ময়মনসিংহ

কিশোরীকে ৫ দিন আটকে রেখে দলবেঁধে ধর্ষণ

প্রকাশ : ২১ মে ২০১৯

কিশোরীকে ৫ দিন আটকে রেখে দলবেঁধে ধর্ষণ

প্রতীকী ছবি

   কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীকে পাঁচ দিন বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গণধর্ষণ করেছে কথিত প্রেমিক ও তার বন্ধুরা। গত ১৫ মে থেকে ১৯ মে পর্যন্ত মেয়েটির সঙ্গে এমন কাণ্ড করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সহায়তা ও ধামাচাপায় জড়িত থাকার অভিযোগে কটিয়াদীর লোহাজুরি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুর রশিদকে মঙ্গলবার সকালে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা সোমবার রাতে কটিয়াদী মডেল থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

কিশোরীর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গণধর্ষণের শিকার কিশোরীর সঙ্গে উত্তর লোহাজুরী গ্রামের চান্দু মিয়ার ছেলে মো. সুমনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১৫ মে রাত সাড়ে ৮টার সময় সুমন মেয়েটিকে ফোন করে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে আনে। পরে সুমন ও তার বন্ধু লোহাজুরি ইউনিয়নের দশপাখি গ্রামের জুলহাস উদ্দিনের ছেলে শোভন মোটরসাইকেলে করে পূর্বচর পাড়তালা গ্রামের একটি নির্মাণাধীন দোতলা বাড়ির নিচতলায় একটি কক্ষে নিয়ে যায়। পরে রাতে কথিত প্রেমিক সুমন, শোভন ও পূর্বচর পাড়াতলার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে শামীম দলবেঁধে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। ওই রাতেই তারা স্থানীয় ইউপি সদস্য রশিদের সহযোগিতায় মেয়েটিকে পার্শ্ববর্তী পাকুন্দিয়া উপজেলার একটি নির্জন বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর আরও তিন দিন ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়। গত ১৯ মে রাত ৮টার দিকে কিশোরীকে আসামিরা তার বাড়ির সামনে রেখে পালিয়ে যায়।

কটিয়াদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় মামলার পর ইউপি সদস্য রশিদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আর ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে আদালত সূত্র জানায়, গ্রেফতার ইউপি সদস্য আবদুর রশিদকে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালত-৫-এ সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মন্তব্য


অন্যান্য