একাদশ সংসদ নির্বাচন

ইসিতে ৫৪৩ আপিলের শুনানি শুরু বৃহস্পতিবার

প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮

ইসিতে ৫৪৩ আপিলের শুনানি শুরু বৃহস্পতিবার

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর এ পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়ে গত তিন দিনে ৫৪৩ জন নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন করেছেন।

এর মধ্যে বেশ কয়েকজন রয়েছেন বর্তমান দশম সংসদের এমপি, যারা পদে থেকেই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার থেকে এসব আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

আপিল গ্রহণের কার্যক্রম শেষ করার পর বুধবার ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে শুনানি শুরু। সিইসির নেতৃত্বে কমিশনের সব সদস্য এই শুনানিতে অংশ নেবেন। আপিলের ক্রমিক নম্বর ১ থেকে ১৬০ নম্বর পর্যন্ত প্রথম দিনে শুনবেন। শুক্রবার ১৬১ থেকে ৩১০ নম্বর আপিল শুনবেন। শেষ দিনে বাকি সব আবেদন শোনা হবে। শুনানির জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় থাকবে না। যতক্ষণ সময় লাগে শুনানি হবে। আপিলের সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিক রায় দেওয়া হবে।

এর আগে বিএনপি ইসিতে দাবি জানিয়েছিল, শুক্রবারের মধ্যে যেন আপিল শুনানি শেষ করা হয়। তারা জানান, ৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। যদি ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুনানি করা হয়, তাহলে অনেক প্রার্থীই জটিলতার মুখে পড়বেন।

ইসি সচিব এ বিষয়ে বলেন, বিএনপির প্রতিনিধি দলও মেনে নিয়েছে যে এতগুলো আপিল দু'দিনে নিষ্পত্তি করা সম্ভব নয়। তিন দিনই লাগবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ৯ ডিসেম্বর। ৮ ডিসেম্বরের মধ্যেই আপিল শেষ হয়ে যাবে। সিদ্ধান্ত টেলিফোনেও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের জানিয়ে দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে যথেষ্ট সময় থাকবে। প্রতীক বরাদ্দের চিঠি নিয়ে কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

শপথ নিলেন সংরক্ষিত আসনের ৪৯ নারী এমপি


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন

সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী— ফোকাস বাংলা

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিতরা এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালনের শপথ নিয়েছেন।

বুধবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদের শপথ কক্ষে সংরক্ষিত আসনের ৪৯ জন সংসদ সদস্যকে শপথ পড়ান।

সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষিত হলেও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এমপিরা শপথ না নেওয়ায় তাদের জন্য একটি নারী আসন ফাঁকা রয়েছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের সংখ্যানুপাতে বিএনপির একটি সংরক্ষিত আসন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব গোলাম কিবরিয়া। এসময় ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরীসহ সংসদের হুইপরা শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে আওয়ামী লীগ ও তাদের জোটের শরিক দল, তারপরে স্বতন্ত্র এবং সর্বশেষ জাতীয় পার্টির নারী এমপিরা শপথ গ্রহণ করেন। শপথ শেষে নতুন আইন প্রণেতারা শপথ বইয়ে সই করেন। এরপর সংসদের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ায় চা চক্রে অংশ নেন। নতুন সংসদ সদস্যরা পরে সচিবের অফিসে গিয়ে তালিকা বইয়ে সই করেন এবং লবিতে গিয়ে পরিচয়পত্রে জন্য আঙুলের ছাপ দেন।

কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় গত রোববার আওয়ামী লীগের ৪৩ জন, জাতীয় পার্টির চার জন, ওয়ার্কার্স পার্টির একজন এবং স্বতন্ত্র একজনকে সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

