রাজনীতি

নির্বাচন নিয়ে এত ভয় কেন, রায় দেবে জনগণ: নাসিম

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

নির্বাচন নিয়ে এত ভয় কেন, রায় দেবে জনগণ: নাসিম

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম- ফাইল ছবি

  বগুড়া ব্যুরো

১৪ দলের সমন্বয়ক ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে আপনাদের এত ভয় কেন? 

জয়-পরাজয়ের রায় দেবে জনগণ। তাদের ওপর আস্থা রাখুন, ভোটে আসুন। ঘণ্টা বেজে গেছে। নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই।' 

বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়ায় সরকারি মালিকানাধীন এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) সেফালোস্পোরিন ইউনিটের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন সন্ধ্যায় জেলার নন্দীগ্রামে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতা করেন। 

নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজমাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি নৌকা মার্কার পক্ষে কাজ করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মমতাজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু ও নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রানা।

আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসিম জনসভায় বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি নিজেদের ক্ষতি করেছে। তারা নির্বাচন ঠেকানোর কথা বলেছিল কিন্তু পারেনি। সরকার ঠিকই তার মেয়াদ পার করেছে। কি লাভ হলো? বরং নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি সংসদের সব আসন হারিয়েছে। এমন কি যে বগুড়া তাদের ঘাঁটি ছিল, সেটিও হারিয়েছে। দয়া করে এবার নির্বাচন থেকে পালাবেন না। পালিয়ে গেলে বাটি চালান দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের প্রস্তুতির কথা বলতে গিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আমরা ফাঁকা মাঠে জিততে চাই না। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই জিততে চাই। সারাদেশে উন্নয়ন হয়েছে। জঙ্গি দমন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতিই বাস্তবায়ন করেছেন। প্রমাণ হয়েছে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

দল গোছাচ্ছে বিএনপি


আরও খবর

রাজনীতি
দল গোছাচ্ছে বিএনপি

ঢেলে সাজানো হবে অঙ্গ সহযোগী এবং পেশাজীবী সংগঠনও

প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

  কামরুল হাসান

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফল বিপর্যয়ের পর এখন দল গোছানোর কাজে মনোযোগ দিয়েছে বিএনপি। তৃণমূল পর্যায় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সর্বস্তরে কাউন্সিল করে ভোটের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব তৈরি করতে চাইছে দলটির হাইকমান্ড।

এ প্রক্রিয়ায় মূল দলের মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা কমিটি থেকে শুরু করে ১১টি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি নতুন করে গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। দলটি ঢেলে সাজাতে চলেছে সমর্থনপুষ্ট পেশাজীবী সংগঠনগুলোকেও। নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আদায় করতে দল পুনর্গঠনের মাধ্যমে বিপর্যস্ত বিএনপি আবার ঘুরে দাঁড়াতে চায়।

নির্বাচনে 'অবিশ্বাস্য' বিপর্যয়ের পর বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে বিরাজ করছে হতাশা। এ অবস্থা থেকে দলকে বের করে আনতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি হাইকমান্ড। আপাতত দল গোছানোর লক্ষ্যে দ্রুত দলীয় ও সহযোগী সংগঠনগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের কাউন্সিল করতে চাইছেন তারা। চাইছেন জেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক সফর করে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে। গ্রেফতার

হওয়া নেতাকর্মীদের জামিনে মুক্ত করার উদ্যোগও নিয়েছে দলের হাইকমান্ড। এ জন্য একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া ধানের শীষের প্রার্থীদের নিজ নিজ আসনে ক্ষতিগ্রস্ত নেতাকর্মীদের সার্বিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে কেন্দ্রে জমা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মামলা পরিচালনা ও জামিনের ব্যবস্থা করতে আর্থিক এবং আইনগত সহায়তার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার সমকালকে বলেন, দলকে সুসংগঠিত করার কোনো বিকল্প নেই। বিএনপিও তাই করছে। এতদিন নির্বাচনী কার্যক্রমে ব্যস্ত থাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রম খুব বেশি সম্ভব হয়নি। এখন নির্দলীয় সরকারের অধীনে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি আদায়ের আন্দোলনের পাশাপাশি দল গোছানোর কাজে মনোযোগ দেবেন তারা।

বিএনপি নেতারা বলেছেন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলকে সুসংগঠিত করে এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। 'ভবিষ্যৎ করণীয়' নির্ধারণে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও একাধিক বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠকে দল পুনর্গঠনের দিকে মনোযোগী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন নেতারা।

বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে আরও দুই বছর আগে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর রাজীব আহসানকে সভাপতি ও মো. আকরামুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন করেন খালেদা জিয়া। আংশিক ওই কমিটি ছিল ১৫৩ সদস্যের। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ছাত্রদলের কমিটি ১৫১ সদস্যের। তবে কমিটি ঘোষণার সময় বলা হয়েছিল, এবারের কেন্দ্রীয় কমিটি হবে ২০১ সদস্যের। আংশিক কমিটি ঘোষণার ১৫ মাস পর ৭৩৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়।

২০১৭ সালের অক্টোবরে স্বেচ্ছাসেবক দলের 'সুপার ফাইভ' কমিটি ঘোষণা দেওয়া হলেও তা এখনও পূর্ণাঙ্গ হয়নি। একই বছরের ১৭ জানুয়ারি যুবদলের 'সুপার ফাইভ' ঘোষণা করা হয়। এ সংগঠনও পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে পারেনি। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর মহিলা দলের কমিটি গঠন করা হয়। কৃষক দল, শ্রমিক দল, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন (জাসাস), তাঁতী দল ও মৎস্যজীবী দলের অবস্থা আরও বেহাল। একই অবস্থা চলছে অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনগুলোতেও। তাই দ্রুত দল ও সংগঠন গুছিয়ে নেওয়ার কাজে নেমেছে বিএনপি। এ ক্ষেত্রে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে 'সুপার ফাইভ' বা 'সুপার সেভেন' কমিটি করার পরিবর্তে কাউন্সিলের মাধ্যমে সরাসরি ভোটে নেতা নির্বাচন পদ্ধতি বেছে নেওয়া হচ্ছে।

দলের একজন সিনিয়র নেতা বলেন, সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গঠিত 'সুপার ফাইভ' বা 'সুপার সেভেন' কমিটিকে অনেকেই 'পকেট কমিটি' বলে থাকেন। অনেকের অভিযোগ, এতে তৃণমূলের মতামত উপেক্ষিত হয়। তবে এবার তৃণমূলের মত নিয়েই নতুন কমিটি করা হবে। ভোটের মাধ্যমেই এসব কমিটির নেতা নির্বাচিত করা হবে।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সমকালকে বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে থাকার সময় 'বগুড়া মডেল' কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন শুরু করেছিলেন। এই মডেল অনুযায়ী, তৃণমূল পর্যায়েও কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্ব গড়ে উঠত এবং দলের মূল শক্তি মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরাও মতামত দিতে পারতেন। এর ফলে তৃণমূলের প্রতি নেতৃত্বের টান জন্মে, আবার কেন্দ্রীয় নেতাদের দায়িত্বও বেড়ে যায়।

বিএনপি সমর্থিত পেশাজীবীসহ বিভিন্ন সংগঠনের কমিটিও নতুন করে গঠিত হচ্ছে। এরই মধ্যে চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টর'স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ জন্য গঠন হয়েছে ১৭ সদস্যের 'সাবজেক্ট কমিটি'। আগামী ১৯ জানুয়ারির মধ্যে এ কমিটি একটি 'আহ্বায়ক কমিটি' করবে। এ কমিটি সারাদেশের সব ইউনিটে কাউন্সিল করে ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে একই প্রক্রিয়ায় ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

গত শনিবার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ড্যাব নেতারা অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেন বলে জানা গেছে। এ বৈঠকের পুরো সময়ই স্কাইপিতে যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন ড্যাবের এমন একজন কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, সভার শুরুতেই তারেক রহমান গণতান্ত্রিক উপায়ে বিএনপিসহ সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি করার প্রত্যয় বক্ত করেছেন। এ জন্য সবার সহযোগিতাও চেয়েছেন তিনি।

এ বৈঠকেই গঠিত হয় ১৭ সদস্যের 'সাবজেক্ট কমিটি'। এ কমিটির সদস্যরা হলেন- অধ্যাপক আজিজুল হক, অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, অধ্যাপক হারুন আল রশিদ, অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার, অধ্যাপক মোস্তাক রহিম স্বপন, অধ্যাপক আব্দুস সালাম, অধ্যাপক রফিকুল করিম লাবু, অধ্যাপক সিরাজউদ্দিন হোসেন, অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, অধ্যাপক বজলুল গণি ভূঁইয়া, ডা. শহিদুল আলম, ডা. সিরাজুল হক, ডা. শাহিদ হাসান, ডা. মোর্ত্তজা হারুন, ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বিএনপি ছাড়াই বৈঠক ঐক্যফ্রন্টের, জাতীয় সংলাপ ৬ ফেব্রুয়ারি


আরও খবর

রাজনীতি

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ফল নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের 'জাতীয় সংলাপ' আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। 

বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, পেশাজীবী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

বৈঠকে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হঠাৎ অসুস্থ হওয়ার কারণে তিনি বৈঠকে উপস্থিত হতে পারেননি বলে নেতারা জানিয়েছেন। 

তার অনুপস্থিতিতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ড. আবদুল মঈন খানের যোগদানের কথা থাকলেও যানজটের কারণে তারাও যথাসময়ে উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু। তিনি জানান, পরবর্তী বৈঠক তারা একসঙ্গে করবেন।

তবে বিএনপি সূত্র জানায়, এদিন দলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক থাকায় তারা ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে উপস্থিত হতে পারেননি। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সঙ্গে মির্জা ফখরুলের এবং দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে জ্যেষ্ঠ নেতাদের বৈঠক হয়। সারাদেশে নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও কারাগারে থাকা নেতাকর্মীদের জামিনে মুক্ত করার বিষয় নিয়ে এ বৈঠকে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

বৈঠকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও গণফোরামের নির্বাচিত এমপিদের শপথ নেওয়া ও সংসদে যাওয়ার বিষয়েও আলোচনা করেন নেতারা। বৈঠকে মোস্তফা মহসিন মন্টু প্রসঙ্গটি উত্থাপন করে সবাইকে জানান যে তাদের দলের নির্বাচিতরা শপথ নেবেন না। নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়ার জন্য তারা সংসদে যেতে চান না।

বৈঠক শেষে ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বরের 'ভোট ডাকাতি'র নির্বাচনের প্রতিবাদে যারা সরব, তাদের এই সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হবে। তবে তিনি ৬ ফেব্রুয়ারিকে সংলাপের 'সম্ভাব্য তারিখ' বলে মন্তব্য করেন।

জামায়াতকে দাওয়াত দেওয়া হবে কি-না প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টে তার ও মন্টুর মতো মুক্তিযোদ্ধা থাকার পরও এ প্রশ্ন অবান্তর।

এ সময় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, জামায়াত ইস্যুটি পুরনো হয়ে গেছে। ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে কখনও জামায়াত ছিল না, থাকবেও না। 

জাতীয় সংলাপে আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টিকে আমন্ত্রণ জানানো হবে কি-না প্রশ্ন করা হলে মান্না বলেন, 'না।'

আ স ম রব বলেন, নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ ছিল না। এই নির্বাচন বাতিলের দাবিতে ঐক্যফ্রন্ট আন্দোলন চালিয়ে যাবে। আন্দোলনে সব মানুষের অংশগ্রহণের অংশ হিসেবে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন তারা। সারাদেশে নাগরিক কমিটি গঠন করবেন। এ ছাড়া নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, শনিবার ড. কামাল হোসেন চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাবেন। তিনি ফিরলে পরে আরও কর্মসূচি দেওয়া হবে।

ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে বিএনপির অনুপস্থিতি সম্পর্কে ফাটলের বার্তা দিচ্ছে কি-না জানতে চাইলে মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, আমরা প্রথমে যে অবস্থায় শুরু করেছি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এখনও সেই জায়গাতেই আছে, একইভাবে আছে। আমাদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন ড. কামাল হোসেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরাম নেতা ও নির্বাচিত সাংসদ সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, বিকল্পধারা বাংলাদেশের (একাংশ) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নূরুল আমিন বেপারী, মহাসচিব শাহ্ বাদল আহমেদ প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

দেশবাসী এখন অজানা আতঙ্কে: ফখরুল


আরও খবর

রাজনীতি

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর- ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সরকারের দুঃশাসনে দেশের মানুষ বাকরুদ্ধ। দেশবাসী অজানা আতঙ্ক ও নিষ্পেষণে কাতরাচ্ছে।

তিনি বলেছেন, নির্বাচনের নামে নাটক করে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী জোর জবরদস্তিমূলকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা নিয়ে এখন বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও গ্রেফতার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন নির্বাচনী সহিংসতায় গুরুতর আহত চট্টগ্রাম (দক্ষিণ) পটিয়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি নুরুল হক তালুকদার বৃহস্পতিবার মৃত্যুবরণ করায় এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল এসব বলেন।

তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন আওয়ামী লীগের ক্যাডার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী ও সমর্থকদের ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে। আর সেই হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় নুরুল হকের মৃত্যু হয়েছে। 

এই মৃত্যুতে তিনি শোক প্রকাশের ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর