একাদশ সংসদ নির্বাচন

জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসির নিরপেক্ষ ভূমিকা চায় সুজন

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮

জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসির নিরপেক্ষ ভূমিকা চায় সুজন

  সমকাল প্রতিবেদক

জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকেও দল ও দেশ পরিচালনায় তাদের ভূমিকা কী হবে তা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘নির্বাচনী ইশতেহার: নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলন ও আলোচনা অনুষ্ঠানে এমন অভিমত উঠে আসে। সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে কী কী বিষয় থাকা উচিত সে বিষয়ে সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে সুজনের লিখিত সুপারিশ উত্থাপন করেন সংগঠনটির সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতায় বিশ্বাসী হয়ে রাজনীতি করতে হবে। রাষ্ট্রীয় আদর্শের সঙ্গে দলগুলোর আদর্শের সঙ্গতি থাকতে হবে। সরকার ও দেশ পরিচালনায় জনগণের মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর ইতিহাস ও দল পরিচালনায় তাদের কার কী ভূমিকা তা তুলে ধরতে হবে। গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে, জনগণের অধিকার আদায়ে  রাজনৈতিক দলগুওেলার অর্জন তুলে ধরতে হবে। ক্ষমতায় থাকাকালে নির্বাচনী ইশতেহার কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে তা উল্লেখ করতে হবে। আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরতে হবে।

লিখিত সুপারিশে আরও বলা হয়, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, যাতে সত্যিকার অর্থে জনগণের সম্মতির শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সংস্কারের রূপরেখা দিতে হবে, নির্বাচনে প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা, হলফনামার সংস্কার,  হলফনামা যাচাই-বাছাই, নির্বাচনী ব্যয়ে স্বচ্ছতা, না ভোটের বিধান করতে হবে। শাসন ব্যবস্থার একচ্ছত্র প্রাধান্যের অবসান করতে হবে। সাংবিধানিক সংস্কার, মেয়াদের সীমা নির্ধারণ, দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ, গণভোট রিকল ব্যবস্থা, আদিবাসিদের সাংবাধিনিক স্বীকৃতি ও ধর্মনিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে।

কলামিস্ট ও সুজনের নির্বাহী সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, ‘সরকারের অসন্তুষ্টি নিয়ে নির্বাচন কমিশন কাজ করতে পারবে না। যেভাবে তারা কাজ করতে চায় তারা পারছে না। সরকারি দলের লোকজন যেভাবে নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা করছেন, তাতে মনে হচ্ছে, সরকারি দলের লোকজন নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগে নেমেছেন। এ অবস্থায় জনগণের আস্থা ফেরাতে হলে তাদেরই প্রমাণ করতে হবে তারা দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম, স্বচ্ছ নির্বাচন করতে পারবে। নির্বাচন কমিশনকে তাদের স্বচ্ছতা ও দায়িত্ব দৃশ্যমান করতে হবে।’

রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহার বাস্তবায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যে দলই ক্ষমতায় যায় সেই দলই রাজনৈতিক ইশতেহার বাস্তবায়নের কথা ভুলে যায়। তাই এবার তাদের আগের নির্বাচনী ইশতেহারে কতটা বাস্তবায়ন হয়েছে আর কতটা হয়নি তা তুলে ধরতে হবে।’

সুজন সভাপতি এম হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, ‘যেসব আইন-কানুন রয়েছে তা যদি বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে আশা করা যায় সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব হবে।’

নির্বাচনী ইশতেহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত তারা যে ইশতেহার ঘোষণা করবে, তারা ক্ষমতায় যাওয়ার পর তা বাস্তবায়ন করা। ক্ষমতায় যাওয়ার পর তারা তাদের অঙ্গীকার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাস্তবায়ন করে না। নির্বাচনী ইশতেহারেও তাদের এ বিষয়ে স্পষ্ট করতে হবে।’

সুজনের নির্বাহী সদস্য ও আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় যাবে তারা যেন তাদের অঙ্গীকার ভুলে না যায়। স্বাধীন দেশে নির্বাচনের সময় আমি আমার মতামত প্রকাশ করতে পারবো না, করলে নির্বাচন কমিশন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ব্যবস্থা নেবে— এটা থাকলে জনগণ কীভাবে তাদের গণতান্ত্রিক স্বাধীন মতামত ব্যক্ত করবে।’

নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে সুজনের লিখিত সুপারিশে আরও বলা হয়, তথ্য অধিকার আইনের ব্যাপক প্রয়োগ, শাসন প্রক্রিয়ায় নাগরিকের কার্যকর অংশগ্রহণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার থাকতে হবে, স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা সংসদ সদস্যের প্রভাবমুক্ত রেখে সত্যিকারের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে, আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নজরদারি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে, আর্থিক খাতের দুর্নীতি ও অর্থ পাচার রোধ ও পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার অঙ্গীকার থাকতে হবে, শিল্পে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, একমুখী শিক্ষা ও শিক্ষার মনোন্নয়ন করার অঙ্গীকার থাকতে হবে, নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ বৈষম্য ও সহিংসতার অবসান ঘটানোর অঙ্গীকার থাকতে হবে।

এছাড়া গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধ, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও অন্যান্য নিবর্তনমুলক আইনের সংস্কার, যুদ্ধপারেধের বিচার কাজ শেষ করা, জঙ্গিবাদ বন্ধের অঙ্গীকার রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে রাখার সুপারিশ করেছে সুজন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

শপথ নিলেন সংরক্ষিত আসনের ৪৯ নারী এমপি


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন

সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী— ফোকাস বাংলা

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিতরা এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালনের শপথ নিয়েছেন।

বুধবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদের শপথ কক্ষে সংরক্ষিত আসনের ৪৯ জন সংসদ সদস্যকে শপথ পড়ান।

সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষিত হলেও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এমপিরা শপথ না নেওয়ায় তাদের জন্য একটি নারী আসন ফাঁকা রয়েছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের সংখ্যানুপাতে বিএনপির একটি সংরক্ষিত আসন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব গোলাম কিবরিয়া। এসময় ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরীসহ সংসদের হুইপরা শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে আওয়ামী লীগ ও তাদের জোটের শরিক দল, তারপরে স্বতন্ত্র এবং সর্বশেষ জাতীয় পার্টির নারী এমপিরা শপথ গ্রহণ করেন। শপথ শেষে নতুন আইন প্রণেতারা শপথ বইয়ে সই করেন। এরপর সংসদের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ায় চা চক্রে অংশ নেন। নতুন সংসদ সদস্যরা পরে সচিবের অফিসে গিয়ে তালিকা বইয়ে সই করেন এবং লবিতে গিয়ে পরিচয়পত্রে জন্য আঙুলের ছাপ দেন।

কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় গত রোববার আওয়ামী লীগের ৪৩ জন, জাতীয় পার্টির চার জন, ওয়ার্কার্স পার্টির একজন এবং স্বতন্ত্র একজনকে সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

আওয়ামী লীগের মনোনীত ৪৩ নারী এমপি হলেন– অ্যারমা দত্ত, সুবর্ণা মুস্তাফা, শিরীন আহমেদ, জিন্নাতুল বাকিয়া, শবনম জাহান শিলা, নাহিদ ইজহার খান, খাদিজাতুল আনোয়ার, ওয়াশিকা আয়েশা খানম, শামসুন্নাহার ভূঁইয়া, রুমানা আলী, সুলতানা নাদিরা, হোসনে আরা, হাবিবা রহমান খান (শেফালী), জাকিয়া পারভীন খানম, শেখ এ্যানী রহমান, অপরাজিতা হক, সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, শামীমা আক্তার খানম, ফজিলাতুন নেসা, রাবেয়া আলীম, তামান্না নুসরাত বুবলী, নার্গিস রহমান, মনিরা সুলতানা, খালেদা খানম, সৈয়দা রুবিনা মিরা, কাজী কানিজ সুলতানা, গেল্গারিয়া ঝর্ণা সরকার, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, জাকিয়া তাবাসসুম, ফরিদা খানম (সাকী), রুশেমা বেগম, সৈয়দা রাশেদা বেগম, আদিবা আনজুম মিতা, ফেরদৌসী ইসলাম জেসী, পারভীন হক সিকদার, খোদেজা নাসরীন আক্তার হোসেন, তাহমিনা বেগম, নাদিয়া ইয়াসমিন জলি, রত্না আহমেদ, আঞ্জুম সুলতানা, উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, কানিজ ফাতেমা আহমেদ ও বাসন্তী চাকমা।

জাতীয় পার্টির চারজন হলেন সালমা ইসলাম, মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী, রওশন আরা মান্নান ও নাজমা আকতার।

ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের স্ত্রী লুৎফুন নেসা খান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনীত প্রার্থী সেলিনা ইসলামও বুধবার শপথ নিয়েছেন, যিনি লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলামের স্ত্রী।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ বুধবার


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন
সংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ বুধবার

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত ৪৯ সংসদ সদস্য বুধবার শপথ নেবেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে গত রোববার গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। 

গেজেট অনুযায়ী, নির্বাচিত ৪৯ সংসদ সদস্যের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৪৩ জন, জাতীয় পার্টির চারজন, ওয়ার্কার্স পার্টির একজন ও স্বতন্ত্র একজন।

এর আগে, ৪৯ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ার পর শনিবার বিকেলে রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাশেম তাদের বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

এরশাদ ও স্পিকারের বিরুদ্ধে মামলা দুই পরাজিত প্রার্থীর


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন

  সমকাল প্রতিবেদক

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে। গতকাল রোববার হাইকোর্টের সংশ্নিষ্ট শাখায় তাদের দু'জনের বিরুদ্ধে এই মামলা দাখিল করা হয়।

নির্বাচনে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে এরশাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন জাসদের মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর সদর আসনের পরাজিত প্রার্থী সাব্বির আহমেদ। আর স্পিকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন রংপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও পীরগঞ্জ আসনের বিএনপির পরাজিত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম।

এ প্রসঙ্গে জাসদ নেতা সাব্বির আহম্মেদ বলেন, জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ হলফনামায় তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট জমা দেননি। হারিয়েছে বলে একটি জিডির কপি জমা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে দুদকের একটি মামলার তথ্যও তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি। এ দুই অভিযোগে তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়া উচিত ছিল। তবে তা হয়নি। 

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা বিষয়টি আমলে নেননি। এর পর নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করা হলে সেখানেও বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়নি। তাই হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে ওই নির্বাচন বাতিল চেয়ে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করে মামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম জানান, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে বেশ ক'টি অভিযোগ উত্থাপন করে মামলা করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে- ২০টি কেন্দ্রে শতভাগ ভোটগ্রহণ দেখানো, এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, তিন মাস আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের প্রকাশ্যে টাকা দেওয়া।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিয়ে কোনো ফল পাইনি। তাই ভোট কারচুপির অভিযোগ এবং প্রার্থীর বিজয় চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর