তাদের রাষ্ট্রকে সঠিকভাবে পরিচালনার সৎ ইচ্ছা নাই। তারা যে কোনোভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়।

ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন,  ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষার জন্য আমাদের অকুতোভয় সন্তানদের প্রাণদানের মধ্যদিয়েই মুক্তির বীজ রোপণ হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা একটি স্বাধীন ভূখণ্ড লাভ করেছি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে  জনগণের অধিকার হনন করা হয়েছে। এই নির্বাচনকে বাতিল করে একটি নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে পুনঃনির্বাচন দাবি করছি।


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আ'লীগ কোনো গণতান্ত্রিক শক্তি নয়: ফখরুল


আরও খবর

রাজনীতি

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর- ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে তারা কোনো গণতান্ত্রিক শক্তি নয়। ক্ষমতাসীন দলকে 'ফ্যাসিবাদী শক্তি' হিসেবে অভিহিত করে বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ফখরুল বলেন, 'এই ফ্যাসিবাদী শক্তিকে মোকাবেলা করার জন্য আমাদের অবশ্যই সংগঠনকে অত্যন্ত শক্তিশালী করতে হবে। আমরা দীর্ঘকাল ধরে লড়াই করছি। এই লড়াইকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে।'

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বুধবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে ফখরুল এসব কথা বলেন। 

দলের নেতাকর্মীদের একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বানও জানান বিএনপি মহাসচিব।

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সরকারি দলের নানা অনিয়মের চিত্র নেতাকর্মীদের সামনে তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, 'আপনারা দেখেছেন, একটা বিশ্বজনমত তৈরি হচ্ছে এই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে। এদের বিরুদ্ধে আমাদের অবশ্যই রুখে দাঁড়াতে হবে।' 

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, মনের জোর ও মনোবল হারিয়ে ফেলবেন না। দুর্বল ও হতাশ হবেন না। আমরা লড়াই করব, লড়াইকে সামনের দিকে নিয়ে যাব। সেই লড়াইয়ে অবশ্যই আমরা বিজয়ী হবো। বাংলাদেশের মানুষ বিজয়ী হবেই হবে।

দুর্নীতির মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা হচ্ছে না দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, 'ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ আজ (বুধবার) কোর্টে গিয়েছিলেন। আমি কোর্টের সামনে থেকে ফিরে এসেছি। তিনি (খালেদা জিয়া) কোর্টে আসতে পারেননি। তিনি অসুস্থ, অত্যন্ত অসুস্থ। দীর্ঘ এক বছর ধরে তিনি কারাগারে রয়েছেন, তার সুচিকিৎসা হচ্ছে না।' 

ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, পরিস্কার ভাষায় বলতে চাই- অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। বিএনপির যেসব নেতাকর্মী কারাগারে আছেন তাদেরও মুক্তি দিতে হবে এবং সমস্ত মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। এ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে সম্পূর্ণ নতুন নির্বাচন করতে হবে। সেটা নতুন নির্বাচন কমিশন ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে করতে হবে।

এ পর্যায়ে মিলনায়তনে উপস্থিত বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে স্লোগান দিয়ে কর্মসূচি ঘোষণার দাবি জানালে মির্জা ফখরুল বলেন, কর্মসূচি হবে, ধৈর্য ধরেন। কর্মসূচি চাইলে কী হবে? তা পালন করতে হবে তো। সবকিছু হবে, ধৈর্য ধরেন। এরপরও নেতাকর্মীরা হৈচৈ অব্যাহত রাখলে ফখরুল বলেন, আপনাদের ক্ষোভ-ব্যথা আমরা বুঝি। একটা কথা আপনাদের মনে রাখতে হবে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যখন গণতান্ত্রিক শক্তি লড়াই করে তখন সহজে সফলতা অর্জন করা যায় না।

আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার একুশের চেতনা সম্পূর্ণভাবে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে। ১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছিল। এখনও তারা একদলীয়ভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে।

একাদশ জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে মওদুদ বলেন, এটা নির্বাচন হয়নি, হয়েছে দুর্বৃত্তায়ন। সরকার রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের চরম দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠা করেছে। তারা ভোটচুরি করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে- দেশের মানুষ তা মানে না।

সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান ও যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকন। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ ও সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলীম। 

অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

জামায়াতকে সঙ্গী করায় বিএনপিরও ক্ষমা চাওয়া উচিত: তথ্যমন্ত্রী


আরও খবর

রাজনীতি

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ- ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জামায়াতের সঙ্গে জোট ও সরকার গঠন করায় বিএনপিও একই দোষে দোষী। সে কারণেই জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি বিএনপিরও ক্ষমা চাওয়া উচিত। তবে জামায়াত দলগতভাবে ক্ষমা চাইলেও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, নারী নির্যাতনের অপরাধ থেকে দায়মুক্তি পেতে পারে না। জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নেতার পদত্যাগ ও ক্ষমা চাওয়ার কথা দেশের ভেতর ও বাইরের চাপ থেকে মুক্ত হওয়ার কৌশলেরই অংশ।

বুধবার জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে সুজন হালদার রচিত 'গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় শেখ হাসিনা' বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব বলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান ও ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ। উৎসবে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক গোলাম রব্বানী বাবলু।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপির উপজেলা ও সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের অর্থ হচ্ছে জনগণ থেকে ক্রমেই আরও দূরে সরে যাওয়া। গত সংসদ নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর তারা হয়তো নির্বাচন করতে সাহস পাচ্ছে না। কিন্তু বিএনপিকে আমি বলব, খানিকটা সাহস সঞ্চয় করে নির্বাচনে আসতে।

সংশ্লিষ্ট খবর