সংসদ

একাদশ সংসদ বসতে পারে ২৩ জানুয়ারি

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০১৯

একাদশ সংসদ বসতে পারে ২৩ জানুয়ারি

ফাইল ছবি

   সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বৈঠক বসতে পারে ২৩ জানুয়ারি। আজ সোমবার নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার শপথের পর এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা চাওয়া হবে। এরপর এ সংক্রান্ত ফাইল রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য বঙ্গভবনে পাঠানো হবে। এ বিষয়ে সর্বাত্মক প্রস্তুতি রয়েছে সংসদ সচিবালয়ের।

আইনানুযায়ী নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের প্রথম বৈঠক বসার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই হিসাবে ৩০ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ সংসদ অধিবেশন বসতে হবে। বর্তমান দশম সংসদের মেয়াদ শেষ হবে ২৮ জানুয়ারি।

আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, দশম সংসদের পাঁচ বছরের মেয়াদ পূরণের লক্ষ্যে একাদশ সংসদের প্রথম বৈঠক ২৯ অথবা ৩০ জানুয়ারি বসার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৩ জানুয়ারি অধিবেশন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আজ মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে নতুন সরকার গঠনের পর এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেলেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে। সংসদের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০ জানুয়ারির পর যে কোনো দিন নতুন সংসদের প্রথম বৈঠকে বসার প্রস্তুতি রয়েছে সংসদ সচিবালয়ের। তবে এ সংক্রান্ত ফাইল বঙ্গভবনে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত করা হলেও তাতে দিনক্ষণ উল্লেখ করা হয়নি। আজ মন্ত্রিসভার শপথ হওয়ার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী তারিখ উল্লেখ করে বঙ্গভবনে পাঠানো হবে। বঙ্গভবন থেকে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পরই বসবে নতুন সংসদ।

কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, প্রথা অনুযায়ী বছরের শুরুতে ও নতুন সংসদের প্রথম বৈঠকের শুরুতেই রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেন। তারপর পুরো অধিবেশনে সাংসদরা সেই ভাষণের ওপর আলোচনা করেন। অধিবেশনের শেষ দিন রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রস্তাব পাস হয়। এবারের অধিবেশন দীর্ঘ হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানান তারা।

সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনেই নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হবে। এ ছাড়া কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী, বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিও প্রথম অধিবেশনে গঠনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিগুলো তৃতীয় অধিবেশনের মধ্যে গঠনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই কমিটি প্রথম অধিবেশনেই করা হতো। এবারও প্রথম অধিবেশনের মধ্যে এসব কমিটি গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে। এসব কমিটির সভাপতি পদে সিনিয়র সাংসদদের দেখা যেতে পারে। এর আগে নবম সংসদেও অপেক্ষাকৃত তরুণদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করে সিনিয়র এমপিদের সংসদীয় কমিটির সভাপতি নিযুক্ত করা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

‘বদিকে দিয়ে মাদক, শাজাহানকে দিয়ে সড়ক নিয়ন্ত্রণ কতটা সম্ভব?’


আরও খবর

সংসদ

  সমকাল প্রতিবেদক

‘আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সাংসদ আবদুর রহমান বদিকে দিয়ে মাদক প্রতিরোধ এবং সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খানকে নিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ কমিটি গঠন কতটা কার্যকর হবে’ এমন প্রশ্ন তুলেছেন সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সাংসদ ফখরুল ইমাম। 

জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অভিজ্ঞতার কারণে শাজাহান খানকে কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এখানে ব্যক্তি কোনো বিষয় নয়। শাজাহান খানের নাম প্রস্তাব করা হলে ওই বৈঠকে উপস্থিত কেউই তার বিরোধিতা করেনি বলেও জানান তিনি।

সোমবার সংসদের বৈঠকে মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তরে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে বিকেল পৌনে ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। 

শাজাহান খানকে নিয়ে এমন প্রশ্নে ফখরুল ইমামের বিরোধিতা করেন সরকারি দলের আরেক সাংসদ শামীম ওসমান। প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে ব্যক্তিগত কৈফিয়তে দাঁড়ান শাজাহান খান। তিনি ফখরুল ইমামের এমন মন্তব্যকে দুঃখজনক হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র নিন্দা জানান এবং তার এই বক্তব্য প্রত্যাহার অথবা স্পিকারকে এক্পাসঞ্জ করার দাবি জানান।

এ সময় তিনি নিজেকে দীর্ঘদিনের একজন শ্রমিক নেতা হিসেবে দাবি করে দেশের সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নিজের বিভিন্ন ভূমিকা তুলে ধরেন।

সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাবেক নৌ-পরিবহনমন্ত্রী ও বর্তমান এমপি শাজাহান খানকে। এর আগে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে তার একাধিক মন্তব্যে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এমনকি তার ব্যঙ্গাত্মক হাসির জের ধরে গত বছরের জুলাইয়ে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা রাজপথে নেমে আসে বলেও কারও কারও অভিযোগ রয়েছে। 

অন্যদিকে নবম ও দশম সংসদে কক্সবাজার থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। এবারের নির্বাচনে তাকে এ কারণেই আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন না দিয়ে তার স্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে বলে দলের মধ্যেই আলোচনা আছে। 

সম্প্রতি কক্সবাজারে ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পণের নেপথ্যেও তার ভূমিকা রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে। ফখরুল ইমাম তার প্রশ্নে আরও বলেন, গরু-ছাগল চিনলে লাইসেন্স দেওয়া যাবে-শাজাহান খানের এই মন্তব্যে সারাদেশে তোলপাড় হয়েছিল। তার এক হাসি ওই সময় দেশে কী পরিস্থিতি তৈরি করেছিল? তাকে দিয়ে সরকারের কতখানি কমিটমেন্ট রক্ষা হবে?

তবে জাপা সাংসদের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, অভিজ্ঞতার কারণে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ কমিটিতে শাজাহান খানের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। সাম্প্রতিককালে দেশে দুর্ঘটনাজনিত পরিস্থিতির কিছু অবনতি ঘটায় জরুরি ভিত্তিতে সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের সভা বসেছিল। সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ কয়েকজন মন্ত্রী, পরিবহন সংশ্নিষ্ট নেতৃবৃন্দ, ইলিয়াস কাঞ্চন, সৈয়দ আবুল মকসুদসহ সড়ক বিশেষজ্ঞরা, সংশ্নিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিব ও পুলিশের কর্তাব্যক্তিরা ছিলেন। সভায় সবার উপস্থিতিতে সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়ে একটি সুপারিশমালা তৈরির জন্য ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেখানে শাজাহান খানের নামটি প্রস্তাব করা হয়েছে। সেখানে উপস্থিত কেউ এই প্রস্তবের বিরোধিতা করেননি। তার নেতৃত্বে আরও ১৪ জন এই কমিটিতে রয়েছেন। 

অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সড়কে বিশৃঙ্খলার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা ভিআইপি হয়ে উল্টোপথে যাই। এটা তো স্বাভাবিক বিষয় নয়। ভিআইপিরা অসাধারণ মানুষ, তারা যদি উল্টো পথে চলেন তাহলে সাধারণ মানুষ কী করবে? 

সড়কে দুর্ঘটনার বিষয়টি সবচেয়ে দুর্ভাবনা মন্তব্য করে তিনি বলেন, কেবল ডিভাইডার দিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব নয়। পাশে ফুট ওভারব্রিজ থাকলেও দেখা যায় মানুষ লাফ দিয়ে ডিভাইডারের ওপর দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছেন। সড়কে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে শৃঙ্খলা রক্ষা করা; কিন্তু কেউ এটা মানতে চান না। মোবাইল ফোন কানে দিয়ে মধুর স্বরে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হন আর বাস চাপা দিয়ে চলে যায়।

রাজশাহী-৩ আসনের আয়েন উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের জানান, দেশে সড়ক পরিবহনের আওতায় রাস্তার পরিমাণ ২১ হাজার ৫৯৫ দশমিক ৪৯ কিলোমিটার। এর মধ্যে জাতীয় মহাসড়ক তিন হাজার ৯০৬ কিলোমিটার, আঞ্চলিক মহাসড়ক চার হাজার ৪৮২ দশমিক ৫৪ কিলোমিটার ও জেলা সড়ক ১৩ হাজার ২০৬ দশমিক ৯২ কিলোমিটার। মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী সড়ক বিভাগের সবচেয়ে বেশি রাস্তা রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৭৭ দশমিক ৫২ কিলোমিটার এবং সবচেয়ে কম মেহেরপুর জেলায় ১২৪ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার।

পরের
খবর

দুই হাজার প্রতিষ্ঠানকে পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্তি: শিক্ষামন্ত্রী


আরও খবর

সংসদ

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

দুই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত করা হবে বলে সংসদকে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি।

রোববার সংসদের প্রশ্নোত্তরে এক সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

একই প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, অনলাইনে নয় হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেছে। এরমধ্যে দুই হাজার প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্য হিসেবে বাছাই করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। অর্থপ্রাপ্তি সাপেক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধাপে ধাপে এমপিওভুক্ত করা হবে। খুব দ্রুতই এমপিওভুক্তি শুরু করা যাবে শিক্ষামন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

চট্টগ্রাম-৩ আসনের মাহফুজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা মন্ত্রী জানান, স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রত্যাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে উপযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্তকরণের কার্যক্রম শিগগিরই শুরু করা হবে।

মোতাহার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক এলাকার জনসংখ্যা আয়তন বিবেচনা করে প্রত্যেক এলাকায় কতগুলো প্রতিষ্ঠান হওয়া দরকার প্রাপ্যতার হিসাব আছে। অনেক জায়গায় কম আছে অনেক জাযগায় বেশি আছে। যখন এমপিওভুক্তির প্রশ্ন আসবে তখন অনেক ফ্যাক্টর দেখতে হবে। ন্যায্যতার প্রশ্নও জড়িত আছে। নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক করে ন্যায্যতাভিত্তিক করতে পারি সে চেষ্টা থাকবে।

নেত্রকোণা-৩ আসনের অসীম কুমার উকিলের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জরিপের মাধ্যমে পরিত্যক্ত ভবন চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নিরিখে পর্যায়ক্রমে নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, আগামি ২০২২ সালের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড গঠনের কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

শপথ নিলেন সৈয়দা জাকিয়া নূর


আরও খবর

সংসদ
শপথ নিলেন সৈয়দা জাকিয়া নূর

প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

আ'লীগের মনোনয়নে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দা জাকিয়া নূরকে শনিবার শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী- ফোকাস বাংলা

  সমকাল প্রতিবেদক ও কিশোরগঞ্জ অফিস

কিশোরগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দা জাকিয়া নূর শপথ নিয়েছেন।শনিবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জাতীয় সংসদ ভবনের স্পিকারের কার্যালয়ে নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান। 

শপথ অনুষ্ঠানে সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এবং হুইপ ইকবালুর রহিম উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকার নেতারা ও সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সেখানে ছিলেন।

সৈয়দা জাকিয়া নূর মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি প্রয়াত সৈয়দ নজরুল ইসলামের মেয়ে এবং আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ছোট বোন। 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েও শপথ নেওয়ার আগে গত ৩ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করলে কিশোরগঞ্জ-১ আসনটি শূন্য হয়। ওই আসনের উপ-নির্বাচনে সৈয়দা জাকিয়া নূরসহ তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। 

নির্ধারিত সময়ে অন্য দু'জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিলে জাকিয়া নূর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।