রাজনীতি

সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে পদক্ষেপ নেবে ইসি, আশা বি. চৌধুরীর

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে পদক্ষেপ নেবে ইসি, আশা বি. চৌধুরীর

অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী— ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী আশা প্রকাশ করে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন এখন আর সরকারের নয়, রাষ্ট্রপতির অধীনে। সুতরাং, কমিশন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে শুক্রবার বাংলাদেশ জনদল আয়োজিত এক স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি নির্বাচনের তারিখ এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার দাবি পুনর্ব্যক্ত করে ভোট গ্রহণ ২৩ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ৩০ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার তারিখ এক সপ্তাহ পিছিয়ে ১৯ নভেম্বরের পরিবর্তে ২৬ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২২ নভেম্বরের পরিবর্তে ২৯ নভেম্বর এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ২৯ নভেম্বরের পরিবর্তে ৬ ডিসেম্বর করার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

বি. চৌধুরী বলেন, সংসদ ভেঙে দিন অথবা সংসদ সদস্যদের নিষ্ক্রিয় করুন। সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড দিতে হবে, উঁচুনিচু মাঠে খেলা হয় না। নির্বাচনের সময় গণ্ডগোল হলে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকে, এবারের নির্বাচনে এমন করলে তাৎক্ষণিক তাদের বিচার করতে হবে। নির্বাচনে সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করতে হবে। অতীতে দেখা গেছে, পোলিং এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়া হয় অথবা গ্রেফতার করা হয়। এটা যেন এ নির্বাচনে না হয়।

আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা এ আর চৌধুরীর স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান জয় চৌধুরী। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিকল্পধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রউফ মান্নান ও সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

নির্বাচনে ভারতের সাহায্য প্রয়োজন: বিকল্পধারা মহাসচিব


আরও খবর

রাজনীতি

  সমকাল প্রতিবেদক

আসন্ন নির্বাচনে ভারতের সাহায্য প্রয়োজন বলে মনে করছে এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিকল্পধারা। দলটির মহাসচিব আবদুল মান্নান বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র। নির্বাচনের আগে তাদের সাহায্য প্রয়োজন।

সোমবার রাজধানীর বারিধারায় বি. চৌধুরীর বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। বিকল্পধারার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। 

বৈঠক শেষে মেজর (অব.) মান্নান সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে অত্যন্ত সুসম্পর্ক রয়েছে। বিকল্পধারা চায় নির্বাচনের পরও এ সম্পর্ক বিদ্যমান থাকুক। তাই নির্বাচনের প্রাক্কালে তারা ভারতীয় হাইকমিশনারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সব বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়েছে।

তবে হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে ভারতের জড়িত হওয়ার সুযোগ নেই। নির্বাচনের ব্যাপারে ভারত জড়িত নয়। নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর বিষয়। তবে বিকল্পধারার আদর্শ ও চিন্তা কেমন, তিনি তা জানতে চেয়েছেন।

ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ না দিয়ে আওয়ামী লীগের মহাজোটে যোগ দিতে যাওয়া বিকল্পধারার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার আরও বলেন, একেবারেই সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ ছিল। ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিকল্পধারায় যোগ দিয়ে প্রেসিডিয়াম সদস্যের পদ পাওয়া সাবেক রাষ্ট্রদূত ও বিএনপি থেকে পদত্যাগকারী নেতা শমসের মবিন চৌধুরী বলেন, তারা ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে বলেছেন, বিকল্পধারা অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দল। 

বিকল্পধারার আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহী বি. চৌধুরী বলেন, আদর্শিক ও গণতান্ত্রিক অবস্থানে থেকে গণতন্ত্র রক্ষায় তাদের মহাজোটে যোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

প্রয়োজনে আদালতের আশ্রয় নেওয়া হবে: তারেক প্রসঙ্গে কাদের


আরও খবর

রাজনীতি

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের যে সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, সেটা আইনের সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন। হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা আছে তারেক রহমান কোনো প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। এ ব্যাপারে প্রয়োজনে আলোচনা করে আদালতের আশ্রয় নেওয়া হবে।

সোমবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। 

'ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাক্ষাৎকার নিয়ে তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন করেননি'- নির্বাচন কমিশন সচিবের এমন বক্তব্যের বিষয়ে কাদের বলেন, এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশন কী বলেছে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানি না। তাই কমিশন সচিবের বক্তব্য নিয়ে কোনো মন্তব্য করবো না।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে বিএনপি আগামী নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে একটি দল নির্বাচন বানচালের পাঁয়তারা করছে। সারাদেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ বিরাজ করছিল। তারা পরিকল্পিতভাবে মনোনয়ন সংগ্রহের নামে সারাদেশ থেকে তাদের নেতাকর্মীর পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের এনে পুলিশের ওপর হামলা করেছে, গাড়ি ভাঙচুর করেছে। ২০ জনের মতো পুলিশ আহত হয়ে হাসপাতালে গেছেন। এতদিন যারা নির্বাচনের পরিবেশ পরিবেশ বলে চিৎকার করছিল, তফসিল ঘোষণার পর তারাই পরিবেশ নষ্ট করছে।

কাদের বলেন, বিএনপি আওয়ামী লীগের চেয়ে বেশি মনোনয়ন ফরম বিক্রির ভুয়া প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। আওয়ামী লীগের চার হাজার মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে। এখন বিএনপি তার চেয়ে বেশি বিক্রি দেখাতে চায়। আর এজন্য তারা চিহ্নিত দাগী সন্ত্রাসীদের এক করে ফরম বিক্রি দেখাচ্ছে। তারা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়। চ্যালেঞ্জ করে বলছি, তারা মনোনয়ন ফরম বিক্রির ভুয়া সংখ্যাতত্ত্ব দিচ্ছে।

বিএনপির প্রার্থীদের গ্রেপ্তার কিংবা হয়রানি করা হচ্ছে- দলটির নেতাদের এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যাদের ধরা হচ্ছে তারা অপরাধী। কোনো না কোনো অপরাধ করেছে। বিএনপির বেশিরভাগ নেতাকর্মীই অপরাধী।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে পত্র-পত্রিকায় যেসব খবর প্রকাশ হয়েছে, সেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই। আমরা দলের পক্ষ থেকে এখনও কাউকে মনোনয়ন দেইনি, কাউকে মনোনয়নের নিশ্চয়তাও দেওয়া হয়নি। জোটগতভাবে মনোনয়ন দেওয়া হবে। যারা মনোনয়ন পাওয়ার দাবি করছেন, কিংবা মনোনয়ন পেয়েছেন অথবা বাদ পড়েছেন বলে যেসব খবর আসছে সব ভুয়া ও মনগড়া। আওয়ামী লীগ কাউকে মনোনয়ন দেয়নি, দিয়েছে মিডিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মাহবুবউল আলম হানিফ, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, এ কে এম এনামুল হক শামীম, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সুজিত রায় নন্দী, প্রকৌশলী আবদুস সবুর, দেলোয়ার হোসেন, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, আক্তার পপি প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

গণফোরামে সাবেক ১০ সামরিক কর্মকর্তা


আরও খবর

রাজনীতি

  সমকাল প্রতিবেদক

গণফোরামে যোগ দিয়েছেন সেনা ও বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ১০ কর্মকর্তা। সোমবার বিকেলে মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে গণফোরামে যোগ দেন।

গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গণফোরামে যোগ দেওয়া সেনা ও বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারা হলেন-লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) খন্দকার ফরিদুল আকবর, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) শেখ আকরাম আলী, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. শহিদুল্লাহ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আ ফ ম নুরুদ্দিন, মেজর (অব.) মাসুদুল হাসান, মেজর (অব.) মো. ইমরান, মেজর (অব.) বদরুল আলম সিদ্দিকী, স্কোয়াড্রন লিডার (অব.) ফোরকান আলম খান, স্কোয়াড্রন লিডার (অব.) মো. হাবিব উল্লাহ ও স্কোয়াড্রন লিডার (অব.) মো. মাহমুদ।

কামাল হোসেনের চেম্বারে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী যোগদানকারীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।

এ সময় সুব্রত চৌধুরী এই ১০ জনের উদ্দেশ্যে বলেন, এই যোগদানের মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে আপনাদের নতুন যাত্রা শুরু হলো। আমরা এক সাথে কাজ করবো।

লে. কর্নেল (অব.) খন্দকার ফরিদুল আকবর বলেন, ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে দেশ উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হবে, দেশে নিখুঁত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দেশ এগিয়ে যাবে।

সংশ্লিষ্ট খবর