রাজনীতি

হঠাৎ এরশাদ...

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮

হঠাৎ এরশাদ...

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

অসুস্থ হওয়া না হওয়া নিয়ে নানা গুঞ্জনের মধ্যেই দেখা মিলল জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের। দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথাও বললেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে পৌঁছান তিনি। এসময় গাড়িতে বসেই অল্প কয়েকমিনিট বক্তব্য দেন এরশাদ।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, আমাকে দমিয়ে রাখতে কেউ পারেনি পারবে না। এগিয়ে যাব।

তিনি বলেন, আমার বয়স হয়েছে। চিকিৎসা করতে দেবে না। বাইরে যেতে দেবে না। মৃত্যুকে ভয় করি না। জাতীয় পার্টি তোমাদের মধ্যে বেঁচে থাকবে। আমি বেঁচে থাকবো।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমাদের কোনো ভয় নেই। জাতীয় পার্টি চিরদিন নির্বাচন করেছে এবারও নির্বাচন করবে।

এরশাদ বলেন, নতুন মহাসচিবকে দায়িত্ব দিয়েছি। পুরনো মহাসচিবের পাশাপাশি নতুন মহাসচিবকে ভালোবাসতে ও সহযোগিতা করতে হবে।

এরপর অসুস্থতার কথা জানিয়ে ওই স্থান ত্যাগ করেন তিনি।

আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়ার মধ্যে হঠাৎ জাপা চেয়ারম্যানের অসুস্থ হয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তির খবর আসে গণমাধ্যমে।

গত সংসদ নির্বাচনেও প্রায় একই ধরনের ঘটনা ঘটায় তার অসুস্থতা নিয়ে নানা গুঞ্জন ডালপালা ছড়ায়।

এর মধ্যে কিন্তু জাপার সদ্য সাবেক মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, এরশাদের অসুস্থতা এমন কিছু নয়। তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন।

সর্বশেষ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে দলের চেয়ারম্যান নিয়ে কথা বলে জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ।

তিনি জানান, রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে যাওয়ার পর শারীরিক অবস্থা নিয়ে এরশাদ ভয়ে থাকেন। এ কারণে তাকে হাসপাতালে যেতে হয়। ঘুমের ডিস্টার্ব হলেও তিনি সিএমএইচে যান। বাসায় একা থাকেন বলে তার একলা লাগে, ভয় করে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

১৬৮ থেকে ২২২ আসনে জয়লাভ করবে আওয়ামী লীগ: জয়


আরও খবর

রাজনীতি

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০০৮ সালের নির্বাচনের চেয়েও বেশি ব্যবধানে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

নির্বাচন উপলক্ষে গবেষণা সংগঠন রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারকে (আরডিসি) দিয়ে করানো এক জরিপের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।

জয় লিখেছেন, এই জরিপগুলোর ওপর ভিত্তি করে এবং ১৯৯১-২০০৮ এর নির্বাচনের তথ্য বিশ্লেষণ করার পর আমার বিশ্বাস যে, আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে ১৬৮ থেকে ২২২ টি আসনে জয়লাভ করবে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের চেয়েও বেশি ব্যবধানে এবার আওয়ামী লীগ জয়লাভ করবে।

পোস্টে তিনি বলেন, এই বছরের আগস্ট থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত আমরা এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় জাতীয় জনমত জরিপটি করাই। নিরপেক্ষ গবেষণা সংগঠন রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (আরডিসি) দ্বারা এই জরিপটি পরিচালনা করা হয়। এ বছরের মেয়র নির্বাচনের জরিপটিও এই সংগঠনটিই করেছিল। আপনাদের হয়তো মনে আছে আমার পেজ থেকে সেই জরিপটিও শেয়ার করি যার ফলাফল নির্বাচনের ফলাফলের সাথে মোটামুটি ভালোই মিলেছিল।

জয় বলেন, এই জরিপটির জন্য আমরা ৫১টি নির্বাচনী আসনের ৫১,০০০ নিবন্ধিত ভোটারের সাথে কথা বলি, অর্থাৎ প্রতি আসনে অন্তত ১,০০০ ভোটারের সাথে। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সকল নির্বাচনের ফলাফল আমলে নিয়েই এই ৫১টি আসন আমরা বৈজ্ঞানিকভাবে বেছে নিয়েছিলাম। এই আসনগুলোতে আমরা সবচেয়ে বেশি ভিন্ন ভিন্ন দলের জন্য ভোট দেয়ার প্রবণতা দেখতে পাই বা সাধারণত জয়ের পার্থক্য সবচেয়ে কম থাকে। অর্থাৎ, এই আসনগুলো নিয়েই আমাদের দল সবচেয়ে বেশি চিন্তিত ছিল।

তিনি বলেন, যেহেতু জরিপটি মনোনয়ন প্রক্রিয়ার আগে করা হয়েছিল, সেহেতু আমরা প্রার্থীদের ব্যাপারে জনমত জানতে পারিনি। কিন্তু দলগতভাবে, ৫১টি আসনেই আওয়ামী লীগ এগিয়ে আছে। ১২.২ শতাংশ নিয়ে সবচেয়ে কম ব্যবধানে জয়ের সম্ভাবনা জয়পুরহাট-১ আসনে আর ৭৫ শতাংশ নিয়ে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের সম্ভাবনা বরিশাল-৪ আসনে। যারা এখনো সিদ্ধান্ত নেননি তাদের সবচেয়ে কম সংখ্যা দেখা যাচ্ছে টাঙ্গাইল-৩ আসনে, ২.৫ শতাংশ। এই আসনে আওয়ামী লীগের সাথে নিকটবর্তী দলের ব্যবধান ৪১.৫ শতাংশ। অন্যদিকে, ১৯.৮ শতাংশ নিয়ে সবচেয়ে বেশি সিদ্ধান্তহীনদের সংখ্যা সাতক্ষীরা-৩ আসনে, যেখানেও আওয়ামী লীগের জয়লাভের ব্যবধান ৬৪.৭ শতাংশ।

জয় লিখেছেন, গড়ে আওয়ামী লীগের জন্য সমর্থন ৬৬ শতাংশ মানুষের, বিএনপির জন্য ১৯.৯ শতাংশ আর ৮.৬ শতাংশ ভোটার সিদ্ধান্ত নেননি। যারা সিদ্ধান্ত নেননি তাদের থেকে আওয়ামী লীগের সমর্থনের ব্যবধান অনেক বেশি। আরো গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি তা হচ্ছে কোনো আসনেই আওয়ামী লীগের সাথে বিএনপির সমর্থনের পার্থক্য ১০ শতাংশের এর মধ্যে নেই। শুধু ২টি আসনেই আওয়ামী লীগের সাথে বিএনপির সমর্থনের পার্থক্য ২০ শতাংশ। এর মধ্যে ২৮টি তে, অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি জরিপকৃত আসনে, আওয়ামী লীগের সাথে বিএনপির সমর্থনের পার্থক্য ৫০ শতাংশের বেশি। সমর্থনের পার্থক্য ১০ শতাংশের এর বেশি হলেই দ্বিতীয় দলটির জন্য তা পার করা মোটামুটি অসম্ভব হয়ে যায়, আর ২০ শতাংশ এর বেশি পার্থক্য থাকলে একাধিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের দ্বারাও তা টপকানো সম্ভব হয় না।

পোস্টে তিনি বলেন, এই ফলাফলগুলো বয়স ও লিঙ্গের ওপর নির্ভর করে বের করা হয়েছে, তাই মোট ফলাফল সর্বক্ষেত্রে শতভাগ নয়। আসন অনুযায়ী ‘মার্জিন অফ এরর’ ৩ শতাংশ এবং আস্থা স্তর ৯৫%। সম্পূর্ণ ৫১ হাজার স্যাম্পল এর ‘মার্জিন অফ এরর’ শূন্য শতাংশ এবং আস্থা স্তর ৯৫%।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ঢাকার পথে শেখ হাসিনার গাড়িবহর


আরও খবর

রাজনীতি
ঢাকার পথে শেখ হাসিনার গাড়িবহর

প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রচার শুরুর পর ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে টুঙ্গিপাড়া থেকে আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতারাসহ তার গাড়িবহর ঢাকার পথে রওনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার টুঙ্গীপাড়া থেকে সড়কপথে ঢাকায় ফেরার সময় ৭টি জনসভা ও পথসভায় ভাষণ দেবেন।

ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ ও ঢাকার ধামরাইয়ে এসব জনসভা ও পথসভা সফল করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। এসব এলাকায় বইছে উৎসবের আমেজ। প্রিয় নেত্রীকে একনজর দেখার জন্য উৎসুক হয়ে রয়েছেন নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।

প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

ফরিদপুর: প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ফরিদপুরে দুটি পৃথক নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা করবেন। এ নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীরা আনন্দে উদ্বেলিত। প্রিয় নেত্রীকে একনজর দেখার জন্য তারা উৎসুক হয়ে রয়েছেন।

ফরিদপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ফরিদপুর-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহর সমর্থনে নির্বাচনী সভা দুটির আয়োজন করা হয়েছে।

সকাল ১০টায় ফরিদপুর-৪ নির্বাচনী এলাকায় ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রামে প্রধান সড়কের পাশে ও সকাল ১১টায় ফরিদপুর-৩ নির্বাচনী এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের কোমরপুরে আবদুল আজিজ ইনস্টিটিউশন মাঠে জনসভায় শেখ হাসিনা বক্তৃতা দেবেন।

ফরিদপুর জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এএইচএম ফোয়াদ জানান, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আগমন ও জনসভা ঘিরে ফরিদপুরে বইছে উৎসবের আমেজ। জনসভা সফল করতে দলের নেতাকর্মীরা এবং আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও জেলা প্রশাসন ব্যাপক প্র্রস্তুতি নিয়েছে। ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী বরকত ইবনে সালাম বলেন, আশা করছি জনসভা জনসমুদ্রে রূপ নেবে।

ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন দলের সভানেত্রীর আগমন বিষয়ে বলেন, ফরিদপুরবাসী ভাগ্যবান এই কারণে যে, আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর একাদশ নির্বাচনের গণসংযোগের দ্বিতীয় দিনে ফরিদপুরে দুটি সভা করবেন। তিনি বলেন, এ সভা দুটি জনসমুদ্রে পরিণত হবে।

রাজবাড়ী: বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় নির্বাচনী পথসভায় অংশ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে তার আগমনে এ অঞ্চলের মানুষ আশাবাদী হয়ে উঠেছে। রাজবাড়ীবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ, পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙন থেকে রাজবাড়ীকে রক্ষাসহ বিভিন্ন দাবি আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রুবায়েত হায়াত শিপলু জানান, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় দৌলতদিয়া ট্রাক টার্মিনালে আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় অংশগ্রহণ করবেন।

গোয়ালন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রাজবাড়ী জেলা পরিষদের সদস্য নুরুজ্জামান মিয়া বলন, এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পথসভা সফল করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি এ পথসভা জনসমুদ্রে রূপ নেবে। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আমরা দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর ব্যাপারে ঘোষণা আশা করছি। এই সেতু রাজবাড়ীসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। এ ঘোষণা এ অঞ্চলে নৌকার বিজয়কে ত্বরান্বিত করবে।

মানিকগঞ্জে দুই পথসভা: আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে দুটি পথসভা করবেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন জানান, পাটুরিয়া ঘাটে দুপুর ১২টায় এবং মানিকগঞ্জ বাস টার্মিনালে ১টায় পথসভার সময় নির্ধারিত আছে। পথসভা দুটিকে সফল করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মানিকগঞ্জের আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ শেখ হাসিনার আগমনের অপেক্ষায় আছেন।

ধামরাই: ঢাকার ধামরাইকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে ঢাকায় ফেরার পথে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় ধামরাই হার্ডিঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগ জনসভার আয়োজন করেছে। ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমদের সমর্থনে এ জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া সাভারের জলেশ্বরে নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে বুধবার টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী পুনরায় দেশ সেবার সুযোগ এবং উন্নয়নের ধারবাহিকতা রক্ষায় নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার আহ্বানের মাধ্যমে তার নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন। নানা কর্মসূচি শেষে সেখানেই রাতে অবস্থান করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বিএনপির ওয়েবসাইট বন্ধ


আরও খবর

রাজনীতি
বিএনপির ওয়েবসাইট বন্ধ

প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

  সমকাল প্রতিবেদক

বিএনপির ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, দলের ওয়েবসাইট bnpbangladesh.com ব্লক করা হয়েছে।

২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ওয়েবসাইটটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এ ওয়েবসাইটে দলের কর্মসূচি, বক্তব্য-বিবৃতি প্রচার করা হতো।

রিজভী বলেন, হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়েই বিএনপির ওয়েবসাইটটি সরকার ব্লক করেছে। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে সরকার এখন বিরোধী দলের প্রযুক্তি ব্যবহারের অধিকারও হরণ করছে। অবিলম্বে ওয়েবসাইটটি খুলে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান জানান, গত মঙ্গলবার থেকে তারা ওয়েবসাইটটি বন্ধ পাচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর