সংসদ

'রাজধানীর ২৫৫টি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ'

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০১৮

'রাজধানীর ২৫৫টি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ'

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে বর্তমানে ২৫৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।

রোববার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য এম. আব্দুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান। খবর বাসসের

মন্ত্রী জানান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) কর্তৃক ২০১০ সালে ৩২১টি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত হলেও বর্তমানে ২৫৫টি ভবন বিদ্যমান। ২৮টি ভবন মালিকপক্ষ পুনঃনির্মাণ করেছেন। অবশিষ্টগুলো ভেঙে ফেলেছেন।

তিনি জানান, বিদ্যমান ২৫৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বিশেষজ্ঞ কর্তৃক চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করে ভবন মালিকদের সাথে আলোচনা করে ভাঙা বা অপসারণের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ বিল সংসদে উত্থাপন


আরও খবর

সংসদ

ছবি: ফাইল

  সমকাল প্রতিবেদক

জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদকে আইনি কাঠামোয় এনে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে সংসদে 'বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ বিল-২০১৯' উত্থাপন করা হয়েছে। সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ সোমবার বিলটি উত্থাপন করেন। পরে তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

বিলটি উত্থাপনকালে মন্ত্রী নূরুজ্জামান আহমেদ জানান, বিদ্যমান সমাজকল্যাণ রেজুলেশন স্থগিত করে এ সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক নতুন আইন প্রণয়নের জন্য বিলটি আনা হয়েছে। বিলের বিধানে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ প্রতিষ্ঠা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ঢাকায় পরিষদের প্রধান কার্যালয় ও প্রয়োজনে দেশের যে কোনো স্থানে শাখা কার্যালয় স্থাপনের বিধানের প্রস্তাব করা হয়।

বিলে পরিষদের কার্যাবলি, পরিচালনা পরিষদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে সভাপতি করে ৮৪ সদস্যের পরিচালনা বোর্ড গঠন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চেয়ারম্যান করে ১৯ সদস্যের নির্বাহী কমিটি গঠন, নির্বাহী কমিটির সভা, কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি, নির্বাহী সচিব নিয়োগ এবং তার দায়িত্ব ও কর্তব্য, কর্মচারী নিয়োগ, কমিটি গঠন, তহবিল, বাজেট, হিসাবরক্ষণ ও নিরীক্ষা, প্রতিবেদন পেশ, বিধি-প্রবিধি প্রণয়নের ক্ষমতাসহ সংশ্নিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধানের প্রস্তাব করা হয়।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

'জয় বাংলা'কে জাতীয় স্লোগান করার প্রস্তাব সংসদে


আরও খবর

সংসদ

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

সংবিধান সংশোধন করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প উন্নয়ন বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

রোববার একাদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সালমান এফ রহমান এ প্রস্তাব করেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

সালমান এফ রহমান বলেন, 'যেভাবে আমরা সংবিধান সংশোধন করে বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা ঘোষণা করেছি, সেভাবে সংবিধান সংশোধন করে জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করতে হবে।'

তিনি বলেন, 'আমরা যারা রাজনীতি করি, আমরা বক্তব্য শেষ করার পর জয় বাংলা বলি। কিন্ত সরকারি কর্মকর্তারা বলেন না। আমি একজন সরকারি কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করলাম– আপনারা জয় বাংলা বলেন না কেন? তিনি বললেন আমরা সরকারি চাকরি করি, আমরা নির্দলীয়। জয় বাংলা স্লোগানে বাংলাদেশ স্বাধীন হলো। আর দেশ স্বাধীন হয়েছে বলে তারা পদে আছেন। সেই জয় বাংলা কীভাবে দলীয় স্লোগান হয়?’

রাষ্ট্রপতিও 'জয় বাংলা' বলে তার ভাষণ শেষ করেছেন উল্লেখ প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, 'তাহলে রাষ্ট্রপতি কী শুধু আওয়ামী লীগের হয়ে গেলেন? তিনি কি সারাদেশের রাষ্ট্রপতি নন? কিছু পত্রিকা আছে তারা বঙ্গবন্ধু লেখে না, শুধু শেখ মৃজিব লেখে। এটাও অত্যন্ত দুঃখজনক।'

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের কথা তুলে ধরে সালমান এফ রহমান বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের জন্য কিছু করছেন না, যা কিছু করছেন, দেশের জন্য, দেশের জনগণের জন্য করছেন। তিনি নিজের জন্য করলে অনেক কিছু করতে পারতেন। ১০ বছর আগে যদি আমাকে কেউ বলতেন আগামী ১০ বছর পর দেশ এই জায়গায় চলে আসবে– তাহলে আমিও সেটা বিশ্বাস করতাম না। কিন্তু শেখ হাসিনার সততা ও দক্ষ নেতৃত্বের কারণে এটা হয়েছে। তিনি দেশকে আজ এই জায়গায় নিয়ে আসতে পেরেছেন।'

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সরকার ব্যাংক ঋণ নেয়নি


আরও খবর

সংসদ

সংসদে অর্থমন্ত্রীর প্রতিবেদন

অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সরকার ব্যাংক ঋণ নেয়নি

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০১৯

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রাজস্ব আয় বাড়লেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা কমেছে। বাজেট ভারসাম্য অনুকূলে থাকায় ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হয়নি। বরং আগেকার ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে ২৬ হাজার ৬৮৭ কোটি টাকা। এ সময়ে মূল্যস্ফীতি কমেছে। স্বাভাবিক সরবরাহ পরিস্থিতি, সহায়ক মুদ্রানীতি এবং বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্য ও জ্বালানি তেলের কম মূল্য মূল্যস্ফীতি স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

রোববার একাদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের বাজেট বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং আয়-ব্যয়ের গতিধারা ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত দুই মেয়াদে উন্নয়নের মহাসড়কে আমাদের যে অভিযাত্রা ছিল, কাঙ্খিত গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। আমাদের রয়েছে অকুতোভয়, সৃজনশীল ও কর্মঠ জনশক্তি। শেখ হাসিনার সাহসী, প্রাজ্ঞ, গতিশীল ও জন-হিতৈষী নেতৃত্বের মাধ্যমে এই জনশক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে এবং সর্বমহলের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে আমরা ২০৩০ সালনাগাদ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জন এবং উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা লাভ করবো।

তিনি বলেন, ২০৪১ নাগাদ বাংলাদেশ উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াবে। ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাস্তবায়নের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন হবে। সঠিক উন্নয়ন পরিকল্পনা, সুদূরপ্রসারী কৌশল ও ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ অভিষ্ঠ লক্ষে পৌঁছাবে।

আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থনীতির খাতভিত্তিক অগ্রগতির যে চিত্র, তাতে আশাবাদী হওয়ার পূর্ণ সুযোগ রয়েছে। গত অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের তুলনায় এই প্রান্তিকে রাজস্ব আয় ও সরকারি ব্যয় বেড়েছে এবং ব্যক্তি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রসার ঘটেছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারের সর্বশেষ দুই মেয়াদে ধারাবাহিক উচ্চহারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়ে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রেকর্ড ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। আওয়ামী লীগের শাসনামলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সমৃদ্ধির একটি শক্তিশালী ধারা সৃষ্টি হয়েছে। চলতি অর্থবছর এ সরকারের একটানা তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বছর। বর্তমান অর্থবছরেও অর্থনৈতিক উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখা হবে।

বাজেট প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, গত দুই মেয়াদে বর্তমান সরকার আর্থ-সামাজিক অগ্রযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ বহু মাইলফলক অতিক্রম করেছে। পরিকল্পিত ও অন্তর্ভূূক্তিমূলক উন্নয়ন কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০০৭ থেকে শুরু হওয়া বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার দীর্ঘায়িত প্রভাব ও সময়ে সময়ে উদ্ভূত দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতাকে প্রজ্ঞা ও দক্ষতার সঙ্গে মোকাবেলা করেছে।

সংশ্লিষ্ট খবর