ময়মনসিংহ

এসএসসিতে সব বিষয়ে পাস করেও ১৫ শিক্ষার্থী ফেল!

প্রকাশ : ১৩ মে ২০১৯ | আপডেট : ১৩ মে ২০১৯

এসএসসিতে সব বিষয়ে পাস করেও ১৫ শিক্ষার্থী ফেল!

  শেরপুর প্রতিনিধি

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন শেরপুরের নকলা উপজেলায় সব বিষয়ে পাস করেও ১৫ শিক্ষার্থীকে অকৃতকার্য দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার কৃষ্ণপুর দাখিল মাদরাসার ৬ জন ও ধুকুড়িয়া আলিম মাদরাসার ৯ জন ভোকেশনাল শাখার কম্পিউটার (বিষয় কোড- ৬৮২৩) ও তথ্য প্রযুক্তি (বিষয় কোড- ৬৮২৪) এবং মৎস্য শিক্ষা ও পুষ্টি (বিষয় কোড- ৭৫২৩ ও ৭৫২৪) বিষয়ে কৃতকার্য হলেও নম্বর পত্রে শিক্ষকদের হাতে থাকা বাস্তব প্রশিক্ষণ নম্বরের ক্ষেত্রে ‘এফ’ পাওয়ায় ফলাফলে তাদের ফেল দেখানো হয়েছে। 

অভিভাবকরা জানায়, কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি এবং মৎস্য শিক্ষা ও পুষ্টি বিষয়ের ১৫ পরীক্ষার্থী আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক সব বিষয়ে পাস করলেও বোর্ডের ফলাফলে তাদের অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও বোর্ড গুরুত্ব দিয়ে কাজ না করায় তাদের এ অবস্থায় পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের।

অভিভাবকরা বলেন, 'অনেক সময় অকৃতকার্য হওয়ার খবর শুনে অনেক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে। যদি এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে তবে তার দায় কে নেবে?'

কৃষ্ণপুর দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা রুকনুজ্জামান সমকালকে বলেন, নকলার সব ভোকেশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাস্তব প্রশিক্ষণের নম্বর পত্রের কপি ২৫ এপ্রিল অনলাইনের মাধ্যমে একযোগে বোর্ডে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু দুটি প্রতিষ্ঠানের নম্বরপত্র না পাওয়ার কারণে ফলাফলে ফেল এসেছে।

তিনি জানান, অনলাইনে নম্বর পাঠানোর সময় সার্ভারে ত্রুটি থাকায় যেসব শিক্ষার্থীর নম্বর পত্র জমা হয়নি সেসব প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীর নামের তালিকা ও নম্বর পত্রসহ একটি আবেদন চেয়েছে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। ৯ মে নম্বর পত্রের মূলকপি আবার বোর্ডে পাঠানো হয়েছে।

নকলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ সমকালকে বলেন, নম্বর পত্র পাঠানোর সময় ইন্টারনেট অথবা বোর্ডের ওয়েবসাইটে সমস্যা থাকায় এমনটা হয়ে থাকতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দ্রুত বোর্ডে যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের এসএসি পরীক্ষার ফলাফলেও নকলার ৪১ পরীক্ষার্থীর এমন অবস্থা হয়েছিল। পরে তাদের ফলাফল ঠিক করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়।

মন্তব্য


অন্যান্য