একাদশ সংসদ নির্বাচন

টানা তৃতীয় মেয়াদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০১৯

টানা তৃতীয় মেয়াদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

আবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হলেন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বুধবার একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিশেনে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে নির্বাচিত হন তিনি।

বেলা ৩টায় দশম জাতীয় সংসদদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়।

এরপর নোয়াখালী-৫ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ওবায়দুল কাদের স্পিকার পদে শিরীন শারমিন চৌধুরীরর নাম প্রস্তাব করেন। এই প্রস্তাবে সমর্থন দেন মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরী।

কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় দশম জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া স্পিকার পদে শিরীন শারমিন চৌধুরীরর নাম সংসদে উপস্থাপন করলে তা কন্ঠভোটে পাস হয়।

এর মাধ্যমে রংপুর -৬ আসন থেকে নির্বাচিত হওয়া শিরীন শারমিন চৌধুরী দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টানা তৃতীয় মেয়াদে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন। দেশের প্রথম নারী স্পিকারও তিনি।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

শপথ নিলেন সংরক্ষিত আসনের ৪৯ নারী এমপি


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন

সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী-ফোকাস বাংলা

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত ৪৯ সংসদ সদস্য শপথ নিয়েছেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদের শপথ পড়ান।

স্পিকার প্রথমে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সাংসদের এবং পরে জাতীয় পার্টির এমপিদের পৃথকভাবে শপথ বাক্য পাঠ করান।

সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে গত রোববার গেজেট প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন। গেজেট অনুযায়ী, নির্বাচিত ৪৯ সংসদ সদস্যের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৪৩ জন, জাতীয় পার্টির চারজন, ওয়ার্কার্স পার্টির একজন ও স্বতন্ত্র একজন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ বুধবার


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন
সংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ বুধবার

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত ৪৯ সংসদ সদস্য বুধবার শপথ নেবেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে গত রোববার গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। 

গেজেট অনুযায়ী, নির্বাচিত ৪৯ সংসদ সদস্যের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৪৩ জন, জাতীয় পার্টির চারজন, ওয়ার্কার্স পার্টির একজন ও স্বতন্ত্র একজন।

এর আগে, ৪৯ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ার পর শনিবার বিকেলে রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাশেম তাদের বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

এরশাদ ও স্পিকারের বিরুদ্ধে মামলা দুই পরাজিত প্রার্থীর


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন

  সমকাল প্রতিবেদক

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে। গতকাল রোববার হাইকোর্টের সংশ্নিষ্ট শাখায় তাদের দু'জনের বিরুদ্ধে এই মামলা দাখিল করা হয়।

নির্বাচনে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে এরশাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন জাসদের মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর সদর আসনের পরাজিত প্রার্থী সাব্বির আহমেদ। আর স্পিকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন রংপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও পীরগঞ্জ আসনের বিএনপির পরাজিত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম।

এ প্রসঙ্গে জাসদ নেতা সাব্বির আহম্মেদ বলেন, জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ হলফনামায় তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট জমা দেননি। হারিয়েছে বলে একটি জিডির কপি জমা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে দুদকের একটি মামলার তথ্যও তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি। এ দুই অভিযোগে তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়া উচিত ছিল। তবে তা হয়নি। 

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা বিষয়টি আমলে নেননি। এর পর নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করা হলে সেখানেও বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়নি। তাই হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে ওই নির্বাচন বাতিল চেয়ে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করে মামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম জানান, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে বেশ ক'টি অভিযোগ উত্থাপন করে মামলা করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে- ২০টি কেন্দ্রে শতভাগ ভোটগ্রহণ দেখানো, এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, তিন মাস আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের প্রকাশ্যে টাকা দেওয়া।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিয়ে কোনো ফল পাইনি। তাই ভোট কারচুপির অভিযোগ এবং প্রার্থীর বিজয় চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর