একাদশ সংসদ নির্বাচন

তৃতীয় দিনেও আওয়ামী লীগের ফরম সংগ্রহে ভিড়

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০১৯

তৃতীয় দিনেও আওয়ামী লীগের ফরম সংগ্রহে ভিড়

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে দলীয় মনোনয়নপত্রের ফরম বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার এ কার্যক্রমের তৃতীয় দিনে ফরম সংগ্রহের জন্য সকাল থেকেই ভিড় করেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। 

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ফরম বিক্রি শুরু হয়। দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ফরম কিনতে হচ্ছে ৩০ হাজার টাকায়।

সকাল থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী দল ও সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নারীনেত্রী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অনেক নারীকে ফরম ক্রয়ের জন্য নির্ধারিত বুথের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। ধানমণ্ডি কার্যালয় ও পাশের ভবনে আটটি বিভাগের জন্য স্থাপিত দু'টি বুথ থেকে জেলাওয়ারি মনোনয়ন ফরম কিনেছেন তারা। 

গত মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ফরম বিক্রি শুরু হয়। বুধবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া সাংবাদিকদের জানান, দু'দিনে মোট ১ হাজার ৫৭ জন মনোয়নপ্রত্যাশী ফরম সংগ্রহ করেছেন। ফরম পূরণ করে জমা দিয়েছেন ২৫০ জন। প্রথম দিন মঙ্গলবার ফরম সংগ্রহ করেছিলেন ৬২৪ জন। দ্বিতীয় দিনে ফরম কেনেন ৪৩৩ জন

কতদিন পর্যন্ত ফরম বিক্রি চলবে, তা এখনও সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়নি। তবে আগামী ২০ জানুয়ারি রোববার পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিতরণের পাশাপাশি জমা নেওয়ার কার্যক্রম চলবে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, প্রতি ৬টি আসনে একজন সংরক্ষিত নারী এমপি নির্বাচিত করার বিধান রয়েছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৫৭ আসনে বিজয় পায় আওয়ামী লীগ। তবে শপথ গ্রহণের আগেই কিশোরগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচিত এমপি মারা যাওয়ায় ক্ষমতাসীন দলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৬। এ হিসাবে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৩টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নারীরা এমপি নির্বাচিত হবেন। 

জাতীয় পার্টি ২২ জন বিজয়ী এমপির বিপরীতে আসন পাবে চারটি। মহাজোটের অন্য দলগুলোর কোনোটিই ছয়টি বা তার বেশি আসন না পাওয়ায় এককভাবে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিতে পারবে না। অন্যদিকে বিএনপি ও তার জোট আটটি নির্বাচিত আসনের বিপরীতে দু'টি আসন পাবে। 

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

শপথ নিলেন সংরক্ষিত আসনের ৪৯ নারী এমপি


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত ৪৯ সংসদ সদস্য শপথ নিয়েছেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদের শপথ পড়ান।

স্পিকার প্রথমে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সাংসদের এবং পরে জাতীয় পার্টির এমপিদের পৃথকভাবে শপথ বাক্য পাঠ করান।

সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে গত রোববার গেজেট প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন। গেজেট অনুযায়ী, নির্বাচিত ৪৯ সংসদ সদস্যের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৪৩ জন, জাতীয় পার্টির চারজন, ওয়ার্কার্স পার্টির একজন ও স্বতন্ত্র একজন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ বুধবার


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন
সংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ বুধবার

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত ৪৯ সংসদ সদস্য বুধবার শপথ নেবেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে গত রোববার গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। 

গেজেট অনুযায়ী, নির্বাচিত ৪৯ সংসদ সদস্যের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৪৩ জন, জাতীয় পার্টির চারজন, ওয়ার্কার্স পার্টির একজন ও স্বতন্ত্র একজন।

এর আগে, ৪৯ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ার পর শনিবার বিকেলে রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাশেম তাদের বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

এরশাদ ও স্পিকারের বিরুদ্ধে মামলা দুই পরাজিত প্রার্থীর


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন

  সমকাল প্রতিবেদক

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে। গতকাল রোববার হাইকোর্টের সংশ্নিষ্ট শাখায় তাদের দু'জনের বিরুদ্ধে এই মামলা দাখিল করা হয়।

নির্বাচনে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে এরশাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন জাসদের মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর সদর আসনের পরাজিত প্রার্থী সাব্বির আহমেদ। আর স্পিকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন রংপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও পীরগঞ্জ আসনের বিএনপির পরাজিত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম।

এ প্রসঙ্গে জাসদ নেতা সাব্বির আহম্মেদ বলেন, জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ হলফনামায় তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট জমা দেননি। হারিয়েছে বলে একটি জিডির কপি জমা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে দুদকের একটি মামলার তথ্যও তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি। এ দুই অভিযোগে তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়া উচিত ছিল। তবে তা হয়নি। 

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা বিষয়টি আমলে নেননি। এর পর নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করা হলে সেখানেও বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়নি। তাই হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে ওই নির্বাচন বাতিল চেয়ে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করে মামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম জানান, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে বেশ ক'টি অভিযোগ উত্থাপন করে মামলা করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে- ২০টি কেন্দ্রে শতভাগ ভোটগ্রহণ দেখানো, এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, তিন মাস আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের প্রকাশ্যে টাকা দেওয়া।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিয়ে কোনো ফল পাইনি। তাই ভোট কারচুপির অভিযোগ এবং প্রার্থীর বিজয় চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর