একাদশ সংসদ নির্বাচন

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত এমপিরা

প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০১৯

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত এমপিরা

বিটিভি থেকে নেওয়া ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী নতুন সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথ গ্রহণ করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে সংসদ ভবনের শপথকক্ষে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

এরপর রংপুর-৬ আসন থেকে নির্বাচিত স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নিজেই নিজের শপথ গ্রহণ করেন। নিজের শপথের পর নির্বাচিতদের শপথবাক্য পাঠ করান তিনি।

অনুষ্ঠানে মহাজোটের সব সংসদ সদস্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

শপথে শেখ হাসিনাসহ একাদশ সংসদের এমপিরা নিজ নিজ নাম উচ্চরণ করে স্পিকারের সঙ্গে সঙ্গে পড়তে থাকেন, 'সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ করিতেছি যে, আমি যে কর্তব্যভার গ্রহণ করিতে যাইতেছি, তাহা আইন-অনুযায়ী ও বিশ্বস্ততার সহিত পালন করিব'।

এমপির বলেন, 'আমি বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস ও আনুগত্য পোষণ করিব; এবং সংসদ-সদস্যরূপে আমার কর্তব্য পালনকে ব্যক্তিগত স্বার্থের দ্বারা প্রভাবিত হইতে দেব না।'

নির্বাচিত ২৯৮ জন সাংসদের মধ্যে ২৯১ জন বৃহস্পতিবার শপথ নিয়েছেন। শপথ নেননি বিএনপির ৫ ও গণফোরামের ২ নির্বাচিত প্রতিনিধি। শপথ শেষে নতুন সংসদ সদস্যরা সংসদ সচিবের কার্যালয়ের সংরক্ষিত খাতায় সই করবেন এবং একসঙ্গে তাদের ছবিও তোলা হবে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পাঠানো গেজেট বুধবার সংসদ সচিবালয়ে পৌঁছায়। এর পর সংসদের পক্ষ থেকে শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য বিজয়ীদের কাছে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়।

সংসদ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ এবং শপথ নেওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের বৈঠক ডাকার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে বা স্পিকারকে না জানালে বিজয়ীদের আসন শূন্য হওয়ার বিধানও রয়েছে।

৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ১ জানুয়ারি গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। ২৯৮ জনের নাম-ঠিকানাসংবলিত ওই গেজেট প্রকাশের পর নতুন এমপিদের শপথের আয়োজন করতে বুধবার সকালে সংসদ সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেয় ইসি।

মহাজোটের শরিকদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৫৬টি, জাতীয় পার্টি ২২টি, ওয়ার্কার্স পার্টি তিনটি, জাসদ দুটি, বিকল্পধারা দুটি এবং বাংলাদেশ জাসদ, তরীকত ফেডারেশন ও জাতীয় পার্টি (জেপি) একটি করে আসন পেয়েছে। এ ছাড়া বিএনপি পাঁচটি, গণফোরাম দুটি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তিনটি আসন পেয়েছেন।

মন্তব্য


অন্যান্য