একাদশ সংসদ নির্বাচন

বগুড়া-জামালপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় আহত দু'জনের মৃত্যু

প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০১৯

বগুড়া-জামালপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় আহত দু'জনের মৃত্যু

  বগুড়া ব্যুরো ও জামালপুর প্রতিনিধি

বগুড়া ও জামালপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় আহত দু'জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। নিহত দু'জন হলেন- বগুড়ার কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নাজমুল হক জুয়েল ও জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার আকন্দপাড়া গ্রামের নকুতুল্লাহ আকন্দের ছেলে যুবলীগ কর্মী আবদুর রাজ্জাক আকন্দ।

জানা গেছে, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের কাহালু উপজেলার বাঘইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গত রোববার নির্বাচন চলাকালে দু'পক্ষের সংঘর্ষে আহত হন নাজমুল হক জুয়েল। বুধবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন।

এদিকে, ভোটের দিন দুপুরে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় গুরুতর আহত হন আবদুর রাজ্জাক। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাতে তিনি মারা যান।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

এমপির শপথ নিলেন ঐক্যফ্রন্টের সুলতান


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

এমপির শপথ নিলেন ঐক্যফ্রন্টের সুলতান

প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০১৯

ছবি: বিএসএস

  সমকাল প্রতিবেদক

দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ নিলেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়নে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী গণফোরাম নেতা সুলতান মো.মনসুর।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী তার দপ্তরে সুলতান মনসুরকে শপথবাক্য পাঠ করান।

ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে জয়ী হন সুলতান মনসুর। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে শপথ নেওয়ায় সদস্যপদ হারানোর ঝুঁকি রয়েছে তার।

ডাকসুর সাবেক ভিপি ও আওয়ামী লীগের এক সময়ের সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মনসুর একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ড. কামাল হোসেনের গণফোরামে যোগ দেন।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টের হয়ে নির্বাচনে লড়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গণফোরাম নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ ও মোকাব্বির খান।

মোকাব্বির খান সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসন থেকে গণফোরামের উদীয়মান সূর্য প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন। সম্প্রতি মনসুর ও মোকাব্বের দুইজনই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়া আগ্রহ প্রকাশ করলেও শেষ মুহূর্তে শপথের আগের দিন বুধবার শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান মোকাব্বির।

গত ৩ মার্চ গণফোরামের এ দুই নেতা দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে শপথ নিলে তাদের বিরুদ্ধে দলীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান দলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে শপথ নেওয়া প্রসঙ্গে এর আগে সুলতান মনসুর সমকালকে বলেন, তিনি তার এলাকার জনগণের স্বার্থের বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। অসম্ভব প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ভোটাররা তাকে ভোট দিয়েছেন। তাই নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়ে শপথের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি।

এ জন্য দল থেকে বহিষ্কার কিংবা সদস্যপদ হারানোর ঝুঁকির ব্যাপারে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দিতে চান না বলে জানান সুলতান মনসুর।

নির্বাচনী আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১২(১) ধারায় বলা হয়েছে, 'সংসদ সদস্য হওয়ার বা সংসদ সদস্য থাকার যোগ্য হবে না, যদি তিনি কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত না হন বা স্বতন্ত্র প্রার্থী না হন।'

সে হিসেবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে বহিষ্কৃত হলে সুলতান ও মোকাব্বিরের এমপি পদে টিকে থাকার সুযোগ নেই। তবে সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি ১৭৮ ও সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্যের যোগ্যতা বা অযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে স্পিকার তা নিষ্পত্তির জন্য বা অধিকতর শুনানির জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠাতে পারবেন।

এর আগে দশম সংসদেও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কার করা হয়। তখন স্পিকার বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছিলেন। ইসির পক্ষ থেকে শুনানিও করা হয়। কিন্তু রায় দেওয়ার আগেই সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন লতিফ সিদ্দিকী।

লতিফ সিদ্দিকী ইসির শুনানির এখতিয়ার নিয়ে হাইকোর্টে রিট করলে তা খারিজ হয়ে যায়। পুনরায় আপিলেও তার রিট আবেদন খারিজ হয়। এর মধ্যেই ইসি ২০১৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শুনানির দিন ধার্য করে। তবে শুনানির আগেই ১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদের অধিবেশনে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

এর আগে সপ্তম সংসদে বিএনপিদলীয় সদস্য ডা. আলাউদ্দীন ও হাসিবুর রহমান স্বপনকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে তৎকালীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ঐকমত্যের সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়েছিলেন। তাদের সদস্যপদ থাকবে কি-না, এ নিয়ে বিতর্ক আদালতে পৌঁছায়। কিন্তু পরে তাদের আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

শপথ নিচ্ছেন না গণফোরামের মোকাব্বির


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

শপথ নিচ্ছেন না গণফোরামের মোকাব্বির

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০১৯

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিচ্ছেন না একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হয়ে জয়ী হওয়া গণফোরাম নেতা মোকাব্বির খান।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে তার শপথ গ্রহণের কথা ছিল। তবে এর একদিন আগেই বুধবার দলীয় প্যাডে স্পিকারকে লেখা একটি চিঠিতে শপথ না গ্রহণ করার কথা জানান তিনি।

সমকালকেও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসন থেকে গণফোরামের উদীয়মান সূর্য প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আরেক প্রার্থী গণফোরাম নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ বৃহস্পতিবার সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিচ্ছেন বলে এখনও পর্যন্ত জানা গেছে।

সম্প্রতি ৭ মার্চ শপথ নেওয়ার কথা জানিয়ে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে চিঠি দেন  সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ ও মোকাব্বির খান। অবশ্য দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে শপথ নিলে সদস্যপদ হারানোর ঝুঁকি রয়েছে তাদের।

গত ৩ মার্চ গণফোরামের এ দুই নেতা দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে শপথ নিলে তাদের বিরুদ্ধে দলীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান দলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে শপথ নেওয়া প্রসঙ্গে এর আগে সুলতান মনসুর সমকালকে বলেন, তিনি তার এলাকার জনগণের স্বার্থের বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। অসম্ভব প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ভোটাররা তাকে ভোট দিয়েছেন। তাই নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়ে শপথের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি।

এ জন্য দল থেকে বহিষ্কার কিংবা সদস্যপদ হারানোর ঝুঁকির ব্যাপারে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দিতে চান না বলে জানান সুলতান মনসুর। গণফোরাম থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়ন নিয়ে মৌলভীবাজার-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হয়ে বিজয়ী হন সুলতান মনসুর।

নির্বাচনী আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১২(১) ধারায় বলা হয়েছে, 'সংসদ সদস্য হওয়ার বা সংসদ সদস্য থাকার যোগ্য হবে না, যদি তিনি কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত না হন বা স্বতন্ত্র প্রার্থী না হন।'

সে হিসেবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে বহিষ্কৃত হলে সুলতান ও মোকাব্বিরের এমপি পদে টিকে থাকার সুযোগ নেই। তবে সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি ১৭৮ ও সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্যের যোগ্যতা বা অযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে স্পিকার তা নিষ্পত্তির জন্য বা অধিকতর শুনানির জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠাতে পারবেন।

এর আগে দশম সংসদেও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কার করা হয়। তখন স্পিকার বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছিলেন। ইসির পক্ষ থেকে শুনানিও করা হয়। কিন্তু রায় দেওয়ার আগেই সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন লতিফ সিদ্দিকী।

লতিফ সিদ্দিকী ইসির শুনানির এখতিয়ার নিয়ে হাইকোর্টে রিট করলে তা খারিজ হয়ে যায়। পুনরায় আপিলেও তার রিট আবেদন খারিজ হয়। এর মধ্যেই ইসি ২০১৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শুনানির দিন ধার্য করে। তবে শুনানির আগেই ১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদের অধিবেশনে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

এর আগে সপ্তম সংসদে বিএনপিদলীয় সদস্য ডা. আলাউদ্দীন ও হাসিবুর রহমান স্বপনকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে তৎকালীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ঐকমত্যের সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়েছিলেন। তাদের সদস্যপদ থাকবে কি-না, এ নিয়ে বিতর্ক আদালতে পৌঁছায়। কিন্তু পরে তাদের আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

শপথ নিলেন সংরক্ষিত আসনের ৪৯ নারী এমপি


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন

সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী— ফোকাস বাংলা

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিতরা এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালনের শপথ নিয়েছেন।

বুধবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদের শপথ কক্ষে সংরক্ষিত আসনের ৪৯ জন সংসদ সদস্যকে শপথ পড়ান।

সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষিত হলেও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এমপিরা শপথ না নেওয়ায় তাদের জন্য একটি নারী আসন ফাঁকা রয়েছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের সংখ্যানুপাতে বিএনপির একটি সংরক্ষিত আসন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব গোলাম কিবরিয়া। এসময় ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরীসহ সংসদের হুইপরা শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে আওয়ামী লীগ ও তাদের জোটের শরিক দল, তারপরে স্বতন্ত্র এবং সর্বশেষ জাতীয় পার্টির নারী এমপিরা শপথ গ্রহণ করেন। শপথ শেষে নতুন আইন প্রণেতারা শপথ বইয়ে সই করেন। এরপর সংসদের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ায় চা চক্রে অংশ নেন। নতুন সংসদ সদস্যরা পরে সচিবের অফিসে গিয়ে তালিকা বইয়ে সই করেন এবং লবিতে গিয়ে পরিচয়পত্রে জন্য আঙুলের ছাপ দেন।

কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় গত রোববার আওয়ামী লীগের ৪৩ জন, জাতীয় পার্টির চার জন, ওয়ার্কার্স পার্টির একজন এবং স্বতন্ত্র একজনকে সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

আওয়ামী লীগের মনোনীত ৪৩ নারী এমপি হলেন– অ্যারমা দত্ত, সুবর্ণা মুস্তাফা, শিরীন আহমেদ, জিন্নাতুল বাকিয়া, শবনম জাহান শিলা, নাহিদ ইজহার খান, খাদিজাতুল আনোয়ার, ওয়াশিকা আয়েশা খানম, শামসুন্নাহার ভূঁইয়া, রুমানা আলী, সুলতানা নাদিরা, হোসনে আরা, হাবিবা রহমান খান (শেফালী), জাকিয়া পারভীন খানম, শেখ এ্যানী রহমান, অপরাজিতা হক, সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, শামীমা আক্তার খানম, ফজিলাতুন নেসা, রাবেয়া আলীম, তামান্না নুসরাত বুবলী, নার্গিস রহমান, মনিরা সুলতানা, খালেদা খানম, সৈয়দা রুবিনা মিরা, কাজী কানিজ সুলতানা, গেল্গারিয়া ঝর্ণা সরকার, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, জাকিয়া তাবাসসুম, ফরিদা খানম (সাকী), রুশেমা বেগম, সৈয়দা রাশেদা বেগম, আদিবা আনজুম মিতা, ফেরদৌসী ইসলাম জেসী, পারভীন হক সিকদার, খোদেজা নাসরীন আক্তার হোসেন, তাহমিনা বেগম, নাদিয়া ইয়াসমিন জলি, রত্না আহমেদ, আঞ্জুম সুলতানা, উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, কানিজ ফাতেমা আহমেদ ও বাসন্তী চাকমা।

জাতীয় পার্টির চারজন হলেন সালমা ইসলাম, মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী, রওশন আরা মান্নান ও নাজমা আকতার।

ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের স্ত্রী লুৎফুন নেসা খান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনীত প্রার্থী সেলিনা ইসলামও বুধবার শপথ নিয়েছেন, যিনি লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলামের স্ত্রী।

সংশ্লিষ্ট খবর