আওয়ামী লীগের মনোনীত ৪৩ নারী এমপি হলেন– অ্যারমা দত্ত, সুবর্ণা মুস্তাফা, শিরীন আহমেদ, জিন্নাতুল বাকিয়া, শবনম জাহান শিলা, নাহিদ ইজহার খান, খাদিজাতুল আনোয়ার, ওয়াশিকা আয়েশা খানম, শামসুন্নাহার ভূঁইয়া, রুমানা আলী, সুলতানা নাদিরা, হোসনে আরা, হাবিবা রহমান খান (শেফালী), জাকিয়া পারভীন খানম, শেখ এ্যানী রহমান, অপরাজিতা হক, সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, শামীমা আক্তার খানম, ফজিলাতুন নেসা, রাবেয়া আলীম, তামান্না নুসরাত বুবলী, নার্গিস রহমান, মনিরা সুলতানা, খালেদা খানম, সৈয়দা রুবিনা মিরা, কাজী কানিজ সুলতানা, গেল্গারিয়া ঝর্ণা সরকার, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, জাকিয়া তাবাসসুম, ফরিদা খানম (সাকী), রুশেমা বেগম, সৈয়দা রাশেদা বেগম, আদিবা আনজুম মিতা, ফেরদৌসী ইসলাম জেসী, পারভীন হক সিকদার, খোদেজা নাসরীন আক্তার হোসেন, তাহমিনা বেগম, নাদিয়া ইয়াসমিন জলি, রত্না আহমেদ, আঞ্জুম সুলতানা, উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, কানিজ ফাতেমা আহমেদ ও বাসন্তী চাকমা।

জাতীয় পার্টির চারজন হলেন সালমা ইসলাম, মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী, রওশন আরা মান্নান ও নাজমা আকতার।

ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের স্ত্রী লুৎফুন নেসা খান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনীত প্রার্থী সেলিনা ইসলামও বুধবার শপথ নিয়েছেন, যিনি লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলামের স্ত্রী।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ বুধবার


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন
সংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ বুধবার

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত ৪৯ সংসদ সদস্য বুধবার শপথ নেবেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে গত রোববার গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। 

গেজেট অনুযায়ী, নির্বাচিত ৪৯ সংসদ সদস্যের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৪৩ জন, জাতীয় পার্টির চারজন, ওয়ার্কার্স পার্টির একজন ও স্বতন্ত্র একজন।

এর আগে, ৪৯ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ার পর শনিবার বিকেলে রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাশেম তাদের বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

এরশাদ ও স্পিকারের বিরুদ্ধে মামলা দুই পরাজিত প্রার্থীর


আরও খবর

একাদশ সংসদ নির্বাচন

  সমকাল প্রতিবেদক

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে। গতকাল রোববার হাইকোর্টের সংশ্নিষ্ট শাখায় তাদের দু'জনের বিরুদ্ধে এই মামলা দাখিল করা হয়।

নির্বাচনে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে এরশাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন জাসদের মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর সদর আসনের পরাজিত প্রার্থী সাব্বির আহমেদ। আর স্পিকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন রংপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও পীরগঞ্জ আসনের বিএনপির পরাজিত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম।

এ প্রসঙ্গে জাসদ নেতা সাব্বির আহম্মেদ বলেন, জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ হলফনামায় তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট জমা দেননি। হারিয়েছে বলে একটি জিডির কপি জমা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে দুদকের একটি মামলার তথ্যও তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি। এ দুই অভিযোগে তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়া উচিত ছিল। তবে তা হয়নি। 

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা বিষয়টি আমলে নেননি। এর পর নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করা হলে সেখানেও বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়নি। তাই হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে ওই নির্বাচন বাতিল চেয়ে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করে মামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম জানান, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে বেশ ক'টি অভিযোগ উত্থাপন করে মামলা করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে- ২০টি কেন্দ্রে শতভাগ ভোটগ্রহণ দেখানো, এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, তিন মাস আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের প্রকাশ্যে টাকা দেওয়া।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিয়ে কোনো ফল পাইনি। তাই ভোট কারচুপির অভিযোগ এবং প্রার্থীর বিজয় চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর